স্ট্রিম ডেস্ক

হরমুজ প্রণালিতে চলাচলকারী জাহাজগুলোর জন্য বিকল্প রুট নির্ধারণ করেছে ইরান। গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথের মূল এলাকায় মাইন বিস্ফোরণের ঝুঁকি থাকায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির ইসলামিক বিপ্লবী গার্ডের (আইআরজিসি) নৌবাহিনী।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) আইআরজিসির বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচল করতে ইচ্ছুক সব জাহাজকে জানানো যাচ্ছে– সামুদ্রিক নিরাপত্তার নীতিমালা মেনে চলা এবং সম্ভাব্য মাইনের সঙ্গে দুর্ঘটনা এড়াতে বিকল্প রুট ব্যবহার করা উচিত। প্রণালিতে প্রবেশ ও প্রস্থানের জন্য বিকল্প পথের নির্দেশনাও উল্লেখ করেছে আইআরজিসি। খবর দ্য ডেইলি মিরর।
গতকাল বুধবার (৮ এপ্রিল) দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির অংশ হিসেবে সাময়িকভাবে হরমুজ প্রণালি খুলে দেয় ইরান। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পরই এই নৌপথ বন্ধ করে দিয়েছিল তারা। ফলে বিশ্বব্যাপী জ্বালানির দামে অস্থিরতা তৈরি হয়।
এদিকে, শর্তসাপেক্ষে ইরানের অবরোধ তুলে দেওয়ার পরেও গত ২৪ ঘণ্টায় হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল কার্যত স্থবির রয়েছে। এবিসির বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর পর প্রতিদিন গড়ে সাতটি তেলবাহী ট্যাংকার, বাল্ক ক্যারিয়ার এবং কনটেইনার জাহাজ অতিক্রম করেছে। যুদ্ধের আগে প্রতিদিন ১৩০টির বেশি জাহাজ চলাচল করত।
যুদ্ধবিরতির পর থেকে একদিনের প্রাপ্ত ট্র্যাকিং তথ্য অনুযায়ী, মাত্র সাতটি জাহাজ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে। এগুলোর মধ্যে ছয়টি ছিল বাল্ক কার্গো বহনকারী। যেগুলো প্রণালির মাঝের স্বাভাবিক পথের পরিবর্তে ইরানের উপকূল ঘেঁষা ‘টোল বুথ’ রুট ব্যবহার করে চলাচল করেছে।
এই ছয়টি বাল্ক ক্যারিয়ারের মধ্যে তিনটি চীনের মালিকানাধীন এবং তিনটি গ্রিসের। সপ্তম জাহাজটি ছিল চীনের মালিকানাধীন একটি তেল ও রাসায়নিকবাহী ট্যাংকার। প্রণালি অতিক্রমের সময় এটি ট্র্যাকিং মানচিত্র থেকে হঠাৎ অদৃশ্য হয়ে যায়। এটি ইঙ্গিত দেয়– হয়ত জাহাজটির ট্র্যাকিং তথ্য ইচ্ছে করে বন্ধ অথবা বিঘ্নিত করা হয়েছিল।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের তথ্য, যুদ্ধবিরতির অংশ হিসেবে ইরান মধ্যস্থতাকারীদের জানিয়েছে– তারা দিনে প্রণালি দিয়ে ডজনখানেক জাহাজ চলাচল করতে দেবে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে লেবাননে ইসরায়েলের ভয়াবহ হামলার প্রতিক্রিয়ায় ইরান আবারও হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিয়েছে। তবে এসব প্রতিবেদনেও এও বলা হয়েছে, ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী বাহিনী জাহাজগুলোকে মাইন এড়াতে সহায়তার অংশ হিসেবে একটি বিকল্প মানচিত্র প্রকাশ করেছে।
হরমুজ প্রণালি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে এলেও বৈশ্বিকভাবে তেল-গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক হতে দীর্ঘ সময় লাগতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

হরমুজ প্রণালিতে চলাচলকারী জাহাজগুলোর জন্য বিকল্প রুট নির্ধারণ করেছে ইরান। গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথের মূল এলাকায় মাইন বিস্ফোরণের ঝুঁকি থাকায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির ইসলামিক বিপ্লবী গার্ডের (আইআরজিসি) নৌবাহিনী।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) আইআরজিসির বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচল করতে ইচ্ছুক সব জাহাজকে জানানো যাচ্ছে– সামুদ্রিক নিরাপত্তার নীতিমালা মেনে চলা এবং সম্ভাব্য মাইনের সঙ্গে দুর্ঘটনা এড়াতে বিকল্প রুট ব্যবহার করা উচিত। প্রণালিতে প্রবেশ ও প্রস্থানের জন্য বিকল্প পথের নির্দেশনাও উল্লেখ করেছে আইআরজিসি। খবর দ্য ডেইলি মিরর।
গতকাল বুধবার (৮ এপ্রিল) দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির অংশ হিসেবে সাময়িকভাবে হরমুজ প্রণালি খুলে দেয় ইরান। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পরই এই নৌপথ বন্ধ করে দিয়েছিল তারা। ফলে বিশ্বব্যাপী জ্বালানির দামে অস্থিরতা তৈরি হয়।
এদিকে, শর্তসাপেক্ষে ইরানের অবরোধ তুলে দেওয়ার পরেও গত ২৪ ঘণ্টায় হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল কার্যত স্থবির রয়েছে। এবিসির বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর পর প্রতিদিন গড়ে সাতটি তেলবাহী ট্যাংকার, বাল্ক ক্যারিয়ার এবং কনটেইনার জাহাজ অতিক্রম করেছে। যুদ্ধের আগে প্রতিদিন ১৩০টির বেশি জাহাজ চলাচল করত।
যুদ্ধবিরতির পর থেকে একদিনের প্রাপ্ত ট্র্যাকিং তথ্য অনুযায়ী, মাত্র সাতটি জাহাজ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে। এগুলোর মধ্যে ছয়টি ছিল বাল্ক কার্গো বহনকারী। যেগুলো প্রণালির মাঝের স্বাভাবিক পথের পরিবর্তে ইরানের উপকূল ঘেঁষা ‘টোল বুথ’ রুট ব্যবহার করে চলাচল করেছে।
এই ছয়টি বাল্ক ক্যারিয়ারের মধ্যে তিনটি চীনের মালিকানাধীন এবং তিনটি গ্রিসের। সপ্তম জাহাজটি ছিল চীনের মালিকানাধীন একটি তেল ও রাসায়নিকবাহী ট্যাংকার। প্রণালি অতিক্রমের সময় এটি ট্র্যাকিং মানচিত্র থেকে হঠাৎ অদৃশ্য হয়ে যায়। এটি ইঙ্গিত দেয়– হয়ত জাহাজটির ট্র্যাকিং তথ্য ইচ্ছে করে বন্ধ অথবা বিঘ্নিত করা হয়েছিল।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের তথ্য, যুদ্ধবিরতির অংশ হিসেবে ইরান মধ্যস্থতাকারীদের জানিয়েছে– তারা দিনে প্রণালি দিয়ে ডজনখানেক জাহাজ চলাচল করতে দেবে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে লেবাননে ইসরায়েলের ভয়াবহ হামলার প্রতিক্রিয়ায় ইরান আবারও হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিয়েছে। তবে এসব প্রতিবেদনেও এও বলা হয়েছে, ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী বাহিনী জাহাজগুলোকে মাইন এড়াতে সহায়তার অংশ হিসেবে একটি বিকল্প মানচিত্র প্রকাশ করেছে।
হরমুজ প্রণালি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে এলেও বৈশ্বিকভাবে তেল-গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক হতে দীর্ঘ সময় লাগতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে ইসরায়েল লেবাননে হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে। তাদের হামলায় এখন পর্যন্ত লেবাননে ২৫৪ জন নিহত হয়েছে। এই হত্যাযজ্ঞের জবাবে উত্তর ইসরায়েলে রকেট হামলার দাবি করেছে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ।
৪ ঘণ্টা আগেযুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হওয়া সত্ত্বেও পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হচ্ছে। একদিকে লেবাননে ইসরায়েলের বিমান হামলা অব্যাহত রয়েছে, অন্যদিকে হরমুজ প্রণালি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের পাল্টাপাল্টি অবস্থান চুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে।
১১ ঘণ্টা আগে
লেবাননজুড়ে গত কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। বুধবার মাত্র ১০ মিনিটের ব্যবধানে শতাধিক স্থানে চালানো এই সমন্বিত হামলায় অন্তত ২৫৪ জন নিহত এবং ১ হাজার ১৬৫ জন আহত হয়েছেন। রাতে লেবাননের সিভিল ডিফেন্স ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
১৪ ঘণ্টা আগে
গাজার সরকারি মিডিয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এই আগ্রাসনে এ পর্যন্ত ইসরায়েলি হামলায় ২৬২ জন ফিলিস্তিনি সাংবাদিক নিহত হয়েছেন।
১৪ ঘণ্টা আগে