স্ট্রিম প্রতিবেদক

সদ্য অনুমোদন পাওয়া নির্বাচন-সংক্রান্ত আইন আরপিও (সংশোধন) অধ্যাদেশের খসড়া আবারও সংশোধন করে জোটের প্রতীকে ভোট করার সুযোগ ফিরিয়ে আনলে তা ন্যক্কারজনক হবে বলে মনে করে জামায়াতে ইসলামী।
দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার আজ রোববার (২ নভেম্বর) এক বিবৃতিতে এই কথা জানিয়েছেন।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘কোনো নিবন্ধিত দলের প্রার্থী জোটভুক্ত অন্য দলের প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন— যদি এমন আদেশ জারির মাধ্যমে আরপিওর সর্বশেষ সংশোধনী বাতিল করে একটি দলের সাথে সরকার গোপন সমঝোতা করে, তবে ন্যক্কারজনকভাবে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড ভঙ্গ হতে পারে।’
আরপিওর সর্বশেষ সংশোধিত অধ্যাদেশের খসড়া আবারও সংশোধন করার পরিকল্পনা করছে অন্তর্বর্তী সরকার, এমন খবর গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। খবরে প্রকাশ, নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জোটগতভাবে নির্বাচন করলে নিজের দলের প্রতীকে নির্বাচন করার বাধ্যবাধকতা থাকছে না। অর্থাৎ, কোনো প্রার্থী চাইলে নিজ দলের প্রতীকেও নির্বাচন করতে পারবেন, অথবা জোটের কোনো দলের প্রতীকেও নির্বাচন করতে পারবেন।
এরই প্রেক্ষিতে আজ রোববার জামায়াত গণমাধ্যমে বিবৃতি পাঠিয়েছে। বিবৃতিতে গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘বিএনপির একজন নেতার সাথে জনৈক উপদেষ্টার তথাকথিত ‘জেন্টলম্যানস এগ্রিমেন্ট’-এর প্রেক্ষিতে নিজেদের অনুমোদিত সেই আদেশ বাতিল হতে যাচ্ছে। দেশবাসী মনে করে, নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের সুপারিশ ও উপদেষ্টা পরিষদ কর্তৃক অনুমোদিত গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) যদি বাতিল করা হয়, তবে তা হবে অত্যন্ত ন্যক্কারজনক, অগণতান্ত্রিক ও স্পষ্টতই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।’
গোলাম পরওয়ার আরও বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকারের অনুমোদিত সংশোধনীকে বিএনপির এক উপদেষ্টার কথিত ‘জেন্টলম্যানস এগ্রিমেন্ট’-এর নামে উপদেষ্টা পরিষদের সভায় যদি বাতিল করা হয়, তাহলে আসন্ন নির্বাচনের নিরপেক্ষতা ও সকল দলের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিতকরণের ক্ষেত্রে জাতির সামনে একটি বড় প্রশ্নের জন্ম দেবে। জনগণ মনে করে, যদি তাই হয় তবে সরকারের কাছে এই প্রশ্নের কোনো নৈতিক ও যৌক্তিক জবাব থাকবে না। নির্বাচনের মাত্র চার মাস আগে একটি দায়িত্বশীল রাজনৈতিক দলের নেতা এবং সরকারের মধ্যে অবস্থানকারী কোন উপদেষ্টার যোগসাজশে এভাবে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড যদি ভঙ্গ হয়, তবে নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজন করা অসম্ভব হয়ে পড়বে।’

সদ্য অনুমোদন পাওয়া নির্বাচন-সংক্রান্ত আইন আরপিও (সংশোধন) অধ্যাদেশের খসড়া আবারও সংশোধন করে জোটের প্রতীকে ভোট করার সুযোগ ফিরিয়ে আনলে তা ন্যক্কারজনক হবে বলে মনে করে জামায়াতে ইসলামী।
দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার আজ রোববার (২ নভেম্বর) এক বিবৃতিতে এই কথা জানিয়েছেন।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘কোনো নিবন্ধিত দলের প্রার্থী জোটভুক্ত অন্য দলের প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন— যদি এমন আদেশ জারির মাধ্যমে আরপিওর সর্বশেষ সংশোধনী বাতিল করে একটি দলের সাথে সরকার গোপন সমঝোতা করে, তবে ন্যক্কারজনকভাবে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড ভঙ্গ হতে পারে।’
আরপিওর সর্বশেষ সংশোধিত অধ্যাদেশের খসড়া আবারও সংশোধন করার পরিকল্পনা করছে অন্তর্বর্তী সরকার, এমন খবর গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। খবরে প্রকাশ, নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জোটগতভাবে নির্বাচন করলে নিজের দলের প্রতীকে নির্বাচন করার বাধ্যবাধকতা থাকছে না। অর্থাৎ, কোনো প্রার্থী চাইলে নিজ দলের প্রতীকেও নির্বাচন করতে পারবেন, অথবা জোটের কোনো দলের প্রতীকেও নির্বাচন করতে পারবেন।
এরই প্রেক্ষিতে আজ রোববার জামায়াত গণমাধ্যমে বিবৃতি পাঠিয়েছে। বিবৃতিতে গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘বিএনপির একজন নেতার সাথে জনৈক উপদেষ্টার তথাকথিত ‘জেন্টলম্যানস এগ্রিমেন্ট’-এর প্রেক্ষিতে নিজেদের অনুমোদিত সেই আদেশ বাতিল হতে যাচ্ছে। দেশবাসী মনে করে, নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের সুপারিশ ও উপদেষ্টা পরিষদ কর্তৃক অনুমোদিত গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) যদি বাতিল করা হয়, তবে তা হবে অত্যন্ত ন্যক্কারজনক, অগণতান্ত্রিক ও স্পষ্টতই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।’
গোলাম পরওয়ার আরও বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকারের অনুমোদিত সংশোধনীকে বিএনপির এক উপদেষ্টার কথিত ‘জেন্টলম্যানস এগ্রিমেন্ট’-এর নামে উপদেষ্টা পরিষদের সভায় যদি বাতিল করা হয়, তাহলে আসন্ন নির্বাচনের নিরপেক্ষতা ও সকল দলের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিতকরণের ক্ষেত্রে জাতির সামনে একটি বড় প্রশ্নের জন্ম দেবে। জনগণ মনে করে, যদি তাই হয় তবে সরকারের কাছে এই প্রশ্নের কোনো নৈতিক ও যৌক্তিক জবাব থাকবে না। নির্বাচনের মাত্র চার মাস আগে একটি দায়িত্বশীল রাজনৈতিক দলের নেতা এবং সরকারের মধ্যে অবস্থানকারী কোন উপদেষ্টার যোগসাজশে এভাবে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড যদি ভঙ্গ হয়, তবে নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজন করা অসম্ভব হয়ে পড়বে।’

খেলাফতে মজলিশের আমির ও ঢাকা–১৩ আসনের রিকশা প্রতীকের সংসদ সদস্য প্রার্থী মামুনুল হকের নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে দ্বিতীয় দিনের মতো ‘জাগরণী পদযাত্রা’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
৩ মিনিট আগে
চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল এলাকায় একটি সামরিক অর্থনৈতিক অঞ্চল (মিলিটারি ইকোনমিক জোন) গড়ে তোলার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আগে নির্ধারিত ভারতীয় সরকার-টু-সরকার (জি-টু-জি) অর্থনৈতিক অঞ্চলের পরিবর্তে এই নতুন অঞ্চল স্থাপন করা হবে।
৮ মিনিট আগে
যশোরকে একটি আধুনিক ডিজিটাল সিটি ও টেক সিটি হিসেবে গড়ে তোলার জন্য সরকারের পরিকল্পিত ও ধারাবাহিক উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
৩৬ মিনিট আগে
অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ পবিত্র রমজান মাসের পরিবর্তে ঈদুল ফিতরের পর আয়োজন করার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি।
৪২ মিনিট আগে