আমাদের রান্নাঘরের অনেক জিনিসই প্লাস্টিকের তৈরি। তাই সহজেই এগুলো খাবারে মিশে যেতে পারে। তবে আমরা চাইলেই খাবারে প্লাস্টিকের উপস্থিতি কমানো সম্ভব। রান্নাঘরে কিছু ছোট ছোট পরিবর্তনের মাধ্যমে আমরা নিজেদের সুরক্ষিত রাখতে পারি।
তথ্যসূত্র:

ধরুন, ছুটির দিনে খুব শখ করে আপনার প্রিয় ননস্টিক প্যানে কোনো খাবার রান্না করছেন। চুলায় গরম প্যান থেকে খুব সুন্দর ঘ্রাণও ছড়াচ্ছে। আপনি হয়ত প্লাস্টিকের চামচ দিয়ে পরম মমতায় খাবারটা নাড়ছেন। এরপর ধোঁয়া ওঠা খাবারটা প্লেটে বেড়ে তৃপ্তি নিয়ে খেতে বসলেন।
কিন্তু এই খাবারের সঙ্গে আপনার পেটে ঢুকছে ক্ষতিকর মাইক্রোপ্লাস্টিক! রান্নার সময় হয়ত গরম প্যান বা প্লাস্টিকের চামচ থেকে ছোট ছোট প্লাস্টিকের কণা গলে চুপিচুপি আপনার খাবারে মিশে যাচ্ছে। প্লেটের খাবার ঠান্ডা হলে এই কণাগুলো খাবারেই শক্ত হয়ে বসে যায়। বিজ্ঞানের ভাষায় এদের বলা হয় মাইক্রোপ্লাস্টিক বা ন্যানোপ্লাস্টিক।
মাইক্রোপ্লাস্টিকের আকার সাধারণত ৫ মিলিমিটারের কম হয় বলে খালি চোখে এগুলো দেখা যায় না। ন্যানোপ্লাস্টিকের আকার ১ থেকে ১০০০ ন্যানোমিটারের মাঝে থাকে।
আমাদের রান্নাঘরের অনেক জিনিসই প্লাস্টিকের তৈরি। তাই সহজেই এগুলো খাবারে মিশে যেতে পারে। তবে আমরা চাইলেই খাবারে প্লাস্টিকের উপস্থিতি কমানো সম্ভব। রান্নাঘরে কিছু ছোট ছোট পরিবর্তনের মাধ্যমে আমরা নিজেদের সুরক্ষিত রাখতে পারি।
২০১৮ সালের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, মানুষ ১৯৯০ সালের তুলনায় ছয় গুণ বেশি প্লাস্টিক খাচ্ছে এখন। কারখানায় প্রক্রিয়াজাত করা খাবারে প্লাস্টিকের পরিমাণ বেশি থাকে। কারখানায় অনেক ধাপে কাজ হয়। এতে খাবারে প্লাস্টিক মেশার শঙ্কা বাড়ে। এজন্য বিশেষজ্ঞরা প্রক্রিয়াজাত খাবার এড়িয়ে সবসময় ফ্রেশ খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেন।

বিসিবির একটি প্রতিবেদনে জানা যায়, অস্ট্রেলিয়ায় বাড়িতে রান্না করা ভাতে প্রতিবার পরিবেশনে ৩-৪ মিলিগ্রাম প্লাস্টিক পাওয়া যায়। আর আগে থেকে রান্না করা ভাতে এটার পরিমাণ ১৩ মিলিগ্রাম পর্যন্ত হতে পারে। কাগজের প্যাকেটে থাকা চালেও কিন্তু প্লাস্টিকের প্যাকেটের চালের মতোই মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে। তবে গবেষকরা দেখেছেন, কিছু খাবার ধুয়ে খেলে প্লাস্টিক কমে যায়। যেমন চাল ধুয়ে নিলে প্লাস্টিকের পরিমাণ ২০-৪০ শতাংশ কমে যায়। একইভাবে, মাংস-মাছ ধুয়ে ফেললেও মাইক্রোপ্লাস্টিক কমে। তবে তা পুরোপুরি দূর হয় না। এদিকে সামুদ্রিক লবণ ধোয়া যায় না।
শুধু খাবারে নয়, টিউবওয়েলের পানি বা বোতলের পানিতেও প্লাস্টিক থাকতে পারে। এক গবেষণায় দেখা গেছে বোতলের মুখ খোলা ও বন্ধ করার সময় প্লাস্টিক পানিতে মেশে। প্রতিবার মুখ ঘোরানোর সময় প্রতি লিটার পানিতে প্রায় ৫৫৩টি মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা তৈরি হয়। এমনকি মানুষের মস্তিষ্কেও প্লাস্টিকের উপাদান পাওয়া গেছে। যুক্তরাজ্যের এক গবেষণায় কলের পানির ১৭৭টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। সবগুলোতে প্লাস্টিক পাওয়া যায়। অন্যান্য দেশেও একই ফল মিলেছে।
প্লাস্টিকের বোতলে ক্ষতিকর প্লাস্টিক কণার উপস্থিতির কারণে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভালো মানের কার্বন ফিল্টার ব্যবহার করলে পানির ৯০ শতাংশ প্লাস্টিক দূর হতে পারে।
মালয়েশিয়ার একটি গবেষণায় মেলামাইনের বাটি পরীক্ষা করে দেখা যায়, ১০০ বার ধোয়ার পর বাটি থেকে অনেক বেশি প্লাস্টিক ছড়িয়েছে। চীনের গবেষণায় দেখা গেছে মাসে পাঁচ বা দশবার বাইরের খাবার খেলে পাত্র থেকে অনেক মাইক্রোপ্লাস্টিক শরীরে ঢোকে।
রান্নার শুরুতে আমরা কাটিং বোর্ড ব্যবহার করি। কাটিং বোর্ডে কাটার সময় প্রচুর প্লাস্টিক কণা তৈরি হয়। পলিথিনের তৈরি বোর্ড থেকে বছরে অনেক মাইক্রোপ্লাস্টিক ছড়াতে পারে। এই কণাগুলো সরাসরি খাবারে চলে যায়। রান্না করার সময় এই প্লাস্টিক গলে যায়। ঠান্ডা হলে আবার শক্ত হয়। মাংস ভালোভাবে ধুলে প্লাস্টিক কমে যায় তবে পুরোপুরি দূর হয় না। দাগ পড়া ননস্টিক রান্নার পাত্র থেকে লাখ লাখ কণা ছড়াতে পারে। নতুন পাত্রে নরম সিলিকনের চামচ ব্যবহার করলেও প্লাস্টিক ছড়াতে পারে। ব্লেন্ডারে বরফ ভাঙলে বা মিক্সিং বোলে কাজ করলেও প্লাস্টিক বের হতে পারে।

এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে প্লাস্টিকের বদলে সিলিকন ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে খুব বেশি তাপে সিলিকন গলে যেতে পারে। রান্নার কাজে কাঁচ ও স্টেইনলেস স্টিল ব্যবহার করা নিরাপদ।
খাবার বা পানীয়ের মাধ্যমে মাইক্রোপ্লাস্টিক আমাদের শরীরে ঢুকে সরাসরি পরিপাকতন্ত্রে যায়। আমরা জানি মাইক্রোপ্লাস্টিক আমাদের শরীরের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। তবে এই উপাদানগুলো শরীরে ঠিক কী প্রভাব ফেলে তা এখনো পরিষ্কার নয়। বিজ্ঞানীদের ধারণা মাইক্রোপ্লাস্টিক বা ন্যানোপ্লাস্টিক পেটের উপকারী ব্যাকটেরিয়ার ক্ষতি করতে পারে। এর ছোট কণাগুলো রক্তে মিশে যেতে পারে। ধমনি, মস্তিষ্ক, রক্ত এবং অন্যান্য অঙ্গে প্লাস্টিকের কণা পাওয়া গেছে।
তবে বিজ্ঞানীরা বলছেন, শরীরের ভেতরের অনেক প্লাস্টিক হয়ত কোনো ক্ষতি করে না। এগুলো এক জায়গায় স্থির থাকতে পারে। খাবারের সঙ্গে যেসব প্লাস্টিক গ্রহণ করা হয়, তা যে সবসময় আমাদের শরীরে থাকে তা কিন্তু নয়। আমরা নিয়মিত যেসব মাইক্রোপ্লাস্টিক খাই তার কিছু অংশ মলত্যাগের মাধ্যমে শরীর থেকে বের হয়ে যায়।
খাবারে প্লাস্টিকের উপস্থিতি কমাতে রান্নাঘরের সব প্লাস্টিক একসাথে ফেলে দেওয়া ঠিক নয়। এতে পরিবেশের ক্ষতি হয়। যেসব জিনিসের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে আপনি নিশ্চিত, সেগুলো বাদ দেওয়া উচিত। বিশেষ করে দাগ পড়া বা গলে যাওয়া প্লাস্টিকের পাত্র ব্যবহার করা ঠিক নয়। রান্নাঘরের নতুন জিনিস কেনার সময় প্লাস্টিক ছাড়া অন্য উপাদানের জিনিস কেনাই ভালো। প্রতিদিন ব্যবহারের জন্য কাঁচ বা স্টিলের পাত্র কেনা যেতে পারে।

ধরুন, ছুটির দিনে খুব শখ করে আপনার প্রিয় ননস্টিক প্যানে কোনো খাবার রান্না করছেন। চুলায় গরম প্যান থেকে খুব সুন্দর ঘ্রাণও ছড়াচ্ছে। আপনি হয়ত প্লাস্টিকের চামচ দিয়ে পরম মমতায় খাবারটা নাড়ছেন। এরপর ধোঁয়া ওঠা খাবারটা প্লেটে বেড়ে তৃপ্তি নিয়ে খেতে বসলেন।
কিন্তু এই খাবারের সঙ্গে আপনার পেটে ঢুকছে ক্ষতিকর মাইক্রোপ্লাস্টিক! রান্নার সময় হয়ত গরম প্যান বা প্লাস্টিকের চামচ থেকে ছোট ছোট প্লাস্টিকের কণা গলে চুপিচুপি আপনার খাবারে মিশে যাচ্ছে। প্লেটের খাবার ঠান্ডা হলে এই কণাগুলো খাবারেই শক্ত হয়ে বসে যায়। বিজ্ঞানের ভাষায় এদের বলা হয় মাইক্রোপ্লাস্টিক বা ন্যানোপ্লাস্টিক।
মাইক্রোপ্লাস্টিকের আকার সাধারণত ৫ মিলিমিটারের কম হয় বলে খালি চোখে এগুলো দেখা যায় না। ন্যানোপ্লাস্টিকের আকার ১ থেকে ১০০০ ন্যানোমিটারের মাঝে থাকে।
আমাদের রান্নাঘরের অনেক জিনিসই প্লাস্টিকের তৈরি। তাই সহজেই এগুলো খাবারে মিশে যেতে পারে। তবে আমরা চাইলেই খাবারে প্লাস্টিকের উপস্থিতি কমানো সম্ভব। রান্নাঘরে কিছু ছোট ছোট পরিবর্তনের মাধ্যমে আমরা নিজেদের সুরক্ষিত রাখতে পারি।
২০১৮ সালের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, মানুষ ১৯৯০ সালের তুলনায় ছয় গুণ বেশি প্লাস্টিক খাচ্ছে এখন। কারখানায় প্রক্রিয়াজাত করা খাবারে প্লাস্টিকের পরিমাণ বেশি থাকে। কারখানায় অনেক ধাপে কাজ হয়। এতে খাবারে প্লাস্টিক মেশার শঙ্কা বাড়ে। এজন্য বিশেষজ্ঞরা প্রক্রিয়াজাত খাবার এড়িয়ে সবসময় ফ্রেশ খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেন।

বিসিবির একটি প্রতিবেদনে জানা যায়, অস্ট্রেলিয়ায় বাড়িতে রান্না করা ভাতে প্রতিবার পরিবেশনে ৩-৪ মিলিগ্রাম প্লাস্টিক পাওয়া যায়। আর আগে থেকে রান্না করা ভাতে এটার পরিমাণ ১৩ মিলিগ্রাম পর্যন্ত হতে পারে। কাগজের প্যাকেটে থাকা চালেও কিন্তু প্লাস্টিকের প্যাকেটের চালের মতোই মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে। তবে গবেষকরা দেখেছেন, কিছু খাবার ধুয়ে খেলে প্লাস্টিক কমে যায়। যেমন চাল ধুয়ে নিলে প্লাস্টিকের পরিমাণ ২০-৪০ শতাংশ কমে যায়। একইভাবে, মাংস-মাছ ধুয়ে ফেললেও মাইক্রোপ্লাস্টিক কমে। তবে তা পুরোপুরি দূর হয় না। এদিকে সামুদ্রিক লবণ ধোয়া যায় না।
শুধু খাবারে নয়, টিউবওয়েলের পানি বা বোতলের পানিতেও প্লাস্টিক থাকতে পারে। এক গবেষণায় দেখা গেছে বোতলের মুখ খোলা ও বন্ধ করার সময় প্লাস্টিক পানিতে মেশে। প্রতিবার মুখ ঘোরানোর সময় প্রতি লিটার পানিতে প্রায় ৫৫৩টি মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা তৈরি হয়। এমনকি মানুষের মস্তিষ্কেও প্লাস্টিকের উপাদান পাওয়া গেছে। যুক্তরাজ্যের এক গবেষণায় কলের পানির ১৭৭টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। সবগুলোতে প্লাস্টিক পাওয়া যায়। অন্যান্য দেশেও একই ফল মিলেছে।
প্লাস্টিকের বোতলে ক্ষতিকর প্লাস্টিক কণার উপস্থিতির কারণে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভালো মানের কার্বন ফিল্টার ব্যবহার করলে পানির ৯০ শতাংশ প্লাস্টিক দূর হতে পারে।
মালয়েশিয়ার একটি গবেষণায় মেলামাইনের বাটি পরীক্ষা করে দেখা যায়, ১০০ বার ধোয়ার পর বাটি থেকে অনেক বেশি প্লাস্টিক ছড়িয়েছে। চীনের গবেষণায় দেখা গেছে মাসে পাঁচ বা দশবার বাইরের খাবার খেলে পাত্র থেকে অনেক মাইক্রোপ্লাস্টিক শরীরে ঢোকে।
রান্নার শুরুতে আমরা কাটিং বোর্ড ব্যবহার করি। কাটিং বোর্ডে কাটার সময় প্রচুর প্লাস্টিক কণা তৈরি হয়। পলিথিনের তৈরি বোর্ড থেকে বছরে অনেক মাইক্রোপ্লাস্টিক ছড়াতে পারে। এই কণাগুলো সরাসরি খাবারে চলে যায়। রান্না করার সময় এই প্লাস্টিক গলে যায়। ঠান্ডা হলে আবার শক্ত হয়। মাংস ভালোভাবে ধুলে প্লাস্টিক কমে যায় তবে পুরোপুরি দূর হয় না। দাগ পড়া ননস্টিক রান্নার পাত্র থেকে লাখ লাখ কণা ছড়াতে পারে। নতুন পাত্রে নরম সিলিকনের চামচ ব্যবহার করলেও প্লাস্টিক ছড়াতে পারে। ব্লেন্ডারে বরফ ভাঙলে বা মিক্সিং বোলে কাজ করলেও প্লাস্টিক বের হতে পারে।

এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে প্লাস্টিকের বদলে সিলিকন ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে খুব বেশি তাপে সিলিকন গলে যেতে পারে। রান্নার কাজে কাঁচ ও স্টেইনলেস স্টিল ব্যবহার করা নিরাপদ।
খাবার বা পানীয়ের মাধ্যমে মাইক্রোপ্লাস্টিক আমাদের শরীরে ঢুকে সরাসরি পরিপাকতন্ত্রে যায়। আমরা জানি মাইক্রোপ্লাস্টিক আমাদের শরীরের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। তবে এই উপাদানগুলো শরীরে ঠিক কী প্রভাব ফেলে তা এখনো পরিষ্কার নয়। বিজ্ঞানীদের ধারণা মাইক্রোপ্লাস্টিক বা ন্যানোপ্লাস্টিক পেটের উপকারী ব্যাকটেরিয়ার ক্ষতি করতে পারে। এর ছোট কণাগুলো রক্তে মিশে যেতে পারে। ধমনি, মস্তিষ্ক, রক্ত এবং অন্যান্য অঙ্গে প্লাস্টিকের কণা পাওয়া গেছে।
তবে বিজ্ঞানীরা বলছেন, শরীরের ভেতরের অনেক প্লাস্টিক হয়ত কোনো ক্ষতি করে না। এগুলো এক জায়গায় স্থির থাকতে পারে। খাবারের সঙ্গে যেসব প্লাস্টিক গ্রহণ করা হয়, তা যে সবসময় আমাদের শরীরে থাকে তা কিন্তু নয়। আমরা নিয়মিত যেসব মাইক্রোপ্লাস্টিক খাই তার কিছু অংশ মলত্যাগের মাধ্যমে শরীর থেকে বের হয়ে যায়।
খাবারে প্লাস্টিকের উপস্থিতি কমাতে রান্নাঘরের সব প্লাস্টিক একসাথে ফেলে দেওয়া ঠিক নয়। এতে পরিবেশের ক্ষতি হয়। যেসব জিনিসের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে আপনি নিশ্চিত, সেগুলো বাদ দেওয়া উচিত। বিশেষ করে দাগ পড়া বা গলে যাওয়া প্লাস্টিকের পাত্র ব্যবহার করা ঠিক নয়। রান্নাঘরের নতুন জিনিস কেনার সময় প্লাস্টিক ছাড়া অন্য উপাদানের জিনিস কেনাই ভালো। প্রতিদিন ব্যবহারের জন্য কাঁচ বা স্টিলের পাত্র কেনা যেতে পারে।
.png)

ইন্টারনেটের হাজারো নেতিবাচকতার ভিড়ে প্রাণীদের ‘কিউট’ ভিডিও ছিল এক চিলতে স্বস্তি। কিন্তু এআই-এর যুগে সেই নির্ভেজাল বিশ্বাসে এখন ফাটল ধরেছে। কোনো ভিডিও দেখে হাসার বদলে আমাদের মনে আগে প্রশ্ন জাগছে, এটি কি আসল নাকি এআই দিয়ে তৈরি? অবিশ্বাসের এই ডিজিটাল চোরাবালিতে দাঁড়িয়ে প্রশ্ন উঠছে, আমাদের ছোট ছোট আনন্দ
১৭ ঘণ্টা আগে
সমকালীন বাংলাদেশের বুদ্ধিবৃত্তিক জগতে এক অসাধারণ ব্যক্তিত্ব আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ। জনপ্রিয়তা ও মননশীলতার মেলবন্ধনের দুর্লভ উদাহরণ তিনি। সৃজনশীল ব্যক্তিত্বের পাশাপাশি তিনি একজন কর্মবীর। আজ তিনি সাতাশি বছর পূর্ণ করলেন।
১৭ ঘণ্টা আগে
এইতো কিছুদিন আগে কথা। অফিস থেকে বেরিয়ে বিশেষ একটি কাজে শাহবাগের উদ্দেশ্যে রিকশায় উঠেছিলাম। বিকেলের ব্যস্ত ঢাকার চিরচেনা যানজটে রিকশাটি একসময় থেমে গেল। চারপাশে শুধু হর্নের শব্দ, মানুষের কোলাহল আর অসংখ্য গাড়ির সারি। ঠিক সেই মুহূর্তেই কানে ভেসে এলো এক পরিচিত সুর ‘আলো আমার আলো ওগো, আলো ভুবনভরা’…!
১৯ ঘণ্টা আগে
প্রাক-আধুনিক যুগের আদর্শবাদী তারুণ্য থেকে শুরু করে আধুনিক যুগের টেক-স্যাভি ‘জেন জি’ প্রজন্ম—প্রতিটি যুগের তারুণ্যের রক্তস্রোত প্রমাণ করেছে যে বন্দুকের নল বা রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন দিয়ে মানুষের মুক্তির স্পৃহাকে চিরতরে বন্দি করা যায় না। আর এই প্রতিটি রক্তঝরা লড়াইয়ে নারীর সক্রিয়, সমান্তরাল, আপসহীন ও বীরত্বপূ
২০ ঘণ্টা আগে