ইন্ডিয়া টুডের বিশ্লেষণ
স্ট্রিম ডেস্ক

তাঁর নামের মধ্যেই রয়েছে ‘জয়’। অভিনেতা-রাজনীতিবিদ থালাপতি বিজয়ের দল ‘টিভিকে’ তামিলনাড়ুর ভোট গণনায় এখন পর্যন্ত ১০০-রও বেশি আসনে এগিয়ে থেকে একক বৃহত্তম দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে এই ঘটনাকে ‘অভাবনীয় কাণ্ড’ বলে উল্লেখ করেছে। তবে তামিলনাড়ু বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজনীয় ১১৮ আসনের গণ্ডি দলটি একা পার হতে পারবে কি না, সে বিষয়ে সন্দেহ প্রকাশ করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা।
ইন্ডিয়া টুডের বিশ্লেষক অভিষেক দের মতে, তামিলনাড়ু বিধানসভায় আসনসংখ্যা ২৩৪। একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে প্রয়োজন অন্তত ১১৮ আসন। টিভিকে এত আসন পাবে বলে মনে হচ্ছে না। এমন পরিস্থিতিতে সরকার গঠনের জন্য বিজয়ের সম্ভবত সহযোগীদের প্রয়োজন হবে।
আজ সোমবার (৪ মে) ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, আসম, কেরালা, তামিলনাড়ু ও পুদুচেরিতে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগণনা চলছে। তামিলনাড়ুতে এখন পর্যন্ত ১০৬ আসনে এগিয়ে রয়েছে বিজয়ের দল টিভিকে।
ভোটের আগে টিভিকে সুষ্পষ্টভাবে এআইএডিএমকে নেতৃত্বাধীন এনডিএ এবং ডিএমকে-র সঙ্গে জোটের সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছিল। তারা তাদের প্রচারণাকে দীর্ঘদিনের প্রতিষ্ঠিত দ্রাবিড় রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসার প্রচেষ্টা হিসেবে তুলে ধরেছিল। তবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের জন্য তাঁকে ছোট দ্রাবিড় দলগুলোর সমর্থন নিতে হতে পারে। যাই হোক না কেন, তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে এই ‘বিজয় ঢেউ’ একটি তাৎপর্যপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।
তামিলনাড়ুতে এম জি রামচন্দ্রনের মতো চলচ্চিত্র তারকাদের নেতা হিসেবে বেছে নেওয়ার দীর্ঘ ইতিহাস থাকলেও, রজনীকান্ত এবং কমল হাসানের মতো আইকনিক নামগুলো নিজেদের জনপ্রিয়তাকে ভোটে রূপান্তর করতে ব্যর্থ হয়েছেন। বিপরীতে, বিজয় তাঁর র্যালিগুলোতে বিশাল জনসমাগম করতে সক্ষম হয়েছিলেন, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম এবং শহরের ভোটারদের মধ্যে তাঁর ব্যাপক প্রভাব দেখা গেছে।

বিজয়ের পক্ষে ঠিক কী কাজ করেছে তা এখনই নিশ্চিতভাবে বলা কঠিন হলেও, ধারণা করা হচ্ছে তিনি দলিত এবং সংখ্যালঘু খ্রিস্টান ভোটের একটি বড় অংশ নিজের দিকে টেনেছেন। এছাড়া ভেল্লালার সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত বিজয় সম্ভবত শাসকবিরোধী ভোটের সুবিধাও পেয়েছেন।
কিন্তু বড় প্রশ্ন হলো, বিজয় কি সেই দ্রাবিড় দলগুলোর সঙ্গেই হাত মেলাবেন যাদের বিরুদ্ধে তিনি প্রচারণা চালিয়েছিলেন? চলুন সম্ভাবনাগুলো দেখে নেওয়া যাক।
প্রথম সম্ভাবনা: বিজয় এআইএডিএমকে-র সঙ্গে জোট করার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। এআইএডিএমকে এর আগেও প্রাক-নির্বাচনী জোটের জন্য টিভিকে-কে প্রস্তাব দিয়েছিল। তবে বিজয়ের দল ২৩৪টি আসনের মধ্যে অর্ধেকের বেশি আসন দাবি করায় এবং বিজয়কে মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে প্রজেক্ট করায় সেই আলোচনা ব্যর্থ হয়েছিল। এখন পরিস্থিতি বদলে গেছে এবং এআইএডিএমকে নিজেদের ভাগ্য ফেরাতে বিজয়ের সঙ্গে হাত মেলাতে আগ্রহী হতে পারে।
৫১ বছর বয়সী এই নেতা এম কে স্টালিনের নেতৃত্বাধীন ডিএমকে-র সঙ্গে হাত মেলাবেন এমন সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। কারণ তাদের বিরুদ্ধে তিনি তীব্র আক্রমণ চালিয়েছিলেন। বিজয় স্পষ্ট করে বলেছিলেন, ডিএমকে তাঁর ‘রাজনৈতিক শত্রু’ এবং বিজেপি তাঁর ‘আদর্শগত শত্রু’।
বিজয় এমনকি অভিযোগ করেছিলেন, ডিএমকে ও বিজেপির মধ্যে ‘গোপন সমঝোতা’ রয়েছে। তাঁর দাবি ছিল, পরাজয়ের পর স্টালিন দুর্নীতি মামলা এড়াতে ‘প্রধানমন্ত্রী মোদীর পায়ে ধরবেন’।
দ্বিতীয় সম্ভাবনা: বিজয় যেহেতু বিজেপিকে আগেই ‘আদর্শগত শত্রু’ হিসেবে ঘোষণা দিয়েছেন; তাই এআইএডিএমকে যদি টিভিকে-র সঙ্গে জোট করতে চায়, তবে বিজয় তাদের বিজেপি ছাড়ার শর্ত দিতে পারেন। তবে এটি একটি বড় দাবি হবে, কারণ এই বিজেপিই বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া এআইএডিএমকে-র গোষ্ঠীগুলোকে এক করতে রাতদিন পরিশ্রম করেছিল।

তাঁর নামের মধ্যেই রয়েছে ‘জয়’। অভিনেতা-রাজনীতিবিদ থালাপতি বিজয়ের দল ‘টিভিকে’ তামিলনাড়ুর ভোট গণনায় এখন পর্যন্ত ১০০-রও বেশি আসনে এগিয়ে থেকে একক বৃহত্তম দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে এই ঘটনাকে ‘অভাবনীয় কাণ্ড’ বলে উল্লেখ করেছে। তবে তামিলনাড়ু বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজনীয় ১১৮ আসনের গণ্ডি দলটি একা পার হতে পারবে কি না, সে বিষয়ে সন্দেহ প্রকাশ করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা।
ইন্ডিয়া টুডের বিশ্লেষক অভিষেক দের মতে, তামিলনাড়ু বিধানসভায় আসনসংখ্যা ২৩৪। একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে প্রয়োজন অন্তত ১১৮ আসন। টিভিকে এত আসন পাবে বলে মনে হচ্ছে না। এমন পরিস্থিতিতে সরকার গঠনের জন্য বিজয়ের সম্ভবত সহযোগীদের প্রয়োজন হবে।
আজ সোমবার (৪ মে) ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, আসম, কেরালা, তামিলনাড়ু ও পুদুচেরিতে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগণনা চলছে। তামিলনাড়ুতে এখন পর্যন্ত ১০৬ আসনে এগিয়ে রয়েছে বিজয়ের দল টিভিকে।
ভোটের আগে টিভিকে সুষ্পষ্টভাবে এআইএডিএমকে নেতৃত্বাধীন এনডিএ এবং ডিএমকে-র সঙ্গে জোটের সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছিল। তারা তাদের প্রচারণাকে দীর্ঘদিনের প্রতিষ্ঠিত দ্রাবিড় রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসার প্রচেষ্টা হিসেবে তুলে ধরেছিল। তবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের জন্য তাঁকে ছোট দ্রাবিড় দলগুলোর সমর্থন নিতে হতে পারে। যাই হোক না কেন, তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে এই ‘বিজয় ঢেউ’ একটি তাৎপর্যপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।
তামিলনাড়ুতে এম জি রামচন্দ্রনের মতো চলচ্চিত্র তারকাদের নেতা হিসেবে বেছে নেওয়ার দীর্ঘ ইতিহাস থাকলেও, রজনীকান্ত এবং কমল হাসানের মতো আইকনিক নামগুলো নিজেদের জনপ্রিয়তাকে ভোটে রূপান্তর করতে ব্যর্থ হয়েছেন। বিপরীতে, বিজয় তাঁর র্যালিগুলোতে বিশাল জনসমাগম করতে সক্ষম হয়েছিলেন, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম এবং শহরের ভোটারদের মধ্যে তাঁর ব্যাপক প্রভাব দেখা গেছে।

বিজয়ের পক্ষে ঠিক কী কাজ করেছে তা এখনই নিশ্চিতভাবে বলা কঠিন হলেও, ধারণা করা হচ্ছে তিনি দলিত এবং সংখ্যালঘু খ্রিস্টান ভোটের একটি বড় অংশ নিজের দিকে টেনেছেন। এছাড়া ভেল্লালার সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত বিজয় সম্ভবত শাসকবিরোধী ভোটের সুবিধাও পেয়েছেন।
কিন্তু বড় প্রশ্ন হলো, বিজয় কি সেই দ্রাবিড় দলগুলোর সঙ্গেই হাত মেলাবেন যাদের বিরুদ্ধে তিনি প্রচারণা চালিয়েছিলেন? চলুন সম্ভাবনাগুলো দেখে নেওয়া যাক।
প্রথম সম্ভাবনা: বিজয় এআইএডিএমকে-র সঙ্গে জোট করার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। এআইএডিএমকে এর আগেও প্রাক-নির্বাচনী জোটের জন্য টিভিকে-কে প্রস্তাব দিয়েছিল। তবে বিজয়ের দল ২৩৪টি আসনের মধ্যে অর্ধেকের বেশি আসন দাবি করায় এবং বিজয়কে মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে প্রজেক্ট করায় সেই আলোচনা ব্যর্থ হয়েছিল। এখন পরিস্থিতি বদলে গেছে এবং এআইএডিএমকে নিজেদের ভাগ্য ফেরাতে বিজয়ের সঙ্গে হাত মেলাতে আগ্রহী হতে পারে।
৫১ বছর বয়সী এই নেতা এম কে স্টালিনের নেতৃত্বাধীন ডিএমকে-র সঙ্গে হাত মেলাবেন এমন সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। কারণ তাদের বিরুদ্ধে তিনি তীব্র আক্রমণ চালিয়েছিলেন। বিজয় স্পষ্ট করে বলেছিলেন, ডিএমকে তাঁর ‘রাজনৈতিক শত্রু’ এবং বিজেপি তাঁর ‘আদর্শগত শত্রু’।
বিজয় এমনকি অভিযোগ করেছিলেন, ডিএমকে ও বিজেপির মধ্যে ‘গোপন সমঝোতা’ রয়েছে। তাঁর দাবি ছিল, পরাজয়ের পর স্টালিন দুর্নীতি মামলা এড়াতে ‘প্রধানমন্ত্রী মোদীর পায়ে ধরবেন’।
দ্বিতীয় সম্ভাবনা: বিজয় যেহেতু বিজেপিকে আগেই ‘আদর্শগত শত্রু’ হিসেবে ঘোষণা দিয়েছেন; তাই এআইএডিএমকে যদি টিভিকে-র সঙ্গে জোট করতে চায়, তবে বিজয় তাদের বিজেপি ছাড়ার শর্ত দিতে পারেন। তবে এটি একটি বড় দাবি হবে, কারণ এই বিজেপিই বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া এআইএডিএমকে-র গোষ্ঠীগুলোকে এক করতে রাতদিন পরিশ্রম করেছিল।
.png)

বাংলাদেশের রাজনীতিতে চীন গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক অংশীদার। অবকাঠামো উন্নয়ন, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক ভূরাজনীতিতে বেইজিংয়ের গুরুত্ব ক্রমেই বাড়ছে।
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) নিয়ে আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। একই সঙ্গে ঢাকা মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য আবার খুলে দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে। এই দুই পদক্ষেপ ইঙ্গিত দিচ্ছে যে দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় নিতে পারে।
২০ ঘণ্টা আগে
স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল, সরকারি ভবন, পার্ক, সড়ক কিংবা সেতুর নামকরণ নিয়ে বাংলাদেশে বিতর্ক নতুন নয়। সরকার বদলেছে, রাজনৈতিক অগ্রাধিকার বদলেছে, আর তার সঙ্গে বদলেছে অনেক প্রতিষ্ঠানের নামও। ইদানীং রাজনৈতিক ব্যক্তিদের নিজেদের বা পরিবারের নামে সরকারি প্রতিষ্ঠানের নামকরণ করার প্রবণতাও দেখা যাচ্ছে।
১ দিন আগে
সাম্প্রতিক সময়ে ইরানের ওপর মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসনের ঘটনায় ভারতের অবস্থান দেশের কূটনৈতিক নৈতিকতাকে গভীর প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান ব্যাপক বোমাবর্ষণের শিকার হয়। এমনকি সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনি নিহত হন। তখনো দিল্লি কোনো নিন্দাসূচক বিবৃতি দেওয়া থেকে বিরত থাকে।
১ দিন আগে