স্ট্রিম ডেস্ক

তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনে চমক দেখিয়েছে অভিনেতা থেকে রাজনীতিক হওয়া থালাপতি বিজয়ের দল। নির্বাচনে তামিলাগা ভেটরি কাজগম (টিভিকে) একক বৃহত্তম দল হিসেবে উঠে এসেছে। তবে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি।
২৩৪ আসনের বিধানসভায় টিভিকে পেয়েছে ১০৮টি আসন। যেখানে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন ১১৮টি আসন। অন্যদিকে ক্ষমতাসীন ডিএমকে জোট পেয়েছে ৭৩টি আসন এবং বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট পেয়েছে ৫৩টি আসন।
কোনো একক দল বা জোট সরকার গঠনের মতো আসন না পাওয়ায় এখন স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে— এরপর তামিলনাড়ুতে কী হবে? ১৯৬৭ সালের পর প্রথম ডিএমকে ও এআইএডিএমকের বাইরে কোনো দলের মুখ্যমন্ত্রী হতে চলেছেন? তিনি কার সঙ্গে জোট করবেন? এমতাবস্থায় সম্ভাব্য পরিস্থিতিগুলো:
ছোট দলগুলোকে ঘিরে সমীকরণের সম্ভাবনা
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, টিভিকে সরকার গঠনের জন্য ডিএমকে জোটের শরিক কংগ্রেস, সিপিআই ও সিপিআই(এম)-এর সমর্থন পাওয়ার চেষ্টা করতে পারে। এই তিন দলের মোট বিধায়ক সংখ্যা ৮। যদি তারা টিভিকের পক্ষে অবস্থান নেয়, তাহলে বিজয়ের জন্য সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন সম্ভব হতে পারে।
এছাড়া দলিতভিত্তিক বিদুথালাই চিরুথাইগাল কাটচির (ভিসিকে) সমর্থন টিভিকের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে পারে। তবে এই ধরনের জোট গঠিত হলে জাতীয় রাজনীতির বিরোধী জোট ইন্ডিয়া ব্লকের ভেতরে জটিলতা তৈরি হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।
ডিএমকে জোটের সম্ভাব্য ভূমিকা
আরেকটি আলোচিত সম্ভাবনা হলো ডিএমকে নেতৃত্বাধীন পুরো জোটের টিভিককে সমর্থন দেওয়া। এমন হলে বিজয় সহজেই মুখ্যমন্ত্রী পদে আসীন হতে পারেন। তবে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, ডিএমকে ও টিভিকের মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকায় এই সমীকরণ বাস্তবে রূপ নেওয়া কঠিন।
এআইএডিএমকে ও বিজেপির অবস্থান
বিরোধী এআইএডিএমকে টিভিককে সমর্থন দেবে—এমন কোনো ইঙ্গিত এখনো পাওয়া যায়নি। বরং দলটির নেতারা এই সম্ভাবনা নাকচ করেছেন। একইভাবে টিভিকে বিজেপি ও এআইএডিএমকের সঙ্গে জোটে যেতে অনিচ্ছুক। তারা জানিয়েছে, তাদের মতে এই দলগুলো বিভাজনমূলক রাজনীতি ও দুর্নীতির প্রতিনিধিত্ব করে।
অনিশ্চয়তার মধ্যেই ভবিষ্যৎ
সব মিলিয়ে তামিলনাড়ুর রাজনৈতিক পরিস্থিতি এখন চরম অনিশ্চয়তায়। একক বৃহত্তম দল হয়েও সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকায় বিজয়ের টিভিকে জোট রাজনীতির জটিল সমীকরণের মুখে পড়েছে। আগামী কয়েক দিন কোন দল কার সঙ্গে হাত মেলায়, তার ওপরই নির্ভর করছে রাজ্যের পরবর্তী সরকার ও মুখ্যমন্ত্রীর ভবিষ্যৎ।
সুত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনে চমক দেখিয়েছে অভিনেতা থেকে রাজনীতিক হওয়া থালাপতি বিজয়ের দল। নির্বাচনে তামিলাগা ভেটরি কাজগম (টিভিকে) একক বৃহত্তম দল হিসেবে উঠে এসেছে। তবে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি।
২৩৪ আসনের বিধানসভায় টিভিকে পেয়েছে ১০৮টি আসন। যেখানে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন ১১৮টি আসন। অন্যদিকে ক্ষমতাসীন ডিএমকে জোট পেয়েছে ৭৩টি আসন এবং বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট পেয়েছে ৫৩টি আসন।
কোনো একক দল বা জোট সরকার গঠনের মতো আসন না পাওয়ায় এখন স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে— এরপর তামিলনাড়ুতে কী হবে? ১৯৬৭ সালের পর প্রথম ডিএমকে ও এআইএডিএমকের বাইরে কোনো দলের মুখ্যমন্ত্রী হতে চলেছেন? তিনি কার সঙ্গে জোট করবেন? এমতাবস্থায় সম্ভাব্য পরিস্থিতিগুলো:
ছোট দলগুলোকে ঘিরে সমীকরণের সম্ভাবনা
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, টিভিকে সরকার গঠনের জন্য ডিএমকে জোটের শরিক কংগ্রেস, সিপিআই ও সিপিআই(এম)-এর সমর্থন পাওয়ার চেষ্টা করতে পারে। এই তিন দলের মোট বিধায়ক সংখ্যা ৮। যদি তারা টিভিকের পক্ষে অবস্থান নেয়, তাহলে বিজয়ের জন্য সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন সম্ভব হতে পারে।
এছাড়া দলিতভিত্তিক বিদুথালাই চিরুথাইগাল কাটচির (ভিসিকে) সমর্থন টিভিকের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে পারে। তবে এই ধরনের জোট গঠিত হলে জাতীয় রাজনীতির বিরোধী জোট ইন্ডিয়া ব্লকের ভেতরে জটিলতা তৈরি হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।
ডিএমকে জোটের সম্ভাব্য ভূমিকা
আরেকটি আলোচিত সম্ভাবনা হলো ডিএমকে নেতৃত্বাধীন পুরো জোটের টিভিককে সমর্থন দেওয়া। এমন হলে বিজয় সহজেই মুখ্যমন্ত্রী পদে আসীন হতে পারেন। তবে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, ডিএমকে ও টিভিকের মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকায় এই সমীকরণ বাস্তবে রূপ নেওয়া কঠিন।
এআইএডিএমকে ও বিজেপির অবস্থান
বিরোধী এআইএডিএমকে টিভিককে সমর্থন দেবে—এমন কোনো ইঙ্গিত এখনো পাওয়া যায়নি। বরং দলটির নেতারা এই সম্ভাবনা নাকচ করেছেন। একইভাবে টিভিকে বিজেপি ও এআইএডিএমকের সঙ্গে জোটে যেতে অনিচ্ছুক। তারা জানিয়েছে, তাদের মতে এই দলগুলো বিভাজনমূলক রাজনীতি ও দুর্নীতির প্রতিনিধিত্ব করে।
অনিশ্চয়তার মধ্যেই ভবিষ্যৎ
সব মিলিয়ে তামিলনাড়ুর রাজনৈতিক পরিস্থিতি এখন চরম অনিশ্চয়তায়। একক বৃহত্তম দল হয়েও সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকায় বিজয়ের টিভিকে জোট রাজনীতির জটিল সমীকরণের মুখে পড়েছে। আগামী কয়েক দিন কোন দল কার সঙ্গে হাত মেলায়, তার ওপরই নির্ভর করছে রাজ্যের পরবর্তী সরকার ও মুখ্যমন্ত্রীর ভবিষ্যৎ।
সুত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বড় সাফল্য পেয়েছে বিজেপি। এবার রাজ্যটিতে নতুন মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন তা নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা। দলীয় সূত্র ও পর্যবেক্ষকদের মতে, শুভেন্দু অধিকারী এখন সবচেয়ে এগিয়ে থাকা মুখ। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও জানায়নি বিজেপি।
৩ ঘণ্টা আগে
চীনের হুনান প্রদেশের রাজধানী চাংশায় একটি আতশবাজির কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণে অন্তত ২১ জন নিহত এবং ৬১ জন আহত হয়েছেন। সোমবার (৪ মে) বিকেলে ঘটা এ ঘটনার দ্রুত তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। খবর রয়টার্সের।
৫ ঘণ্টা আগে
হরমুজ প্রণালি ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে বাড়তে থাকা উত্তেজনা নতুন করে যুদ্ধের আশঙ্কা বাড়িয়েছে। গতকাল সোমবার (৪ এপ্রিল) পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। ইরান সংযুক্ত আরব আমিরাতে হামলা চালায়। যুক্তরাষ্ট্রও পাল্টা সামরিক পদক্ষেপের কথা জানায়।
৬ ঘণ্টা আগে
নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে প্রথমবারের মতো সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিজেপি। অন্যদিকে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী রাজ্য আসামে টানা তৃতীয়বারের মতো বিজয়ী হয়েছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ। তামিলনাড়ুতে বিজয়ের চমকপ্রদ উত্থান হলেও কোনো দলই সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। কেরালায় ১০ বছর পর ক্ষমতায় ফিরছে কংগ্রেস।
১৪ ঘণ্টা আগে