leadT1ad

জোট প্রার্থী সমর্থনে সাত আসনে জামায়াত দাঁড়িপাল্লা প্রত্যাহার চাইলেও ইসির ‘না’

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

প্রকাশ : ২৯ জানুয়ারি ২০২৬, ২৩: ০৬
সাতটি আসনে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীক প্রত্যাহারে নির্বাচন কমিশনে আবেদন করেছিল জামায়াতে ইসলামী। স্ট্রিম গ্রাফিক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জোটের শরিক প্রার্থীদের সমর্থনে সাতটি আসনে নিজেদের দলীয় প্রতীক ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রত্যাহারের আবেদন করেছিল জামায়াতে ইসলামী। তবে নির্বাচন কমিশন (ইসি) জানিয়েছে, আইন অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের পর প্রতীক প্রত্যাহারের কোনো সুযোগ নেই।

নির্বাচন কমিশনের উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) এই চিঠি জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের কাছে পাঠানো হয়।

এর আগে গত ২৩ ও ২৪ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশনে পৃথক দুটি চিঠি দেয় জামায়াতে ইসলামী। চিঠিতে জানানো হয়, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় নির্বাচনে দলটি সাতটি আসনে প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করতে চেয়েছিল। ১০ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের সাথে সমঝোতার ভিত্তিতে ওই আসনগুলো শরিকদের জন্য ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তাই এসব আসনে যেন প্রতীক রাখা না হয়।

যেসব আসনে জামায়াত প্রতীক প্রত্যাহারের আবেদন করেছিল সেগুলো হলো—চট্টগ্রাম-৮, নরসিংদী-২, ভোলা-২, নরসিংদী-৩, নারায়ণগঞ্জ-৩, সুনামগঞ্জ-১ ও চট্টগ্রাম-১২।

জামায়াতের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এসব আসনে তাঁদের মনোনীত প্রার্থীরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করতে পারেননি। এ কারণে ব্যালট পেপারে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীক না রাখার জন্য অনুরোধ জানানো হয়।

তবে নির্বাচন কমিশন আজ এক চিঠিতে জানায়, আরপিও ১৬(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ তারিখের মধ্যেই চূড়ান্ত প্রার্থীর নাম নিশ্চিত করতে হয়। নির্ধারিত সময়ের পর এ বিষয়ে কোনো পরিবর্তন বা প্রতীক প্রত্যাহারের সুযোগ আইনে নেই।

চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, আইন অনুযায়ী নির্ধারিত সময়সীমা পার হওয়ায় নির্বাচন কমিশনের পক্ষে ব্যালট পেপার থেকে দলীয় প্রতীক বাদ দেওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই।

নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তের ফলে উল্লিখিত সাতটি আসনের ব্যালট পেপারে জামায়াতে ইসলামীর দলীয় প্রতীক ‘দাঁড়িপাল্লা’ বহাল থাকছে।

Ad 300x250
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত