leadT1ad

শেরপুরে পুলিশ সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

স্ট্রিম সংবাদদাতা
স্ট্রিম সংবাদদাতা
শেরপুর

পুলিশ সদস্য শাহীনুলের মরদেহ উদ্ধারের পর স্বজনদের আহাজারি। ছবি: সংগৃহীত

শেরপুরে শয়নকক্ষের দরজা ভেঙে শাহীনুল ইসলাম (৪৩) নামে পুলিশের এক সহকারী উপপরিদর্শকের (এএসআই) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দিবাগত রাত ১১টায় শহরের গৃর্দানারায়ণপুর এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

শাহীনুল পার্শ্ববর্তী জামালপুর সদর উপজেলার রানাগাছা ইউনিয়নের টেবিরচর গ্রামের মৃত শামছুল হকের ছেলে। তিনি এক ছেলে সন্তানের জনক।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ৭ মাস আগে শেরপুর সদর থানায় যোগ দেন এএসআই শাহীনুল ইসলাম। সদর থানার সামনেই রাস্তার উল্টো পাশে একটি ভাড়া বাড়িতে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে ওঠেন তিনি। গতকাল বেলা ১১টার দিকে স্ত্রী মাকসুদা পারভীন সন্তান নিয়ে গ্রামের বাড়িতে যান। শাহীনুল দুপুর ২টার দিকে ডিউটি শেষে থানা থেকে বাসায় ফেরেন।

এদিকে স্ত্রী পক্ষের স্বজনরা জানিয়েছেন, শাহীনুলের স্ত্রীর দুপুর থেকে তাঁকে ফোন দিচ্ছিলেন, কিন্তু তা রিসিভ হচ্ছিল না। পরে তিনি স্বজনদের নিয়ে রাতে বাড়ি ফিরে দেখেন শাহীনুলের কক্ষ ভেতর থেকে আটকানো। পরে অনেক ডাকাডাকি করেও দরজা না খোলায় স্বজনদের সহযোগিতায় দরজা ভেঙে ভেতরে ঢোকেন। এসময় শাহীনুলকে ফ্যানের সঙ্গে ওড়না দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান তাঁরা।

খবর পেয়ে থানা পুলিশ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. মিজানুর রহমান ভুঁঞা ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) নাসরিন আক্তার ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করেন।

তাঁর স্ত্রী মাকসুদা দাবি, শাহীনুলের কিছুটা মানসিক সমস্যা ছিল। তিনি নিয়মিত মানসিক ডাক্তার দেখাতেন এবং ওষুধ খেতেন।

সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘তাঁকে দেখে কখনো মনে হয়নি তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন। ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক।’

এই ব্যাপারে শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. মিজানুর রহমান ভুঁঞা বলেন, ‘খবর পেয়ে তাঁকে উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তাঁর পরিবারের লোকজনের মতামতের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

Ad 300x250
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত