স্ট্রিম সংবাদদাতা

হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাকর্মীদের ওপর হামলায় ঘটনায় এনসিপি, স্থানীয় বিএনপি ও ছাত্রদলের পৃথক কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ১৪৪ ধারা জারি করেছে জেলা প্রশাসন। বুধবার জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জিএম সরফরাজের সই করা আদেশে হবিগঞ্জ পৌর এলাকায় সভা-সমাবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়।
এতে বলা হয়েছে, উভয়পক্ষের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর সমাগম এবং চলমান উত্তেজনার কারণে সংঘর্ষ, জানমালের ক্ষয়ক্ষতি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কায় জনস্বার্থে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
এর আগে, মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সন্ধ্যায় হবিগঞ্জ শহরের স্টাফ কোয়ার্টার এলাকায় এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের গাড়িবহরে হামলার ঘটনা ঘটে। জেলা শহরের টাউন হলে এনসিপির জুলাই পদযাত্রার সমাবেশে শেষে ফিরছিলেন তারা।
এনসিপির দাবি, ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ওই হামলা চালান। হামলার সময় সারজিস আলম কাছাকাছি থাকা সোনালী ব্যাংকের একটি কার্যালয়ে আশ্রয় নেন এবং প্রায় এক ঘণ্টা সেখানে অবরুদ্ধ অবস্থায় ছিলেন। পরে পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে সার্কিট হাউসে নিয়ে যায়। নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীও ঘটনাস্থল ত্যাগ করে সার্কিট হাউসে আশ্রয় নেন। রাত প্রায় ১১টার দিকে কড়া নিরাপত্তায় তাদের সিলেটে পাঠানো হয়।
ওই ঘটনার প্রতিবাদ আজ এনসিপি মৌলভীবাজার জেলায় পূর্বঘোষিত দুটি পদযাত্রা সাময়িক স্থগিত করে হবিগঞ্জ শহরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের ঘোষণা দেয়। এতে দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, সদস্য সচিব আখতার হোসেন, মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, হাসনাত আব্দুল্লাহসহ কেন্দ্রীয় নেতাদের থাকার কথা ছিল।
এর মধ্যে জেলা ছাত্রদল এবং বিএনপির পক্ষ থেকেও পৃথক কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয়। এরপরই শহরে নতুন করে উত্তেজনা ছড়ায়।
এ বিষয়ে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানায় ওসি জাহিদ হোসেন বলেন, পাল্টাপাল্টি সমাবেশ ঘিরে উত্তেজনার কারণে পৌর এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করেছে জেলা প্রশাসন। সার্বিক নিরাপত্তায় পুলিশ মাঠে রয়েছে।
তবে জেলা এনসিপি নেতা মীর দুলাল কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্তে অটল রয়েছেন জানিয়ে বলেন, এখন পর্যন্ত কর্মসূচি বাতিলের কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। আওয়ামী লীগের স্টাইলে বিএনপিকে সহযোগিতা করতেই ১৪৪ ধারা জারি করেছে প্রশাসন।
আর পরিস্থিতি বুঝে কর্মসূচি পালন করা হবে বলে জানিয়েছেন জেলা যুবদলের আহবায়ক জালাল আহমেদ। তিনি বলেন, বিকেল ৩টায় প্রত্যেক ইউনিটের নেতাকর্মীদের জেলা বিএনপির কার্যালয়ে উপস্থিত থাকার কথা বলা হয়েছে।

হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাকর্মীদের ওপর হামলায় ঘটনায় এনসিপি, স্থানীয় বিএনপি ও ছাত্রদলের পৃথক কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ১৪৪ ধারা জারি করেছে জেলা প্রশাসন। বুধবার জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জিএম সরফরাজের সই করা আদেশে হবিগঞ্জ পৌর এলাকায় সভা-সমাবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়।
এতে বলা হয়েছে, উভয়পক্ষের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর সমাগম এবং চলমান উত্তেজনার কারণে সংঘর্ষ, জানমালের ক্ষয়ক্ষতি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কায় জনস্বার্থে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
এর আগে, মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সন্ধ্যায় হবিগঞ্জ শহরের স্টাফ কোয়ার্টার এলাকায় এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের গাড়িবহরে হামলার ঘটনা ঘটে। জেলা শহরের টাউন হলে এনসিপির জুলাই পদযাত্রার সমাবেশে শেষে ফিরছিলেন তারা।
এনসিপির দাবি, ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ওই হামলা চালান। হামলার সময় সারজিস আলম কাছাকাছি থাকা সোনালী ব্যাংকের একটি কার্যালয়ে আশ্রয় নেন এবং প্রায় এক ঘণ্টা সেখানে অবরুদ্ধ অবস্থায় ছিলেন। পরে পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে সার্কিট হাউসে নিয়ে যায়। নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীও ঘটনাস্থল ত্যাগ করে সার্কিট হাউসে আশ্রয় নেন। রাত প্রায় ১১টার দিকে কড়া নিরাপত্তায় তাদের সিলেটে পাঠানো হয়।
ওই ঘটনার প্রতিবাদ আজ এনসিপি মৌলভীবাজার জেলায় পূর্বঘোষিত দুটি পদযাত্রা সাময়িক স্থগিত করে হবিগঞ্জ শহরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের ঘোষণা দেয়। এতে দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, সদস্য সচিব আখতার হোসেন, মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, হাসনাত আব্দুল্লাহসহ কেন্দ্রীয় নেতাদের থাকার কথা ছিল।
এর মধ্যে জেলা ছাত্রদল এবং বিএনপির পক্ষ থেকেও পৃথক কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয়। এরপরই শহরে নতুন করে উত্তেজনা ছড়ায়।
এ বিষয়ে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানায় ওসি জাহিদ হোসেন বলেন, পাল্টাপাল্টি সমাবেশ ঘিরে উত্তেজনার কারণে পৌর এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করেছে জেলা প্রশাসন। সার্বিক নিরাপত্তায় পুলিশ মাঠে রয়েছে।
তবে জেলা এনসিপি নেতা মীর দুলাল কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্তে অটল রয়েছেন জানিয়ে বলেন, এখন পর্যন্ত কর্মসূচি বাতিলের কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। আওয়ামী লীগের স্টাইলে বিএনপিকে সহযোগিতা করতেই ১৪৪ ধারা জারি করেছে প্রশাসন।
আর পরিস্থিতি বুঝে কর্মসূচি পালন করা হবে বলে জানিয়েছেন জেলা যুবদলের আহবায়ক জালাল আহমেদ। তিনি বলেন, বিকেল ৩টায় প্রত্যেক ইউনিটের নেতাকর্মীদের জেলা বিএনপির কার্যালয়ে উপস্থিত থাকার কথা বলা হয়েছে।
.png)

ফরিদপুরের খুচরা বাজারে কাঁচা মরিচের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৩২০ টাকায়। কিন্তু এই মরিচই ২৪০-২৪৫ টাকা কেজিতে বিক্রি করছেন চাষি। সেই হিসাবে শুধু আড়তদার ও মধ্যসত্ত্বভোগীর দুই হাত ঘুরতেই কেজিতে বাড়ছে অন্তত ৫৫ টাকা, মণে দুই-আড়াই হাজার টাকার বেশি।
১ ঘণ্টা আগে
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের মারধরের ঘটনার সংবাদ পরিবেশনে গণমাধ্যমকর্মীদের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ এনেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ। এ সময় সংবাদমাধ্যম ও সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
১ ঘণ্টা আগে
হবিগঞ্জ শহরে এনসিপি নেতাকর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে একই স্থানে আজ বুধবার বিকেল ৩টায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের ডাক দিয়েছে দলটি।
২ ঘণ্টা আগে
চলতি বছর দেশে ডেঙ্গুতে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে। এ বিভাগে এ পর্যন্ত ২২ জন মারা গেছেন, যার মধ্যে ১৫ জনই ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) এলাকার।
১৪ ঘণ্টা আগে