৫ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন
স্ট্রিম ডেস্ক

ভারতের পাঁচ রাজ্যপশ্চিমবঙ্গ, তামিলনাড়ু, আসাম, কেরালা ও পুদুচেরির বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনা শেষ হয়েছে। নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে প্রথমবারের মতো সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিজেপি। অন্যদিকে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী রাজ্য আসামে টানা তৃতীয়বারের মতো বিজয়ী হয়েছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ।
তামিলনাড়ুতে বিজয়ের চমকপ্রদ উত্থান হলেও কোনো দলই সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। কেরালায় ১০ বছর পর ক্ষমতায় ফিরছে কংগ্রেস। অন্যদিকে পুদুচেরিতে টানা দ্বিতীয়বারের মতো ক্ষমতার মসনদে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ।
পশ্চিমবঙ্গে দীর্ঘ দেড় দশকের তৃণমূল শাসনের অবসান ঘটিয়ে প্রথমবারের মতো ক্ষমতায় বসতে যাচ্ছে বিজেপি। ২৯৪টি আসনের মধ্যে বিজেপি ২০৬টি আসনে জয় নিয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। বিপরীতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস আটকেছে মাত্র ৮১ আসনে।
বড় এই পরাজয়ের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্বাচনে ব্যাপক কারচুপির অভিযোগ তুলেছেন। তিনি বিজেপিকে ‘ভোট ডাকাত’ এবং নির্বাচন কমিশনকে ‘বিজেপির কমিশন’ বলে অভিহিত করেছেন। মমতা বলেন, ‘বিজেপি ১০০-র বেশি আসন লুট করেছে। এটি একটি অনৈতিক জয়। ৩টার পর থেকে আমাদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে, সিসিটিভি বন্ধ করে এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে।’
তামিলনাড়ুর ৭০ বছরের দ্রাবিড় রাজনীতিতে ভূমিকম্প ঘটিয়ে দিয়েছে অভিনেতা বিজয়ের দল ‘তামিলাগা ভেটরি কাজগম’ (টিভিকে)। মাত্র তিন বছর আগে গঠিত এই দল ক্ষমতাসীন ডিএমকে জোটকে পুরোপুরি ধসিয়ে দিয়েছে। খোদ মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিন তাঁর নিজস্ব কোলথুর আসনেই পরাজিত হয়েছেন। তামিল ভোটারদের ‘পরিবর্তন চাই’ স্লোগানের ওপর ভর করে বিজয় একক বৃহত্তম শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন।
১০৭ আসনে জিতে অন্য সব দলের চেয়ে এগিয়ে থাকলেও সরকার গঠনে প্রয়োজনীয় ১১৮ থেকে ১১ আসন পিছিয়ে আছেন থালাপতি বিজয়। বিশ্লেষকরা বলছেন, এখন একমাত্র উপায় ছোট দলগুলোর সঙ্গে জোট।
আসামে টানা তৃতীয়বারের মতো ক্ষমতায় ফিরেছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট। ১২৬ আসনের মধ্যে ১০২ আসনে জিতে এনডিএ এক বিশাল জয় পেয়েছে। বিপরীতে কংগ্রেস জোট মাত্র ২১ আসনে জয়ী হতে পেরেছে। এই ঐতিহাসিক জয়ের পর হিমন্ত বিশ্ব শর্মা সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, ‘সেঞ্চুরির সঙ্গে হ্যাটট্রিক!’ এই জয়ে আসামের রাজনীতিতে বিজেপির আধিপত্য আরও সুসংহত হলো।
কেরালাতেও ক্ষমতার বড় পালাবদল ঘটেছে। দীর্ঘ ১০ বছর পর কেরালায় কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ জোট ক্ষমতায় ফিরছে। ১৪০ আসনে ইউডিএফ জোট ১০২ আসনে বড় জয় পেয়েছে, যার মধ্যে কংগ্রেস এককভাবে ৬৩ আসন লাভ করেছে। অন্যদিকে, ক্ষমতাসীন বাম জোট (এলডিএফ) মাত্র ৩৫টি আসনে জয়ী হতে পেরেছে।
কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পুদুচেরিতেও এনডিএ জোট তাদের ক্ষমতা ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। অল ইন্ডিয়া এনআরসি (প্রকৃতপক্ষে এআইএনআরসি) এবং বিজেপি মিলে প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। এখানে কংগ্রেসের শোচনীয় পরাজয় ঘটেছে এবং মাত্র ১ আসন পেয়েছে। বিশেষ চমক হিসেবে অভিনেতা বিজয়ের দল টিভিকে পুদুচেরিতেও দুই আসনে জয়লাভ করেছে।
তথ্যসূত্র: এনডিটিভি, দ্য হিন্দু ও ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

ভারতের পাঁচ রাজ্যপশ্চিমবঙ্গ, তামিলনাড়ু, আসাম, কেরালা ও পুদুচেরির বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনা শেষ হয়েছে। নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে প্রথমবারের মতো সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিজেপি। অন্যদিকে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী রাজ্য আসামে টানা তৃতীয়বারের মতো বিজয়ী হয়েছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ।
তামিলনাড়ুতে বিজয়ের চমকপ্রদ উত্থান হলেও কোনো দলই সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। কেরালায় ১০ বছর পর ক্ষমতায় ফিরছে কংগ্রেস। অন্যদিকে পুদুচেরিতে টানা দ্বিতীয়বারের মতো ক্ষমতার মসনদে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ।
পশ্চিমবঙ্গে দীর্ঘ দেড় দশকের তৃণমূল শাসনের অবসান ঘটিয়ে প্রথমবারের মতো ক্ষমতায় বসতে যাচ্ছে বিজেপি। ২৯৪টি আসনের মধ্যে বিজেপি ২০৬টি আসনে জয় নিয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। বিপরীতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস আটকেছে মাত্র ৮১ আসনে।
বড় এই পরাজয়ের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্বাচনে ব্যাপক কারচুপির অভিযোগ তুলেছেন। তিনি বিজেপিকে ‘ভোট ডাকাত’ এবং নির্বাচন কমিশনকে ‘বিজেপির কমিশন’ বলে অভিহিত করেছেন। মমতা বলেন, ‘বিজেপি ১০০-র বেশি আসন লুট করেছে। এটি একটি অনৈতিক জয়। ৩টার পর থেকে আমাদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে, সিসিটিভি বন্ধ করে এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে।’
তামিলনাড়ুর ৭০ বছরের দ্রাবিড় রাজনীতিতে ভূমিকম্প ঘটিয়ে দিয়েছে অভিনেতা বিজয়ের দল ‘তামিলাগা ভেটরি কাজগম’ (টিভিকে)। মাত্র তিন বছর আগে গঠিত এই দল ক্ষমতাসীন ডিএমকে জোটকে পুরোপুরি ধসিয়ে দিয়েছে। খোদ মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিন তাঁর নিজস্ব কোলথুর আসনেই পরাজিত হয়েছেন। তামিল ভোটারদের ‘পরিবর্তন চাই’ স্লোগানের ওপর ভর করে বিজয় একক বৃহত্তম শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন।
১০৭ আসনে জিতে অন্য সব দলের চেয়ে এগিয়ে থাকলেও সরকার গঠনে প্রয়োজনীয় ১১৮ থেকে ১১ আসন পিছিয়ে আছেন থালাপতি বিজয়। বিশ্লেষকরা বলছেন, এখন একমাত্র উপায় ছোট দলগুলোর সঙ্গে জোট।
আসামে টানা তৃতীয়বারের মতো ক্ষমতায় ফিরেছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট। ১২৬ আসনের মধ্যে ১০২ আসনে জিতে এনডিএ এক বিশাল জয় পেয়েছে। বিপরীতে কংগ্রেস জোট মাত্র ২১ আসনে জয়ী হতে পেরেছে। এই ঐতিহাসিক জয়ের পর হিমন্ত বিশ্ব শর্মা সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, ‘সেঞ্চুরির সঙ্গে হ্যাটট্রিক!’ এই জয়ে আসামের রাজনীতিতে বিজেপির আধিপত্য আরও সুসংহত হলো।
কেরালাতেও ক্ষমতার বড় পালাবদল ঘটেছে। দীর্ঘ ১০ বছর পর কেরালায় কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ জোট ক্ষমতায় ফিরছে। ১৪০ আসনে ইউডিএফ জোট ১০২ আসনে বড় জয় পেয়েছে, যার মধ্যে কংগ্রেস এককভাবে ৬৩ আসন লাভ করেছে। অন্যদিকে, ক্ষমতাসীন বাম জোট (এলডিএফ) মাত্র ৩৫টি আসনে জয়ী হতে পেরেছে।
কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পুদুচেরিতেও এনডিএ জোট তাদের ক্ষমতা ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। অল ইন্ডিয়া এনআরসি (প্রকৃতপক্ষে এআইএনআরসি) এবং বিজেপি মিলে প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। এখানে কংগ্রেসের শোচনীয় পরাজয় ঘটেছে এবং মাত্র ১ আসন পেয়েছে। বিশেষ চমক হিসেবে অভিনেতা বিজয়ের দল টিভিকে পুদুচেরিতেও দুই আসনে জয়লাভ করেছে।
তথ্যসূত্র: এনডিটিভি, দ্য হিন্দু ও ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনে ১০৭ আসনে জিতে অন্য সব দলের চেয়ে এগিয়ে আছে থালাপতি বিজয়ের তামিলাগা ভেটরি কাজগম (টিভিকে)। তবে সরকার গঠনে প্রয়োজনীয় ১১৮ থেকে ১১ আসন কম পেয়েছে তাঁর দল।
৩ ঘণ্টা আগে
তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনে থালাপতি বিজয়ের পরাজয়ের গুজবে এক যুবক আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন। সোমবার (৪ মে) ভোট গণনার আগে কৃষ্ণগিরি জেলায় এই ঘটনা ঘটে। বর্তমানে তিনি সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
৮ ঘণ্টা আগে
সোমবার (৪ মে) সকাল থেকে শুরু হওয়া ভোট গণনার সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২৩৪ আসনের ১০৬ আসনে এগিয়ে আছে বিজয়ের দল। অন্যদিকে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ডিএমকে ৭০ এবং এআইএডিএমকে ৫৪ আসনে এগিয়ে রয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বড় ধরনের ভরাডুবির মুখে পড়তে যাচ্ছে ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেস। সোমবার (৪ মে) সকালে শুরু হওয়া ভোট গণনার সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২৯৪ আসনের মধ্যে ১৯৬টিতেই এগিয়ে আছে বিজেপি। বিপরীতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস এগিয়ে মাত্র ৯১ আসনে।
১১ ঘণ্টা আগে