স্ট্রিম প্রতিবেদক

সুপ্রিম কোর্টের স্বতন্ত্র সচিবালয় প্রতিষ্ঠা সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে প্রধান বিচারপতির অংশ নেওয়া নিয়ে ‘কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট’ বা স্বার্থের সংঘাতের কোনো অবকাশ নেই বলে মন্তব্য করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল।
মঙ্গলবার (৯ জুন) আপিল বিভাগে হাইকোর্টের রায় স্থগিতের পর নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। একইসঙ্গে তিনি রাষ্ট্রের অঙ্গগুলোর ভারসাম্য ও বিচার বিভাগ নিয়ন্ত্রণে সরকারের নীতি নিয়েও কথা বলেন।
পৃথক সচিবালয় হলে প্রধান বিচারপতি তার প্রধান হতেন, সেই সচিবালয় বাতিলের আপিল তিনি নিজেই শুনছেন কিনা, এবং এতে কোনো স্বার্থের সংঘাত হয় কিনা—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘এ ব্যাপারে আমার মন্তব্য করা ঠিক না। কারণ দেশের সর্বোচ্চ আদালতেই তো এটার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হবে। হাইকোর্ট যে রায়টি দিয়েছে, সে রায়ে উল্লেখ করা আছে, এটাই চূড়ান্ত রায় না। এখানে অনেকের ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হয়। হাই কোর্ট রায়টা দেওয়ার পরেও একটা সার্টিফিকেট দিয়েছে। বলেছে, এই মামলার সঙ্গে সাংবিধানিক প্রশ্ন ব্যাখ্যা জড়িত; যেটা সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃক একটা আপিল বিভাগ কর্তৃক করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, ‘স্বার্থের সংঘাতের ব্যাপারে আমার কোনো মন্তব্য না করাই ভালো। যারা শুনছেন, তাঁদের উইজডম, মেধা, নিরপেক্ষতা, জুডিশিয়াল একুমেন সম্পর্কে আমাদের কোনো প্রশ্ন নেই। খুব সহজ-সরলভাবে দেশের সর্বোচ্চ আদালতের বিচারপতিদের নীতি-নৈতিকতা নিয়ে প্রশ্ন করার সুযোগ নেই। কারণ তারা তো ন্যায়বিচার করবেন, এটিই প্রত্যাশা। কোনো মামলা বিচার করলেই যে নিজেদের পক্ষে সবসময় রায় দেবেন, এমন তো না-ও হতে পারে। আর এখানে তো সাংবিধানিক প্রশ্ন ব্যাখ্যা জড়িত। সুতরাং সাংবিধানিক ব্যাখ্যা যখন জড়িত, তখন আমি বিশ্বাস করি আমাদের বিচারপতি যারা মামলাটি শুনবেন, তাঁদের সততা ও দক্ষতার বিষয়ে আমাদের কোনো সন্দেহ, কোনো আশঙ্কা নেই।’
বিচার বিভাগের স্বাধীনতা সংক্রান্ত নিজের আইনি অবস্থানের ব্যাখ্যা দিয়ে রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, ‘আমি বলছি চেক অ্যান্ড ব্যালেন্স রাষ্ট্রের যে তিনটা অর্গান—নির্বাহী বিভাগ, পার্লামেন্ট ও জুডিশিয়ারি; এর মধ্যে একটা চেক অ্যান্ড ব্যালেন্স যদি না থাকে, তাহলে আধুনিক কোনো রাষ্ট্র ফাংশন করতে পারবে না। আদালতকে সেটাই বলেছি, আমাদের প্রত্যেকের যেন তার অবস্থান থেকে, তার পেরিফেরির মধ্যে কাজ করতে পারে; কোনো কারণে যেন এনক্রোচমেন্ট না হয়।’
মামলাটি বিচারাধীন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘পুরা বিষয়টাই এখন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে বিচারাধীন। হাই কোর্টের রায়টি যেহেতু তাঁরা সার্টিফিকেট দিয়েছে, আদালত যেহেতু শুনানির জন্য এটি নির্ধারণ করেছেন ১৬ই জুন; সর্বোচ্চ আদালতের সিদ্ধান্ত ও রায় না আসা পর্যন্ত এ ব্যাপারে মন্তব্য করা সমীচীন নয়।’
রাজনৈতিক নেতাদের বক্তব্যের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক নেতা যিনি বক্তব্য দিয়েছেন, তিনিও কিন্তু বাংলাদেশের সংবিধান-আইন সম্পর্কে একজন বোদ্ধা ব্যক্তি। একজন বোদ্ধা ব্যক্তি তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান থেকে, তাঁর আইনি অবস্থান থেকে বলেছেন। এ ব্যাপারে আমার পক্ষ থেকে মন্তব্য করা সমীচীন না। আমাদের সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে। দেশটা আমাদের, রাষ্ট্রটা আমাদের। সুতরাং যে কোন ক্ষেত্রেই—যে রায় হোক, যে আদেশ হোক, আমাদের কার্যক্রম হোক; প্রশাসনিক আইনগত কার্যক্রমের ক্ষেত্রে আমরা সবাই যার যার অবস্থান থেকে সেল্ফ রেসট্রেন্ট মেইনটেইন করব।’
বিরোধী দলগুলোর পক্ষ থেকে বিচার বিভাগ নিয়ন্ত্রণের অভিযোগের বিষয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘এটা নির্ভর করে রাষ্ট্র ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত সরকার কীভাবে জুডিশিয়ারিকে দেখে। এই সরকারের তিন মাসের বেশি সময়ের মধ্যে একটি উদাহরণও আমি দেখি নাই, যেখানে সরকারের পক্ষ থেকে জুডিশিয়ারি কোনো হহস্তক্ষেপ করেছে।’
অতীতের রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘একটা গণতান্ত্রিক সরকার রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে কোনো আইনের অপব্যবহার করবে; এটা কারও প্রত্যাশিত না। বাংলাদেশে এমন উদাহরণ আছে, নিম্ন আদালতের বিচারকদেরকে মোমবাতি জ্বালিয়ে রাতের বেলা সাক্ষীদেরকে ডেকে এনে নির্বাচনের আগে বিরোধী দল তৎকালীন বিএনপির নেতৃবৃন্দকে রাতের আঁধারে সাজা দিয়ে নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছে। বর্তমান এটা নেই। আমি মনে করি, রাষ্ট্রব্যবস্থা যারা দায়িত্ব পালন করে এটা তাদের সদিচ্ছার উপর নির্ভর করে।
অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ, ২০২৫’ এর অধীনে গত বছরের ১১ ডিসেম্বর সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছিল। তবে সম্প্রতি নির্বাচিত নতুন বিএনপি সরকার ক্ষমতায় এসে প্রশাসনিক ও বিচারক নিয়োগ সংক্রান্ত অধ্যাদেশগুলো রহিত করার সিদ্ধান্ত নেয় এবং গত ৯ এপ্রিল জাতীয় সংসদে ‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় রহিতকরণ বিল, ২০২৬’ পাস করে। ফলে সুপ্রিম কোর্টের স্বতন্ত্র সচিবালয় বিলুপ্ত হয়ে নিম্ন আদালতের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ আবার আইন মন্ত্রণালয়ের অধীনে ফিরে যায়। এই রহিতকরণ বিল ও পূর্বের হাইকোর্টের রায়কে কেন্দ্র করে আইনি লড়াই গড়ালে, মঙ্গলবার আপিল বিভাগ হাইকোর্টের মূল রায়টির ওপর স্থগিতাদেশ জারি করে আগামী ১৬ জুন আপিল শুনানির দিন ধার্য করেন।

সুপ্রিম কোর্টের স্বতন্ত্র সচিবালয় প্রতিষ্ঠা সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে প্রধান বিচারপতির অংশ নেওয়া নিয়ে ‘কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট’ বা স্বার্থের সংঘাতের কোনো অবকাশ নেই বলে মন্তব্য করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল।
মঙ্গলবার (৯ জুন) আপিল বিভাগে হাইকোর্টের রায় স্থগিতের পর নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। একইসঙ্গে তিনি রাষ্ট্রের অঙ্গগুলোর ভারসাম্য ও বিচার বিভাগ নিয়ন্ত্রণে সরকারের নীতি নিয়েও কথা বলেন।
পৃথক সচিবালয় হলে প্রধান বিচারপতি তার প্রধান হতেন, সেই সচিবালয় বাতিলের আপিল তিনি নিজেই শুনছেন কিনা, এবং এতে কোনো স্বার্থের সংঘাত হয় কিনা—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘এ ব্যাপারে আমার মন্তব্য করা ঠিক না। কারণ দেশের সর্বোচ্চ আদালতেই তো এটার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হবে। হাইকোর্ট যে রায়টি দিয়েছে, সে রায়ে উল্লেখ করা আছে, এটাই চূড়ান্ত রায় না। এখানে অনেকের ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হয়। হাই কোর্ট রায়টা দেওয়ার পরেও একটা সার্টিফিকেট দিয়েছে। বলেছে, এই মামলার সঙ্গে সাংবিধানিক প্রশ্ন ব্যাখ্যা জড়িত; যেটা সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃক একটা আপিল বিভাগ কর্তৃক করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, ‘স্বার্থের সংঘাতের ব্যাপারে আমার কোনো মন্তব্য না করাই ভালো। যারা শুনছেন, তাঁদের উইজডম, মেধা, নিরপেক্ষতা, জুডিশিয়াল একুমেন সম্পর্কে আমাদের কোনো প্রশ্ন নেই। খুব সহজ-সরলভাবে দেশের সর্বোচ্চ আদালতের বিচারপতিদের নীতি-নৈতিকতা নিয়ে প্রশ্ন করার সুযোগ নেই। কারণ তারা তো ন্যায়বিচার করবেন, এটিই প্রত্যাশা। কোনো মামলা বিচার করলেই যে নিজেদের পক্ষে সবসময় রায় দেবেন, এমন তো না-ও হতে পারে। আর এখানে তো সাংবিধানিক প্রশ্ন ব্যাখ্যা জড়িত। সুতরাং সাংবিধানিক ব্যাখ্যা যখন জড়িত, তখন আমি বিশ্বাস করি আমাদের বিচারপতি যারা মামলাটি শুনবেন, তাঁদের সততা ও দক্ষতার বিষয়ে আমাদের কোনো সন্দেহ, কোনো আশঙ্কা নেই।’
বিচার বিভাগের স্বাধীনতা সংক্রান্ত নিজের আইনি অবস্থানের ব্যাখ্যা দিয়ে রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, ‘আমি বলছি চেক অ্যান্ড ব্যালেন্স রাষ্ট্রের যে তিনটা অর্গান—নির্বাহী বিভাগ, পার্লামেন্ট ও জুডিশিয়ারি; এর মধ্যে একটা চেক অ্যান্ড ব্যালেন্স যদি না থাকে, তাহলে আধুনিক কোনো রাষ্ট্র ফাংশন করতে পারবে না। আদালতকে সেটাই বলেছি, আমাদের প্রত্যেকের যেন তার অবস্থান থেকে, তার পেরিফেরির মধ্যে কাজ করতে পারে; কোনো কারণে যেন এনক্রোচমেন্ট না হয়।’
মামলাটি বিচারাধীন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘পুরা বিষয়টাই এখন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে বিচারাধীন। হাই কোর্টের রায়টি যেহেতু তাঁরা সার্টিফিকেট দিয়েছে, আদালত যেহেতু শুনানির জন্য এটি নির্ধারণ করেছেন ১৬ই জুন; সর্বোচ্চ আদালতের সিদ্ধান্ত ও রায় না আসা পর্যন্ত এ ব্যাপারে মন্তব্য করা সমীচীন নয়।’
রাজনৈতিক নেতাদের বক্তব্যের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক নেতা যিনি বক্তব্য দিয়েছেন, তিনিও কিন্তু বাংলাদেশের সংবিধান-আইন সম্পর্কে একজন বোদ্ধা ব্যক্তি। একজন বোদ্ধা ব্যক্তি তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান থেকে, তাঁর আইনি অবস্থান থেকে বলেছেন। এ ব্যাপারে আমার পক্ষ থেকে মন্তব্য করা সমীচীন না। আমাদের সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে। দেশটা আমাদের, রাষ্ট্রটা আমাদের। সুতরাং যে কোন ক্ষেত্রেই—যে রায় হোক, যে আদেশ হোক, আমাদের কার্যক্রম হোক; প্রশাসনিক আইনগত কার্যক্রমের ক্ষেত্রে আমরা সবাই যার যার অবস্থান থেকে সেল্ফ রেসট্রেন্ট মেইনটেইন করব।’
বিরোধী দলগুলোর পক্ষ থেকে বিচার বিভাগ নিয়ন্ত্রণের অভিযোগের বিষয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘এটা নির্ভর করে রাষ্ট্র ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত সরকার কীভাবে জুডিশিয়ারিকে দেখে। এই সরকারের তিন মাসের বেশি সময়ের মধ্যে একটি উদাহরণও আমি দেখি নাই, যেখানে সরকারের পক্ষ থেকে জুডিশিয়ারি কোনো হহস্তক্ষেপ করেছে।’
অতীতের রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘একটা গণতান্ত্রিক সরকার রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে কোনো আইনের অপব্যবহার করবে; এটা কারও প্রত্যাশিত না। বাংলাদেশে এমন উদাহরণ আছে, নিম্ন আদালতের বিচারকদেরকে মোমবাতি জ্বালিয়ে রাতের বেলা সাক্ষীদেরকে ডেকে এনে নির্বাচনের আগে বিরোধী দল তৎকালীন বিএনপির নেতৃবৃন্দকে রাতের আঁধারে সাজা দিয়ে নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছে। বর্তমান এটা নেই। আমি মনে করি, রাষ্ট্রব্যবস্থা যারা দায়িত্ব পালন করে এটা তাদের সদিচ্ছার উপর নির্ভর করে।
অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ, ২০২৫’ এর অধীনে গত বছরের ১১ ডিসেম্বর সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছিল। তবে সম্প্রতি নির্বাচিত নতুন বিএনপি সরকার ক্ষমতায় এসে প্রশাসনিক ও বিচারক নিয়োগ সংক্রান্ত অধ্যাদেশগুলো রহিত করার সিদ্ধান্ত নেয় এবং গত ৯ এপ্রিল জাতীয় সংসদে ‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় রহিতকরণ বিল, ২০২৬’ পাস করে। ফলে সুপ্রিম কোর্টের স্বতন্ত্র সচিবালয় বিলুপ্ত হয়ে নিম্ন আদালতের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ আবার আইন মন্ত্রণালয়ের অধীনে ফিরে যায়। এই রহিতকরণ বিল ও পূর্বের হাইকোর্টের রায়কে কেন্দ্র করে আইনি লড়াই গড়ালে, মঙ্গলবার আপিল বিভাগ হাইকোর্টের মূল রায়টির ওপর স্থগিতাদেশ জারি করে আগামী ১৬ জুন আপিল শুনানির দিন ধার্য করেন।

কোনো একটি দলের নির্বাচনী ফান্ডে ইসলামী ব্যাংকের ঋণের টাকা রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। আজ মঙ্গলবার (৯ জুন) জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনের আলোচনায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
৩৫ মিনিট আগে
রাজধানীর মৌচাকে স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক নেতা বিল্লাল হোসেন হত্যা মামলায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন— মো. রিয়াজ ও আল আমিন।
১ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলার আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের মৃত্যুদণ্ডের রায় অনুমোদনের (ডেথ রেফারেন্স) জন্য পুরো নথি হাইকোর্টে এসেছে।
২ ঘণ্টা আগে
পেশাগত পোশাক পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টিকটক, ফেসবুক রিলস বা ইনস্টাগ্রামে বিনোদনমূলক ভিডিও বা ছবি প্রকাশ থেকে বিরত থাকতে আইনজীবীদের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল।
২ ঘণ্টা আগে