ডুবেছে হাওরের ২ হাজার হেক্টর জমির ধান, বিপাকে কৃষকটানা বৃষ্টি ও উজানের ঢলের পানিতে কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলে তলিয়ে গেছে প্রায় ২ হাজার হেক্টর জমির পাকা বোরো ধান। এতে চরম বিপাকে পড়েছেন এই অঞ্চলের কৃষকরা। আর বৃষ্টি ও ঢল অব্যাহত থাকায় আরও বিস্তীর্ণ এলাকা ফসল তলিয়ে যাওয়ার শঙ্কাও করছেন কৃষক ও কৃষি বিভাগ।
আম সংরক্ষণে পাঁচ বছরে হবে ৯৮ হিমাগারবরেন্দ্র অঞ্চলের আম চাষিদের জন্য ৫ বছরে ১৫ জেলায় ৯৮টি বিশেষ হিমাগার বানাবে সরকার। কৃষি মন্ত্রণালয়ের আগামী ৫ বছরের কর্মপরিকল্পনার নথিতে এই তথ্য পাওয়া গেছে।
হাওরের ধান কাটা নিয়ে দুই সংকটে কৃষক২০১৭ সালের এপ্রিল মাসে উজানের ঢলে ‘অকাল বন্যায়’ সুনামগঞ্জের হাওরে এক মহাবিপর্যয় ঘটেছিল। তখন প্রায় ২ লাখ হেক্টর জমির বোরো ধান তলিয়ে যায়। এর ৯ বছর পর চলতি এপ্রিল মাসে আবারও তেমনই এক সংকটের মুখে হাওরবাসী।
খাল খাঁ খাঁ, তেল না পেয়ে খাবি খাচ্ছেন পাবনার বোরো চাষিধানে ফুল আইসা গেছে। এখন পানি না দিলি ধান চিটা হয়ে যাবে। পাম্পে একদিন তেল পেলি ৩ দিন পাওয়া যায় না– জ্বালানি সংকটে বোরো ধানে পর্যাপ্ত সেচ দিতে না পেরে এভাবেই আক্ষেপ করছিলেন পাবনার বেড়া উপজেলার চাকলা গ্রামের কৃষক টিপু মোল্লা।
ডিজেল সংকট: কৃষক নয়, ঝুঁকিতে পড়েছে গোটা দেশবোরো মৌসুম মানে বাংলাদেশের কৃষির সবচেয়ে বড় মুহূর্ত। দেশের মোট চাল উৎপাদনের প্রায় ৬০ শতাংশ আসে এই একটি মৌসুম থেকে। ডিসেম্বর থেকে মে পর্যন্ত কৃষকের পুরো জীবন আবর্তিত হয় এই ফসলকে ঘিরে। হাল চাষ থেকে শুরু করে ধান কাটা পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে কৃষকের শরীরে ঘাম, চোখে স্বপ্ন। কিন্তু এবার সেই স্বপ্নের গায়ে
বাংলাদেশের কৃষিতে প্রথমবার স্বয়ংক্রিয় সেচ প্রযুক্তি, কমাবে শ্রম ও পানির অপচয়বাংলাদেশে শীতকালীন ফসল চাষে দীর্ঘদিনের চেনা ছবি নালা কেটে জমিতে পানি দেওয়া বা ‘প্লাবন সেচ’। এই পদ্ধতিতে যেমন বিপুল পরিমাণ পানির অপচয় হয়, তেমনি গম, পেঁয়াজ বা আখের মতো সংবেদনশীল ফসলের গোড়ায় পানি জমে মারাত্মক ক্ষতির আশঙ্কা থাকে। এই বাস্তবতায় দেশে কৃষি যান্ত্রিকীকরণের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করল (বিএডিসি)।
বৃষ্টির প্রভাবে নোয়াখালীতে দ্বিগুণ হয়েছে বীজের দামকয়েক মাস আগে ১০ কেজি প্যাকেটের আমন বীজ বিক্রি হয়েছে ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা। তবে বন্যায় বীজতলা নষ্ট হওয়ার পর এই দাম দাঁড়িয়েছে ৭০০ টাকা।
নদীর চিহ্ন নেই, ধরলা-বারোমাসিয়ায় দোল খাচ্ছে সবুজ ফসলজেলার ফুলবাড়ীতে খরস্রোতা নদীগুলো এখন বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠ। নদীর চিহ্ন খুঁজে পাওয়া যায় না। ধরলা-বারোমাসিয়া নদীসহ বিভিন্ন নদ-নদীর বুকে জেগে ওঠা চরে এখন সবুজ ফসলের সমারোহ। শুকনো মৌসুমে চরগুলোতে প্রান্তিক চাষিরা বোরো, ভুট্টাসহ বিভিন্ন ফসল আবাদ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। অন্যদিকে জীবিকার সংকটে দিশেহারা