টেবিলভর্তি ভালো খাবার দেখে অনেকে একটু বেশিই খেয়ে ফেলি। ফলে পেটে অস্বস্তি, অ্যাসিডিটি, পেট ফাঁপা বা বদহজমের মতো সমস্যা দেখা দেয়। এসব ভারী খাবারের পর হজম ঠিক রাখা অত্যন্ত জরুরি।
স্ট্রিম ডেস্ক

ঈদ মানেই নানা পদের সুস্বাদু খাবারের বিশাল আয়োজন। সকালে সেমাই-পায়েস থেকে শুরু করে দুপুরে বা রাতে পোলাও, কোরমা, রেজালা আর কাচ্চি বিরিয়ানির মতো ভারী খাবার তো থাকেই। তার ওপর ঈদের ছুটিতে আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে দাওয়াতের ধুম পড়ে যায়।
টেবিলভর্তি ভালো খাবার দেখে অনেকে একটু বেশিই খেয়ে ফেলি। ফলে পেটে অস্বস্তি, অ্যাসিডিটি, পেট ফাঁপা বা বদহজমের মতো সমস্যা দেখা দেয়। এসব ভারী খাবারের পর হজম ঠিক রাখা অত্যন্ত জরুরি।
হজম প্রক্রিয়ার শুরুটা কিন্তু আমাদের মুখ থেকেই হয়। তাই খাবার ভালো করে চিবিয়ে খাওয়া খুব জরুরি। তাড়াহুড়ো করে বড় বড় লোকমা গিলে ফেললে পেটে চাপ পড়ে এবং বদহজম হতে পারে।
সময় নিয়ে, ধীরে ধীরে চিবিয়ে খেলে লালারসের সঙ্গে খাবার ভালোভাবে মিশে যায়। এতে পরিপাকতন্ত্রের কাজ সহজ হয়ে যায়। এ ছাড়া একবারে অতিরিক্ত না খেয়ে একটু সময় নিয়ে পরিমিত খাওয়ার অভ্যাস করা জরুরি। এতে করে পেট ভারী হয়ে থাকবে না।
হজম প্রক্রিয়া সচল রাখার সবচেয়ে সহজ ও কার্যকর উপায় হলো পর্যাপ্ত পানি পান করা। তবে ভারী বা তেল-মশলাযুক্ত খাবার খাওয়ার ঠিক পরপরই ঢকঢক করে অনেকটা পানি খেয়ে ফেলা উচিত নয়। এতে অস্বস্তি হতে পারে এবং হজম প্রক্রিয়া ধীর হয়ে যেতে পারে। ফলে খাদ্য হজম হতে দেরি হয়।
খাওয়ার অন্তত আধা ঘণ্টা থেকে এক ঘণ্টা পর পানি পান করা সবচেয়ে ভালো। এর পাশাপাশি ভারী খাবার খাওয়ার কিছুক্ষণ পর এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে পান করলে তা হজমে সহায়তা করতে পারে এবং পেট হালকা রাখতে সাহায্য করে।
খাবারের মেন্যুতে টক দই রাখা বেশ কার্যকর। ভারী খাবারের পর একবাটি টক দই খেলে এর প্রোবায়োটিক উপাদান পেটের ভালো ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি করে। এর পাশাপাশি গ্যাস বা বদহজমের ঝুঁকি অনেকটাই কমিয়ে দেয়। আমাদের দেশে পোলাও-মাংসের সঙ্গে বোরহানি খাওয়ার রেওয়াজও কিন্তু এই হজমের কথা ভেবেই তৈরি।
বোরহানিতে থাকা পুদিনা পাতা, বিট লবণ ও জিরা হজমশক্তি বাড়াতে খুব সহায়ক। এছাড়া এক গ্লাস পানিতে সামান্য জিরা ফুটিয়ে সেই পানি ছেঁকে খেলে পেটের গ্যাস ও অস্বস্তি খুব দ্রুত কমে যায়।
ঈদের মধ্যে শুধু মাংস বা তেলযুক্ত খাবার না খেয়ে প্রতিবেলার খাবারের সঙ্গে প্রচুর পরিমাণে শসা, গাজর, লেটুস বা টমেটোর সালাদ খাওয়া উচিত। সালাদের ফাইবার বা আঁশ কোষ্ঠকাঠিন্য রোধ করে এবং পরিপাক প্রক্রিয়াকে স্বাভাবিক ও গতিশীল রাখে।
শসার জলীয় অংশ শরীরকে আর্দ্র রাখে। আপনার খাদ্যতালিকায় কয়েক টুকরো কাঁচা বা পাকা পেঁপে ও আনারস রাখবেন। এই ফলগুলো প্রোটিন ভাঙতে এবং মাংস দ্রুত হজম করতে সাহায্য করে।
পেট ভরে খাওয়ার পর পরই বিছানায় গা এলিয়ে দেওয়া বদহজমের অন্যতম প্রধান কারণ। খেয়েই শুয়ে পড়লে খাবার পাকস্থলী থেকে খাদ্যনালীর দিকে উল্টো পথে ফিরে আসতে চায়, যার ফলে অ্যাসিডিটি তৈরি হয়।
তাই খাওয়ার পর অন্তত ১৫ থেকে ২০ মিনিট ঘরের ভেতর, বারান্দায় বা ছাদে হালকা হাঁটাহাঁটি করা উচিত। এতে পরিপাকতন্ত্র সক্রিয় থাকে এবং হজম প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হয়।

ঈদ মানেই নানা পদের সুস্বাদু খাবারের বিশাল আয়োজন। সকালে সেমাই-পায়েস থেকে শুরু করে দুপুরে বা রাতে পোলাও, কোরমা, রেজালা আর কাচ্চি বিরিয়ানির মতো ভারী খাবার তো থাকেই। তার ওপর ঈদের ছুটিতে আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে দাওয়াতের ধুম পড়ে যায়।
টেবিলভর্তি ভালো খাবার দেখে অনেকে একটু বেশিই খেয়ে ফেলি। ফলে পেটে অস্বস্তি, অ্যাসিডিটি, পেট ফাঁপা বা বদহজমের মতো সমস্যা দেখা দেয়। এসব ভারী খাবারের পর হজম ঠিক রাখা অত্যন্ত জরুরি।
হজম প্রক্রিয়ার শুরুটা কিন্তু আমাদের মুখ থেকেই হয়। তাই খাবার ভালো করে চিবিয়ে খাওয়া খুব জরুরি। তাড়াহুড়ো করে বড় বড় লোকমা গিলে ফেললে পেটে চাপ পড়ে এবং বদহজম হতে পারে।
সময় নিয়ে, ধীরে ধীরে চিবিয়ে খেলে লালারসের সঙ্গে খাবার ভালোভাবে মিশে যায়। এতে পরিপাকতন্ত্রের কাজ সহজ হয়ে যায়। এ ছাড়া একবারে অতিরিক্ত না খেয়ে একটু সময় নিয়ে পরিমিত খাওয়ার অভ্যাস করা জরুরি। এতে করে পেট ভারী হয়ে থাকবে না।
হজম প্রক্রিয়া সচল রাখার সবচেয়ে সহজ ও কার্যকর উপায় হলো পর্যাপ্ত পানি পান করা। তবে ভারী বা তেল-মশলাযুক্ত খাবার খাওয়ার ঠিক পরপরই ঢকঢক করে অনেকটা পানি খেয়ে ফেলা উচিত নয়। এতে অস্বস্তি হতে পারে এবং হজম প্রক্রিয়া ধীর হয়ে যেতে পারে। ফলে খাদ্য হজম হতে দেরি হয়।
খাওয়ার অন্তত আধা ঘণ্টা থেকে এক ঘণ্টা পর পানি পান করা সবচেয়ে ভালো। এর পাশাপাশি ভারী খাবার খাওয়ার কিছুক্ষণ পর এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে পান করলে তা হজমে সহায়তা করতে পারে এবং পেট হালকা রাখতে সাহায্য করে।
খাবারের মেন্যুতে টক দই রাখা বেশ কার্যকর। ভারী খাবারের পর একবাটি টক দই খেলে এর প্রোবায়োটিক উপাদান পেটের ভালো ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি করে। এর পাশাপাশি গ্যাস বা বদহজমের ঝুঁকি অনেকটাই কমিয়ে দেয়। আমাদের দেশে পোলাও-মাংসের সঙ্গে বোরহানি খাওয়ার রেওয়াজও কিন্তু এই হজমের কথা ভেবেই তৈরি।
বোরহানিতে থাকা পুদিনা পাতা, বিট লবণ ও জিরা হজমশক্তি বাড়াতে খুব সহায়ক। এছাড়া এক গ্লাস পানিতে সামান্য জিরা ফুটিয়ে সেই পানি ছেঁকে খেলে পেটের গ্যাস ও অস্বস্তি খুব দ্রুত কমে যায়।
ঈদের মধ্যে শুধু মাংস বা তেলযুক্ত খাবার না খেয়ে প্রতিবেলার খাবারের সঙ্গে প্রচুর পরিমাণে শসা, গাজর, লেটুস বা টমেটোর সালাদ খাওয়া উচিত। সালাদের ফাইবার বা আঁশ কোষ্ঠকাঠিন্য রোধ করে এবং পরিপাক প্রক্রিয়াকে স্বাভাবিক ও গতিশীল রাখে।
শসার জলীয় অংশ শরীরকে আর্দ্র রাখে। আপনার খাদ্যতালিকায় কয়েক টুকরো কাঁচা বা পাকা পেঁপে ও আনারস রাখবেন। এই ফলগুলো প্রোটিন ভাঙতে এবং মাংস দ্রুত হজম করতে সাহায্য করে।
পেট ভরে খাওয়ার পর পরই বিছানায় গা এলিয়ে দেওয়া বদহজমের অন্যতম প্রধান কারণ। খেয়েই শুয়ে পড়লে খাবার পাকস্থলী থেকে খাদ্যনালীর দিকে উল্টো পথে ফিরে আসতে চায়, যার ফলে অ্যাসিডিটি তৈরি হয়।
তাই খাওয়ার পর অন্তত ১৫ থেকে ২০ মিনিট ঘরের ভেতর, বারান্দায় বা ছাদে হালকা হাঁটাহাঁটি করা উচিত। এতে পরিপাকতন্ত্র সক্রিয় থাকে এবং হজম প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হয়।

এশিয়া মহাদেশে পবিত্র ঈদুল ফিতর অত্যন্ত আনন্দ ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে উদ্যাপিত হয়। এক মাসের সিয়াম সাধনার পর শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা গেলে মুসলমানরা ঈদের উৎসবে মেতে ওঠেন। নতুন পোশাক পরে ঈদের নামাজ আদায়, সেমাই-মিষ্টান্ন ভোজন, কোলাকুলি, ঈদ সালামি আদান-প্রদান এবং ফিতরা ও জাকাত বিতরণের মধ্য দিয
৫ ঘণ্টা আগে
অনেকে এই পরিস্থিতি এড়াতে মিথ্যা অজুহাত দেন, যা নৈতিকভাবে ঠিক নয়। সামাজিকতা বজায় রেখে কীভাবে অতিরিক্ত খাবারকে ‘না’ বলবেন, তার সাত কৌশল জেনে নিন চটজলদি। এর ফলে আপনার সামাজিকতাও বজায় থাকবে, আবার স্বাস্থ্য নিয়েও দুশ্চিন্তা থাকবে না।
২১ ঘণ্টা আগে
দুই হাতে অন্ধকারের কুয়াশা ঠেলে সরিয়ে দিচ্ছি। বুঝতে পারছি না কেন এমন হলো? জীবন সহজ নয় দেখেছি, তাই বলে এমন নির্মম হতে পারে জানা ছিল না। আমলনামা লেখার সময় তিনি কি মানুষের মতামত নেন? না লিখে দেন নিজের খেয়াল-খুশি মতো? এই যে, যে জীবন আমি যাপন করেছি—আমার কোনো মতামত নেওয়া হয়েছিল?
১ দিন আগে
আমার বিশ্বাস, এর আগে আপনারা কোনো বারবনিতার চিঠি পাননি। সম্ভবত আজ পর্যন্ত আপনারা আমার মতো অন্য কোনো নারীর মুখও দেখেননি। আমি জানি আপনাদের এই চিঠি লেখা কতটা অশালীন। তাও আবার এমন খোলা চিঠি! কিন্তু কী করব, পরিস্থিতি আমাকে অসুহায় করেছ। আর এই দুই কিশোরীর দাবিও এতই তীব্র যে আমি এই চিঠি না লিখে পারলাম না।
১ দিন আগে