-1eea59-480x270.webp)
পঞ্চগড়ে অপহরণ করে ধর্ষণের অভিযোগের দুই দিন পর আত্মহত্যার চেষ্টা করা এক স্কুলছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাতে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় করা মামলায় দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, পঞ্চগড় সদর উপজেলার শালমারা মডেল উচ্চবিদ্যালয়ের ওই শিক্ষার্থী স্কুলে যাওয়া-আসার পথে সোহেল নামের এক যুবকের কুপ্রস্তাব ও প্রেমের প্রস্তাবের শিকার হচ্ছিল। গত ১০ সেপ্টেম্বর রাতে সোহেল, রফিকুল ইসলাম ও আবু সাইদ কৌশলে তাকে অপহরণ করে আবু সাইদের বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে সোহেল ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করেন বলে এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে। এ সময় রফিকুল ইসলাম ও আবু সাইদ সহযোগিতা করেন। অভিযুক্তরা বিষয়টি কাউকে না জানাতে তাকে হুমকি দেন। পরদিন ১১ সেপ্টেম্বর পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসেন। ঘটনার পর ১২ সেপ্টেম্বর সকালে হুমকি ও মানসিক চাপে ওই কিশোরী বিষপান করে বলে পরিবারের দাবি। পরে তাকে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ১৩ সেপ্টেম্বর ভুক্তভোগীর ভাই তিনজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও দুই-তিনজনকে আসামি করে পঞ্চগড় সদর থানায় মামলা করেন। ওইদিন রাতেই দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, মামলার প্রধান আসামি মো. সোহেল (২৫) ও মো. রফিকুল ইসলাম ওরফে বাঘা মন্টু (২৩)কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের বাড়ি পঞ্চগড় সদর উপজেলার ভিতরগড় এলাকার ঝেচুপাড়া গ্রামে। এ মামলার আরেক আসামি আবু সাইদ (২৮) এখনও গ্রেপ্তার হননি।
ভুক্তভোগীর বড় ভাই বলেন, ‘আমার ছোট বোনকে কৌশলে অপহণের পর ধর্ষণ করা হয়েছে এবং আসামিদের হুমকিতে সে বাধ্য হয়ে বিষপান করেছিল।’
পঞ্চগড় সদর থানার ওসি আশীষ কুমার শীল বলেন, স্কুলছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা হয়েছে। দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভুক্তভোগী চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাওয়ায় ময়নাতদন্তের প্রক্রিয়া চলছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
.png)




-0613bb-256x144.webp)
-10a04f-256x144.webp)
