স্ট্রিম প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জোটের শরিক প্রার্থীদের সমর্থনে সাতটি আসনে নিজেদের দলীয় প্রতীক ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রত্যাহারের আবেদন করেছিল জামায়াতে ইসলামী। তবে নির্বাচন কমিশন (ইসি) জানিয়েছে, আইন অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের পর প্রতীক প্রত্যাহারের কোনো সুযোগ নেই।
নির্বাচন কমিশনের উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) এই চিঠি জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের কাছে পাঠানো হয়।
এর আগে গত ২৩ ও ২৪ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশনে পৃথক দুটি চিঠি দেয় জামায়াতে ইসলামী। চিঠিতে জানানো হয়, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় নির্বাচনে দলটি সাতটি আসনে প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করতে চেয়েছিল। ১০ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের সাথে সমঝোতার ভিত্তিতে ওই আসনগুলো শরিকদের জন্য ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তাই এসব আসনে যেন প্রতীক রাখা না হয়।
যেসব আসনে জামায়াত প্রতীক প্রত্যাহারের আবেদন করেছিল সেগুলো হলো—চট্টগ্রাম-৮, নরসিংদী-২, ভোলা-২, নরসিংদী-৩, নারায়ণগঞ্জ-৩, সুনামগঞ্জ-১ ও চট্টগ্রাম-১২।
জামায়াতের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এসব আসনে তাঁদের মনোনীত প্রার্থীরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করতে পারেননি। এ কারণে ব্যালট পেপারে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীক না রাখার জন্য অনুরোধ জানানো হয়।
তবে নির্বাচন কমিশন আজ এক চিঠিতে জানায়, আরপিও ১৬(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ তারিখের মধ্যেই চূড়ান্ত প্রার্থীর নাম নিশ্চিত করতে হয়। নির্ধারিত সময়ের পর এ বিষয়ে কোনো পরিবর্তন বা প্রতীক প্রত্যাহারের সুযোগ আইনে নেই।
চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, আইন অনুযায়ী নির্ধারিত সময়সীমা পার হওয়ায় নির্বাচন কমিশনের পক্ষে ব্যালট পেপার থেকে দলীয় প্রতীক বাদ দেওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই।
নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তের ফলে উল্লিখিত সাতটি আসনের ব্যালট পেপারে জামায়াতে ইসলামীর দলীয় প্রতীক ‘দাঁড়িপাল্লা’ বহাল থাকছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জোটের শরিক প্রার্থীদের সমর্থনে সাতটি আসনে নিজেদের দলীয় প্রতীক ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রত্যাহারের আবেদন করেছিল জামায়াতে ইসলামী। তবে নির্বাচন কমিশন (ইসি) জানিয়েছে, আইন অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের পর প্রতীক প্রত্যাহারের কোনো সুযোগ নেই।
নির্বাচন কমিশনের উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) এই চিঠি জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের কাছে পাঠানো হয়।
এর আগে গত ২৩ ও ২৪ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশনে পৃথক দুটি চিঠি দেয় জামায়াতে ইসলামী। চিঠিতে জানানো হয়, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় নির্বাচনে দলটি সাতটি আসনে প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করতে চেয়েছিল। ১০ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের সাথে সমঝোতার ভিত্তিতে ওই আসনগুলো শরিকদের জন্য ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তাই এসব আসনে যেন প্রতীক রাখা না হয়।
যেসব আসনে জামায়াত প্রতীক প্রত্যাহারের আবেদন করেছিল সেগুলো হলো—চট্টগ্রাম-৮, নরসিংদী-২, ভোলা-২, নরসিংদী-৩, নারায়ণগঞ্জ-৩, সুনামগঞ্জ-১ ও চট্টগ্রাম-১২।
জামায়াতের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এসব আসনে তাঁদের মনোনীত প্রার্থীরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করতে পারেননি। এ কারণে ব্যালট পেপারে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীক না রাখার জন্য অনুরোধ জানানো হয়।
তবে নির্বাচন কমিশন আজ এক চিঠিতে জানায়, আরপিও ১৬(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ তারিখের মধ্যেই চূড়ান্ত প্রার্থীর নাম নিশ্চিত করতে হয়। নির্ধারিত সময়ের পর এ বিষয়ে কোনো পরিবর্তন বা প্রতীক প্রত্যাহারের সুযোগ আইনে নেই।
চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, আইন অনুযায়ী নির্ধারিত সময়সীমা পার হওয়ায় নির্বাচন কমিশনের পক্ষে ব্যালট পেপার থেকে দলীয় প্রতীক বাদ দেওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই।
নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তের ফলে উল্লিখিত সাতটি আসনের ব্যালট পেপারে জামায়াতে ইসলামীর দলীয় প্রতীক ‘দাঁড়িপাল্লা’ বহাল থাকছে।

সরকার ২০২৩ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ঘোষণা করেছে। এতে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্রের মর্যাদা পেয়েছে সাঁতাও। সেরা অভিনেতা আফরান নিশো এবং সেরা অভিনেত্রী হিসেবে আইনুন নাহার পুতুল জায়গা করে নিয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে
দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়ে সাংবাদিক নিবন্ধনের প্রক্রিয়া সহজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ডিজিটাল পদ্ধতিতে না গিয়ে কমিশন আগের মতো ম্যানুয়ালি নিবন্ধন করবে।
১ ঘণ্টা আগে
গণভোটের বিষয়গুলো অনুমোদন পেলে রাজনৈতিক দলগুলো জনতার প্রশ্নের মুখে পড়বে এবং সংস্কারের সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ড. আলী রিয়াজ। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘পুরাতন বন্দোবস্তে ভাঙন, সংস্কার এবং গণতন্ত্রের পুনর্ভাবনা: ক্রান্তিকালে দুঃসহ পথচলা’
২ ঘণ্টা আগে
ময়মনসিংহ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে হত্যা মামলার তিন আসামিকে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গত মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে আনিস মিয়া, রাশেদুল ইসলাম ও জাকিরুল ইসলাম কর্তৃপক্ষের নির্দেশে কারাগার ছাড়েন। তাদের বাড়ি ময়মনসিংহের তারাকান্দার তারাটি এলাকায়।
৪ ঘণ্টা আগে