স্ট্রিম ডেস্ক

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকাজুড়ে ফের বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। শনিবার (৩১ জানুয়ারি) একাধিক হামলায় নারী-শিশুসহ অন্তত ৩২ জন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় উদ্ধারকারীরা। ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর দাবি, শুক্রবার হামাস যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করার জবাবে তারা এই হামলা চালিয়েছে। খবর বিবিসির।
গত বছরের অক্টোবরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় গাজায় যুদ্ধবিরতি শুরুর পর থেকেই ইসরায়েল ও হামাস পরস্পরের বিরুদ্ধে চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগ করে আসছে। এসব অভিযোগে ইসরায়েল প্রায় নিয়মিতই গাজায় হামলা চালিয়ে আসছে। তবে যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপে এটিই সবচেয়ে ভয়াবহ হামলা।
গতকালের হামলার বিষয়ে হামাস পরিচালিত বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থা বিবিসিকে জানিয়েছে, দক্ষিণ গাজার খান ইউনিস শহরে বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের জন্য স্থাপিত একটি তাঁবুতে হেলিকপ্টার গানশিপ থেকে হামলা চালানো হয়। হামলায় আবাসিক ভবন, তাঁবু, আশ্রয়কেন্দ্র ও একটি পুলিশ স্টেশন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
হামাস জানায়, নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের সাত সদস্য রয়েছেন।
গাজা শহরের শিফা হাসপাতালের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, একটি আবাসিক ভবনে বিমান হামলায় তিন শিশু ও দুই নারী নিহত হয়েছে। রয়টার্সকে এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, ‘আমার ছোট তিন ভাগনিকে রাস্তায় পড়ে থাকা অবস্থায় পেয়েছি। তারা বলে যুদ্ধবিরতি চলছে—তাহলে এসব শিশুর কী অপরাধ ছিল?’
হামাস এই হামলার নিন্দা জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে দ্রুত হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছে। এক বিবৃতিতে স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠীটি বলেছে, যুদ্ধবিরতির ‘নিয়মিত লঙ্ঘন’ প্রমাণ করে, ইসরায়েলি সরকার গাজায় ‘গণহত্যামূলক যুদ্ধ’ চালাচ্ছে।
এদিকে ইসরায়েল ডিফেন্স ফোর্সেস (আইডিএফ) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইসরায়েলি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে থাকা পূর্ব রাফায় ভূগর্ভস্থ অবকাঠামোতে আট ‘সন্ত্রাসীকে’ শনাক্ত করে তারা। পরে ইসরায়েল সিকিউরিটি এজেন্সির (আইএসএ) সঙ্গে যৌথভাবে গাজার বিভিন্ন স্থানে হামলা চালানো হয়। এতে হামাসের চারজন কমান্ডার ও কয়েকজন যোদ্ধা নিহত হয়েছে বলে বিবৃতিতে দাবি করা হয়। পাশাপাশি অস্ত্র সংরক্ষণাগার, অস্ত্র তৈরির কেন্দ্র এবং মধ্য গাজার হামাসের দুটি রকেট উৎক্ষেপণস্থল ধ্বংস করা হয় বলেও জানানো হয়।
মিশর ও কাতার এই হামলার নিন্দা জানিয়ে সব পক্ষকে সর্বোচ্চ সংযম দেখানোর আহ্বান জানিয়েছে।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের ভেতর হামাসের হামলায় প্রায় ১ হাজার ২০০ জন নিহত হন। এছাড়া ২৫১ জনকে জিম্মি করে গাজায় নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর থেকে গাজায় ইসরায়েলের হামলায় এখন পর্যন্ত ৭১ হাজার ৬৬০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকাজুড়ে ফের বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। শনিবার (৩১ জানুয়ারি) একাধিক হামলায় নারী-শিশুসহ অন্তত ৩২ জন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় উদ্ধারকারীরা। ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর দাবি, শুক্রবার হামাস যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করার জবাবে তারা এই হামলা চালিয়েছে। খবর বিবিসির।
গত বছরের অক্টোবরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় গাজায় যুদ্ধবিরতি শুরুর পর থেকেই ইসরায়েল ও হামাস পরস্পরের বিরুদ্ধে চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগ করে আসছে। এসব অভিযোগে ইসরায়েল প্রায় নিয়মিতই গাজায় হামলা চালিয়ে আসছে। তবে যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপে এটিই সবচেয়ে ভয়াবহ হামলা।
গতকালের হামলার বিষয়ে হামাস পরিচালিত বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থা বিবিসিকে জানিয়েছে, দক্ষিণ গাজার খান ইউনিস শহরে বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের জন্য স্থাপিত একটি তাঁবুতে হেলিকপ্টার গানশিপ থেকে হামলা চালানো হয়। হামলায় আবাসিক ভবন, তাঁবু, আশ্রয়কেন্দ্র ও একটি পুলিশ স্টেশন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
হামাস জানায়, নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের সাত সদস্য রয়েছেন।
গাজা শহরের শিফা হাসপাতালের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, একটি আবাসিক ভবনে বিমান হামলায় তিন শিশু ও দুই নারী নিহত হয়েছে। রয়টার্সকে এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, ‘আমার ছোট তিন ভাগনিকে রাস্তায় পড়ে থাকা অবস্থায় পেয়েছি। তারা বলে যুদ্ধবিরতি চলছে—তাহলে এসব শিশুর কী অপরাধ ছিল?’
হামাস এই হামলার নিন্দা জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে দ্রুত হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছে। এক বিবৃতিতে স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠীটি বলেছে, যুদ্ধবিরতির ‘নিয়মিত লঙ্ঘন’ প্রমাণ করে, ইসরায়েলি সরকার গাজায় ‘গণহত্যামূলক যুদ্ধ’ চালাচ্ছে।
এদিকে ইসরায়েল ডিফেন্স ফোর্সেস (আইডিএফ) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইসরায়েলি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে থাকা পূর্ব রাফায় ভূগর্ভস্থ অবকাঠামোতে আট ‘সন্ত্রাসীকে’ শনাক্ত করে তারা। পরে ইসরায়েল সিকিউরিটি এজেন্সির (আইএসএ) সঙ্গে যৌথভাবে গাজার বিভিন্ন স্থানে হামলা চালানো হয়। এতে হামাসের চারজন কমান্ডার ও কয়েকজন যোদ্ধা নিহত হয়েছে বলে বিবৃতিতে দাবি করা হয়। পাশাপাশি অস্ত্র সংরক্ষণাগার, অস্ত্র তৈরির কেন্দ্র এবং মধ্য গাজার হামাসের দুটি রকেট উৎক্ষেপণস্থল ধ্বংস করা হয় বলেও জানানো হয়।
মিশর ও কাতার এই হামলার নিন্দা জানিয়ে সব পক্ষকে সর্বোচ্চ সংযম দেখানোর আহ্বান জানিয়েছে।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের ভেতর হামাসের হামলায় প্রায় ১ হাজার ২০০ জন নিহত হন। এছাড়া ২৫১ জনকে জিম্মি করে গাজায় নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর থেকে গাজায় ইসরায়েলের হামলায় এখন পর্যন্ত ৭১ হাজার ৬৬০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।
.png)

যুদ্ধ পরিস্থিতি ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার বিষয় কীভাবে তুলে ধরা হবে, তা নিয়ে ইরান সরকার ও রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবির সঙ্গে বিরোধ দেখা দিয়েছে। শুক্রবার (২৫ জুলাই) সরকারি তথ্য পরিষদ আইআরআইবির বিরুদ্ধে ‘সেন্সরশিপের’ অভিযোগ তোলে।
৩ ঘণ্টা আগে
ইরানে টানা ১৫ রাতে হামলা চালানোর পর থেমেছে যুক্তরাষ্ট্র। যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভাষ্য ছিল, ‘সন্তুষ্ট’ না হওয়া পর্যন্ত হামলা চালিয়ে যাওয়ার। এখন হঠাৎ হামলা বন্ধের পর কারণ নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা।
৪ ঘণ্টা আগে
কাস্পিয়ান সাগরে একটি ইরানি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। হামলায় জাহাজটির একজন নাবিক নিহত ও আরেকজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে তেহরান। এ ঘটনাকে ‘শত্রুতাপূর্ণ ও অপরাধমূলক হামলা’ হিসেবে উল্লেখ করে তেহরানে নিযুক্ত ইউক্রেনের ভারপ্রাপ্ত কূটনৈতিক প্রতিনিধিকে (চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স) তলব করেছে ইরান
৫ ঘণ্টা আগে
দ্বিতীয় দফায় পাল্টাপাল্টি হামলা শুরুর পর গত ১৫ দিনে যুক্তরাষ্ট্রের ২০০’র বেশি সেনাকে হত্যার দাবি করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ১৫টি যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টার ধ্বংসের দাবিও করেছে বাহিনীটি।
৫ ঘণ্টা আগে