স্ট্রিম ডেস্ক

এবার ভারতে ১৬ বছরে কম বয়সীদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নিষিদ্ধের প্রস্তাব উঠেছে। দেশটির এক আইনপ্রণেতা কিশোর-কিশোরীদের সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার নিষিদ্ধের জন্য সংসদে একটি বিল প্রস্তাব করেছেন।
আজ শনিবার (৩১ জানুয়ারি) যুক্তরাজ্যভিত্তিক বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এমনটাই বলা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, এলএসকে দেবারায়লু নামে এক সংসদ সদস্য শিশুদের জন্য সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপে ভারতের পার্লামেন্টে একটি বিল প্রস্তাব করেছেন।
এদিকে, শিশুদের নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যের ওপরে সামাজিক মাধ্যমের প্রভাব নিয়ে বিশ্বজুড়ে বিতর্ক চলছে। এই বিলটিকে সেই বিতর্কের নতুন মাত্রা যোগ করেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে রয়টার্স। কারণ মেটা এবং ইউটিউবের জন্য বিশ্বের বৃহত্তম বাজার হলো ভারত।
শুক্রবার রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দেবারায়লু বলেন, আমাদের শিশুরা কেবল সামাজিক মাধ্যমে আসক্তই হচ্ছে না, বরং ভারত এখন বিদেশি প্ল্যাটফর্মগুলোর জন্য তথ্যের (ডেটা) অন্যতম বড় উৎপাদকে পরিণত হয়েছে।
তিনি বলেন, এই তথ্যের ওপর ভিত্তি করে কোম্পানিগুলো অত্যাধুনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) পদ্ধতি তৈরি করছে। যেটি ভারতীয় ব্যবহারকারীদের মূলত বেতনহীন তথ্য সরবরাহকারীতে পরিণত করেছে। অথচ এর কৌশলগত ও অর্থনৈতিক সুফল ভোগ করছে অন্যরা।
ভারতের আইটি মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে এখনো কোনো মন্তব্য করেনি। তবে গত বৃহস্পতিবার সরকারের প্রধান অর্থনৈতিক উপদেষ্টাও ভারতের সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারকারীদের ‘ডিজিটাল আসক্তি’ মোকাবিলা নিয়ে কথা বলেছেন। তিনি এই আসক্তি মোকাবিলায় বয়স-ভিত্তিক প্রবেশাধিকার নীতি তৈরির প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন। তার ওই মন্তব্যও সবার নজর কেড়েছিলেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে এই বিলটি ভারতের ডিজিটাল নীতিমালায় বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ভারতে ৭৫০ মিলিয়ন স্মার্টফোন এবং ১০০ কোটি ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর রয়েছেন। কিন্তু সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারের জন্য এখনো ন্যূনতম বয়সসীমার কোনো বাধ্যবাধকতা নেই।
দেবারায়লুর প্রস্তাবিত বিলটি ১৫ পৃষ্ঠার। এখনো বিলটি জনসম্মুখে আসেনি। রয়টার্স প্রস্তাবটি দেখেছে দাবি করে বলেছে—প্রস্তাবিত বিল অনুযায়ী, ১৬ বছরের কম বয়সী কেউ সামাজিক মাধ্যমে অ্যাকাউন্ট খুলতে বা পরিচালনা করতে পারবে না। আর এই বয়সী যাদের অ্যাকাউন্ট রয়েছে সেগুলো নিষ্ক্রিয় করতে হবে।
দেবারায়লু বলেন, ব্যবহারকারীর বয়স নিশ্চিতের পুরো দায়ভার আমরা সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোর ওপর দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।
প্রসঙ্গত, দেবরায়লু তেলুগু দেশম পার্টির সদস্য। দলটি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জোট সরকারের অন্যতম প্রধান অংশীদার। যদিও এটি কোনো কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর প্রস্তাবিত বিল নয়। সাধারণত এ ধরনের বিল পার্লামেন্টে বড় বিতর্কের সূত্রপাত ঘটায় এবং পরবর্তী আইন প্রণয়নে প্রভাব ফেলে।
এদিকে, প্রস্তাবিত বিলটি প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া জানতে ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা, ইউটিউবের মূল কোম্পানি অ্যালফাবেট এবং এক্স (সাবেক টুইটার) কর্তৃপক্ষকে মেইল করা হয়েছিল। তবে প্রতিষ্ঠানগুলোর আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানতে পারেনি রয়টার্স।
অবশ্য মেটা জানিয়েছে, তারা অভিভাবকদের নজরদারির আইনকে সমর্থন করে। যদিও কোম্পানিটি সতর্ক করে বলেছে, এ ধরনের নিষেধাজ্ঞা কিশোর-কিশোরীদের আরও অনিয়ন্ত্রিত এবং কম নিরাপদ সাইটগুলোর দিকে ঠেলে দিতে পারে।
এর আগে, গত মাসে বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে অস্ট্রেলিয়া ১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধ করে। এ পদক্ষেপ দেশটির অনেক অভিভাবক ও শিশু অধিকারকর্মী স্বাগত জানিয়েছেন। তবে প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো এর সমালোচনা করেছে।
আর চলতি সপ্তাহে ফ্রান্সের ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিও ১৫ বছরের কম বয়সীদের জন্য একই ধরনের নিষেধাজ্ঞাকে সমর্থন করেছে। এছাড়া যুক্তরাজ্য, ডেনমার্ক এবং গ্রিস বর্তমানে বিষয়টি নিয়ে গবেষণা করছে।

এবার ভারতে ১৬ বছরে কম বয়সীদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নিষিদ্ধের প্রস্তাব উঠেছে। দেশটির এক আইনপ্রণেতা কিশোর-কিশোরীদের সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার নিষিদ্ধের জন্য সংসদে একটি বিল প্রস্তাব করেছেন।
আজ শনিবার (৩১ জানুয়ারি) যুক্তরাজ্যভিত্তিক বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এমনটাই বলা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, এলএসকে দেবারায়লু নামে এক সংসদ সদস্য শিশুদের জন্য সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপে ভারতের পার্লামেন্টে একটি বিল প্রস্তাব করেছেন।
এদিকে, শিশুদের নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যের ওপরে সামাজিক মাধ্যমের প্রভাব নিয়ে বিশ্বজুড়ে বিতর্ক চলছে। এই বিলটিকে সেই বিতর্কের নতুন মাত্রা যোগ করেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে রয়টার্স। কারণ মেটা এবং ইউটিউবের জন্য বিশ্বের বৃহত্তম বাজার হলো ভারত।
শুক্রবার রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দেবারায়লু বলেন, আমাদের শিশুরা কেবল সামাজিক মাধ্যমে আসক্তই হচ্ছে না, বরং ভারত এখন বিদেশি প্ল্যাটফর্মগুলোর জন্য তথ্যের (ডেটা) অন্যতম বড় উৎপাদকে পরিণত হয়েছে।
তিনি বলেন, এই তথ্যের ওপর ভিত্তি করে কোম্পানিগুলো অত্যাধুনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) পদ্ধতি তৈরি করছে। যেটি ভারতীয় ব্যবহারকারীদের মূলত বেতনহীন তথ্য সরবরাহকারীতে পরিণত করেছে। অথচ এর কৌশলগত ও অর্থনৈতিক সুফল ভোগ করছে অন্যরা।
ভারতের আইটি মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে এখনো কোনো মন্তব্য করেনি। তবে গত বৃহস্পতিবার সরকারের প্রধান অর্থনৈতিক উপদেষ্টাও ভারতের সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারকারীদের ‘ডিজিটাল আসক্তি’ মোকাবিলা নিয়ে কথা বলেছেন। তিনি এই আসক্তি মোকাবিলায় বয়স-ভিত্তিক প্রবেশাধিকার নীতি তৈরির প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন। তার ওই মন্তব্যও সবার নজর কেড়েছিলেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে এই বিলটি ভারতের ডিজিটাল নীতিমালায় বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ভারতে ৭৫০ মিলিয়ন স্মার্টফোন এবং ১০০ কোটি ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর রয়েছেন। কিন্তু সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারের জন্য এখনো ন্যূনতম বয়সসীমার কোনো বাধ্যবাধকতা নেই।
দেবারায়লুর প্রস্তাবিত বিলটি ১৫ পৃষ্ঠার। এখনো বিলটি জনসম্মুখে আসেনি। রয়টার্স প্রস্তাবটি দেখেছে দাবি করে বলেছে—প্রস্তাবিত বিল অনুযায়ী, ১৬ বছরের কম বয়সী কেউ সামাজিক মাধ্যমে অ্যাকাউন্ট খুলতে বা পরিচালনা করতে পারবে না। আর এই বয়সী যাদের অ্যাকাউন্ট রয়েছে সেগুলো নিষ্ক্রিয় করতে হবে।
দেবারায়লু বলেন, ব্যবহারকারীর বয়স নিশ্চিতের পুরো দায়ভার আমরা সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোর ওপর দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।
প্রসঙ্গত, দেবরায়লু তেলুগু দেশম পার্টির সদস্য। দলটি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জোট সরকারের অন্যতম প্রধান অংশীদার। যদিও এটি কোনো কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর প্রস্তাবিত বিল নয়। সাধারণত এ ধরনের বিল পার্লামেন্টে বড় বিতর্কের সূত্রপাত ঘটায় এবং পরবর্তী আইন প্রণয়নে প্রভাব ফেলে।
এদিকে, প্রস্তাবিত বিলটি প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া জানতে ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা, ইউটিউবের মূল কোম্পানি অ্যালফাবেট এবং এক্স (সাবেক টুইটার) কর্তৃপক্ষকে মেইল করা হয়েছিল। তবে প্রতিষ্ঠানগুলোর আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানতে পারেনি রয়টার্স।
অবশ্য মেটা জানিয়েছে, তারা অভিভাবকদের নজরদারির আইনকে সমর্থন করে। যদিও কোম্পানিটি সতর্ক করে বলেছে, এ ধরনের নিষেধাজ্ঞা কিশোর-কিশোরীদের আরও অনিয়ন্ত্রিত এবং কম নিরাপদ সাইটগুলোর দিকে ঠেলে দিতে পারে।
এর আগে, গত মাসে বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে অস্ট্রেলিয়া ১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধ করে। এ পদক্ষেপ দেশটির অনেক অভিভাবক ও শিশু অধিকারকর্মী স্বাগত জানিয়েছেন। তবে প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো এর সমালোচনা করেছে।
আর চলতি সপ্তাহে ফ্রান্সের ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিও ১৫ বছরের কম বয়সীদের জন্য একই ধরনের নিষেধাজ্ঞাকে সমর্থন করেছে। এছাড়া যুক্তরাজ্য, ডেনমার্ক এবং গ্রিস বর্তমানে বিষয়টি নিয়ে গবেষণা করছে।

ওমান ও পাকিস্তান সফর শেষে রাশিয়ার উদ্দেশে রওনা হয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত নিরসনে টেকসই কাঠামোর লক্ষ্যে তিনি এই কূটনৈতিক সফর চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছে ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনা।
৫ ঘণ্টা আগে
বিদ্রোহী গোষ্ঠীর হামলায় মালির প্রতিরক্ষামন্ত্রী জেনারেল সাদিও কামারা নিহত হয়েছেন। রোববার (২৬ এপ্রিল) আল-জাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, শনিবার দেশটির কাটি গ্যারিসন শহরে প্রতিরক্ষামন্ত্রীর বাসভবনে আল-কায়েদা সংশ্লিষ্ট জঙ্গিগোষ্ঠী এবং তুয়ারেগ বিদ্রোহীদের আত্মঘাতী হামলায় তাঁর মৃত্যু হয়।
৯ ঘণ্টা আগে
ওমানের সুলতান হাইথাম বিন তারিকের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। রোববার (২৬ এপ্রিল) ওমানের রাজধানী মাস্কাটের আল বারাকা প্যালেসে এই বৈঠক হয়। বৈঠক শেষে আরাগচি আবার পাকিস্তানে আসবেন বলে জানা গেছে।
৯ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউস প্রতিনিধিদের সঙ্গে নৈশভোজ অনুষ্ঠানের বাইরে গুলির ঘটনায় ৩১ বছর বয়সী কোল টমাস অ্যালেন নামের এক ব্যক্তিকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তিনি ক্যালিফোর্নিয়ার লস অ্যাঞ্জেলেস এলাকার টরেন্স শহরের বাসিন্দা বলে জানা গেছে।
১২ ঘণ্টা আগে