স্ট্রিম প্রতিবেদক

ঈদ মানেই পরিবার, আনন্দ ও মিলনমেলা। এই উৎসবের আড়ালেই থাকে এক ভিন্ন বাস্তবতা। মানুষ প্রিয়জনদের সঙ্গে সময় কাটাতে ব্যস্ত থাকে, তখনই একদল পেশাজীবী পালন করে চলে দায়িত্ব।
পুলিশ সদস্য, চিকিৎসক, ফায়ার সার্ভিস কর্মী ও পরিবহনকর্মীরা নিজেদের ব্যক্তিগত আনন্দ ত্যাগ করে নিশ্চিত করেন শহরের নিরাপত্তা ও সেবার ধারাবাহিকতা। তাদের এই নীরব ত্যাগ ও দায়িত্ববোধই অন্যদের ঈদকে করে তোলে নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ।
সড়কে পুলিশ: দায়িত্বের দৃশ্যমান মুখ
পুলিশ সদস্যদের একটি বড় অংশ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে এসে ঢাকায় কর্মরত। ফলে ঈদের সময় তাদের অনেকেই দায়িত্ব পালন করেন এবং পরিবারের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ পান না। ঈদের দিন সকালে তারা সাধারণ নাশতা করেই দায়িত্বে যোগ দেন।
গুলিস্তানের গোলাপ শাহ মাজার এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্বরত কনস্টেবল সমির উদ্দিন জানান, ঈদের দিন সকালে পরিবারের ফোন পেয়ে তিনি আবেগাপ্লুত হন। পরিবারের কাছে না থাকতে পারাটা কষ্টের, তবে দায়িত্ব পালনেও তৃপ্তি আছে বলেন তিনি।
বাংলামোটরে দায়িত্বরত পুলিশের তরুণ কনস্টেবল আশরাফুল বলেন, ‘গতবার রোজার ঈদে ছুটি পেয়েছি। কিন্তু কোরবানি ঈদে পাইনি। এবার রোজার ঈদেও পাইনি। সামনে কী হয় জানি না। এবার মাত্র ২২ শতাংশ পুলিশ সদস্য ছুটি পেয়েছেন।’
কাওরান বাজার মোড়ে দায়িত্বরত সার্জেন্ট আজমীর বলেন, ‘ঈদের দিন সকাল সাড়ে ৬টা থেকে বেলা আড়াইটা এবং রাত সাড়ে ১০টা থেকে আড়াইটা পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেছি। রোববার আবার বেলা ২টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করছি।’
তিনি বলেন, ‘প্রথম প্রথম পরিবার ছাড়া ঈদ করতে খারাপ লাগত। কিন্তু এখন আর লাগে না। এই ঈদে ছুটি না পেলেও পরের ঈদে ছুটি পাব। আর জনগণকে নিরাপদে ঈদ উদযাপনে সহায়তা করাতেই আমাদের আনন্দ।’
সার্জেন্ট পলাশ কুমার রায় বলেন, ‘মানুষকে নিরাপদে ঈদ উদযাপনে সহায়তা করাতেই আমাদের আনন্দ।’
বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সদস্যরাও ঈদের সময় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে প্রস্তুত অবস্থায় ছিল। ঈদগাহ, সদরঘাটসহ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বিশেষ টিম মোতায়েন করা হয়, যাতে যেকোনো দুর্ঘটনায় দ্রুত সাড়া দেওয়া যায়।
অন্যদিকে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ সার্বক্ষণিক চালু ছিল। প্রতিদিন হাজারো কল গ্রহণ করে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও অ্যাম্বুলেন্স সেবার সমন্বয় করা হয়। কর্মীরা পালাক্রমে দায়িত্ব পালন করে এই সেবা সচল রাখেন।
নিরবচ্ছিন্ন চিকিৎসা কার্যক্রম
ঈদ উপলক্ষে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ১৬টি নির্দেশনা জারি করে, যাতে সরকারি হাসপাতালগুলোতে ২৪ ঘণ্টা সেবা নিশ্চিত করা হয়। জরুরি বিভাগ, অপারেশন থিয়েটার, ল্যাব, ব্লাড ব্যাংক চালু রাখা হয়। অতিরিক্ত চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের স্ট্যান্ডবাই রাখা হয়।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ঈদের সময়ও পূর্ণ সক্ষমতায় চালু ছিল। বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালেও বহির্বিভাগ, ইনডোর ও জরুরি সেবা স্বাভাবিক রাখা হয়। চিকিৎসক ও নার্সরা ওয়ার্ডে রোগীদের পর্যবেক্ষণ, জরুরি চিকিৎসা এবং পরীক্ষার কাজ চালিয়ে যান। ঈদের দিন পরিবেশ তুলনামূলক শান্ত হলেও গুরুতর রোগীর উপস্থিতি ছিল।
ঢাকা মেডিকেল কলেজের মিডিসিন বিভাগের ডা. মো. মোস্তফা কামাল উদ্দিন খান বলেন, ‘রোগীর সেবাতেই আমাদের ঈদের আনন্দ মিলে। রোগীরাও তো আমাদের মতোই নিজ বাড়ি ও পরিবার ছেড়ে হাসপাতালে পড়ে থাকেন।’
নার্স সানজিদা খাতুন বলেন, ‘আসলে রোগীর সেবাই যেহেতু আমাদের ব্রত, তাই তাতেই আমরা আনন্দ খুঁজে নেই। আর মানুষের এতো দুঃখ-কষ্ট দেখতে দেখতে নিজের ছোটখাটো দুঃখ-কষ্ট নিয়ে ভাবার সুযোগই পাই না। ঈদের দিনে রোগীরাই হয়ে উঠেন আমাদের পরিবার।’
বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে একটু ভিন্ন চিত্র দেখা যায়। সেখানে এ বছর বেশিরভাগ মুসলিম চিকিৎসক ও নার্স ছুটি পেয়েছেন। তাদের বদলে দায়িত্ব পালন করছেন, অমুসলিম চিকিৎসক ও নার্সরা।
ট্রান্সফিউশন মেডিসিন বিভাগের বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী ডা. রুম্পা মুৎসুদ্দি বলেন, ‘মুসলিম কলিগদের আমরা ঈদের সময় ছুটি দিই। তারা আবার আমাদের ধর্মীয় উৎসবের সময় ছাড় দেন। তবে সব মুসলিম যে ছুটি যান, তা নয়।’
ডা. ভাস্কর পাল বলেন, ‘আমরা কাজ করি শিশু ক্যানসার বিভাগে। শিশুদের মুখের দিকে তাকিয়ে অনেক চিকিৎসক ঈদে ছুটি না পেলেও দুঃখবোধ করেন না। এটা আমাদের এখন জীবনের অংশ হয়ে গেছে। রোগীরাই আমাদের পরিবারের মতো।’
নার্স সঙ্গীতা রয় জানান, তাদের বিভাগের ১২ জন নার্সের মধ্যে ৯ জনই মুসলিম এবং তারা সকলে ছুটিতে আছেন। তিনি বলেন, ‘আমাদেরও ঈদের ছুটি পেতে মন চায়। কিন্তু রোগীদের কথা চিন্তা করে ছুটি নেই না।’ নার্স স্বর্ণালি বলেন, ‘ঈদের সময় অবশ্য রোগীদের চাপও একটু কম থাকে। তাই আমরা অল্প লোকবলেই কাজ চালিয়ে নিতে পারি।’
চলাচল সচল রাখার দায়িত্বে গণপরিবহন শ্রমিক
ঈদের সময় রাজধানী আংশিক ফাঁকা হয়ে গেলেও জরুরি প্রয়োজন, কর্মস্থল, হাসপাতালগামী বা আনন্দ ভ্রমণে বের হওয়া মানুষের জন্য গণপরিবহন চালু থাকে। আর এই দায়িত্ব পালন করেন বাসচালক, হেলপার, সিএনজি ও রিকশাচালকসহ পরিবহন শ্রমিকরা।
অনেক পরিবহন শ্রমিক জানান, ঈদের দিন যাত্রী কম থাকলেও দায়িত্বের জায়গা থেকে তারা কাজ চালিয়ে যান। কেউ কেউ সকালেই অল্প সময় পরিবারের সঙ্গে কথা বলে গাড়ি নিয়ে বের হয়েছেন। এই শ্রমিকদের অনেকেই দৈনিক আয়ের ওপর নির্ভরশীল। ফলে উৎসবের দিনেও কাজ বন্ধ রাখার সুযোগ তাদের নেই।
বিকল্প পরিবহনের শ্রমিক কমল বলেন, ‘ঈদের দিনে মানুষের আনন্দ ভ্রমণে সহায়তা করতে পেরে আমরাও আনন্দ পাই। ফলে পরিবারের সঙ্গে সময় না কাটাতে পারার দুঃখ আর থাকে না।’

ঈদ মানেই পরিবার, আনন্দ ও মিলনমেলা। এই উৎসবের আড়ালেই থাকে এক ভিন্ন বাস্তবতা। মানুষ প্রিয়জনদের সঙ্গে সময় কাটাতে ব্যস্ত থাকে, তখনই একদল পেশাজীবী পালন করে চলে দায়িত্ব।
পুলিশ সদস্য, চিকিৎসক, ফায়ার সার্ভিস কর্মী ও পরিবহনকর্মীরা নিজেদের ব্যক্তিগত আনন্দ ত্যাগ করে নিশ্চিত করেন শহরের নিরাপত্তা ও সেবার ধারাবাহিকতা। তাদের এই নীরব ত্যাগ ও দায়িত্ববোধই অন্যদের ঈদকে করে তোলে নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ।
সড়কে পুলিশ: দায়িত্বের দৃশ্যমান মুখ
পুলিশ সদস্যদের একটি বড় অংশ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে এসে ঢাকায় কর্মরত। ফলে ঈদের সময় তাদের অনেকেই দায়িত্ব পালন করেন এবং পরিবারের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ পান না। ঈদের দিন সকালে তারা সাধারণ নাশতা করেই দায়িত্বে যোগ দেন।
গুলিস্তানের গোলাপ শাহ মাজার এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্বরত কনস্টেবল সমির উদ্দিন জানান, ঈদের দিন সকালে পরিবারের ফোন পেয়ে তিনি আবেগাপ্লুত হন। পরিবারের কাছে না থাকতে পারাটা কষ্টের, তবে দায়িত্ব পালনেও তৃপ্তি আছে বলেন তিনি।
বাংলামোটরে দায়িত্বরত পুলিশের তরুণ কনস্টেবল আশরাফুল বলেন, ‘গতবার রোজার ঈদে ছুটি পেয়েছি। কিন্তু কোরবানি ঈদে পাইনি। এবার রোজার ঈদেও পাইনি। সামনে কী হয় জানি না। এবার মাত্র ২২ শতাংশ পুলিশ সদস্য ছুটি পেয়েছেন।’
কাওরান বাজার মোড়ে দায়িত্বরত সার্জেন্ট আজমীর বলেন, ‘ঈদের দিন সকাল সাড়ে ৬টা থেকে বেলা আড়াইটা এবং রাত সাড়ে ১০টা থেকে আড়াইটা পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেছি। রোববার আবার বেলা ২টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করছি।’
তিনি বলেন, ‘প্রথম প্রথম পরিবার ছাড়া ঈদ করতে খারাপ লাগত। কিন্তু এখন আর লাগে না। এই ঈদে ছুটি না পেলেও পরের ঈদে ছুটি পাব। আর জনগণকে নিরাপদে ঈদ উদযাপনে সহায়তা করাতেই আমাদের আনন্দ।’
সার্জেন্ট পলাশ কুমার রায় বলেন, ‘মানুষকে নিরাপদে ঈদ উদযাপনে সহায়তা করাতেই আমাদের আনন্দ।’
বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সদস্যরাও ঈদের সময় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে প্রস্তুত অবস্থায় ছিল। ঈদগাহ, সদরঘাটসহ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বিশেষ টিম মোতায়েন করা হয়, যাতে যেকোনো দুর্ঘটনায় দ্রুত সাড়া দেওয়া যায়।
অন্যদিকে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ সার্বক্ষণিক চালু ছিল। প্রতিদিন হাজারো কল গ্রহণ করে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও অ্যাম্বুলেন্স সেবার সমন্বয় করা হয়। কর্মীরা পালাক্রমে দায়িত্ব পালন করে এই সেবা সচল রাখেন।
নিরবচ্ছিন্ন চিকিৎসা কার্যক্রম
ঈদ উপলক্ষে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ১৬টি নির্দেশনা জারি করে, যাতে সরকারি হাসপাতালগুলোতে ২৪ ঘণ্টা সেবা নিশ্চিত করা হয়। জরুরি বিভাগ, অপারেশন থিয়েটার, ল্যাব, ব্লাড ব্যাংক চালু রাখা হয়। অতিরিক্ত চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের স্ট্যান্ডবাই রাখা হয়।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ঈদের সময়ও পূর্ণ সক্ষমতায় চালু ছিল। বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালেও বহির্বিভাগ, ইনডোর ও জরুরি সেবা স্বাভাবিক রাখা হয়। চিকিৎসক ও নার্সরা ওয়ার্ডে রোগীদের পর্যবেক্ষণ, জরুরি চিকিৎসা এবং পরীক্ষার কাজ চালিয়ে যান। ঈদের দিন পরিবেশ তুলনামূলক শান্ত হলেও গুরুতর রোগীর উপস্থিতি ছিল।
ঢাকা মেডিকেল কলেজের মিডিসিন বিভাগের ডা. মো. মোস্তফা কামাল উদ্দিন খান বলেন, ‘রোগীর সেবাতেই আমাদের ঈদের আনন্দ মিলে। রোগীরাও তো আমাদের মতোই নিজ বাড়ি ও পরিবার ছেড়ে হাসপাতালে পড়ে থাকেন।’
নার্স সানজিদা খাতুন বলেন, ‘আসলে রোগীর সেবাই যেহেতু আমাদের ব্রত, তাই তাতেই আমরা আনন্দ খুঁজে নেই। আর মানুষের এতো দুঃখ-কষ্ট দেখতে দেখতে নিজের ছোটখাটো দুঃখ-কষ্ট নিয়ে ভাবার সুযোগই পাই না। ঈদের দিনে রোগীরাই হয়ে উঠেন আমাদের পরিবার।’
বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে একটু ভিন্ন চিত্র দেখা যায়। সেখানে এ বছর বেশিরভাগ মুসলিম চিকিৎসক ও নার্স ছুটি পেয়েছেন। তাদের বদলে দায়িত্ব পালন করছেন, অমুসলিম চিকিৎসক ও নার্সরা।
ট্রান্সফিউশন মেডিসিন বিভাগের বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী ডা. রুম্পা মুৎসুদ্দি বলেন, ‘মুসলিম কলিগদের আমরা ঈদের সময় ছুটি দিই। তারা আবার আমাদের ধর্মীয় উৎসবের সময় ছাড় দেন। তবে সব মুসলিম যে ছুটি যান, তা নয়।’
ডা. ভাস্কর পাল বলেন, ‘আমরা কাজ করি শিশু ক্যানসার বিভাগে। শিশুদের মুখের দিকে তাকিয়ে অনেক চিকিৎসক ঈদে ছুটি না পেলেও দুঃখবোধ করেন না। এটা আমাদের এখন জীবনের অংশ হয়ে গেছে। রোগীরাই আমাদের পরিবারের মতো।’
নার্স সঙ্গীতা রয় জানান, তাদের বিভাগের ১২ জন নার্সের মধ্যে ৯ জনই মুসলিম এবং তারা সকলে ছুটিতে আছেন। তিনি বলেন, ‘আমাদেরও ঈদের ছুটি পেতে মন চায়। কিন্তু রোগীদের কথা চিন্তা করে ছুটি নেই না।’ নার্স স্বর্ণালি বলেন, ‘ঈদের সময় অবশ্য রোগীদের চাপও একটু কম থাকে। তাই আমরা অল্প লোকবলেই কাজ চালিয়ে নিতে পারি।’
চলাচল সচল রাখার দায়িত্বে গণপরিবহন শ্রমিক
ঈদের সময় রাজধানী আংশিক ফাঁকা হয়ে গেলেও জরুরি প্রয়োজন, কর্মস্থল, হাসপাতালগামী বা আনন্দ ভ্রমণে বের হওয়া মানুষের জন্য গণপরিবহন চালু থাকে। আর এই দায়িত্ব পালন করেন বাসচালক, হেলপার, সিএনজি ও রিকশাচালকসহ পরিবহন শ্রমিকরা।
অনেক পরিবহন শ্রমিক জানান, ঈদের দিন যাত্রী কম থাকলেও দায়িত্বের জায়গা থেকে তারা কাজ চালিয়ে যান। কেউ কেউ সকালেই অল্প সময় পরিবারের সঙ্গে কথা বলে গাড়ি নিয়ে বের হয়েছেন। এই শ্রমিকদের অনেকেই দৈনিক আয়ের ওপর নির্ভরশীল। ফলে উৎসবের দিনেও কাজ বন্ধ রাখার সুযোগ তাদের নেই।
বিকল্প পরিবহনের শ্রমিক কমল বলেন, ‘ঈদের দিনে মানুষের আনন্দ ভ্রমণে সহায়তা করতে পেরে আমরাও আনন্দ পাই। ফলে পরিবারের সঙ্গে সময় না কাটাতে পারার দুঃখ আর থাকে না।’

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়সহ (বুয়েট) দেশের ১১টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য নিয়োগ দিয়েছে সরকার। রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
৯ মিনিট আগে
সাগরপথে ঝুঁকিপূর্ণ অভিবাসন বন্ধে সরকার কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে জানিয়েছেন প্রবাসীকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নূরুল হক নূর। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) রাজধানীর একটি হোটেলে ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের ‘জাতীয় কর্মশালায়’ এ তথ্য জানান তিনি।
১২ মিনিট আগে
ঢাকা বদলে গেলে দেশের রূপও বদলে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মো. আবদুস সালাম। এসময় তিনি বলেন, আমরা বদলালে ঢাকাও বদলাবে। আমরা চাই না বিশ্বের সবচেয়ে খারাপ শহরের তালিকায় ঢাকা থাকুক।
২৩ মিনিট আগে
পটুয়াখালীর বিচ্ছিন্ন দ্বীপ-উপজেলা রাঙ্গাবালীতে টানা কয়েক দিনের বৃষ্টিতে ফসলের জমিতে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। এতে ক্ষতির মুখে পড়েছেন কৃষকেরা। উপজেলার মৌডুবি ইউনিয়নের ভূঁইয়াকান্দা গ্রামে খৈয়ারখালে বাঁধ দিয়ে মাছ চাষের কারণে পানিনিষ্কাশন হচ্ছে না।
৩৪ মিনিট আগে