স্ট্রিম সংবাদদাতা

টানা এক সপ্তাহের ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে পার্বত্য চট্টগ্রামজুড়ে ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে। এতে রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলায় হাজার হাজার হেক্টর কৃষি জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, বন্যায় তিন জেলায় প্রায় ৬ হাজার হেক্টর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ডিএই রাঙামাটি অঞ্চলের তথ্য অনুযায়ী, জেলায় ৫৩ হাজার ৭৬৬ হেক্টর জমির ৩ হাজার ৬৭৫ হেক্টর বন্যার পানিতে আক্রান্ত। এর মধ্যে ৬৯৯ হেক্টর উফশী আউশ, ৪৬১ হেক্টর স্থানীয় আউশ, ১ হাজার ১৩৬ হেক্টর গ্রীষ্মকালীন সবজি, ৪২২ হেক্টর আদা, ৩৪৪ হেক্টর হলুদ, ২০৩ হেক্টর আমন বীজতলা এবং ৪১০ হেক্টর উদ্যান ফসল রয়েছে।
বান্দরবান জেলায় ৯৪৫ হেক্টর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার মধ্যে আউশ ২২০ হেক্টর, গ্রীষ্মকালীন সবজি ৪৫০ হেক্টর এবং ফলবাগান ২২৩ হেক্টর। তবে চূড়ান্ত প্রতিবেদনে এই সংখ্যা আরও বাড়বে বলে জানিয়েছেন কৃষি কর্মকর্তারা।
অন্যদিকে, খাগড়াছড়ি জেলায় আক্রান্ত কৃষি জমির পরিমাণ ১ হাজার ৩১ হেক্টর। এর মধ্যে ৫৪৮ হেক্টর ফলবাগান, ২০২ হেক্টর আমন বীজতলা, ১৪৩ হেক্টর গ্রীষ্মকালীন সবজি এবং ১৩৮ হেক্টর আউশ ধান রয়েছে।
বান্দরবানের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা নাজিব কুমার তঞ্চঙ্গ্যা জানান, বন্যায় বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন প্রান্তিক কৃষকেরা। ফসলি জমি পানিতে ডুবে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। পানি পুরোপুরি নেমে গেলে প্রকৃত ক্ষতির পরিমাণ জানা যাবে।
রাঙামাটির বাঘাইছড়ি, বরকল, জুরাছড়ি ও লংগদু উপজেলার অনেক এলাকা প্লাবিত হলেও বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বিলাইছড়ি উপজেলার ফারুয়া ইউনিয়ন।
ফারুয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা ও সমাজকর্মী মৃণাল কান্তি তঞ্চঙ্গ্যা বলেন, ‘রোববার (১২ জুলাই) সকাল থেকে বৃষ্টি থামায় বিভিন্ন এলাকা থেকে পানি নামতে শুরু করেছে। তবে পুরো এলাকা কাদা হয়ে আছে। রাইংখ্যং নদীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি থাকায় আবার বৃষ্টি হলে সবকিছু তলিয়ে যেতে পারে।’ ফসলি জমির ক্ষতির কারণে ফারুয়ার মানুষ খাদ্যনিরাপত্তাহীনতায় ভুগবেন বলে জানান তিনি।
ফারুয়া ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান বিদ্যালাল তঞ্চঙ্গ্যা জানান, আলিক্ষ্যং থেকে শুকরছড়ি পর্যন্ত ১৬-১৭ গ্রাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রাথমিক তালিকায় ১ হাজার ৩৪৬ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার চিহ্নিত হয়েছে। নিঃস্ব প্রান্তিক কৃষক পরিবারের জন্য দ্রুত আর্থিক সহায়তা ও কৃষি প্রণোদনার দাবি জানান তিনি।
এ বিষয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর রাঙামাটি কার্যালয়ের অতিরিক্ত পরিচালক অরুণ চন্দ্র রায় বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা করতে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তালিকা পেলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়ে কৃষকদের সহায়তার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

টানা এক সপ্তাহের ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে পার্বত্য চট্টগ্রামজুড়ে ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে। এতে রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলায় হাজার হাজার হেক্টর কৃষি জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, বন্যায় তিন জেলায় প্রায় ৬ হাজার হেক্টর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ডিএই রাঙামাটি অঞ্চলের তথ্য অনুযায়ী, জেলায় ৫৩ হাজার ৭৬৬ হেক্টর জমির ৩ হাজার ৬৭৫ হেক্টর বন্যার পানিতে আক্রান্ত। এর মধ্যে ৬৯৯ হেক্টর উফশী আউশ, ৪৬১ হেক্টর স্থানীয় আউশ, ১ হাজার ১৩৬ হেক্টর গ্রীষ্মকালীন সবজি, ৪২২ হেক্টর আদা, ৩৪৪ হেক্টর হলুদ, ২০৩ হেক্টর আমন বীজতলা এবং ৪১০ হেক্টর উদ্যান ফসল রয়েছে।
বান্দরবান জেলায় ৯৪৫ হেক্টর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার মধ্যে আউশ ২২০ হেক্টর, গ্রীষ্মকালীন সবজি ৪৫০ হেক্টর এবং ফলবাগান ২২৩ হেক্টর। তবে চূড়ান্ত প্রতিবেদনে এই সংখ্যা আরও বাড়বে বলে জানিয়েছেন কৃষি কর্মকর্তারা।
অন্যদিকে, খাগড়াছড়ি জেলায় আক্রান্ত কৃষি জমির পরিমাণ ১ হাজার ৩১ হেক্টর। এর মধ্যে ৫৪৮ হেক্টর ফলবাগান, ২০২ হেক্টর আমন বীজতলা, ১৪৩ হেক্টর গ্রীষ্মকালীন সবজি এবং ১৩৮ হেক্টর আউশ ধান রয়েছে।
বান্দরবানের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা নাজিব কুমার তঞ্চঙ্গ্যা জানান, বন্যায় বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন প্রান্তিক কৃষকেরা। ফসলি জমি পানিতে ডুবে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। পানি পুরোপুরি নেমে গেলে প্রকৃত ক্ষতির পরিমাণ জানা যাবে।
রাঙামাটির বাঘাইছড়ি, বরকল, জুরাছড়ি ও লংগদু উপজেলার অনেক এলাকা প্লাবিত হলেও বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বিলাইছড়ি উপজেলার ফারুয়া ইউনিয়ন।
ফারুয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা ও সমাজকর্মী মৃণাল কান্তি তঞ্চঙ্গ্যা বলেন, ‘রোববার (১২ জুলাই) সকাল থেকে বৃষ্টি থামায় বিভিন্ন এলাকা থেকে পানি নামতে শুরু করেছে। তবে পুরো এলাকা কাদা হয়ে আছে। রাইংখ্যং নদীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি থাকায় আবার বৃষ্টি হলে সবকিছু তলিয়ে যেতে পারে।’ ফসলি জমির ক্ষতির কারণে ফারুয়ার মানুষ খাদ্যনিরাপত্তাহীনতায় ভুগবেন বলে জানান তিনি।
ফারুয়া ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান বিদ্যালাল তঞ্চঙ্গ্যা জানান, আলিক্ষ্যং থেকে শুকরছড়ি পর্যন্ত ১৬-১৭ গ্রাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রাথমিক তালিকায় ১ হাজার ৩৪৬ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার চিহ্নিত হয়েছে। নিঃস্ব প্রান্তিক কৃষক পরিবারের জন্য দ্রুত আর্থিক সহায়তা ও কৃষি প্রণোদনার দাবি জানান তিনি।
এ বিষয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর রাঙামাটি কার্যালয়ের অতিরিক্ত পরিচালক অরুণ চন্দ্র রায় বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা করতে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তালিকা পেলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়ে কৃষকদের সহায়তার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
.png)

স্বজন, দীর্ঘদিনের সহকর্মী, রাজনৈতিক সহযোদ্ধা এবং সর্বস্তরের মানুষের অশ্রুসিক্ত শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় জাতীয় সংসদ ভবন চত্বরে নির্ধারিত স্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন সাবেক স্পিকার ও বাংলাদেশের সাবেক ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার।
৪ মিনিট আগে
দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে সোমবার (১৩ জুলাই) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সব পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। রোববার (১২ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) হিমাদ্রি শেখর চক্রবর্তীর সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
১ ঘণ্টা আগে
রাঙামাটির বরকল উপজেলায় নতুন করে বন্যা দেখা দিয়েছে। তবে বিলাইছড়ি ও বাঘাইছড়ি উপজেলার বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। এদিকে প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, আশ্রয়কেন্দ্র থেকে নিজের বাড়িতে ফিরে যাওয়া মানুষদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করাই এখন তাদের সবচাইতে বড় চ্যালেঞ্জ।
১ ঘণ্টা আগে
দেশে অতিবৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল ও পাহাড়ধসে সৃষ্ট বন্যা ও সংশ্লিষ্ট দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত সাত জেলায় ৫১ জনের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে কক্সবাজারে। এ ছাড়া সারা দেশে আহত হয়েছেন ৩৯ জন।
২ ঘণ্টা আগে