স্ট্রিম প্রতিবেদক

দেশে অতিবৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল ও পাহাড়ধসে সৃষ্ট বন্যা ও সংশ্লিষ্ট দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত সাত জেলায় ৫১ জনের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে কক্সবাজারে। এ ছাড়া সারা দেশে আহত হয়েছেন ৩৯ জন।
রোববার (১২ জুলাই) দুপুর ২টায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢল সংক্রান্ত সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সাতটি জেলা-খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, বান্দরবান, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জের ৫৯টি উপজেলা, ৩৬৮টি ইউনিয়ন ও ১২টি পৌরসভা প্লাবিত হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জেলাভিত্তিক হিসেবে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি হয়েছে কক্সবাজারে। সেখানে ২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে ১৫ জন স্থানীয় বাসিন্দা ও ১৩ জন রোহিঙ্গা। জেলাটিতে ২৪ জন আহত ও একজন নিখোঁজ রয়েছেন। এ ছাড়া চট্টগ্রামে ১৩ জন, বান্দরবানে ৬ জন, রাঙ্গামাটিতে ৩ জন এবং মৌলভীবাজারে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে।
বন্যাকবলিত মানুষের নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য দুর্গত এলাকাগুলোতে মোট ১ হাজার ৪৯টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এসব আশ্রয়কেন্দ্রে বর্তমানে ৩৮ হাজার ৪২২ জন মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি মানুষ আশ্রয় নিয়েছে চট্টগ্রামে। জেলাটির ১৬টি আংশিক পানিবন্দি উপজেলার ৫৮০টি আশ্রয়কেন্দ্রে প্রায় ২১ হাজার ৯০০ জন অবস্থান করছেন।
দুর্গত মানুষের জন্য সরকারিভাবে ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়। এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত সাত জেলার জন্য নগদ ১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা এবং ৩ হাজার ২৫০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া দুর্যোগ মোকাবিলায় দেশের ৬৪ জেলার জন্য সর্বমোট ৪ কোটি ৬০ লাখ টাকা এবং ৮ হাজার ৯৫০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, জেলা প্রশাসন, স্থানীয় প্রশাসন এবং অন্যান্য সরকারি সংস্থা সমন্বিতভাবে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। দুর্গত এলাকায় শুকনো খাবার, চাল, নগদ সহায়তা ও শিশুখাদ্য বিতরণ অব্যাহত রয়েছে।

দেশে অতিবৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল ও পাহাড়ধসে সৃষ্ট বন্যা ও সংশ্লিষ্ট দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত সাত জেলায় ৫১ জনের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে কক্সবাজারে। এ ছাড়া সারা দেশে আহত হয়েছেন ৩৯ জন।
রোববার (১২ জুলাই) দুপুর ২টায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢল সংক্রান্ত সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সাতটি জেলা-খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, বান্দরবান, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জের ৫৯টি উপজেলা, ৩৬৮টি ইউনিয়ন ও ১২টি পৌরসভা প্লাবিত হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জেলাভিত্তিক হিসেবে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি হয়েছে কক্সবাজারে। সেখানে ২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে ১৫ জন স্থানীয় বাসিন্দা ও ১৩ জন রোহিঙ্গা। জেলাটিতে ২৪ জন আহত ও একজন নিখোঁজ রয়েছেন। এ ছাড়া চট্টগ্রামে ১৩ জন, বান্দরবানে ৬ জন, রাঙ্গামাটিতে ৩ জন এবং মৌলভীবাজারে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে।
বন্যাকবলিত মানুষের নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য দুর্গত এলাকাগুলোতে মোট ১ হাজার ৪৯টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এসব আশ্রয়কেন্দ্রে বর্তমানে ৩৮ হাজার ৪২২ জন মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি মানুষ আশ্রয় নিয়েছে চট্টগ্রামে। জেলাটির ১৬টি আংশিক পানিবন্দি উপজেলার ৫৮০টি আশ্রয়কেন্দ্রে প্রায় ২১ হাজার ৯০০ জন অবস্থান করছেন।
দুর্গত মানুষের জন্য সরকারিভাবে ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়। এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত সাত জেলার জন্য নগদ ১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা এবং ৩ হাজার ২৫০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া দুর্যোগ মোকাবিলায় দেশের ৬৪ জেলার জন্য সর্বমোট ৪ কোটি ৬০ লাখ টাকা এবং ৮ হাজার ৯৫০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, জেলা প্রশাসন, স্থানীয় প্রশাসন এবং অন্যান্য সরকারি সংস্থা সমন্বিতভাবে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। দুর্গত এলাকায় শুকনো খাবার, চাল, নগদ সহায়তা ও শিশুখাদ্য বিতরণ অব্যাহত রয়েছে।
.png)

দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে সোমবার (১৩ জুলাই) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সব পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। রোববার (১২ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) হিমাদ্রি শেখর চক্রবর্তীর সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
২৬ মিনিট আগে
টানা এক সপ্তাহের ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে পার্বত্য চট্টগ্রামজুড়ে ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে। এতে রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলায় হাজার হাজার হেক্টর কৃষি জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
রাঙামাটির বরকল উপজেলায় নতুন করে বন্যা দেখা দিয়েছে। তবে বিলাইছড়ি ও বাঘাইছড়ি উপজেলার বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। এদিকে প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, আশ্রয়কেন্দ্র থেকে নিজের বাড়িতে ফিরে যাওয়া মানুষদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করাই এখন তাদের সবচাইতে বড় চ্যালেঞ্জ।
১ ঘণ্টা আগে
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ‘মুজিববর্ষ’ উদযাপনে সরকারি কোষাগার থেকে ৯৮২ কোটি ৯১ লাখ ৭৪ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন শেখ হাসিনার এক বছরের খাবারের পেছনে ৩৫ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছিল।
১ ঘণ্টা আগে