ঢাবিতে অধ্যাপক রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীরকে সংবর্ধনা

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা অধ্যাপক রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীরকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। ছবি: সংগৃহীত
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা অধ্যাপক রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীরকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। ছবি: সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্বরত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীরকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোজাফফর আহমেদ চৌধুরী মিলনায়তনে উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তাঁকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ায় এই সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের চেয়ারপারসন অধ্যাপক ড. নায়িম সুলতানার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে অধ্যাপক রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর উপস্থিত ছিলেন। গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী পর্বে অধ্যাপক রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীরের জীবন, শিক্ষা, গবেষণা ও কর্মের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন অধ্যাপক আবু ইউসুফ। উন্নয়ন অধ্যয়ন শাস্ত্রের বিকাশ, গুরুত্ব ও বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় তাঁর ভূমিকা নিয়ে বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খান।

উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, অধ্যাপক রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর কেবল একজন প্রাজ্ঞ শিক্ষক নন; তিনি বাংলাদেশের অর্থনীতি ও উন্নয়ন ভাবনার একজন অগ্রগণ্য গবেষক। বাংলাদেশের অর্থনীতির ক্রান্তিকালে তাঁর মতো দূরদর্শী, সৎ ও প্রাজ্ঞ ব্যক্তিত্বকে রাষ্ট্রের নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে পাওয়া অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে একটি ঐতিহাসিক রূপান্তর ও নতুন অর্থনৈতিক বাস্তবতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা, প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহি নিশ্চিত করা, বৈষম্য দূর করা এবং টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের মজবুত ভিত্তি তৈরি করা সামনে বড় চ্যালেঞ্জ।

রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, জনগণের যেকোনো প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। জবাবদিহির সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা এবং নিজেকেও জবাবদিহির আওতায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেন, অভিজ্ঞতালব্ধ জ্ঞানকে ছোট করে দেখার সুযোগ নেই। মানুষের জীবন ও বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে অর্জিত জ্ঞান নতুন ধরনের বিজ্ঞান ও বাস্তবসম্মত সমাধান তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। উন্নয়ন ও নীতি প্রণয়নের ক্ষেত্রে স্থানীয় বাস্তবতা ও লোকজ জ্ঞানকে যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

সমাজে কোনো কাজই ছোট নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, পরিচ্ছন্নতাকর্মী থেকে শুরু করে বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত মানুষের সম্মিলিত শ্রমেই একটি দেশ পরিচালিত হয়। সকল কর্মের মর্যাদা ও সম্মান নিশ্চিত করা একটি মানবিক সমাজের অন্যতম ভিত্তি।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের অর্থনীতি ও উন্নয়ন ভাবনা, জবাবদিহি, নীতি প্রণয়নে গবেষণার ভূমিকা এবং উন্নয়ন অধ্যয়ন শাস্ত্রের ভবিষ্যতসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

Ad 300x250
লেটেস্ট
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত