জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬

ও গণভোট

ক্লিক করুন

মার্কিন দূতাবাসসহ কূটনৈতিক এলাকার নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

প্রকাশ : ০২ মার্চ ২০২৬, ১৫: ৫১
সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। ছবি: সংগৃহীত

চলমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে মার্কিন দূতাবাসসহ কূটনৈতিক এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। সোমবার (২ মার্চ) সকালে সচিবালয়ে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ কথা জানান।

মন্ত্রী বলেন, “কূটনৈতিক এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত ফোর্সের পাশাপাশি বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মোতায়েন করা হয়েছে। এ ছাড়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”

বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা ইস্যু, অবৈধ অভিবাসন ও সন্ত্রাসবাদ দমন নিয়ে আলোচনা হয়। এ ছাড়া কূটনৈতিক এলাকার নিরাপত্তা বৃদ্ধিতে ‘স্পেশাল প্রোগ্রাম ফর অ্যাম্বাসি অগমেন্টেশন অ্যান্ড রেসপন্স (এসপিয়ার)’ কর্মসূচি ও ‘ইলেকট্রনিক ন্যাশনালিটি ভেরিফিকেশন (ইএনভি)’ বাস্তবায়নসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে কথা হয়।

বৈঠকে রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদার করতে চায়। তিনি ঢাকার মার্কিন দূতাবাসসহ সমগ্র কূটনৈতিক এলাকার নিরাপত্তা সুসংহত করতে ‘এসপিয়ার’ কর্মসূচি দ্রুত বাস্তবায়নের ওপর জোর দেন। তিনি জানান, এ লক্ষ্যে দ্রুত সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করা প্রয়োজন, অন্যথায় বরাদ্দকৃত তহবিল অন্যত্র চলে যেতে পারে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের সম্মতি নিয়ে দ্রুত এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।

রাষ্ট্রদূত আরও জানান, অবৈধ অভিবাসন রোধে ‘ইলেকট্রনিক ন্যাশনালিটি ভেরিফিকেশন (ইএনভি)’ কার্যকর হলে যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন খাতে বাংলাদেশ ‘গ্রিন জোন’-এ অন্তর্ভুক্ত হবে।

সন্ত্রাস দমন কর্মসূচির আওতায় ২০১০ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ পুলিশের তদন্ত কর্মকর্তা থেকে ডিআইজি পদমর্যাদার প্রায় ৩০ হাজার কর্মকর্তাকে প্রশিক্ষণ ও সরঞ্জাম দিয়েছে। তবে কর্মকর্তাদের অবসর ও বদলির কারণে এর সুফল আশানুরূপ হয়নি বলে জানান রাষ্ট্রদূত। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন এবং অংশীজনদের নিয়ে কর্মশালা আয়োজনের নির্দেশ দেন।

বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব রেবেকা খান, মার্কিন দূতাবাসের এরিক গিলান, শেইন স্যান্ডার্স, তানিক মুনির ও রাইলি পামারট্রি উপস্থিত ছিলেন।

সম্পর্কিত