‘উপসাগরীয় দেশের পুনর্গঠনে জব্দ ইরানি সম্পদ ব্যবহারের পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের’

স্ট্রিম ডেস্ক
স্ট্রিম ডেস্ক

ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর বুধবার কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের একটি টার্মিনালে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ দেখছেন দেশটির কর্মকর্তারা। ছবি: কুয়েত নিউজ এজেন্সি

মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর পুনর্গঠনে জব্দ করা ইরানি সম্পদ ব্যবহারের চিন্তা করছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্টের চিন্তাভাবনার সঙ্গে পরিচিত একটি সূত্রের বরাতে এমন তথ্য দিয়েছে সিএনএন।

প্রতিবেদনে ওই সূত্রের বরাতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ভবিষ্যতে ইরানি হামলার শিকার হওয়া উপসাগরীয় দেশগুলোর ক্ষয়ক্ষতি পূরণে জব্দ করা ইরানি সম্পদ ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ার পরিকল্পনা করছে।

শনিবার রয়টার্সকে ওই সূত্র নিশ্চিত করেছে, আগের ক্ষয়ক্ষতির সংস্কার কাজে সহায়তায় ইরানি সম্পদ ব্যবহার করা যায় কিনা, ট্রেজারি বিভাগ সেটিও বিবেচনা করে দেখছে।

আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বেসেন্ট তাঁর দলকে যুক্তরাষ্ট্রের উপসাগরীয় মিত্রদের এখন পর্যন্ত হওয়া ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ মূল্যায়ন করার নির্দেশ দিয়েছেন।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতার উপদেষ্টা মোহসেন রেজাই সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ‘একটি শান্তি চুক্তি মূলত জব্দকৃত ২৪ বিলিয়ন ডলার মূল্যের ইরানি সম্পদ ছেড়ে দেওয়ার ওপর নির্ভর করছে’ বলে জানানোর একদিন পরই এই প্রতিবেদনগুলো সামনে এল।

গত ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল প্রথম হামলা শুরু করার পর বেশ কয়েকটি উপসাগরীয় দেশ বারবার ইরানি হামলার শিকার হয়েছে। ওই সব দেশে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলোও ইরানি হামলায় ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

যুদ্ধবিরতি শুরুর পরও যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে ইরান দেশগুলো লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। গতকালও কুয়েত ও বাহরাইন ইরান থেকে উৎক্ষেপণ করা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করেছে।

সম্পর্কিত