স্ট্রিম ডেস্ক

ইসরায়েলের কাছে ৬ দশমিক ৫২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সামরিক সরঞ্জাম বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) পেন্টাগন জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর ইসরায়েলের কাছে সামরিক সরঞ্জাম বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে।
আজ শনিবার (৩১ জানুয়ারি) তুরস্কের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আনাদোলুর এক প্রতিবেদনে এমনটাই জানানো হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ডিফেন্স সিকিউরিটি কো-অপারেশন এজেন্সি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, অনুমোদিত অস্ত্রের মধ্যে প্রায় ৩ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার মূল্যের এএইচ-৬৪ই মডেলের অ্যাপাচি হেলিকপ্টার এবং সংশ্লিষ্ট সরঞ্জামও রয়েছে। এই প্রকল্পের প্রধান ঠিকাদার হিসেবে বোয়িং এবং লকহিড মার্টিন কাজ করবে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, অ্যাপাচি হেলিকপ্টার ছাড়াও প্রায় ১ দশমিক ৯৮ বিলিয়ন ডলার মূল্যের জয়েন্ট লাইট ট্যাকটিক্যাল ভেহিকল এবং সংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম বিক্রির সম্ভাব্য অনুমোদনও দেওয়া হয়েছে।
ডিফেন্স সিকিউরিটি কো-অপারেশন এজেন্সি জানিয়েছে, প্রস্তাবিত এসব অস্ত্র ইসরায়েলি স্থলবাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধি করবে। এতে দেশটির বর্তমান ও ভবিষ্যৎ হুমকি মোকাবিলায় নিজেদের দক্ষতা আরও বাড়বে।
এছাড়া ইসরায়েলকে পাওয়ার প্যাক এবং লজিস্টিক সাপোর্ট ও সংশ্লিষ্ট সরঞ্জামসহ একটি সাঁজোয়া যান দেবে যুক্তরাষ্ট্র। এই সাঁজোয়া যানের নাম ‘নামের’। এটির আনুমানিক মূল্য ৭৪০ মিলিয়ন ডলার।
গাজা যুদ্ধে ইসরায়েলকে অব্যাহত সমর্থন দেওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে সমালোচিত হচ্ছে। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলি হামলায় এ পর্যন্ত গাজায় ৭১ হাজার ৬০০-এর বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আর নিহতদের মধ্যে অধিকাংশই নারী ও শিশু।
সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্সসহ যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কয়েকজন আইনপ্রণেতা ইসরায়েলকে অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ করতে এবং গাজা যুদ্ধে দেশটির সহযোগী না হওয়ার জন্য সরকারের প্রতি বারবার আহ্বান জানিয়ে আসছেন।

ইসরায়েলের কাছে ৬ দশমিক ৫২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সামরিক সরঞ্জাম বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) পেন্টাগন জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর ইসরায়েলের কাছে সামরিক সরঞ্জাম বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে।
আজ শনিবার (৩১ জানুয়ারি) তুরস্কের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আনাদোলুর এক প্রতিবেদনে এমনটাই জানানো হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ডিফেন্স সিকিউরিটি কো-অপারেশন এজেন্সি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, অনুমোদিত অস্ত্রের মধ্যে প্রায় ৩ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার মূল্যের এএইচ-৬৪ই মডেলের অ্যাপাচি হেলিকপ্টার এবং সংশ্লিষ্ট সরঞ্জামও রয়েছে। এই প্রকল্পের প্রধান ঠিকাদার হিসেবে বোয়িং এবং লকহিড মার্টিন কাজ করবে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, অ্যাপাচি হেলিকপ্টার ছাড়াও প্রায় ১ দশমিক ৯৮ বিলিয়ন ডলার মূল্যের জয়েন্ট লাইট ট্যাকটিক্যাল ভেহিকল এবং সংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম বিক্রির সম্ভাব্য অনুমোদনও দেওয়া হয়েছে।
ডিফেন্স সিকিউরিটি কো-অপারেশন এজেন্সি জানিয়েছে, প্রস্তাবিত এসব অস্ত্র ইসরায়েলি স্থলবাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধি করবে। এতে দেশটির বর্তমান ও ভবিষ্যৎ হুমকি মোকাবিলায় নিজেদের দক্ষতা আরও বাড়বে।
এছাড়া ইসরায়েলকে পাওয়ার প্যাক এবং লজিস্টিক সাপোর্ট ও সংশ্লিষ্ট সরঞ্জামসহ একটি সাঁজোয়া যান দেবে যুক্তরাষ্ট্র। এই সাঁজোয়া যানের নাম ‘নামের’। এটির আনুমানিক মূল্য ৭৪০ মিলিয়ন ডলার।
গাজা যুদ্ধে ইসরায়েলকে অব্যাহত সমর্থন দেওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে সমালোচিত হচ্ছে। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলি হামলায় এ পর্যন্ত গাজায় ৭১ হাজার ৬০০-এর বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আর নিহতদের মধ্যে অধিকাংশই নারী ও শিশু।
সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্সসহ যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কয়েকজন আইনপ্রণেতা ইসরায়েলকে অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ করতে এবং গাজা যুদ্ধে দেশটির সহযোগী না হওয়ার জন্য সরকারের প্রতি বারবার আহ্বান জানিয়ে আসছেন।
.png)

কলকাতার নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভিতরে অবস্থিত ১৩৬ বছরের পুরনো গৌরীপুর জামে মসজিদ, যা অনেকের কাছে ‘বাঁকড়া মসজিদ’ নামেও পরিচিত, তাকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক বিতর্ক শুরু হয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
ইরান নয়, সুরক্ষার বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্রই হরমুজ প্রণালিতে টোল আদায় করবে বলে জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার (১৩ জুলাই) ফক্স নিউজকে তিনি বলেন, ‘হরমুজ প্রণালি আমাদের নিয়ন্ত্রণে থাকবে এবং সম্ভবত আমরাই পরিচালনা করব। আমরা এই প্রণালির অভিভাবক (গার্ডিয়ান) হতে যাচ্ছি।’
৬ ঘণ্টা আগে
নদীকে ঘিরেই মানবসভ্যতার জন্ম। কিন্তু সেই নদীই কখনো কখনো সভ্যতার সবচেয়ে বড় শত্রু হয়ে উঠেছে। ইতিহাসে এমন অনেক বন্যা আছে, যেগুলো শুধু কয়েকটি শহর বা গ্রামের ক্ষতি করেনি, বদলে দিয়েছে একটি দেশের অর্থনীতি, নগর পরিকল্পনা, এমনকি রাষ্ট্রের দুর্যোগ মোকাবিলার চিন্তাভাবনাও।
৯ ঘণ্টা আগে
কাতারের সাবেক আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল-থানি ১৯৯৫ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত শাসনামলে কাতারকে সফট পাওয়ারের এক অনন্য মডেলে রূপান্তরিত করেন। আল জাজিরা প্রতিষ্ঠা, লেবানন-দারফুর-ফিলিস্তিন সংকটে মধ্যস্থতা এবং আল-উদেইদ বিমানঘাঁটি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক প্রভাব বিস্তার করে দেশটি।
১৩ ঘণ্টা আগে