স্ট্রিম ডেস্ক

ইরান যুদ্ধের অবসান এবং একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে সহায়তার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমন্বয় করে শুক্রবার তেহরান গেছে কাতারের একটি আলোচনাকারী দল। বিষয়টি সম্পর্কে জানেন এমন একটি সূত্র রয়টার্সকে এই তথ্য জানিয়েছেন।
সূত্রটি রয়টার্সকে শুক্রবার জানিয়েছে, কাতারের আলোচনাকারী একটি দল তেহরানে অবস্থান করছে। যুদ্ধ বন্ধ এবং ইরানের সঙ্গে অমীমাংসিত বিষয়গুলো নিষ্পত্তি করে একটি চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছাতে দলটি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমন্বয় করে তেহরানে গেছে।
অবশ্য কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে মন্তব্যের জন্য রয়টার্সের করা অনুরোধে তাৎক্ষণিকভাবে সাড়া দেয়নি।
গাজা যুদ্ধ থেকে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন উত্তেজনায় মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় দেখা গেছে কাতারকে। তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সাম্প্রতিক যুদ্ধ শুরুর পর ইরানের একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার শিকার হওয়ায় এত দিন দেশটি নিজেদের দূরে রেখেছিল।
যুদ্ধ শুরুর পর থেকে পাকিস্তান আনুষ্ঠানিক মধ্যস্থতাকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে। এখন কাতারের এতে যুক্ত হওয়া মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র এবং ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে একটি বিশ্বস্ত ব্যাক-চ্যানেল হিসেবে দেশটির দীর্ঘদিনের ভূমিকার কথা ফের সামনে এনেছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার মাধ্যমে শুরুর পর বর্তমানে একটি নড়বড়ে যুদ্ধবিরতি চলছে। আলোচনা চললেও এখনও বড় কোনো অগ্রগতি হয়নি। উপরন্তু ইরানি বন্দরগুলোতে মার্কিন অবরোধ এবং তেহরানের হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ করে দেওয়া আলোচনার প্রক্রিয়াকে জটিল করে তুলেছে।
বৃহস্পতিবার ইরানের একজন ঊর্ধ্বতন সূত্র রয়টার্সকে জানান, এখনো কোনো চুক্তি হয়নি, তবে মতপার্থক্যগুলো কমে এসেছে। যদিও ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করা ও হরমুজ প্রণালির ওপর নিয়ন্ত্রণ এখনও প্রধান বিরোধপূর্ণ বিষয় হিসেবে থেকে গেছে।
অবশ্য মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বৃহস্পতিবার কিছুটা অগ্রগতির কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘কিছু ভালো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। আমি অতিরিক্ত আশাবাদী হতে চাই না... তাই দেখা যাক আগামী কয়েক দিনে কী ঘটে।’
এদিকে, শুক্রবার সুইডেনে ন্যাটো পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের একটি বৈঠকের ফাঁকে ইরানে কাতারি দলের উপস্থিতির বিষয়ে রুবিওর কাছে জানতে চাওয়া হয়। তখন তিনি বলেন, ‘ইরানের সঙ্গে আলোচনায় পাকিস্তানই প্রধান মধ্যস্থতাকারী। স্বাভাবিকভাবেই অন্যান্য দেশেরও স্বার্থ রয়েছে, বিশেষ করে উপসাগরীয় দেশগুলো, যারা এই সবকিছুর কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে-তাদের নিজস্ব হিসাবনিকাশ রয়েছে। আমরা সবার সঙ্গেই কথা বলি। আমি শুধু এটাই বলব, এই পুরো বিষয়ে আমরা মূলত যে দেশের সঙ্গে কাজ করছি, তা হলো পাকিস্তান এবং পরিস্থিতি এটাই।’
যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান নন-ন্যাটো মিত্র কাতার। দেশটিতে অবস্থিত আল উদেইদ বিমান ঘাঁটি মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম সামরিক স্থাপনা।
যুদ্ধ শুরুর আগে, বিশ্বব্যাপী এলএনজি বাণিজ্যের প্রায় ২০ শতাংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হতো, যার একটি অংশ আসত কাতার থেকে। ইরান কর্তৃক এই প্রণালিটি কার্যত বন্ধ করে দেওয়ায় কাতারের এলএনজি রপ্তানি সক্ষমতা প্রায় পুরোটাই বন্ধ হয়ে গেছে।

ইরান যুদ্ধের অবসান এবং একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে সহায়তার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমন্বয় করে শুক্রবার তেহরান গেছে কাতারের একটি আলোচনাকারী দল। বিষয়টি সম্পর্কে জানেন এমন একটি সূত্র রয়টার্সকে এই তথ্য জানিয়েছেন।
সূত্রটি রয়টার্সকে শুক্রবার জানিয়েছে, কাতারের আলোচনাকারী একটি দল তেহরানে অবস্থান করছে। যুদ্ধ বন্ধ এবং ইরানের সঙ্গে অমীমাংসিত বিষয়গুলো নিষ্পত্তি করে একটি চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছাতে দলটি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমন্বয় করে তেহরানে গেছে।
অবশ্য কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে মন্তব্যের জন্য রয়টার্সের করা অনুরোধে তাৎক্ষণিকভাবে সাড়া দেয়নি।
গাজা যুদ্ধ থেকে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন উত্তেজনায় মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় দেখা গেছে কাতারকে। তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সাম্প্রতিক যুদ্ধ শুরুর পর ইরানের একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার শিকার হওয়ায় এত দিন দেশটি নিজেদের দূরে রেখেছিল।
যুদ্ধ শুরুর পর থেকে পাকিস্তান আনুষ্ঠানিক মধ্যস্থতাকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে। এখন কাতারের এতে যুক্ত হওয়া মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র এবং ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে একটি বিশ্বস্ত ব্যাক-চ্যানেল হিসেবে দেশটির দীর্ঘদিনের ভূমিকার কথা ফের সামনে এনেছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার মাধ্যমে শুরুর পর বর্তমানে একটি নড়বড়ে যুদ্ধবিরতি চলছে। আলোচনা চললেও এখনও বড় কোনো অগ্রগতি হয়নি। উপরন্তু ইরানি বন্দরগুলোতে মার্কিন অবরোধ এবং তেহরানের হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ করে দেওয়া আলোচনার প্রক্রিয়াকে জটিল করে তুলেছে।
বৃহস্পতিবার ইরানের একজন ঊর্ধ্বতন সূত্র রয়টার্সকে জানান, এখনো কোনো চুক্তি হয়নি, তবে মতপার্থক্যগুলো কমে এসেছে। যদিও ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করা ও হরমুজ প্রণালির ওপর নিয়ন্ত্রণ এখনও প্রধান বিরোধপূর্ণ বিষয় হিসেবে থেকে গেছে।
অবশ্য মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বৃহস্পতিবার কিছুটা অগ্রগতির কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘কিছু ভালো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। আমি অতিরিক্ত আশাবাদী হতে চাই না... তাই দেখা যাক আগামী কয়েক দিনে কী ঘটে।’
এদিকে, শুক্রবার সুইডেনে ন্যাটো পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের একটি বৈঠকের ফাঁকে ইরানে কাতারি দলের উপস্থিতির বিষয়ে রুবিওর কাছে জানতে চাওয়া হয়। তখন তিনি বলেন, ‘ইরানের সঙ্গে আলোচনায় পাকিস্তানই প্রধান মধ্যস্থতাকারী। স্বাভাবিকভাবেই অন্যান্য দেশেরও স্বার্থ রয়েছে, বিশেষ করে উপসাগরীয় দেশগুলো, যারা এই সবকিছুর কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে-তাদের নিজস্ব হিসাবনিকাশ রয়েছে। আমরা সবার সঙ্গেই কথা বলি। আমি শুধু এটাই বলব, এই পুরো বিষয়ে আমরা মূলত যে দেশের সঙ্গে কাজ করছি, তা হলো পাকিস্তান এবং পরিস্থিতি এটাই।’
যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান নন-ন্যাটো মিত্র কাতার। দেশটিতে অবস্থিত আল উদেইদ বিমান ঘাঁটি মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম সামরিক স্থাপনা।
যুদ্ধ শুরুর আগে, বিশ্বব্যাপী এলএনজি বাণিজ্যের প্রায় ২০ শতাংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হতো, যার একটি অংশ আসত কাতার থেকে। ইরান কর্তৃক এই প্রণালিটি কার্যত বন্ধ করে দেওয়ায় কাতারের এলএনজি রপ্তানি সক্ষমতা প্রায় পুরোটাই বন্ধ হয়ে গেছে।

যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের অনুমতি বা গ্রিন কার্ড পেতে ইচ্ছুকদের এখন নিজ দেশে ফিরে সেখানকার মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। শুক্রবার (২২ মে) মার্কিন নাগরিকত্ব ও অভিবাসন সেবা বিভাগ (ইউএসসিআইএস) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নীতিগত পরিবর্তনের এই ঘোষণা দিয়েছে। খবর দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস।
৪ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা বিভাগের (ডিএনআই) পরিচালক পদ থেকে পদত্যাগ করছেন তুলসী গ্যাবার্ড। শুক্রবার (২২ মে) প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন তিনি। আগামী ৩০ জুন থেকে গ্যাবার্ডের পদত্যাগ কার্যকর হবে।
১৩ ঘণ্টা আগে
দেশের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম বিদেশে না পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মুজতবা খামেনি। দুইজন জ্যেষ্ঠ ইরানি সূত্রের বরাতে এ তথ্য জানা গেছে। শান্তি আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান দাবির বিপরীতে তেহরানের অবস্থান আরও কঠোর হয়েছে। খবর রয়টার্সের।
১৯ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র প্রেসিডেন্টের চীন সফরের এক সপ্তাহ পরই তাইওয়ানের কাছে ১৪ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রি সাময়িকভাবে স্থগিত করার কথা জানিয়েছে ওয়াশিংটন। ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে নিজেদের গোলাবারুদের মজুত ঠিক রাখতে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে দাবি করেছে দেশটি। খবর আল-জাজিরার।
১ দিন আগে