স্ট্রিম ডেস্ক

তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনে ১০৭ আসনে জিতে অন্য সব দলের চেয়ে এগিয়ে আছে থালাপতি বিজয়ের তামিলাগা ভেটরি কাজগম (টিভিকে)। তবে সরকার গঠনে প্রয়োজনীয় ১১৮ থেকে ১১ আসন কম পেয়েছে তাঁর দল।
তামিলনাড়ুর ৬০ বছরের রাজনৈতিক ইতিহাসে নজিরবিহীন মোড় নিয়ে এসেছে এই নির্বাচন। দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে এই রাজ্যে দ্রাবিড়ীয় রাজনীতির দুই পরাশক্তি ডিএমকে এবং এআইএডিএমকের পালাবদল চললেও এবার সেই আধিপত্যের পতন হয়েছে। তবে ২৩৪ আসনের বিধানসভায় ১১৮ আসনের ম্যাজিক ফিগার স্পর্শ করতে না পারায় রাজ্য এখন ‘ঝুলন্ত বিধানসভার’ দিকে যাচ্ছে।
একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলেও বিজয় এখন কিংমেকার এবং সম্ভাব্য মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে সবচেয়ে সুবিধাজনক অবস্থানে আছেন। ১১৮ পূর্ণ করতে তাঁর প্রয়োজন আরও ১১ আসন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিজয়ের সামনে দুটি প্রধান পথ খোলা রয়েছে।
প্রথমত, ছোট দলগুলোর সঙ্গে জোট গঠন। এবারের নির্বাচনে কংগ্রেস, সিপিআই, পিএমকে এবং ডিএমডিকের মতো দলগুলো কয়েকটি করে আসন পেয়েছে। খবর পাওয়া গেছে, সম্ভাব্য জোট গঠনের বিষয়ে গত তিন দিন ধরে কংগ্রেসের সঙ্গে টিভিকের প্রাথমিক আলোচনা চলছে। ১৯৬৭ সালের পর থেকে তামিলনাড়ুতে প্রভাব হারানো কংগ্রেসের জন্য বিজয়ের সঙ্গে হাত মেলানো বড় কৌশলগত সুযোগ হতে পারে। তবে পিএমকে এবং ভিসিকে-এর মতো দলগুলোর মধ্যে দীর্ঘদিনের জাতিগত ও আদর্শিক বিরোধ থাকায় সবাইকে এক ছাতার নিচে আনা বিজয়ের জন্য বড় পরীক্ষা হবে।
দ্বিতীয় বিকল্প হলো এআইএডিএমকে-এর সমর্থন নেওয়া। ভোটের অর্ধেক সময় পর্যন্ত এআইএডিএমকে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকলেও পরে তারা তৃতীয় স্থানে নেমে যায়। বিজয়ের সঙ্গে তাদের অলিখিত সমঝোতা আগে থেকেই ছিল বলে রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন রয়েছে। তবে এখানে বড় বাধা হলো বিজেপি। বিজয় শুরু থেকেই বিজেপির সঙ্গে কোনো ধরনের সম্পর্ক রাখতে নারাজ। ফলে এআইএডিএমকে যদি বিজয়কে সমর্থন করতে চায়, তবে তাদের এনডিএ জোট ত্যাগ করতে হতে পারে।
তামিলনাড়ুর রাজনীতি এখন এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। বিজয় কি পারবেন ছোট দলগুলোকে নিয়ে একটি স্থিতিশীল সরকার গঠন করতে? নাকি রাজ্য রাজনৈতিক অস্থিরতার দিকে এগোবে? আপাতত সব সমীকরণ বলছে, ১১ আসনের ঘাটতি মেটাতে বিজয় এখন ছোট দলগুলোর প্রধান লক্ষ্যবস্তু। তবে ফলাফল যাই হোক, তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে নতুন এক যুগের সূচনা হয়েছে—এটি নিশ্চিত।
তথ্যসূত্র: দ্য নিউজ মিনিট

তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনে ১০৭ আসনে জিতে অন্য সব দলের চেয়ে এগিয়ে আছে থালাপতি বিজয়ের তামিলাগা ভেটরি কাজগম (টিভিকে)। তবে সরকার গঠনে প্রয়োজনীয় ১১৮ থেকে ১১ আসন কম পেয়েছে তাঁর দল।
তামিলনাড়ুর ৬০ বছরের রাজনৈতিক ইতিহাসে নজিরবিহীন মোড় নিয়ে এসেছে এই নির্বাচন। দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে এই রাজ্যে দ্রাবিড়ীয় রাজনীতির দুই পরাশক্তি ডিএমকে এবং এআইএডিএমকের পালাবদল চললেও এবার সেই আধিপত্যের পতন হয়েছে। তবে ২৩৪ আসনের বিধানসভায় ১১৮ আসনের ম্যাজিক ফিগার স্পর্শ করতে না পারায় রাজ্য এখন ‘ঝুলন্ত বিধানসভার’ দিকে যাচ্ছে।
একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলেও বিজয় এখন কিংমেকার এবং সম্ভাব্য মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে সবচেয়ে সুবিধাজনক অবস্থানে আছেন। ১১৮ পূর্ণ করতে তাঁর প্রয়োজন আরও ১১ আসন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিজয়ের সামনে দুটি প্রধান পথ খোলা রয়েছে।
প্রথমত, ছোট দলগুলোর সঙ্গে জোট গঠন। এবারের নির্বাচনে কংগ্রেস, সিপিআই, পিএমকে এবং ডিএমডিকের মতো দলগুলো কয়েকটি করে আসন পেয়েছে। খবর পাওয়া গেছে, সম্ভাব্য জোট গঠনের বিষয়ে গত তিন দিন ধরে কংগ্রেসের সঙ্গে টিভিকের প্রাথমিক আলোচনা চলছে। ১৯৬৭ সালের পর থেকে তামিলনাড়ুতে প্রভাব হারানো কংগ্রেসের জন্য বিজয়ের সঙ্গে হাত মেলানো বড় কৌশলগত সুযোগ হতে পারে। তবে পিএমকে এবং ভিসিকে-এর মতো দলগুলোর মধ্যে দীর্ঘদিনের জাতিগত ও আদর্শিক বিরোধ থাকায় সবাইকে এক ছাতার নিচে আনা বিজয়ের জন্য বড় পরীক্ষা হবে।
দ্বিতীয় বিকল্প হলো এআইএডিএমকে-এর সমর্থন নেওয়া। ভোটের অর্ধেক সময় পর্যন্ত এআইএডিএমকে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকলেও পরে তারা তৃতীয় স্থানে নেমে যায়। বিজয়ের সঙ্গে তাদের অলিখিত সমঝোতা আগে থেকেই ছিল বলে রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন রয়েছে। তবে এখানে বড় বাধা হলো বিজেপি। বিজয় শুরু থেকেই বিজেপির সঙ্গে কোনো ধরনের সম্পর্ক রাখতে নারাজ। ফলে এআইএডিএমকে যদি বিজয়কে সমর্থন করতে চায়, তবে তাদের এনডিএ জোট ত্যাগ করতে হতে পারে।
তামিলনাড়ুর রাজনীতি এখন এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। বিজয় কি পারবেন ছোট দলগুলোকে নিয়ে একটি স্থিতিশীল সরকার গঠন করতে? নাকি রাজ্য রাজনৈতিক অস্থিরতার দিকে এগোবে? আপাতত সব সমীকরণ বলছে, ১১ আসনের ঘাটতি মেটাতে বিজয় এখন ছোট দলগুলোর প্রধান লক্ষ্যবস্তু। তবে ফলাফল যাই হোক, তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে নতুন এক যুগের সূচনা হয়েছে—এটি নিশ্চিত।
তথ্যসূত্র: দ্য নিউজ মিনিট

তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনে থালাপতি বিজয়ের পরাজয়ের গুজবে এক যুবক আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন। সোমবার (৪ মে) ভোট গণনার আগে কৃষ্ণগিরি জেলায় এই ঘটনা ঘটে। বর্তমানে তিনি সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
সোমবার (৪ মে) সকাল থেকে শুরু হওয়া ভোট গণনার সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২৩৪ আসনের ১০৬ আসনে এগিয়ে আছে বিজয়ের দল। অন্যদিকে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ডিএমকে ৭০ এবং এআইএডিএমকে ৫৪ আসনে এগিয়ে রয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বড় ধরনের ভরাডুবির মুখে পড়তে যাচ্ছে ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেস। সোমবার (৪ মে) সকালে শুরু হওয়া ভোট গণনার সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২৯৪ আসনের মধ্যে ১৯৬টিতেই এগিয়ে আছে বিজেপি। বিপরীতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস এগিয়ে মাত্র ৯১ আসনে।
৯ ঘণ্টা আগে
দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ করে তিনি বলেছেন, মন খারাপের কারণ নেই। আমি বলেছিলাম, সূর্যাস্তের পরে আপনারা জিতবেন। তিন রাউন্ড, চার রাউন্ড কাউন্ট হলেও এটা ১৪ থেকে ১৮ রাউন্ড কাউন্ট হয়। তখন আপনারা জিতবেন। ওয়েট অ্যান্ড সি, ওয়াচ।
১০ ঘণ্টা আগে