স্ট্রিম সংবাদদাতা

নওগাঁয় দুই-তিন সপ্তাহের ব্যবধানে কাঁচামরিচের কেজিতে দাম বেড়েছে প্রায় ২০০ টাকা। জেলার বিভিন্ন পাইকারি হাটে প্রতি কেজি কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ২৩০ থেকে ২৫০ টাকায়; খুচরায় গুণতে হচ্ছে ২৮০ থেকে ৩০০। অথচ গত মাসের শুরুর দিকেও এই দাম ছিল ১০০ টাকার আশপাশে।
রান্নায় আবশ্যিক পণ্যটির এমন দাম বৃদ্ধিতে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা। সদর উপজেলার উকিলপাড়া মহল্লার বাসিন্দা সারোয়ার হোসেন আক্ষেপ করে বলেন, মরিচের দাম শুনেই অবাক হতে হয়। আগে আধা কেজি কিনতাম, এখন সেই দামে ২০০ গ্রামও পাওয়া যাচ্ছে না। এ ছাড়া সব ধরনের সবজির দামই বাড়ায় সংসার চালানোয় কঠিন হয়ে গেছে।
নওগাঁ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, চলতি মৌসুমে জেলায় প্রায় ১ হাজার হেক্টর জমিতে দেশি, সাদা ও আকাশি জাতের মরিচের চাষ করা হচ্ছে। তবে গত মাসে টানা বৃষ্টিতে অনেক মরিচ খেত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিশেষ করে নিচু জমিতে পানি জমে থাকায় অনেক গাছ নষ্ট হয়ে গেছে। উৎপাদন কমে বাজারে সরবরাহে ঘাটতি দেখা দিয়েছে।
নওগাঁ সদর উপজেলার কীত্তিপুরে জেলার অন্যতম বড় কাঁচামরিচের বাজার বসে। প্রতি মঙ্গলবার ও শুক্রবার ভোর থেকে কৃষকরা এখানে মরিচ নিয়ে আসেন। গতকাল সকাল ৮টার মধ্যেই এই বাজারে আনা মরিচ বিক্রি হয়ে যায়। জাতভেদে প্রতি কেজি মরিচ ২৩০ থেকে ২৫০ টাকা দরে বিক্রি হয়। কয়েক সপ্তাহ আগেও একই মরিচের দাম ছিল ৮০ থেকে ৯০ টাকা।
জেলার সবচেয়ে বড় পাইকারি কাঁচামরিচের বাজার মহাদেবপুর উপজেলার মোমিনপুর হাটেও এখন একই চিত্র। এই হাট থেকে রাজশাহী, বগুড়া, নাটোর, জয়পুরহাটসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় মরিচ সরবরাহ করা হয়। চট্টগ্রামের বাজারেও নিয়মিত এখানকার মরিচ পাঠানো হয়।
এখানকার পাইকারি ব্যবসায়ী শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘চট্টগ্রামে সাদা মরিচের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। আমরা তিনজন ব্যবসায়ী প্রতি সপ্তাহে একটি ট্রাকে প্রায় ২৫ থেকে ২৬ লাক্ষ টাকার মরিচ চট্টগ্রামে পাঠাই। কিন্তু বর্তমানে হাটে সরবরাহ কম থাকায় বেশি দামে মরিচ কিনতে হচ্ছে। ফলে পাইকারি দামও বেড়ে গেছে।’
জেলার কৃষকরা জানান, অতিবৃষ্টির কারণে নিচু এলাকার অনেক মরিচ খেত নষ্ট হয়ে গেছে। নতুন গাছে ফলনও প্রত্যাশার তুলনায় কম। এতে বাজারে মরিচের জোগান অনেক কমেছে।
এদিকে দাম বেশি থাকলেও কৃষকদের অনেকে জানান, উৎপাদন কমে যাওয়ায় প্রত্যাশিত লাভ হচ্ছে না। ফলন স্বাভাবিক থাকলে কম দামেও মোট বিক্রি বেশি হয়। বর্তমান উচ্চমূল্যও ক্ষতির পুরোটা পুষিয়ে দিতে পারছে না।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক মনজুর রহমান বলেন, বর্তমানে বাজারে কাঁচা মরিচের দাম কৃষকদের জন্য ইতিবাচক। তবে অতিবৃষ্টি অব্যাহত থাকলে আরও খেত ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ক্ষতি কমিয়ে আনতে মাঠপর্যায়ে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও কারিগরি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

নওগাঁয় দুই-তিন সপ্তাহের ব্যবধানে কাঁচামরিচের কেজিতে দাম বেড়েছে প্রায় ২০০ টাকা। জেলার বিভিন্ন পাইকারি হাটে প্রতি কেজি কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ২৩০ থেকে ২৫০ টাকায়; খুচরায় গুণতে হচ্ছে ২৮০ থেকে ৩০০। অথচ গত মাসের শুরুর দিকেও এই দাম ছিল ১০০ টাকার আশপাশে।
রান্নায় আবশ্যিক পণ্যটির এমন দাম বৃদ্ধিতে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা। সদর উপজেলার উকিলপাড়া মহল্লার বাসিন্দা সারোয়ার হোসেন আক্ষেপ করে বলেন, মরিচের দাম শুনেই অবাক হতে হয়। আগে আধা কেজি কিনতাম, এখন সেই দামে ২০০ গ্রামও পাওয়া যাচ্ছে না। এ ছাড়া সব ধরনের সবজির দামই বাড়ায় সংসার চালানোয় কঠিন হয়ে গেছে।
নওগাঁ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, চলতি মৌসুমে জেলায় প্রায় ১ হাজার হেক্টর জমিতে দেশি, সাদা ও আকাশি জাতের মরিচের চাষ করা হচ্ছে। তবে গত মাসে টানা বৃষ্টিতে অনেক মরিচ খেত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিশেষ করে নিচু জমিতে পানি জমে থাকায় অনেক গাছ নষ্ট হয়ে গেছে। উৎপাদন কমে বাজারে সরবরাহে ঘাটতি দেখা দিয়েছে।
নওগাঁ সদর উপজেলার কীত্তিপুরে জেলার অন্যতম বড় কাঁচামরিচের বাজার বসে। প্রতি মঙ্গলবার ও শুক্রবার ভোর থেকে কৃষকরা এখানে মরিচ নিয়ে আসেন। গতকাল সকাল ৮টার মধ্যেই এই বাজারে আনা মরিচ বিক্রি হয়ে যায়। জাতভেদে প্রতি কেজি মরিচ ২৩০ থেকে ২৫০ টাকা দরে বিক্রি হয়। কয়েক সপ্তাহ আগেও একই মরিচের দাম ছিল ৮০ থেকে ৯০ টাকা।
জেলার সবচেয়ে বড় পাইকারি কাঁচামরিচের বাজার মহাদেবপুর উপজেলার মোমিনপুর হাটেও এখন একই চিত্র। এই হাট থেকে রাজশাহী, বগুড়া, নাটোর, জয়পুরহাটসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় মরিচ সরবরাহ করা হয়। চট্টগ্রামের বাজারেও নিয়মিত এখানকার মরিচ পাঠানো হয়।
এখানকার পাইকারি ব্যবসায়ী শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘চট্টগ্রামে সাদা মরিচের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। আমরা তিনজন ব্যবসায়ী প্রতি সপ্তাহে একটি ট্রাকে প্রায় ২৫ থেকে ২৬ লাক্ষ টাকার মরিচ চট্টগ্রামে পাঠাই। কিন্তু বর্তমানে হাটে সরবরাহ কম থাকায় বেশি দামে মরিচ কিনতে হচ্ছে। ফলে পাইকারি দামও বেড়ে গেছে।’
জেলার কৃষকরা জানান, অতিবৃষ্টির কারণে নিচু এলাকার অনেক মরিচ খেত নষ্ট হয়ে গেছে। নতুন গাছে ফলনও প্রত্যাশার তুলনায় কম। এতে বাজারে মরিচের জোগান অনেক কমেছে।
এদিকে দাম বেশি থাকলেও কৃষকদের অনেকে জানান, উৎপাদন কমে যাওয়ায় প্রত্যাশিত লাভ হচ্ছে না। ফলন স্বাভাবিক থাকলে কম দামেও মোট বিক্রি বেশি হয়। বর্তমান উচ্চমূল্যও ক্ষতির পুরোটা পুষিয়ে দিতে পারছে না।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক মনজুর রহমান বলেন, বর্তমানে বাজারে কাঁচা মরিচের দাম কৃষকদের জন্য ইতিবাচক। তবে অতিবৃষ্টি অব্যাহত থাকলে আরও খেত ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ক্ষতি কমিয়ে আনতে মাঠপর্যায়ে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও কারিগরি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।
.png)

চলতি বছর দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি সবচেয়ে ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে জুলাই মাসে। বছরের অন্য মাসের তুলনায় জুলাইয়ে সবচেয়ে বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্তের সংখ্যাও সর্বোচ্চ।
২৬ মিনিট আগে
চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে অন্তর্বাসে লুকিয়ে স্বর্ণ পাচারের সময় থামিম আনসারি নামে এক ভারতীয়কে আটক করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইআইডি)। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার (১ আগস্ট) সকাল ৬টা ৫৮ মিনিটে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।
৩৪ মিনিট আগে
হামের উপসর্গে শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের কারও হাম শনাক্ত হয়নি। শনিবার (১ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ সময়ে দেশে ৭৫১ শিশুর শরীরে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কীর্তন শুনে ফেরার পথে হাওরে ডিঙি নৌকা ডুবে একজনের মৃত্যু হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন আরও তিনজন।
১ ঘণ্টা আগে