এক্সপ্লেইনার/দেশে ইলিশ উৎপাদন কমছে কেন

টানা দুই দশক উৎপাদন বাড়ার পর দেশে ইলিশ উৎপাদন আবারও কমতির দিকে। সরকারি পরিসংখ্যান বলছে, ২০২২-২৩ অর্থবছরে রেকর্ড উৎপাদনের পর পরবর্তী তিন অর্থবছরে ইলিশ আহরণ কমেছে। চলতি অর্থবছরেও ইলিশ আহরণ অনেক কম হচ্ছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে।
ইলিশ উৎপাদন কমার পেছনে নদীর নাব্যতা সংকট, পানিপ্রবাহ হ্রাস, নদী ও মোহনায় পলি জমা, শিল্পবর্জ্য ও প্লাস্টিক দূষণ, অভয়াশ্রমের কাছে থাকা বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রভাব, জলবায়ু পরিবর্তন এবং অতিরিক্ত আহরণকে প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করছেন গবেষক ও মৎস্য কর্মকর্তারা।
সংকটটি শুধু মোট উৎপাদন কমার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। ইলিশের গড় আকার ও ওজনও কমছে। বড় ও প্রজননক্ষম মাছের সংখ্যা হ্রাস পাওয়ায় ভবিষ্যৎ উৎপাদন নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সরবরাহ কমায় দাম বাড়ছে, ফলে জাতীয় মাছটি সাধারণ মানুষের বড় অংশের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে।
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মৎস্য অনুষদের অ্যাকুয়াকালচার বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ মাহফুজুল হক বলেন, ইলিশের অবাধ বিচরণক্ষেত্র আড়াই থেকে তিন হাজার কিলোমিটার হলেও নদীর তলায় ডুবোচর পড়ে তা সংকুচিত হচ্ছে। এতে সাগর থেকে নদীতে ইলিশের আগমন কমছে। শিল্পবর্জ্যে নদীর পানি দূষিত হওয়ায় মাছের খাদ্যসংকটও দেখা দিয়েছে।
ইলিশ সাধারণত পদ্মা ও মেঘনায় ডিম ছাড়তে আসে। কিন্তু মেঘনার তীরে থাকা অসংখ্য শিল্পকারখানা অবাধে দূষিত বর্জ্য ফেলায় নদীর পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে এবং ইলিশের আগমন কমছে। এর সঙ্গে মৌসুমের বাইরে অতিরিক্ত আহরণ ও ক্ষুদ্র ফাঁসের জালে ছোট ইলিশ ধরাও উৎপাদন হ্রাসের কারণ।
-e56991.jpeg)
দুই দশকের প্রবৃদ্ধির পর বড় ধরনের পতন
গত দুই দশকে অভয়াশ্রম, মৌসুমি নিষেধাজ্ঞা এবং জাটকা ধরা বন্ধে জাতীয় কর্মসূচির মাধ্যমে বাংলাদেশ ইলিশ আহরণ ও সংরক্ষণে বড় সাফল্য দেখায়। ২০০১-০২ থেকে ২০২২-২৩ অর্থবছরের মধ্যে জাতীয় ইলিশ আহরণ দ্বিগুণেরও বেশি বৃদ্ধি পায়।
মৎস্য অধিদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০০১-০২ অর্থবছরে দেশে ইলিশ উৎপাদন ছিল প্রায় ২ লাখ টন—স্বাধীনতার পর সর্বনিম্ন পর্যায়ের উৎপাদন। ২০০৩-০৪ সাল থেকে শুরু হওয়া সরকারের সংরক্ষণ কর্মসূচির সুফল দৃশ্যমান হতে শুরু করে কয়েক বছর পরই। ২০০৭-০৮ অর্থবছরে উৎপাদন বেড়ে দাঁড়ায় ২ লাখ ৯৫ হাজার টনে।
এরপর উৎপাদন ধারাবাহিকভাবে বাড়ে। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে তা হয় ৪ লাখ ৯৬ হাজার টন। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে প্রথমবারের মতো ৫ লাখ টন ছাড়িয়ে ৫ লাখ ১৭ হাজার টনে পৌঁছায়। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে উৎপাদন ছিল ৫ লাখ ৩২ হাজার টন, ২০১৯-২০ সালে ৫ লাখ ৫০ হাজার, ২০২০-২১ সালে ৫ লাখ ৬৫ হাজার এবং ২০২১-২২ সালে ৫ লাখ ৬৬ হাজার টন।
২০২২-২৩ অর্থবছরে উৎপাদন সর্বোচ্চ ৫ লাখ ৭১ হাজার টনে পৌঁছায়। এরপরই শুরু হয় নিম্নমুখী প্রবণতা। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে উৎপাদন কমে ৫ লাখ ২৯ হাজার টনে নামে—আগের বছরের তুলনায় ৪২ হাজার টন কম এবং সাত বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে আরও ৫ দশমিক ৫ শতাংশ কমে প্রায় ৫ লাখ টনে নেমে আসে, যা আট বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন।
মৎস্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরেও উৎপাদন ৫ লাখ টনের নিচে নামতে পারে। চলতি অর্থবছরের জুলাই-আগস্টে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ইলিশ আহরণ প্রায় ৩০-৪০ শতাংশ কমেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
তিন দশকের বেশি সময় ইলিশ নিয়ে গবেষণা করা বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএফআরআই) সাবেক পরিচালক আনিসুর রহমান বলেন, ‘আমি গত ৩৩ বছর ধরে গবেষণা করছি। কিন্তু ইলিশের উৎপাদন কমা নিয়ে কোনো বছর এবারের মতো এতটা শঙ্কিত হইনি।’ তাঁর মতে, প্রাকৃতিক কারণের পাশাপাশি অতিরিক্ত মাছ ধরা ও ছোট মাছ আহরণও বড় কারণ। আগামী মাসে অমাবস্যা-পূর্ণিমায় ইলিশের প্রজনন মৌসুম এলেও একটি মহল তখনও মাছ ধরতে চাইছে, যা উৎপাদন আরও কমিয়ে দেবে।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. ইয়ামিন হোসেনের মতে, ইলিশের জীবনচক্রের সঙ্গে বর্তমান উৎপাদন কমে যাওয়ার দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক রয়েছে। ইলিশের গড় আয়ু প্রায় পাঁচ বছর। ২০২১ ও ২০২২ সালে উপকূলে ব্যাপক বৃষ্টিপাতের কারণে প্রজনন ও জলপ্রবাহ অনুকূল থাকায় বড় ও পরিণত মা ইলিশের উৎপাদন বেড়েছিল।
কিন্তু ওই সময়ে অতিরিক্ত বাণিজ্যিক আহরণে প্রজননক্ষম মাছের বড় অংশ জেলেদের জালে আটকা পড়ে। ফলে পরবর্তী বছরগুলোতে নতুন ইলিশের সংখ্যা কমার পাশাপাশি মাছের গড় আকার ছোট হয় এবং মোট আহরণও হ্রাস পায়। এই জীববৈজ্ঞানিক চক্র অনুযায়ী, স্বাভাবিক মজুত পুনরুদ্ধারে ২০২৭ সালের শেষভাগ বা ২০২৮ সাল পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।
নদীর নাব্যতা ও অভিবাসনপথ সংকট
ইলিশ অ্যানাড্রোমাস প্রজাতির মাছ। জীবনের বড় অংশ সমুদ্রে কাটালেও ডিম ছাড়ার জন্য বঙ্গোপসাগর থেকে মেঘনা, পদ্মা, তেঁতুলিয়া ও অন্যান্য নদী দিয়ে উজানে উঠে আসে। এ সময় স্রোতের বিপরীতে সাঁতরাতে হয়। তাই স্বাভাবিক চলাচল ও প্রজননের জন্য নদীতে পর্যাপ্ত পানিপ্রবাহ, নির্দিষ্ট জলগভীরতা এবং পরিষ্কার, প্রবহমান পরিবেশ জরুরি।
গবেষকদের মতে, উজানে অভিবাসনের জন্য নদীতে কমপক্ষে প্রায় ১০ মিটার গভীরতা প্রয়োজন; কিছু গুরুত্বপূর্ণ অভিবাসনপথে ২৩ থেকে ২৪ দশমিক ৫ মিটার গভীরতাও উপযোগী।
কিন্তু পদ্মা, মেঘনা, তেঁতুলিয়া, রাবনাবাদ, পায়রা, বলেশ্বর ও বিষখালীসহ বিভিন্ন নদী ও মোহনায় পানিপ্রবাহ কমছে এবং অতিরিক্ত পলি জমে নাব্যতা সংকট তৈরি হচ্ছে। শুষ্ক মৌসুমে পদ্মা, যমুনা ও মেঘনায় পানিপ্রবাহ কমার পেছনে ভারত ও নেপালে উজানের বাঁধ, ব্যারাজ ও পানি প্রত্যাহারের ভূমিকা রয়েছে বলে গবেষকেরা মনে করেন। এ ক্ষেত্রে গঙ্গার ওপর ফারাক্কা ব্যারাজ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
পানিপ্রবাহ কমলে লবণাক্ততা আরও ভেতরে প্রবেশ করে, ইলিশের চলাচলের প্রাকৃতিক সংকেত বদলে যায় এবং নদীর তলদেশে পলি জমে চর ও বালুচর তৈরি হয়।
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মো. শামসুল আলম বলেন, ফারাক্কা ব্যারাজ-সম্পর্কিত পানিপ্রবাহ হ্রাস ও চর গঠনের কারণে পদ্মায় যে পরিবর্তন হয়েছে, তার সঙ্গে ইলিশের চলাচল পরিবর্তনের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে।

মৎস্য অধিদপ্তর প্রধান নদীগুলোর ৫২টি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অতিরিক্ত পলি জমার বিষয়টি চিহ্নিত করেছে। বিশেষ করে মেঘনা ও তেঁতুলিয়ার প্রায় ৫০ কিলোমিটার অংশে পলি জমে ইলিশের চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। বরগুনার তালতলী, পটুয়াখালীর কলাপাড়া এবং ভোলার বিভিন্ন নদীর মোহনাতেও পলি জমে সমুদ্র থেকে ইলিশের প্রবেশপথ সংকুচিত হয়েছে।
দেশের অন্তত ২০টি গুরুত্বপূর্ণ নদীপথে ইলিশের চলাচলে প্রতিবন্ধকতা চিহ্নিত করেছে মৎস অধিদপ্তর। এর মধ্যে মেঘনা, পায়রা, বলেশ্বর, বিষখালী, আন্ধারমানিক, তেঁতুলিয়া, সুগন্ধা ও গজারিয়াসহ বিভিন্ন নদী ও চ্যানেল রয়েছে। চাঁদপুর থেকে মনপুরা পর্যন্ত নদীপথেও ডুবোচর ও বালুচর তৈরি হয়ে মূল চ্যানেল সংকুচিত হচ্ছে। কোথাও কোথাও অভিবাসন মৌসুমে পানির গভীরতা ১৮ থেকে ২০ ফুটে নেমে আসে, যা বড় ঝাঁকের নির্বিঘ্ন চলাচলের জন্য অপর্যাপ্ত। ফলে ইলিশের ঝাঁক উজানে উঠতে না পেরে সমুদ্রের দিকে ফিরে যায়।
আনিসুর রহমান বলেন, নদীর তলদেশে পলি জমে ডুবোচর তৈরি হওয়া এবং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বৃষ্টিপাত কমে যাওয়ায় নদীর নাব্য হ্রাস পেয়েছে। অভ্যন্তরীণ নদীতে ইলিশের প্রবেশের জন্য স্রোত ও পানির গভীরতা—দুটিই প্রয়োজন, কিন্তু অনেক জায়গায় এখন সেই পরিবেশ নেই। একটি ইলিশ দৈনিক প্রায় ৭৫ কিলোমিটার পর্যন্ত ভ্রমণ করতে পারে; নদীতে উপযুক্ত পরিবেশ না থাকলে অন্যত্র চলে যাওয়াই স্বাভাবিক।
শিল্পদূষণ ও তাপীয় দূষণের প্রভাব
উপকূলীয় নদী ও মোহনায় শিল্পায়ন ইলিশের আবাসস্থলে প্রভাব ফেলছে। অপরিশোধিত শিল্পবর্জ্য, প্লাস্টিক, কৃষিজ রানঅফ ও পয়োবর্জ্যের পাশাপাশি নির্দিষ্ট শিল্প অবকাঠামো স্থানীয় পরিবেশে বড় পরিবর্তন আনছে।
পটুয়াখালী ও বরগুনার গুরুত্বপূর্ণ ইলিশ অভয়াশ্রমের কাছাকাছি তিনটি তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়ে গবেষকদের উদ্বেগ রয়েছে। বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক খোরশেদ আলমের নেতৃত্বে পরিচালিত এবং ২০২৫ সালের জুনে বাংলাদেশ জার্নাল অব ফিজিক্সে প্রকাশিত গবেষণায় পায়রা কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের পরিবেশগত প্রভাব বিশ্লেষণ করা হয়।
গবেষণায় দেখা যায়, বিদ্যুৎকেন্দ্র চালুর পর স্থানীয় পানির তাপমাত্রা আগের তুলনায় সর্বোচ্চ ৩ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেড়েছে। ফ্লাই অ্যাশ নির্গমন, কয়লা পরিবহনকারী জাহাজের চলাচল, তেল ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি এবং গরম বর্জ্যপানি নিঃসরণও জলজ পরিবেশে চাপ তৈরি করছে।
এসব পরিবর্তনে ইলিশের খাদ্যশৃঙ্খলের ভিত্তি প্ল্যাঙ্কটনের ঘনত্ব কমেছে। বিদ্যুৎকেন্দ্র চালুর পর তিন বছরে সংশ্লিষ্ট এলাকায় ইলিশ আহরণ প্রায় ৪৫ শতাংশ কমেছে বলে গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে।
পানিতে রাসায়নিক ও তাপমাত্রা বাড়লে দ্রবীভূত অক্সিজেনের পরিমাণ কমতে পারে। এতে মাছের বিপাক, খাদ্যগ্রহণ, ডিমের বিকাশ ও লার্ভার বেঁচে থাকার ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।
জলবায়ু ও সামুদ্রিক পরিবেশের পরিবর্তন
জলবায়ু পরিবর্তন ইলিশের সমুদ্র ও মোহনা-নির্ভর জীবনচক্রে একাধিক পরিবর্তন আনছে। বঙ্গোপসাগরের সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা বৃদ্ধি, বৃষ্টিপাতের সময় ও ধরনে পরিবর্তন, নদীর প্রবাহ হ্রাস, সমুদ্রস্রোতের পরিবর্তন এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি—সবই ইলিশের অভিবাসনের স্বাভাবিক সংকেতকে প্রভাবিত করতে পারে।
পানির তাপমাত্রা বাড়লে ইলিশের শারীরবৃত্তীয় অভিবাসন সংকেত বদলে যেতে পারে। ফলে মাছ ঐতিহ্যগত নদীপথে না উঠে গভীর ও তুলনামূলক ঠান্ডা সামুদ্রিক পানিতে অবস্থান করতে পারে। এতে নদীনির্ভর জেলেরা কম মাছ পান।
শুষ্ক মৌসুমে নদীর প্রবাহ কমলে সমুদ্রের লবণাক্ত পানি নদীর আরও ভেতরে প্রবেশ করে। এতে ইলিশের ডিম নিষিক্ত হওয়া, লার্ভার বিকাশ এবং পোনা বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় পানির ভারসাম্য বিঘ্নিত হতে পারে। পানির স্তর কমলে নদীর তাপমাত্রা বাড়ে, পানির গুণগত মান বদলায় এবং ইলিশের খাদ্যশৃঙ্খল ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
গবেষকেরা বলছেন, বঙ্গোপসাগরের পানি ধীরে ধীরে উষ্ণ হচ্ছে। এতে ইলিশের প্রজনন ও বেড়ে ওঠার উপযোগী পরিবেশ সংকুচিত হচ্ছে। বিএফআরআইয়ের বিজ্ঞানীদের মতে, উষ্ণ পানি ও পরিবর্তিত নদী পরিস্থিতির কারণে ইলিশ আগের অভিবাসনপথ থেকে সরে যাচ্ছে। অনিয়মিত বৃষ্টিপাত, বর্ষার সময়ের পরিবর্তন এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের পরিবর্তনও স্বাভাবিক জীবনচক্রে প্রভাব ফেলছে।
আনিসুর রহমান বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাড়তে থাকা তাপমাত্রা ও বৃষ্টিপাতের ধরন বদলে যাওয়ায় নদী ও মোহনার স্বাভাবিক ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। ইলিশের চলাচল, প্রজনন ও খাদ্যপ্রাপ্তির জন্য নির্দিষ্ট তাপমাত্রা, পানির প্রবাহ, লবণাক্ততা ও স্রোত প্রয়োজন। এসব উপাদানে পরিবর্তন এলে মাছের জীবনচক্রে প্রভাব পড়ে।
.png)


-7c29dd-256x144.webp)



