তথ্যসূত্র:

পাকিস্তানের ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের ২১ ঘণ্টার দীর্ঘ ম্যারাথন আলোচনা সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়েছে। কৌশলগত হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি—এই দুই ইস্যুতে উভয় পক্ষের ছাড় না দেওয়ার মানসিকতাই বৈঠক ব্যর্থ হওয়ার কারণ।
আলোচনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাতে জানা গেছে, বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র কয়েকটি লক্ষ্য নিয়ে বসেছিল। এর মধ্যে অন্যতম ছিল— ইরানকে অবিলম্বে হরমুজ প্রণালির অবরোধ তুলে নিতে হবে এবং তাদের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদ ত্যাগ করতে হবে। কিন্তু ইরানের প্রতিনিধিদল এই দুটি শর্তের একটিও মানতে রাজি হয়নি।
অন্যদিকে, ইরানের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, আলোচনা এগিয়ে নিতে হলে যুক্তরাষ্ট্রকে অবশ্যই ইরানের ওপর আরোপিত সকল নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করতে হবে এবং বিদেশে আটকে থাকা বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের সম্পদ অবিলম্বে অবমুক্ত করতে হবে।
এই বিপরীতমুখী অবস্থানের কারণে আলোচনা একপর্যায়ে স্থবির হয়ে পড়ে এবং উভয় পক্ষই বৈঠককে ‘ব্যর্থ’ বলে ঘোষণা করে।
কিছু কর্মকর্তা এই অচলাবস্থার পেছনে দুই দেশের ‘আলোচনার ধরনের’ পার্থক্যকে দায়ী করেছেন। ইরান ঐতিহাসিকভাবে দীর্ঘ ও জটিল আলোচনার মাধ্যমে চুক্তি করতে অভ্যস্ত। উদাহরণস্বরূপ, বারাক ওবামা আমলে করা পারমাণবিক চুক্তির চূড়ান্ত রূপ দিতে প্রায় দুই বছর সময় লেগেছিল। কিন্তু বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দীর্ঘস্থায়ী আলোচনায় আগ্রহী নন, তিনি দ্রুত ফলাফল অর্জনের পক্ষপাতী।
পারমাণবিক ইস্যু নিয়ে ট্রাম্প আগে দাবি করেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যৌথভাবে মাটির নিচে থাকা ‘নিউক্লিয়ার ডাস্ট’ বা পারমাণবিক উপকরণগুলো সরিয়ে ফেলবে। কিন্তু বৈঠকে ইরানি প্রতিনিধিদের মধ্যে এ বিষয়ে কোনো ছাড় কিংবা সমঝতা করতে রাজি হয়নি।
এই যুদ্ধের সবচেয়ে বড় দরকষাকষির হাতিয়ার হরমুজ প্রণালি। যুদ্ধের শুরুতে ইরান এই পথ উন্মুক্ত রাখলেও কিছুদিনের মধ্যেই তারা নৌচলাচল বন্ধ করে দেয়। এই অবরোধ বিশ্ব জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরির পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও ট্রাম্পের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। ইরানি মধ্যস্থতাকারীরা এই সুযোগই কাজে লাগাতে চাইছেন। তাঁরা জানিয়েছেন, একটি চূড়ান্ত ও টেকসই চুক্তি সই হওয়ার আগে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার কোনো প্রশ্নই আসে না।
বিশ্লেষকদের মতে, ইসলামাবাদের এই আলোচনার ব্যর্থতা দুই দেশের মধ্যকার আস্থার সংকটকেই পুনরায় ফুটিয়ে তুলেছে। এর ফলে আগামী ২২ এপ্রিল শেষ হতে যাওয়া দুই সপ্তাহের সাময়িক যুদ্ধবিরতির ভবিষ্যৎ এখন চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়ল।

পাকিস্তানের ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের ২১ ঘণ্টার দীর্ঘ ম্যারাথন আলোচনা সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়েছে। কৌশলগত হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি—এই দুই ইস্যুতে উভয় পক্ষের ছাড় না দেওয়ার মানসিকতাই বৈঠক ব্যর্থ হওয়ার কারণ।
আলোচনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাতে জানা গেছে, বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র কয়েকটি লক্ষ্য নিয়ে বসেছিল। এর মধ্যে অন্যতম ছিল— ইরানকে অবিলম্বে হরমুজ প্রণালির অবরোধ তুলে নিতে হবে এবং তাদের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদ ত্যাগ করতে হবে। কিন্তু ইরানের প্রতিনিধিদল এই দুটি শর্তের একটিও মানতে রাজি হয়নি।
অন্যদিকে, ইরানের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, আলোচনা এগিয়ে নিতে হলে যুক্তরাষ্ট্রকে অবশ্যই ইরানের ওপর আরোপিত সকল নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করতে হবে এবং বিদেশে আটকে থাকা বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের সম্পদ অবিলম্বে অবমুক্ত করতে হবে।
এই বিপরীতমুখী অবস্থানের কারণে আলোচনা একপর্যায়ে স্থবির হয়ে পড়ে এবং উভয় পক্ষই বৈঠককে ‘ব্যর্থ’ বলে ঘোষণা করে।
কিছু কর্মকর্তা এই অচলাবস্থার পেছনে দুই দেশের ‘আলোচনার ধরনের’ পার্থক্যকে দায়ী করেছেন। ইরান ঐতিহাসিকভাবে দীর্ঘ ও জটিল আলোচনার মাধ্যমে চুক্তি করতে অভ্যস্ত। উদাহরণস্বরূপ, বারাক ওবামা আমলে করা পারমাণবিক চুক্তির চূড়ান্ত রূপ দিতে প্রায় দুই বছর সময় লেগেছিল। কিন্তু বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দীর্ঘস্থায়ী আলোচনায় আগ্রহী নন, তিনি দ্রুত ফলাফল অর্জনের পক্ষপাতী।
পারমাণবিক ইস্যু নিয়ে ট্রাম্প আগে দাবি করেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যৌথভাবে মাটির নিচে থাকা ‘নিউক্লিয়ার ডাস্ট’ বা পারমাণবিক উপকরণগুলো সরিয়ে ফেলবে। কিন্তু বৈঠকে ইরানি প্রতিনিধিদের মধ্যে এ বিষয়ে কোনো ছাড় কিংবা সমঝতা করতে রাজি হয়নি।
এই যুদ্ধের সবচেয়ে বড় দরকষাকষির হাতিয়ার হরমুজ প্রণালি। যুদ্ধের শুরুতে ইরান এই পথ উন্মুক্ত রাখলেও কিছুদিনের মধ্যেই তারা নৌচলাচল বন্ধ করে দেয়। এই অবরোধ বিশ্ব জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরির পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও ট্রাম্পের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। ইরানি মধ্যস্থতাকারীরা এই সুযোগই কাজে লাগাতে চাইছেন। তাঁরা জানিয়েছেন, একটি চূড়ান্ত ও টেকসই চুক্তি সই হওয়ার আগে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার কোনো প্রশ্নই আসে না।
বিশ্লেষকদের মতে, ইসলামাবাদের এই আলোচনার ব্যর্থতা দুই দেশের মধ্যকার আস্থার সংকটকেই পুনরায় ফুটিয়ে তুলেছে। এর ফলে আগামী ২২ এপ্রিল শেষ হতে যাওয়া দুই সপ্তাহের সাময়িক যুদ্ধবিরতির ভবিষ্যৎ এখন চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়ল।

শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন, অবিলম্বে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে পূর্ণ ‘নৌ-অবরোধ’ শুরু করবে মার্কিন বাহিনী।
১ ঘণ্টা আগে
পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত শান্তি আলোচনায় মার্কিন প্রতিনিধিদল ইরানের আস্থা অর্জন করতে ব্যর্থ হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইরানের প্রতিনিধিদলের প্রধান ও পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। তিনি বলেন, এখন যুক্তরাষ্ট্রের সিদ্ধান্ত নিতে হবে, তারা আমাদের বিশ্বাস অর্জন করতে চায় কি না।
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ক্ষেত্রে সতর্ক হলেও সম্প্রতি ইতিবাচক এক নতুন গতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) বিপুল বিজয় অর্জন করেছে। এরপর থেকেই দিল্লি ও ঢাকা—দুই পক্ষই দুই দেশের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও সীমান্ত—এ
৫ ঘণ্টা আগে
দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর হামলায় ৬ জন নিহত হয়েছে। রোববার (১২ এপ্রিল) দেশটির জাতীয় সংবাদ সংস্থা এনএনএ জানায়, দক্ষিণ লেবাননের টায়ার জেলার মারউব শহরে ইসরায়েলি হামলায় ওই ৬ জন প্রাণ হারান। খবর আলজাজিরার।
৫ ঘণ্টা আগে