ইরানের সঙ্গে সমঝোতা
স্ট্রিম ডেস্ক

ইরানের সঙ্গে অন্তর্বর্তীকালীন সমঝোতা চুক্তির পর নিজের দল রিপাবলিকান পার্টির একাংশের তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। অভিযোগ, এই চুক্তি করদাতাদের বিলিয়ন ডলার অপচয় করবে এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিতকরণে খুব একটা কাজে আসবে না। খবর আলজাজিরার।
বুধবার (১৭ জুন) সই হওয়া ১৪ দফা সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান সব ফ্রন্টে সামরিক অভিযান তাৎক্ষণিক ও স্থায়ীভাবে বন্ধ করার বিষয়ে সম্মত হয়েছে। এর মধ্যে লেবাননে ইসরায়েলি হামলাও অন্তর্ভুক্ত।
চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, তেহরান হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি পুনরায় খুলে দিতে রাজি হয়েছে, যা গত ফেব্রুয়ারির শেষ থেকে কার্যত বন্ধ ছিল। অন্যদিকে ইরানের পুনর্গঠন ও উন্নয়নের জন্য ৩০০ বিলিয়ন ডলারের তহবিল নিয়ে ‘চূড়ান্ত ও পারস্পরিকভাবে সম্মত একটি পরিকল্পনা’ তৈরির প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ওয়াশিংটন।
সমঝোতা স্মারকে আরও বলা হয়, ইরান কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন বা উন্নয়নের কার্যক্রম চালাবে না।
নিজের দলের ভেতর ট্রাম্পের একজন বিরল সমালোচক রিপাবলিকান সিনেটর বিল ক্যাসিডি এই চুক্তিকে দশকের সবচেয়ে বড় পররাষ্ট্রনীতির ভুল বলে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, ইরানের পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা নিয়ন্ত্রণে আসেনি। তারা বুঝেছে হরমুজ প্রণালি বন্ধ করার হুমকি কার্যকর এবং ভবিষ্যতেও তারা এটি ব্যবহার করবে। এখন ইরান এই চুক্তির মাধ্যমে নতুন অবকাঠামো নির্মাণের সুযোগ পাচ্ছে।
কেন্টাকির রিপাবলিকান সিনেটর থমাস ম্যাসি ৩০০ বিলিয়ন ডলারের সহায়তা পরিকল্পনা নিয়ে সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, এই অঙ্কটি যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস প্রতি বছর সড়ক ও সেতু নির্মাণে যে ব্যয় করে তার প্রায় পাঁচ গুণ।
ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রদূত নিকি হ্যালিও ওয়াশিংটনের ইরান পুনর্গঠনে সহায়তার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি এক্সে লিখেছেন, এই শাসকগোষ্ঠী ‘আমেরিকার ধ্বংস চাই’ বলে স্লোগান দেয়, আমাদের সেনাদের হত্যা করে এবং মার্কিন ভূখণ্ডে আমেরিকানদের হত্যার চেষ্টা চালায়।
তিনি আরও বলেন, তারা বিশ্বাস করে আমাদের ধ্বংস করা তাদের এক ধরনের দায়িত্ব। আর এখন, আমরা তাদের বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের তহবিল মুক্ত করার এবং নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার পরিকল্পনা করছি। সাথে আরও বেশি টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি তো রয়েছেই।
ট্রাম্পের এই চুক্তির সঙ্গে সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার ২০১৫ সালের ইরান চুক্তির তুলনা করা হচ্ছে। ওই চুক্তিতে তেহরান তার পারমাণবিক কর্মসূচির ওপর সীমাবদ্ধতা মেনে নেয়, বিনিময়ে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হয়।
ট্রাম্প ২০১৮ সালে সেই চুক্তি প্রত্যাহার করে দাবি করেন, এটি ইরানি শাসনকে সমৃদ্ধ করেছে এবং তাদের ক্ষতিকর কার্যকলাপকে উৎসাহিত করেছে।
ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদের ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স বুধবার বলেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্মারক ওবামা-ইরান পারমাণবিক চুক্তির মতোই এক ধরনের আপস, যা আমাদের প্রশাসন প্রত্যাখ্যান করেছিল।
তিনি বলেন, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ভেঙে ফেলতে বাধ্য করে, যুক্তরাষ্ট্রের এমন একটি চুক্তি করা উচিত। তা না হলে আমাদের সশস্ত্র বাহিনীকে কাজ শেষ করতে দিতে হবে।
টেক্সাসের সিনেটর টেড ক্রুজ এই সমঝোতাকে ওবামা চুক্তির সঙ্গে তুলনার বিরোধিতা করলেও ইরানকে অর্থ সহায়তা দেওয়ার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
তিনি এক্সে লেখেন, আমি প্রেসিডেন্টকে অনুরোধ করছি এই বিজয় নষ্ট না করতে। আমরা তাদের সামরিক শক্তি ধ্বংস করেছি। তাদের পুনর্গঠনে অর্থায়ন করা আমাদের উচিত নয়।

ইরানের সঙ্গে অন্তর্বর্তীকালীন সমঝোতা চুক্তির পর নিজের দল রিপাবলিকান পার্টির একাংশের তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। অভিযোগ, এই চুক্তি করদাতাদের বিলিয়ন ডলার অপচয় করবে এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিতকরণে খুব একটা কাজে আসবে না। খবর আলজাজিরার।
বুধবার (১৭ জুন) সই হওয়া ১৪ দফা সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান সব ফ্রন্টে সামরিক অভিযান তাৎক্ষণিক ও স্থায়ীভাবে বন্ধ করার বিষয়ে সম্মত হয়েছে। এর মধ্যে লেবাননে ইসরায়েলি হামলাও অন্তর্ভুক্ত।
চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, তেহরান হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি পুনরায় খুলে দিতে রাজি হয়েছে, যা গত ফেব্রুয়ারির শেষ থেকে কার্যত বন্ধ ছিল। অন্যদিকে ইরানের পুনর্গঠন ও উন্নয়নের জন্য ৩০০ বিলিয়ন ডলারের তহবিল নিয়ে ‘চূড়ান্ত ও পারস্পরিকভাবে সম্মত একটি পরিকল্পনা’ তৈরির প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ওয়াশিংটন।
সমঝোতা স্মারকে আরও বলা হয়, ইরান কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন বা উন্নয়নের কার্যক্রম চালাবে না।
নিজের দলের ভেতর ট্রাম্পের একজন বিরল সমালোচক রিপাবলিকান সিনেটর বিল ক্যাসিডি এই চুক্তিকে দশকের সবচেয়ে বড় পররাষ্ট্রনীতির ভুল বলে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, ইরানের পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা নিয়ন্ত্রণে আসেনি। তারা বুঝেছে হরমুজ প্রণালি বন্ধ করার হুমকি কার্যকর এবং ভবিষ্যতেও তারা এটি ব্যবহার করবে। এখন ইরান এই চুক্তির মাধ্যমে নতুন অবকাঠামো নির্মাণের সুযোগ পাচ্ছে।
কেন্টাকির রিপাবলিকান সিনেটর থমাস ম্যাসি ৩০০ বিলিয়ন ডলারের সহায়তা পরিকল্পনা নিয়ে সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, এই অঙ্কটি যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস প্রতি বছর সড়ক ও সেতু নির্মাণে যে ব্যয় করে তার প্রায় পাঁচ গুণ।
ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রদূত নিকি হ্যালিও ওয়াশিংটনের ইরান পুনর্গঠনে সহায়তার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি এক্সে লিখেছেন, এই শাসকগোষ্ঠী ‘আমেরিকার ধ্বংস চাই’ বলে স্লোগান দেয়, আমাদের সেনাদের হত্যা করে এবং মার্কিন ভূখণ্ডে আমেরিকানদের হত্যার চেষ্টা চালায়।
তিনি আরও বলেন, তারা বিশ্বাস করে আমাদের ধ্বংস করা তাদের এক ধরনের দায়িত্ব। আর এখন, আমরা তাদের বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের তহবিল মুক্ত করার এবং নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার পরিকল্পনা করছি। সাথে আরও বেশি টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি তো রয়েছেই।
ট্রাম্পের এই চুক্তির সঙ্গে সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার ২০১৫ সালের ইরান চুক্তির তুলনা করা হচ্ছে। ওই চুক্তিতে তেহরান তার পারমাণবিক কর্মসূচির ওপর সীমাবদ্ধতা মেনে নেয়, বিনিময়ে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হয়।
ট্রাম্প ২০১৮ সালে সেই চুক্তি প্রত্যাহার করে দাবি করেন, এটি ইরানি শাসনকে সমৃদ্ধ করেছে এবং তাদের ক্ষতিকর কার্যকলাপকে উৎসাহিত করেছে।
ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদের ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স বুধবার বলেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্মারক ওবামা-ইরান পারমাণবিক চুক্তির মতোই এক ধরনের আপস, যা আমাদের প্রশাসন প্রত্যাখ্যান করেছিল।
তিনি বলেন, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ভেঙে ফেলতে বাধ্য করে, যুক্তরাষ্ট্রের এমন একটি চুক্তি করা উচিত। তা না হলে আমাদের সশস্ত্র বাহিনীকে কাজ শেষ করতে দিতে হবে।
টেক্সাসের সিনেটর টেড ক্রুজ এই সমঝোতাকে ওবামা চুক্তির সঙ্গে তুলনার বিরোধিতা করলেও ইরানকে অর্থ সহায়তা দেওয়ার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
তিনি এক্সে লেখেন, আমি প্রেসিডেন্টকে অনুরোধ করছি এই বিজয় নষ্ট না করতে। আমরা তাদের সামরিক শক্তি ধ্বংস করেছি। তাদের পুনর্গঠনে অর্থায়ন করা আমাদের উচিত নয়।

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্মারক সই হওয়া সত্ত্বেও লেবানন থেকে সেনা প্রত্যাহার না করার ঘোষণা দিয়েছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) এক বিবৃতিতে নেতানিয়াহু বলেন, ‘যতদিন ইসরায়েলের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হচ্ছে, ততদিন আমরা দক্ষিণ লেবানন ছেড়ে যাব না।’
৩ ঘণ্টা আগে
‘মার্কিন ইন্দো-প্যাসিফিক কমান্ড’-এর নাম পরিবর্তন করেছে দেশটির যুদ্ধ বিভাগ। এ সামরিক শাখাটির পুরোনো নাম–‘মার্কিন প্যাসিফিক কমান্ড’ ফিরিয়ে আনা হয়েছে। নাম থেকে ‘ইন্দো’ শব্দটি বাদ দেওয়া এবং কমান্ডটির ওয়েবসাইটে ভারতের ‘ভুল’ মানচিত্রের প্রদর্শনী নিয়ে দেশটিতে শুরু হয়েছে বিতর্ক।
৮ ঘণ্টা আগে
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের আপাত অবসান ঘটেছে। বৃহস্পতিবার সমঝোতা স্মারকে সই করেছেন দুই দেশের প্রেসিডেন্ট। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ‘মেমোরেন্ডাম অব আন্ডারস্ট্যান্ডিং’ নামে ১৪ দফার এই চুক্তি কার্যকর হয়েছে অবিলম্বে।
১০ ঘণ্টা আগে
আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করেছেন ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দ্য সিলভা। আগামী অক্টোবর মাসে এই নির্বাচন হবে। খবর আলজাজিরার।
১১ ঘণ্টা আগে