স্ট্রিম ডেস্ক

গাজা উপত্যকার পুরো অঞ্চল দখলের জন্য সামরিক অভিযান সম্প্রসারণের পরিকল্পনা করছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।
গতকাল সোমবার (৪ আগস্ট) আই-২৪ নিউজ, দ্য জেরুজালেম পোস্ট, চ্যানেল-১২ ও ওয়াই-নেটসহ বিভিন্ন ইসরায়েলি গণমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে।
নেতানিয়াহুর কার্যালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নেতানিয়াহু এই সপ্তাহে নিরাপত্তা ক্যাবিনেট বৈঠকে শত্রুকে পরাজিত করা, জিম্মিদের মুক্ত করা ও গাজা আর কখনো ইসরায়েলের জন্য হুমকি হয়ে উঠবে না—এই তিনটি লক্ষ্য অর্জনের জন্য আইডিএফকে (ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী) সরাসরি নির্দেশ দেবেন।
গাজা সংক্রান্ত গোপন সিদ্ধান্তের বিষয়ে অবহিত ইসরায়েলের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, এই সিদ্ধান্ত নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা চলছে। ক্রমশ পরিষ্কার হচ্ছে যে হামাস কোনো সমঝোতায় আগ্রহী নয়।
নেতানিয়াহুর ঘনিষ্ঠ এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ওয়াই-নেটকে বলেন, আমরা গাজা পুরোপুরি দখল করতে যাচ্ছি। এই সিদ্ধান্ত বদলাবে না। জিম্মিদের যেখানে আটকে রাখা হয়েছে, সেসব এলাকাতেও অভিযান চলবে।
তবে এই পরিকল্পনার বিরোধিতা করছেন আইডিএফের প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল হেরজি হালেভি। তিনি মনে করেন, পুরো গাজা দখলের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন কঠিন ও দীর্ঘ সময়ের ব্যাপার।
ফিলিস্তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ পরিকল্পনার নিন্দা জানিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে হস্তক্ষেপ করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আহ্বান জানিয়েছে।
নেতানিয়াহুর ডানপন্থী মন্ত্রিসভার সদস্যরা দীর্ঘদিন ধরে গাজা সম্পূর্ণ দখলের পক্ষে মতামত দিয়ে আসছিলেন। তাঁদের দাবি, ইসরায়েল ইতোমধ্যেই গাজায় হামাসের শাসনক্ষমতা ধ্বংস করতে সম্পূর্ণ সক্ষম।
আইডিএফ বলছে, তারা ইতোমধ্যেই গাজার ৭৫ শতাংশের বেশি নিয়ন্ত্রণ করছে। জাতিসংঘ জানিয়েছে, গাজার মাত্র ১২ শতাংশ এলাকা এখনো ইসরায়েলি বাহিনীর দখলের আওতার বাইরে রয়েছে।
জিম্মিরা আটক আছে এমন এলাকায় আইডিএফ এখন অভিযান চালানোর কথা ভাবছে। জিম্মি পরিবারের সদস্য ও বহু ইসরায়েলি নিরাপত্তা কর্মকর্তা দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছেন, জিম্মিদের মুক্ত করার একমাত্র উপায় হলো সমঝোতা চুক্তি।
জিম্মিদশা থেকে মুক্তি পাওয়া অনেকেই ইসরায়েলি গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, ইসরায়েলি সেনারা কাছাকাছি এলে জিম্মিদের হত্যা করার পরিকল্পনা আছে অপহরণকারীদের।
গাজায় আরও মানবিক সহায়তা প্রবেশের অনুমতি দিতে এবং যুদ্ধ থামাতে নেতানিয়াহু ক্রমবর্ধমান আন্তর্জাতিক চাপের মুখে আছেন।
গত রোববার (৩ আগস্ট) গাজা উপত্যকার বিভিন্ন স্থানে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর হামলায় কমপক্ষে ৯২ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ৫৬ জন খাদ্য সহায়তার জন্য অপেক্ষা করছিলেন বলে জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা।

গাজা উপত্যকার পুরো অঞ্চল দখলের জন্য সামরিক অভিযান সম্প্রসারণের পরিকল্পনা করছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।
গতকাল সোমবার (৪ আগস্ট) আই-২৪ নিউজ, দ্য জেরুজালেম পোস্ট, চ্যানেল-১২ ও ওয়াই-নেটসহ বিভিন্ন ইসরায়েলি গণমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে।
নেতানিয়াহুর কার্যালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নেতানিয়াহু এই সপ্তাহে নিরাপত্তা ক্যাবিনেট বৈঠকে শত্রুকে পরাজিত করা, জিম্মিদের মুক্ত করা ও গাজা আর কখনো ইসরায়েলের জন্য হুমকি হয়ে উঠবে না—এই তিনটি লক্ষ্য অর্জনের জন্য আইডিএফকে (ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী) সরাসরি নির্দেশ দেবেন।
গাজা সংক্রান্ত গোপন সিদ্ধান্তের বিষয়ে অবহিত ইসরায়েলের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, এই সিদ্ধান্ত নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা চলছে। ক্রমশ পরিষ্কার হচ্ছে যে হামাস কোনো সমঝোতায় আগ্রহী নয়।
নেতানিয়াহুর ঘনিষ্ঠ এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ওয়াই-নেটকে বলেন, আমরা গাজা পুরোপুরি দখল করতে যাচ্ছি। এই সিদ্ধান্ত বদলাবে না। জিম্মিদের যেখানে আটকে রাখা হয়েছে, সেসব এলাকাতেও অভিযান চলবে।
তবে এই পরিকল্পনার বিরোধিতা করছেন আইডিএফের প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল হেরজি হালেভি। তিনি মনে করেন, পুরো গাজা দখলের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন কঠিন ও দীর্ঘ সময়ের ব্যাপার।
ফিলিস্তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ পরিকল্পনার নিন্দা জানিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে হস্তক্ষেপ করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আহ্বান জানিয়েছে।
নেতানিয়াহুর ডানপন্থী মন্ত্রিসভার সদস্যরা দীর্ঘদিন ধরে গাজা সম্পূর্ণ দখলের পক্ষে মতামত দিয়ে আসছিলেন। তাঁদের দাবি, ইসরায়েল ইতোমধ্যেই গাজায় হামাসের শাসনক্ষমতা ধ্বংস করতে সম্পূর্ণ সক্ষম।
আইডিএফ বলছে, তারা ইতোমধ্যেই গাজার ৭৫ শতাংশের বেশি নিয়ন্ত্রণ করছে। জাতিসংঘ জানিয়েছে, গাজার মাত্র ১২ শতাংশ এলাকা এখনো ইসরায়েলি বাহিনীর দখলের আওতার বাইরে রয়েছে।
জিম্মিরা আটক আছে এমন এলাকায় আইডিএফ এখন অভিযান চালানোর কথা ভাবছে। জিম্মি পরিবারের সদস্য ও বহু ইসরায়েলি নিরাপত্তা কর্মকর্তা দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছেন, জিম্মিদের মুক্ত করার একমাত্র উপায় হলো সমঝোতা চুক্তি।
জিম্মিদশা থেকে মুক্তি পাওয়া অনেকেই ইসরায়েলি গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, ইসরায়েলি সেনারা কাছাকাছি এলে জিম্মিদের হত্যা করার পরিকল্পনা আছে অপহরণকারীদের।
গাজায় আরও মানবিক সহায়তা প্রবেশের অনুমতি দিতে এবং যুদ্ধ থামাতে নেতানিয়াহু ক্রমবর্ধমান আন্তর্জাতিক চাপের মুখে আছেন।
গত রোববার (৩ আগস্ট) গাজা উপত্যকার বিভিন্ন স্থানে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর হামলায় কমপক্ষে ৯২ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ৫৬ জন খাদ্য সহায়তার জন্য অপেক্ষা করছিলেন বলে জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা।

হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ কাজে লাগিয়ে সেখান দিয়ে জাহাজ চলাচলের বিনিময়ে অর্থ আদায়ের দিকে এগোচ্ছে ইরান। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে কোন দেশের জাহাজ কী শর্তে চলাচল করবে, তা এখন তেহরানই নিয়ন্ত্রণ করছে।
২ ঘণ্টা আগে
কাতারে একটি সামরিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে অন্তত ৬ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া, একজন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।
১০ ঘণ্টা আগে
ইসরায়েলের পারমাণবিক কর্মসূচির মূল কেন্দ্র হলো দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর দিমোনা। দেশটির জন্য এটি অত্যন্ত কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ শহর। কিন্তু শহরটির আকাশ প্রতিরক্ষা ভেদ করে কীভাবে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র আঘান হেনেছে তা এখন ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের কাছে বিস্ময়।
১৩ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, তেহরান ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে হরমুজ প্রণালি না খুললে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো ‘হামলা চালিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া’ হবে।
১৫ ঘণ্টা আগে