স্ট্রিম ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধে মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনীকে পরাজিত করার দাবি করেছেন ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি। শুক্রবার (২০ মার্চ) ফারসি নববর্ষ ‘নওরোজ’ উপলক্ষে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত তাঁর এক লিখিত বার্তায় তিনি এ দাবি করেন।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক হামলায় ইরানের তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হন। এরপর মোজতবা খামেনি তাঁর স্থলাভিষিক্ত হলেও এখন পর্যন্ত তাঁকে জনসমক্ষে দেখা যায়নি। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত ৯ পৃষ্ঠার এই লিখিত বার্তায় তিনি তাঁর পিতার মৃত্যুকে ‘প্রিয় নেতার শাহাদাতের ট্র্যাজেডি’ হিসেবে উল্লেখ করেন।
বার্তায় মোজতবা খামেনি বলেন, ‘ধর্মীয়, বুদ্ধিবৃত্তিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক ভিন্নতা সত্ত্বেও আপনাদের অর্থাৎ দেশবাসীর মধ্যে যে বিশেষ ঐক্য তৈরি হয়েছে, তার ফলেই আজ শত্রুরা পরাজিত হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ভেবেছিল এক বা দুই দিন হামলার পরই ইরানের জনগণ সরকারকে উৎখাত করবে, যা তাদের চরম ভুল হিসাব-নিকাশ।’
হামলার উদ্দেশ্য সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘শত্রুদের ভ্রান্ত ধারণা ছিল, শাসনব্যবস্থার শীর্ষ ব্যক্তিত্ব এবং প্রভাবশালী সামরিক কর্মকর্তাদের হত্যা করা হলে তা আমাদের প্রিয় জনগণের মনে ভয় ও হতাশার সঞ্চার করবে। এর মাধ্যমে তারা ইরানকে নিয়ন্ত্রণ ও পরবর্তীতে বিভক্ত করার স্বপ্ন দেখেছিল। কিন্তু এর পরিবর্তে শত্রুদের মধ্যেই এখন ফাটল দেখা দিয়েছে।’
চলতি বছরের জন্য ‘জাতীয় ঐক্য ও জাতীয় নিরাপত্তার ছায়ায় প্রতিরোধমূলক অর্থনীতি’ স্লোগান নির্ধারণ করেছেন মোজতবা খামেনি। বার্তায় তিনি উল্লেখ করেন, ইরান ইতিমধ্যে এই বছর তিনটি ‘যুদ্ধের’ মুখোমুখি হয়েছে— গত জুনে ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাত, বর্তমান যুদ্ধ এবং গত ডিসেম্বরের শেষে শুরু হওয়া সরকারবিরোধী তীব্র বিক্ষোভ।
এদিকে, তুরস্ক ও ওমানে সাম্প্রতিক হামলার দায়ও সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা। তিনি দাবি করেন, মিত্র দেশগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্ক নষ্ট করতে এবং প্রতিবেশীদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির লক্ষ্যে ইরানের শত্রুরাই এই ‘ফলস ফ্ল্যাগ’ (সাজানো) হামলা চালিয়েছে। প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহে ন্যাটো তুরস্কের দিকে ধেয়ে আসা একটি ইরানি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করার কথা জানিয়েছিল এবং ওমানে ড্রোন হামলায় দুজন নিহত হয়েছিলেন।
প্রতিবেশী আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের চলমান সংঘাত নিরসনেও নিজের অবস্থান তুলে ধরেন খামেনি। দেশ দুটিকে ‘অত্যন্ত কাছের’ ও ‘ভ্রাতৃপ্রতিম’ উল্লেখ করে তিনি তাদের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নের আহ্বান জানান এবং এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে নিজে প্রস্তুত রয়েছেন বলেও জানান।

মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধে মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনীকে পরাজিত করার দাবি করেছেন ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি। শুক্রবার (২০ মার্চ) ফারসি নববর্ষ ‘নওরোজ’ উপলক্ষে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত তাঁর এক লিখিত বার্তায় তিনি এ দাবি করেন।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক হামলায় ইরানের তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হন। এরপর মোজতবা খামেনি তাঁর স্থলাভিষিক্ত হলেও এখন পর্যন্ত তাঁকে জনসমক্ষে দেখা যায়নি। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত ৯ পৃষ্ঠার এই লিখিত বার্তায় তিনি তাঁর পিতার মৃত্যুকে ‘প্রিয় নেতার শাহাদাতের ট্র্যাজেডি’ হিসেবে উল্লেখ করেন।
বার্তায় মোজতবা খামেনি বলেন, ‘ধর্মীয়, বুদ্ধিবৃত্তিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক ভিন্নতা সত্ত্বেও আপনাদের অর্থাৎ দেশবাসীর মধ্যে যে বিশেষ ঐক্য তৈরি হয়েছে, তার ফলেই আজ শত্রুরা পরাজিত হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ভেবেছিল এক বা দুই দিন হামলার পরই ইরানের জনগণ সরকারকে উৎখাত করবে, যা তাদের চরম ভুল হিসাব-নিকাশ।’
হামলার উদ্দেশ্য সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘শত্রুদের ভ্রান্ত ধারণা ছিল, শাসনব্যবস্থার শীর্ষ ব্যক্তিত্ব এবং প্রভাবশালী সামরিক কর্মকর্তাদের হত্যা করা হলে তা আমাদের প্রিয় জনগণের মনে ভয় ও হতাশার সঞ্চার করবে। এর মাধ্যমে তারা ইরানকে নিয়ন্ত্রণ ও পরবর্তীতে বিভক্ত করার স্বপ্ন দেখেছিল। কিন্তু এর পরিবর্তে শত্রুদের মধ্যেই এখন ফাটল দেখা দিয়েছে।’
চলতি বছরের জন্য ‘জাতীয় ঐক্য ও জাতীয় নিরাপত্তার ছায়ায় প্রতিরোধমূলক অর্থনীতি’ স্লোগান নির্ধারণ করেছেন মোজতবা খামেনি। বার্তায় তিনি উল্লেখ করেন, ইরান ইতিমধ্যে এই বছর তিনটি ‘যুদ্ধের’ মুখোমুখি হয়েছে— গত জুনে ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাত, বর্তমান যুদ্ধ এবং গত ডিসেম্বরের শেষে শুরু হওয়া সরকারবিরোধী তীব্র বিক্ষোভ।
এদিকে, তুরস্ক ও ওমানে সাম্প্রতিক হামলার দায়ও সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা। তিনি দাবি করেন, মিত্র দেশগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্ক নষ্ট করতে এবং প্রতিবেশীদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির লক্ষ্যে ইরানের শত্রুরাই এই ‘ফলস ফ্ল্যাগ’ (সাজানো) হামলা চালিয়েছে। প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহে ন্যাটো তুরস্কের দিকে ধেয়ে আসা একটি ইরানি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করার কথা জানিয়েছিল এবং ওমানে ড্রোন হামলায় দুজন নিহত হয়েছিলেন।
প্রতিবেশী আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের চলমান সংঘাত নিরসনেও নিজের অবস্থান তুলে ধরেন খামেনি। দেশ দুটিকে ‘অত্যন্ত কাছের’ ও ‘ভ্রাতৃপ্রতিম’ উল্লেখ করে তিনি তাদের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নের আহ্বান জানান এবং এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে নিজে প্রস্তুত রয়েছেন বলেও জানান।

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধের তিন সপ্তাহ পেরোনোর পর মধ্যপ্রাচ্যে আরও কয়েক হাজার অতিরিক্ত মেরিন ও নৌসেনা মোতায়েন করছে যুক্তরাষ্ট্র। শুক্রবার (২০ মার্চ) বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন তিন মার্কিন কর্মকর্তা।
৩ ঘণ্টা আগে
ইরানকে থামানোর লড়াইয়ে ‘সামরিকভাবে বিজয়’ অর্জিত হয়েছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে, অবরুদ্ধ হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তা না করায় ন্যাটো মিত্রদের ‘কাপুরুষ’ আখ্যা দিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন তিনি।
৭ ঘণ্টা আগে
ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) মুখপাত্র জেনারেল আলী মোহাম্মদ নাঈনি নিহত হয়েছেন।
১৪ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মুসলিমরা আজ শুক্রবার (২০ মার্চ) পবিত্র রমজান মাস শেষে ঈদুল ফিতর উদযাপন করছেন। তবে ঈদের দিনও অঞ্চলটির অধিকাংশ দেশে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা হয়েছে।
১৭ ঘণ্টা আগে