স্ট্রিম প্রতিবেদক

জুলাই সনদ ও গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে ধারণ করে সংবিধান সংশোধনের পথে এগিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। জাতীয় সংসদে একটি সংশোধনী প্রস্তাব এনে জুলাই শহীদদের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দুপুরে জাতীয় সংসদ ভবনের ক্যাবিনেট কক্ষে গঠিত সংবিধান সংশোধন কমিটির প্রথম বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন আইনমন্ত্রী।
আইনমন্ত্রী বলেন, ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় রাজনৈতিক দলগুলোর যে আলোচনা হয়েছিল, সেটিকে ধারণ করেই জুলাই সনদ তৈরি করা হয়েছে। পুরো সংবিধানই পর্যালোচনা করতে হবে, কারণ ধারাগুলোর মধ্যে সামঞ্জস্য ও সুদৃঢ় সম্পর্ক বজায় রাখতে হবে। জুলাই সনদকে বাইপাস করে কোনো রাজনৈতিক মতাদর্শ চাপিয়ে দেওয়া হবে না।’
তিনি বলেন, ‘আমরা জুলাই সনদের প্রতিটি অনুচ্ছেদ অক্ষরে অক্ষরে পালন করার জন্য একটি সংশোধনী প্রস্তাব সংসদে উপস্থাপন করব। প্রস্তাবের মধ্য দিয়েই শহীদদের স্বপ্নের বাংলাদেশ বাস্তবায়িত হবে।’
জুলাই সনদে থাকা সংবিধান সম্পর্কিত ৪৭ ধারা প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সনদকে সাংবিধানিক আইনের পরিভাষায় নিয়ে আসা হবে।
সনদের কোনো ধারায় বিএনপির আপত্তির বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে আইনমন্ত্রী জানান, জুলাই সনদের নিয়ম অনুযায়ী যেখানে কোনো রাজনৈতিক দল দ্বিমত পোষণ করেছে এবং তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে সেটি অন্তর্ভুক্ত থাকে, সেটি প্রাধান্য পাবে। এছাড়া বিরোধী দল জাতীয় সংসদে এ কমিটিতে না আসলেও জুলাই সনদে স্বাক্ষরকারী ৩৩টি রাজনৈতিক দলের মতামতের আলোকেই কাজ সম্পন্ন করা হবে।
তিনি আরও জানান, সংবিধান সংশোধনের এই প্রক্রিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারের সদস্য, জুলাইযোদ্ধা, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধি, পেশাজীবী, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি ও অবসরপ্রাপ্ত বিচারকদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে।
বৈঠক শেষে চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি বলেন, ‘আগামী এক বা দুই বছরের জন্য নয়, আগামী প্রজন্মের সুফলের জন্য সংবিধান সংশোধন করা হচ্ছে। বিরোধী দলের জন্য সংশোধনী কমিটির দরজা সবসময় খোলা রয়েছে।’

জুলাই সনদ ও গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে ধারণ করে সংবিধান সংশোধনের পথে এগিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। জাতীয় সংসদে একটি সংশোধনী প্রস্তাব এনে জুলাই শহীদদের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দুপুরে জাতীয় সংসদ ভবনের ক্যাবিনেট কক্ষে গঠিত সংবিধান সংশোধন কমিটির প্রথম বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন আইনমন্ত্রী।
আইনমন্ত্রী বলেন, ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় রাজনৈতিক দলগুলোর যে আলোচনা হয়েছিল, সেটিকে ধারণ করেই জুলাই সনদ তৈরি করা হয়েছে। পুরো সংবিধানই পর্যালোচনা করতে হবে, কারণ ধারাগুলোর মধ্যে সামঞ্জস্য ও সুদৃঢ় সম্পর্ক বজায় রাখতে হবে। জুলাই সনদকে বাইপাস করে কোনো রাজনৈতিক মতাদর্শ চাপিয়ে দেওয়া হবে না।’
তিনি বলেন, ‘আমরা জুলাই সনদের প্রতিটি অনুচ্ছেদ অক্ষরে অক্ষরে পালন করার জন্য একটি সংশোধনী প্রস্তাব সংসদে উপস্থাপন করব। প্রস্তাবের মধ্য দিয়েই শহীদদের স্বপ্নের বাংলাদেশ বাস্তবায়িত হবে।’
জুলাই সনদে থাকা সংবিধান সম্পর্কিত ৪৭ ধারা প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সনদকে সাংবিধানিক আইনের পরিভাষায় নিয়ে আসা হবে।
সনদের কোনো ধারায় বিএনপির আপত্তির বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে আইনমন্ত্রী জানান, জুলাই সনদের নিয়ম অনুযায়ী যেখানে কোনো রাজনৈতিক দল দ্বিমত পোষণ করেছে এবং তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে সেটি অন্তর্ভুক্ত থাকে, সেটি প্রাধান্য পাবে। এছাড়া বিরোধী দল জাতীয় সংসদে এ কমিটিতে না আসলেও জুলাই সনদে স্বাক্ষরকারী ৩৩টি রাজনৈতিক দলের মতামতের আলোকেই কাজ সম্পন্ন করা হবে।
তিনি আরও জানান, সংবিধান সংশোধনের এই প্রক্রিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারের সদস্য, জুলাইযোদ্ধা, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধি, পেশাজীবী, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি ও অবসরপ্রাপ্ত বিচারকদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে।
বৈঠক শেষে চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি বলেন, ‘আগামী এক বা দুই বছরের জন্য নয়, আগামী প্রজন্মের সুফলের জন্য সংবিধান সংশোধন করা হচ্ছে। বিরোধী দলের জন্য সংশোধনী কমিটির দরজা সবসময় খোলা রয়েছে।’
.png)

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে শুরুতে বিএনপির অন্তত চারজনের নাম সামনে এলেও এখন একজনকে ঘিরেই আলোচনা। এরমধ্যে জামায়াতে ইসলামী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। এতে জমে উঠেছে নির্বাচন। রাজনৈতিক মহলে কৌতূহল, রাষ্ট্রপতি পদে কাকে বেছে নেবে ক্ষমতাসীনরা।
২ ঘণ্টা আগে
কুমিল্লার দেবিদ্বারে ভাড়াটিয়ার হাতে হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন ফরিদা ইয়াসমিন (৫০) নামে এক গৃহকর্ত্রী। হত্যার পর লাশ টুকরো টুকরো করে পলিথিনে মুড়িয়ে বাড়ির পেছনে ফেলে রাখা হয়।
২ ঘণ্টা আগে
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলায় পাওনা টাকার জন্য শরিফুল ইসলাম হিরা (৪০) নামে এক যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। শনিবার (৮ আগষ্ট) গোয়ালন্দ বাজারের তোরাই মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
৩ ঘণ্টা আগে
লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের গভীর বন ছেড়ে অজগর প্রায়ই লোকালয়ে চলে আসছে। শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জের বনসংলগ্ন এলাকায় এসব অজগরের দেখা মিলছে। বাড়ির আঙিনা, হাঁস-মুরগির খামার, বাঁশঝাড়, চা-বাগান ও হাওড়ের আশপাশে অজগর পাওয়া যাচ্ছে। এতে স্থানীয় মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বাড়ছে।
৩ ঘণ্টা আগে