স্ট্রিম ডেস্ক

গৃহবন্দি মিয়ানমারের নোবেলজয়ী সাবেক রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টা অং সান সু চির সঙ্গে আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটির (আইসিআরসি) এক প্রতিনিধি সাক্ষাৎ করেছেন। সোমবার (৩ আগস্ট) সাক্ষাতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে আইসিআরসি।
২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে সামরিক অভ্যুত্থানে সু চির নির্বাচিত সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে জান্তারা। এরপরই তাঁকে আটক করা হয়। বিভিন্ন ‘অভিযোগে’ সু চিকে ৩৩ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি গৃহবন্দি রয়েছেন।
২০২২ সালের শেষ দিক থেকে তাঁকে জনসমক্ষে খুব কমই দেখা গেছে। সামরিক-সমর্থিত প্রশাসন বারবার দাবি করে আসছিল, সু চি ‘সুস্থ’ আছেন।
তবে সু চির প্রকাশ্যে না আসা নিয়ে ধোঁয়াশা সৃষ্টি হলে জান্তা সরকারের ওপর চাপ ক্রমশ বাড়তেই থাকে। সম্প্রতি সু চির ছেলে কিম অ্যারিস জান্তার কাছে তাঁর মায়ের জীবিত থাকার প্রমাণ প্রকাশের দাবি জানান।
রেড ক্রসের প্রতিনিধির সঙ্গে সাক্ষাতের খবরকে অ্যারিস গত পাঁচ বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে ‘প্রথম ইতিবাচক অগ্রগতি’ হিসেবে উল্লেখ করেন। সামাজিক মাধ্যমে তিনি বলেন, এই উদ্যোগে তাঁর মায়ের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ, স্বাধীনভাবে শারীরিক অবস্থা যাচাই এবং সব রাজনৈতিক বন্দির সঙ্গে সু চির নিঃশর্ত মুক্তির পথ আরও প্রশস্ত হবে।
জান্তা সরকারের মুখপাত্র খাইন খাইন সোয়ের টেলিগ্রাম পোস্টের বরাতে জানা গেছে, আইসিআরসির মিয়ানমার প্রতিনিধি আর্নড ডি বেক সোমবার রাজধানী নেপিডোতে সু চির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। প্রকাশিত কয়েকটি ছবিতে ঐতিহ্যবাহী বার্মিজ পোশাকে সু চিকে একটি সাধারণ কক্ষে প্রতিনিধির সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায়। অন্য একটি ছবিতে তাঁকে নিজের নাম লেখা জন্মদিনের কেক কাটতে দেখা গেছে।
সাক্ষাতের পর আইসিআরসি জানায়, সংস্থাটির বন্দি পরিদর্শনের নীতিমালা অনুযায়ী এ সফর হয়েছে। বন্দিদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ সৃষ্টি করাই এসব সফরের অন্যতম উদ্দেশ্য। তবে সফর-পরবর্তী পর্যবেক্ষণ ও সুপারিশ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছেই জানানো হয়েছে।
এদিকে, দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় জোট আসিয়ান মিয়ানমারের সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগ পুনরায় শুরু করেছে। তবে সু চির সঙ্গে স্বাধীনভাবে সাক্ষাতের দাবি অব্যাহত রেখেছে সংস্থাটি। জুলাইয়ে ব্যাংককে আসিয়ান পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকের পর থাইল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সু চির শারীরিক অবস্থা স্বাধীনভাবে যাচাইয়ের ব্যবস্থা করার আহ্বান জানান। তবে নতুন সামরিক-সমর্থিত জান্তা সরকার এখনো এ ধরনের অনুরোধে সাড়া দেয়নি।
তথ্যসূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

গৃহবন্দি মিয়ানমারের নোবেলজয়ী সাবেক রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টা অং সান সু চির সঙ্গে আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটির (আইসিআরসি) এক প্রতিনিধি সাক্ষাৎ করেছেন। সোমবার (৩ আগস্ট) সাক্ষাতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে আইসিআরসি।
২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে সামরিক অভ্যুত্থানে সু চির নির্বাচিত সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে জান্তারা। এরপরই তাঁকে আটক করা হয়। বিভিন্ন ‘অভিযোগে’ সু চিকে ৩৩ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি গৃহবন্দি রয়েছেন।
২০২২ সালের শেষ দিক থেকে তাঁকে জনসমক্ষে খুব কমই দেখা গেছে। সামরিক-সমর্থিত প্রশাসন বারবার দাবি করে আসছিল, সু চি ‘সুস্থ’ আছেন।
তবে সু চির প্রকাশ্যে না আসা নিয়ে ধোঁয়াশা সৃষ্টি হলে জান্তা সরকারের ওপর চাপ ক্রমশ বাড়তেই থাকে। সম্প্রতি সু চির ছেলে কিম অ্যারিস জান্তার কাছে তাঁর মায়ের জীবিত থাকার প্রমাণ প্রকাশের দাবি জানান।
রেড ক্রসের প্রতিনিধির সঙ্গে সাক্ষাতের খবরকে অ্যারিস গত পাঁচ বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে ‘প্রথম ইতিবাচক অগ্রগতি’ হিসেবে উল্লেখ করেন। সামাজিক মাধ্যমে তিনি বলেন, এই উদ্যোগে তাঁর মায়ের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ, স্বাধীনভাবে শারীরিক অবস্থা যাচাই এবং সব রাজনৈতিক বন্দির সঙ্গে সু চির নিঃশর্ত মুক্তির পথ আরও প্রশস্ত হবে।
জান্তা সরকারের মুখপাত্র খাইন খাইন সোয়ের টেলিগ্রাম পোস্টের বরাতে জানা গেছে, আইসিআরসির মিয়ানমার প্রতিনিধি আর্নড ডি বেক সোমবার রাজধানী নেপিডোতে সু চির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। প্রকাশিত কয়েকটি ছবিতে ঐতিহ্যবাহী বার্মিজ পোশাকে সু চিকে একটি সাধারণ কক্ষে প্রতিনিধির সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায়। অন্য একটি ছবিতে তাঁকে নিজের নাম লেখা জন্মদিনের কেক কাটতে দেখা গেছে।
সাক্ষাতের পর আইসিআরসি জানায়, সংস্থাটির বন্দি পরিদর্শনের নীতিমালা অনুযায়ী এ সফর হয়েছে। বন্দিদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ সৃষ্টি করাই এসব সফরের অন্যতম উদ্দেশ্য। তবে সফর-পরবর্তী পর্যবেক্ষণ ও সুপারিশ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছেই জানানো হয়েছে।
এদিকে, দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় জোট আসিয়ান মিয়ানমারের সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগ পুনরায় শুরু করেছে। তবে সু চির সঙ্গে স্বাধীনভাবে সাক্ষাতের দাবি অব্যাহত রেখেছে সংস্থাটি। জুলাইয়ে ব্যাংককে আসিয়ান পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকের পর থাইল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সু চির শারীরিক অবস্থা স্বাধীনভাবে যাচাইয়ের ব্যবস্থা করার আহ্বান জানান। তবে নতুন সামরিক-সমর্থিত জান্তা সরকার এখনো এ ধরনের অনুরোধে সাড়া দেয়নি।
তথ্যসূত্র: দ্য গার্ডিয়ান
.png)

ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) আওতায় ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি বাড়াতে সম্মত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। আগামী ১৭ আগস্ট এ যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। পাকিস্তান সরকারের সূত্র বুধবার আনাদোলুকে এ তথ্য জানিয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
কলম্বিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা ২৫০ ছাড়িয়েছে। এখনো ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে জীবিতদের খুঁজছেন উদ্ধারকর্মীরা। ভবনের নিচে কেউ আটকে আছেন কি না, তা জানতে অনেক জায়গায় নীরব থাকতে বলা হচ্ছে। খবর রয়টার্সের।
৫ ঘণ্টা আগে
দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক মহড়া আগে জাপান সাগরে একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে উত্তর কোরিয়া। এক সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে পিয়ংইয়ংয়ের এটি দ্বিতীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা। খবর আলজাজিরার
৬ ঘণ্টা আগেথাইল্যান্ডে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আইন কঠোর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। দেশটিতে আপাতত নতুন করে আর বেসামরিক নাগরিকদের আগ্নেয়াস্ত্রের মালিকানা, ক্রয় ও বহনের লাইসেন্স দেওয়া হবে না।
৭ ঘণ্টা আগে