দ্য কনভার্সেশনের বিশ্লেষণ
স্ট্রিম ডেস্ক

মরক্কো সীমান্ত থেকে উত্তর আফ্রিকায় স্পেনের স্বায়ত্তশাসিত শহর সেউতায় প্রবেশ করতে গিয়ে মারা গেছেন অন্তত ৬৭ জন। সেউতায় স্পেন সরকারের প্রতিনিধি জানান, নিহতদের কেউ সাগরে ডুবে, আবার কেউ সীমান্ত–বেড়া ঘেঁষে থাকা ব্রেকওয়ালে ওঠার চেষ্টা করতে গিয়ে পদদলিত হয়ে মারা গেছেন।
স্পেনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, বৃহস্পতিবার সকাল থেকে প্রায় ৫০ হাজার মানুষ স্থল ও সমুদ্রপথে সেউতায় প্রবেশ করেন। শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত তাঁদের মধ্যে ৪৮ হাজার ৩০০ জনকে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
এই ঘটনা স্পেনের উদার মূল্যবোধকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে। নতুন করে অভিবাসী সংকটকে ঘিরে স্পেনের রাজনীতিতে উগ্র ডানপন্থীদের ভাষা ও প্রভাব বিস্তৃত হচ্ছে বলে দাবি করছে সংবাদমাধ্যম দ্য কনভার্শেশন।
স্পেনের উদারনৈতিক আত্মপরিচয়ের ওপর আঘাত
সেউতা সীমান্ত অতিক্রমের এই ঘটনা স্পেনের উদারনৈতিক পরিচয়কে মারাত্মকভাবে দুর্বল করেছে। দীর্ঘ বছরের ফ্যাসিবাদী স্বৈরশাসনের ইতিহাস পেরিয়ে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে স্পেন নিজেদের অভিবাসন ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যকে সানন্দে গ্রহণ করে এমন দেশ হিসেবে পুনর্গঠিত করেছিল।
যেখানে ইউরোপের অনেক দেশ সীমান্তে দেওয়াল তোলা ও প্রতিরক্ষা জোরদারের কথা বলছে, সেখানে স্পেন হেঁটেছে ভিন্ন পথে। মাত্র ছয় মাস আগেই বসবাসরত ও কর্মরত লাখ লাখ অবৈধ অভিবাসীকে আইনি আবাসন দেওয়ার পথ করে দেয় স্পেনের সরকার।
কিন্তু জাতীয় ভাবমূর্তি ও জনমত কেবল আইনে প্রকাশ পায় না, এটি সাংস্কৃতিক ও মানসিক অর্জন। নতুন এই অভিবাসী সংকট জাতীয় জনমতে বিভ্রান্তি তৈরি ও রাজনৈতিক অপব্যবহারের ঝুঁকিতে রয়েছে।
মানুষ কী ধরনের শব্দ ব্যবহার করছে, তা দেখলেই আমরা জনমতের তাৎক্ষণিক পরিবর্তন বুঝতে পারি। এক দিন আগেও অভিবাসন নিয়ে মানুষের ভাষা ছিল সাধারণ ও নিরপেক্ষ। সেউতায় অভিবাসীদের প্রবেশের চেষ্টার ছবিগুলো সেই স্বাভাবিক জনমতকে বদলে দিচ্ছে। এই ঘটনার পর থেকে জনসমক্ষে বক্তব্য ও সামাজিক মাধ্যমে ‘আগ্রাসন’, ‘যুদ্ধ’, ‘বন্যা’, ‘নিয়ন্ত্রণ’, ‘চাকরি সংকট’-এর মতো শব্দগুলোর আধিপত্য দেখা গেছে।
কিছুদিন আগেও স্পেনের সাধারণ মানুষের কাছে অভিবাসী হয়তো তার প্রতিবেশী, সহকর্মী বা সহপাঠীর অভিভাবক ছিলেন। কয়েক দিনের ব্যবধানে তা এখন কেবলই পরিচয়হীন অবয়ব। অভিবাসী এখন কেবল সীমান্ত পার হওয়া সংখ্যা। তাই ৬৭ জনের মৃত্যুর খবরের চেয়ে ৬০ হাজার অভিবাসীর প্রবেশের কথাই ঘুরেফিরে আসছে মানুষের সামাজিক মাধ্যমের পোস্ট ও সংবাদের বিষয়বস্তুতে।
সেউতা থেকে ছড়িয়ে পড়া ছবিগুলোর কারণে স্পেন সরকার বাধ্য হয়ে নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করছে। স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ শুক্রবার সেউতা সফর করেন। তিনি বলেন, পরিস্থিতি মোকাবিলায় তাঁর সরকার সব ধরনের প্রস্তুতি ও সক্ষমতা কাজে লাগাচ্ছে। এই ঘটনাকে স্পেনের আঞ্চলিক অখণ্ডতার স্পষ্ট লঙ্ঘন অভিহিত করে সানচেজ বলেন, ‘এর জন্য আমরা পূর্ণ তিরস্কার ও ধিক্কার পাওয়ার যোগ্য। স্পেনের সরকার সেউতার জনগণের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে রাষ্ট্রের সকল সম্পদ ও ব্যবস্থা ব্যবহার করবে।’
অভিবাসীবিরোধী অবস্থান কিংবা তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার কথা ‘কমন সেন্স’ হিসেবে চালিয়ে দেওয়া হচ্ছে। বুধবারের আগে যে কথা শুনতে কদর্য লাগত, শুক্রবারের মধ্যেই সেগুলো সাধারণ বর্ণনায় পরিণত হয়েছে।
দৃশ্যপটের এই পরিবর্তন ইউরোপের কট্টরপন্থীদের জন্য উপহার। এই উপহার দিয়ে কী করতে হবে, তা তারা খুব ভালো করেই জানে। অভিবাসীদের প্রকৃত সংখ্যার তর্কে হারলেও শেষ পর্যন্ত লাভবান কট্টরপন্থীরাই। তাদের মূল লক্ষ্য হলো 'অভিবাসী-বান্ধব স্পেন'-এর গল্পকে বোকা প্রমাণ করা।
স্পেনের ডানপন্থী বিরোধী দল পার্তিদো পপুলারের (পিপি) নেতারা ইতোমধ্যেই এই সীমান্ত অতিক্রমের ঘটনাকে সরকারের গণ-বৈধতা নীতির সঙ্গে যুক্ত করেছেন। গত ফেব্রুয়ারিতে স্পেনের সরকার এই নীতি চালু করেছিল। দলটির নেতারা দাবি করেছেন, সরকারের ওই নীতিই সীমান্তে অভিবাসীদের ঢল নামার ‘পুল ফ্যাক্টর’ বা প্রভাবক হিসেবে কাজ করেছে।
স্পেনের কট্টরপন্থী ভক্স পার্টির নেতারা আরও এক ধাপ এগিয়ে গেছেন। তাঁরা আগত পুরুষদের বয়সের চিত্র টেনে একে ‘আগ্রাসন’ ও ‘দখল’ হিসেবে তকমা দিয়েছেন।
এই সংকট কট্টরপন্থীদের কাছে সাধারণ কোনো খবরের চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তাদের কড়া বা উগ্র কথা ও মতবাদ যখন মানুষের কাছে স্বাভাবিক হতে শুরু করবে, তখন মূলধারার রাজনীতিবিদরাও জনপ্রিয়তার হারানোর ভয়ে একই ভাষায় কথা বলতে বাধ্য হবেন। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে যারা স্পেনকে অভিবাসীদের নিরাপদ দেশ বানানোর লড়াই করছেন, তাঁরা ব্যাকফুটে চলে যাবেন।
সেউতা ঘটনার পর স্পেন ঠিক এই জায়গাতেই ক্ষতিগ্রস্ত হতে যাচ্ছে। কোনো প্রকার কৈফিয়ত ছাড়াই অভিবাসনকে স্বাগত জানানো এবং বৈচিত্র্যকে আলিঙ্গন করার স্পেন শিগগিরই হয়তো তার এই সক্ষমতা হারাতে বসছে।

মরক্কো সীমান্ত থেকে উত্তর আফ্রিকায় স্পেনের স্বায়ত্তশাসিত শহর সেউতায় প্রবেশ করতে গিয়ে মারা গেছেন অন্তত ৬৭ জন। সেউতায় স্পেন সরকারের প্রতিনিধি জানান, নিহতদের কেউ সাগরে ডুবে, আবার কেউ সীমান্ত–বেড়া ঘেঁষে থাকা ব্রেকওয়ালে ওঠার চেষ্টা করতে গিয়ে পদদলিত হয়ে মারা গেছেন।
স্পেনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, বৃহস্পতিবার সকাল থেকে প্রায় ৫০ হাজার মানুষ স্থল ও সমুদ্রপথে সেউতায় প্রবেশ করেন। শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত তাঁদের মধ্যে ৪৮ হাজার ৩০০ জনকে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
এই ঘটনা স্পেনের উদার মূল্যবোধকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে। নতুন করে অভিবাসী সংকটকে ঘিরে স্পেনের রাজনীতিতে উগ্র ডানপন্থীদের ভাষা ও প্রভাব বিস্তৃত হচ্ছে বলে দাবি করছে সংবাদমাধ্যম দ্য কনভার্শেশন।
স্পেনের উদারনৈতিক আত্মপরিচয়ের ওপর আঘাত
সেউতা সীমান্ত অতিক্রমের এই ঘটনা স্পেনের উদারনৈতিক পরিচয়কে মারাত্মকভাবে দুর্বল করেছে। দীর্ঘ বছরের ফ্যাসিবাদী স্বৈরশাসনের ইতিহাস পেরিয়ে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে স্পেন নিজেদের অভিবাসন ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যকে সানন্দে গ্রহণ করে এমন দেশ হিসেবে পুনর্গঠিত করেছিল।
যেখানে ইউরোপের অনেক দেশ সীমান্তে দেওয়াল তোলা ও প্রতিরক্ষা জোরদারের কথা বলছে, সেখানে স্পেন হেঁটেছে ভিন্ন পথে। মাত্র ছয় মাস আগেই বসবাসরত ও কর্মরত লাখ লাখ অবৈধ অভিবাসীকে আইনি আবাসন দেওয়ার পথ করে দেয় স্পেনের সরকার।
কিন্তু জাতীয় ভাবমূর্তি ও জনমত কেবল আইনে প্রকাশ পায় না, এটি সাংস্কৃতিক ও মানসিক অর্জন। নতুন এই অভিবাসী সংকট জাতীয় জনমতে বিভ্রান্তি তৈরি ও রাজনৈতিক অপব্যবহারের ঝুঁকিতে রয়েছে।
মানুষ কী ধরনের শব্দ ব্যবহার করছে, তা দেখলেই আমরা জনমতের তাৎক্ষণিক পরিবর্তন বুঝতে পারি। এক দিন আগেও অভিবাসন নিয়ে মানুষের ভাষা ছিল সাধারণ ও নিরপেক্ষ। সেউতায় অভিবাসীদের প্রবেশের চেষ্টার ছবিগুলো সেই স্বাভাবিক জনমতকে বদলে দিচ্ছে। এই ঘটনার পর থেকে জনসমক্ষে বক্তব্য ও সামাজিক মাধ্যমে ‘আগ্রাসন’, ‘যুদ্ধ’, ‘বন্যা’, ‘নিয়ন্ত্রণ’, ‘চাকরি সংকট’-এর মতো শব্দগুলোর আধিপত্য দেখা গেছে।
কিছুদিন আগেও স্পেনের সাধারণ মানুষের কাছে অভিবাসী হয়তো তার প্রতিবেশী, সহকর্মী বা সহপাঠীর অভিভাবক ছিলেন। কয়েক দিনের ব্যবধানে তা এখন কেবলই পরিচয়হীন অবয়ব। অভিবাসী এখন কেবল সীমান্ত পার হওয়া সংখ্যা। তাই ৬৭ জনের মৃত্যুর খবরের চেয়ে ৬০ হাজার অভিবাসীর প্রবেশের কথাই ঘুরেফিরে আসছে মানুষের সামাজিক মাধ্যমের পোস্ট ও সংবাদের বিষয়বস্তুতে।
সেউতা থেকে ছড়িয়ে পড়া ছবিগুলোর কারণে স্পেন সরকার বাধ্য হয়ে নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করছে। স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ শুক্রবার সেউতা সফর করেন। তিনি বলেন, পরিস্থিতি মোকাবিলায় তাঁর সরকার সব ধরনের প্রস্তুতি ও সক্ষমতা কাজে লাগাচ্ছে। এই ঘটনাকে স্পেনের আঞ্চলিক অখণ্ডতার স্পষ্ট লঙ্ঘন অভিহিত করে সানচেজ বলেন, ‘এর জন্য আমরা পূর্ণ তিরস্কার ও ধিক্কার পাওয়ার যোগ্য। স্পেনের সরকার সেউতার জনগণের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে রাষ্ট্রের সকল সম্পদ ও ব্যবস্থা ব্যবহার করবে।’
অভিবাসীবিরোধী অবস্থান কিংবা তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার কথা ‘কমন সেন্স’ হিসেবে চালিয়ে দেওয়া হচ্ছে। বুধবারের আগে যে কথা শুনতে কদর্য লাগত, শুক্রবারের মধ্যেই সেগুলো সাধারণ বর্ণনায় পরিণত হয়েছে।
দৃশ্যপটের এই পরিবর্তন ইউরোপের কট্টরপন্থীদের জন্য উপহার। এই উপহার দিয়ে কী করতে হবে, তা তারা খুব ভালো করেই জানে। অভিবাসীদের প্রকৃত সংখ্যার তর্কে হারলেও শেষ পর্যন্ত লাভবান কট্টরপন্থীরাই। তাদের মূল লক্ষ্য হলো 'অভিবাসী-বান্ধব স্পেন'-এর গল্পকে বোকা প্রমাণ করা।
স্পেনের ডানপন্থী বিরোধী দল পার্তিদো পপুলারের (পিপি) নেতারা ইতোমধ্যেই এই সীমান্ত অতিক্রমের ঘটনাকে সরকারের গণ-বৈধতা নীতির সঙ্গে যুক্ত করেছেন। গত ফেব্রুয়ারিতে স্পেনের সরকার এই নীতি চালু করেছিল। দলটির নেতারা দাবি করেছেন, সরকারের ওই নীতিই সীমান্তে অভিবাসীদের ঢল নামার ‘পুল ফ্যাক্টর’ বা প্রভাবক হিসেবে কাজ করেছে।
স্পেনের কট্টরপন্থী ভক্স পার্টির নেতারা আরও এক ধাপ এগিয়ে গেছেন। তাঁরা আগত পুরুষদের বয়সের চিত্র টেনে একে ‘আগ্রাসন’ ও ‘দখল’ হিসেবে তকমা দিয়েছেন।
এই সংকট কট্টরপন্থীদের কাছে সাধারণ কোনো খবরের চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তাদের কড়া বা উগ্র কথা ও মতবাদ যখন মানুষের কাছে স্বাভাবিক হতে শুরু করবে, তখন মূলধারার রাজনীতিবিদরাও জনপ্রিয়তার হারানোর ভয়ে একই ভাষায় কথা বলতে বাধ্য হবেন। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে যারা স্পেনকে অভিবাসীদের নিরাপদ দেশ বানানোর লড়াই করছেন, তাঁরা ব্যাকফুটে চলে যাবেন।
সেউতা ঘটনার পর স্পেন ঠিক এই জায়গাতেই ক্ষতিগ্রস্ত হতে যাচ্ছে। কোনো প্রকার কৈফিয়ত ছাড়াই অভিবাসনকে স্বাগত জানানো এবং বৈচিত্র্যকে আলিঙ্গন করার স্পেন শিগগিরই হয়তো তার এই সক্ষমতা হারাতে বসছে।
.png)

ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) আওতায় ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি বাড়াতে সম্মত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। আগামী ১৭ আগস্ট এ যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। পাকিস্তান সরকারের সূত্র বুধবার আনাদোলুকে এ তথ্য জানিয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
কলম্বিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা ২৫০ ছাড়িয়েছে। এখনো ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে জীবিতদের খুঁজছেন উদ্ধারকর্মীরা। ভবনের নিচে কেউ আটকে আছেন কি না, তা জানতে অনেক জায়গায় নীরব থাকতে বলা হচ্ছে। খবর রয়টার্সের।
৫ ঘণ্টা আগে
দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক মহড়া আগে জাপান সাগরে একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে উত্তর কোরিয়া। এক সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে পিয়ংইয়ংয়ের এটি দ্বিতীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা। খবর আলজাজিরার
৬ ঘণ্টা আগেথাইল্যান্ডে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আইন কঠোর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। দেশটিতে আপাতত নতুন করে আর বেসামরিক নাগরিকদের আগ্নেয়াস্ত্রের মালিকানা, ক্রয় ও বহনের লাইসেন্স দেওয়া হবে না।
৭ ঘণ্টা আগে