স্ট্রিম ডেস্ক

ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের মধ্যে হরমুজ প্রণালি অবমুক্ত করতে নতুন করে সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আগের নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই তিনি তা একদিন বাড়িয়ে মঙ্গলবার (বাংলাদেশ সময় বুধবার) পর্যন্ত করেছেন। খবর বার্তাসংস্থা এপির।
স্থানীয় সময় রোববার (৫ এপ্রিল) ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘দ্রুত চুক্তিতে না এলে ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। প্রয়োজন হলে দেশটির গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ধ্বংস এবং তেলক্ষেত্র নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।’
এরপর নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ একটি সংক্ষিপ্ত বার্তায় তিনি লেখেন, ‘মঙ্গলবার, রাত ৮টা (ইস্টার্ন টাইম)!’। যা বিশ্লেষকদের মতে ইরানের জন্য নতুন আল্টিমেটাম। বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী, এই সময়সীমা বুধবার সকাল ৬টা পর্যন্ত প্রযোজ্য।
এর আগে আরেক পোস্টে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘মঙ্গলবার ইরানে বড় ধরনের হামলা হতে পারে, যেখানে বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতু লক্ষ্যবস্তু হতে পারে।’
ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর থেকেই ইরান হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ রেখেছে। ফলে বিশ্ব জ্বালানি পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে।
দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এখন শক্ত অবস্থানে রয়েছে এবং ইরান দ্রুত সিদ্ধান্ত না নিলে কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, আলোচনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে এবং দ্রুত সমাধানের সম্ভাবনাও রয়েছে।
এবিসি নিউজকে দেওয়া আরেক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প জানান, সপ্তাহ নয়—কয়েক দিনের মধ্যেই এই সংঘাতের অবসান হতে পারে। তবে চুক্তিতে না এলে ইরানের বিরুদ্ধে সব ধরনের বিকল্প খোলা থাকবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।
এদিকে, ইরানকে নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক হুমকির তীব্র সমালোচনা করেছেন দেশটির জ্যেষ্ঠ সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স। ট্রাম্পের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টগুলোকে ‘বিপজ্জনক এবং মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন ব্যক্তির মতো প্রলাপ’ বলে অভিহিত করেছেন তিনি। খবর আল জাজিরার।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে স্যান্ডার্স লিখেছেন, ‘ইরানে যুদ্ধ শুরু করার এক মাস পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের কাছ থেকে এ ধরনের বিবৃতি আসছে!’
মার্কিন কংগ্রেসের প্রতি দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘কংগ্রেসকে এখনই পদক্ষেপ নিতে হবে। এই যুদ্ধ বন্ধ করুন।’
গতকাল রোববার ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে গালিগালাজ করে অবিলম্বে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। অন্যথায় দেশটিকে ‘জাহান্নামের’ স্বাদ পেতে হবে এবং তাদের সব অবকাঠামো ধ্বংস করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন তিনি।
নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া পোস্টে ইরানের নীতিনির্ধারকদের ‘পাগল’ আখ্যা দিয়ে ট্রাম্প লেখেন, যদি হরমুজ প্রণালি অবিলম্বে উন্মুক্ত না করা হয়, তবে ইরানের জ্বালানি ও যোগাযোগ অবকাঠামো পুরোপুরি ধ্বংস করে দেওয়া হবে।

ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের মধ্যে হরমুজ প্রণালি অবমুক্ত করতে নতুন করে সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আগের নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই তিনি তা একদিন বাড়িয়ে মঙ্গলবার (বাংলাদেশ সময় বুধবার) পর্যন্ত করেছেন। খবর বার্তাসংস্থা এপির।
স্থানীয় সময় রোববার (৫ এপ্রিল) ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘দ্রুত চুক্তিতে না এলে ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। প্রয়োজন হলে দেশটির গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ধ্বংস এবং তেলক্ষেত্র নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।’
এরপর নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ একটি সংক্ষিপ্ত বার্তায় তিনি লেখেন, ‘মঙ্গলবার, রাত ৮টা (ইস্টার্ন টাইম)!’। যা বিশ্লেষকদের মতে ইরানের জন্য নতুন আল্টিমেটাম। বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী, এই সময়সীমা বুধবার সকাল ৬টা পর্যন্ত প্রযোজ্য।
এর আগে আরেক পোস্টে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘মঙ্গলবার ইরানে বড় ধরনের হামলা হতে পারে, যেখানে বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতু লক্ষ্যবস্তু হতে পারে।’
ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর থেকেই ইরান হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ রেখেছে। ফলে বিশ্ব জ্বালানি পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে।
দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এখন শক্ত অবস্থানে রয়েছে এবং ইরান দ্রুত সিদ্ধান্ত না নিলে কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, আলোচনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে এবং দ্রুত সমাধানের সম্ভাবনাও রয়েছে।
এবিসি নিউজকে দেওয়া আরেক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প জানান, সপ্তাহ নয়—কয়েক দিনের মধ্যেই এই সংঘাতের অবসান হতে পারে। তবে চুক্তিতে না এলে ইরানের বিরুদ্ধে সব ধরনের বিকল্প খোলা থাকবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।
এদিকে, ইরানকে নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক হুমকির তীব্র সমালোচনা করেছেন দেশটির জ্যেষ্ঠ সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স। ট্রাম্পের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টগুলোকে ‘বিপজ্জনক এবং মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন ব্যক্তির মতো প্রলাপ’ বলে অভিহিত করেছেন তিনি। খবর আল জাজিরার।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে স্যান্ডার্স লিখেছেন, ‘ইরানে যুদ্ধ শুরু করার এক মাস পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের কাছ থেকে এ ধরনের বিবৃতি আসছে!’
মার্কিন কংগ্রেসের প্রতি দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘কংগ্রেসকে এখনই পদক্ষেপ নিতে হবে। এই যুদ্ধ বন্ধ করুন।’
গতকাল রোববার ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে গালিগালাজ করে অবিলম্বে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। অন্যথায় দেশটিকে ‘জাহান্নামের’ স্বাদ পেতে হবে এবং তাদের সব অবকাঠামো ধ্বংস করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন তিনি।
নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া পোস্টে ইরানের নীতিনির্ধারকদের ‘পাগল’ আখ্যা দিয়ে ট্রাম্প লেখেন, যদি হরমুজ প্রণালি অবিলম্বে উন্মুক্ত না করা হয়, তবে ইরানের জ্বালানি ও যোগাযোগ অবকাঠামো পুরোপুরি ধ্বংস করে দেওয়া হবে।

আঞ্চলিক হামলা ও হরমুজ প্রণালি বন্ধের ঘটনায় ইরানের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে আরব দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা। এছাড়াও এসব কর্মকাণ্ডের জন্য ইরানকে আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় জবাবদিহির মুখোমুখি করার কথাও বলেছেন তাঁরা। খবর তুরস্কের সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির।
১ ঘণ্টা আগে
লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে স্লেজ-হ্যামার দিয়ে যিশুর মূর্তি ভাঙচুরের ঘটনায় দুই ইসরায়েলি সেনাকে ৩০ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি তাদের যুদ্ধক্ষেত্রের দায়িত্ব থেকেও সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। খবর দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস
৩ ঘণ্টা আগে
ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে তিনি জানিয়েছেন, ইরানের বিরুদ্ধে আরোপিত নৌ-অবরোধ এবং সামরিক প্রস্তুতি বহাল থাকবে।
৫ ঘণ্টা আগে
আবার হামলা হলে ‘আগের চেয়েও শক্তিশালী’ভাবে প্রতিহত করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের সরকারি মুখপাত্র ফাতেমা মোহাজেরানি। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ কথা জানান তিনি।
১৬ ঘণ্টা আগে