স্ট্রিম সংবাদদাতা

মামলার দ্বন্দ্বে সেচ পাম্প ভেঙে দিয়েছে প্রতিপক্ষ। ফলে রোদ আর পানি না পাওয়ায় প্রায় অর্ধশত বিঘা জমির ধানখেত ফেটে চৌচির হয়ে যাচ্ছে। আর এতে ক্ষতির মুখে পড়েছে মাদারীপুর সদর উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ দুধখালি গ্রামের অনেক কৃষক। ভুক্তভোগী কৃষকরা প্রশাসনের মাধ্যমে দ্রুত ধানখেতে পানির ব্যবস্থার দাবি জানান।
সরেজমিনে দেখা যায়, দুধখালি গ্রামের হাওরে পানির অভাবে জমি ফেটে চৌচির হয়ে গেছে। গ্রামের নিজাম মুন্সির মা হালিমা খাতুন ও স্ত্রী সোনিয়া আক্তার। অন্যের এক বিঘা জমি লিজ নিয়ে ধান চাষ করেছেন তারা। এই জমির ধান দিয়েই বছরজুড়ে পুরো পরিবারের আহারের ব্যবস্থা হবে। কিন্তু এলাকার একটি মারামারির মামলাকে কেন্দ্র সেচপাম্প ভেঙে দেয় একটি পক্ষ। ফলে পানির অভাবে পুড়ে যাচ্ছে ধানখেত। এর দ্রুত সমাধান চান নিজাম মুন্সির পরিবার।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি রাতে দক্ষিণ দুধখালী মুন্সিবাড়ী জামে মসজিদের সংস্কার কাজ নিয়ে স্থানীয় আলমগীর মুন্সির সঙ্গে একই এলাকার সিদ্দিক মুন্সী, কামাল মুন্সিসহ কয়েকজনের মারামারি হয়। পরের দিন মাদারীপুর সদর থানায় আটজনের নাম উল্লেখসহ আরও আট থেকে ৯ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে মামলা করেন আলমগীর মুন্সি।
মামলার পর আলমগীর মুন্সির লোকজন প্রতিপক্ষের লোকজনকে ঘায়েল করতে দক্ষিণ দুধখালী হাওরের প্রায় অর্ধশত বিঘা জমির সেচপাম্পটি ভেঙে ফেলে। এরপর থেকে আর জমিতে পানি দেওয়া যায়নি। এসব জমিতে প্রতি বছর অন্তত এক থেকে দেড় হাজার মণ বোরো ধান উৎপাদন হয়। এ বছর যার পুরোটাই নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে।

নিজাম মুন্সির স্ত্রী সোনিয়া আক্তার বলেন, ‘আমরা স্বামী-স্ত্রী পরের এক বিঘা জমি লিজ নিয়ে পরিশ্রম করে ধান চাষ করেছি। ধানের চারাগাছ ভালোই হয়েছিল। কিন্তু গত ১২-১৩ দিন ধরে খেতে পানি দিতে না পারায় প্রায় সব ধানই মরে যাচ্ছে। এভাবে আরও কয়েকদিন থাকলে ধানের আশা আর করা যাবে না। মামলা-হামলা হতে পারে। কিন্তু তাই বলে ধানের পানি দেওয়া কেন বন্ধ করল? আমাদের পেটে লাথি দেওয়া হয়েছে। এই ধানের ওপরে সারা বছর আমরা বেঁচে থাকি। প্রশাসনের কাছে এর বিচার চাই।’
একই গ্রামের কৃষক কামাল মুন্সি বলেন, ‘মামলার পরে সেচ দেওয়ার পাম্পটি ভেঙে ফেলা হয়েছে। মামলা দিয়ে চাষিদের গ্রামছাড়া করেছে, যে কারণে জমিতে আসতে পারি না। সেচপাম্পও মেরামত করতে দেয় না। এভাবে ফলন্ত ধানগুলোকে মেরে ফেলছে। পুলিশ প্রশাসনের কাছে দাবি, ধান খেতে পানি দেওয়ার ব্যবস্থা করা হোক। মামলা হলে আদালত বিচার করবে।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘মামলা হলে যে সেচপাম্প বন্ধ করে দেবে এটি তো ঠিক না। আমার কাছে সেচপাম্প বন্ধের ঘটনা জানা নেই। যে করেই হোক ধানের ক্ষতি যেন না হয়, সে বিষয়ে আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি। ফসল নষ্ট করার অধিকার কারও নেই। যে বা যারাই এটি করেছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
মামলার বাদী আলমগীর মুন্সি এ বিষয় গণমাধ্যমে কথা বলতে রাজি হননি। তিনি বিষয়টি পুলিশ ও আদালত বুঝবে বলে জানিয়েছেন।

মামলার দ্বন্দ্বে সেচ পাম্প ভেঙে দিয়েছে প্রতিপক্ষ। ফলে রোদ আর পানি না পাওয়ায় প্রায় অর্ধশত বিঘা জমির ধানখেত ফেটে চৌচির হয়ে যাচ্ছে। আর এতে ক্ষতির মুখে পড়েছে মাদারীপুর সদর উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ দুধখালি গ্রামের অনেক কৃষক। ভুক্তভোগী কৃষকরা প্রশাসনের মাধ্যমে দ্রুত ধানখেতে পানির ব্যবস্থার দাবি জানান।
সরেজমিনে দেখা যায়, দুধখালি গ্রামের হাওরে পানির অভাবে জমি ফেটে চৌচির হয়ে গেছে। গ্রামের নিজাম মুন্সির মা হালিমা খাতুন ও স্ত্রী সোনিয়া আক্তার। অন্যের এক বিঘা জমি লিজ নিয়ে ধান চাষ করেছেন তারা। এই জমির ধান দিয়েই বছরজুড়ে পুরো পরিবারের আহারের ব্যবস্থা হবে। কিন্তু এলাকার একটি মারামারির মামলাকে কেন্দ্র সেচপাম্প ভেঙে দেয় একটি পক্ষ। ফলে পানির অভাবে পুড়ে যাচ্ছে ধানখেত। এর দ্রুত সমাধান চান নিজাম মুন্সির পরিবার।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি রাতে দক্ষিণ দুধখালী মুন্সিবাড়ী জামে মসজিদের সংস্কার কাজ নিয়ে স্থানীয় আলমগীর মুন্সির সঙ্গে একই এলাকার সিদ্দিক মুন্সী, কামাল মুন্সিসহ কয়েকজনের মারামারি হয়। পরের দিন মাদারীপুর সদর থানায় আটজনের নাম উল্লেখসহ আরও আট থেকে ৯ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে মামলা করেন আলমগীর মুন্সি।
মামলার পর আলমগীর মুন্সির লোকজন প্রতিপক্ষের লোকজনকে ঘায়েল করতে দক্ষিণ দুধখালী হাওরের প্রায় অর্ধশত বিঘা জমির সেচপাম্পটি ভেঙে ফেলে। এরপর থেকে আর জমিতে পানি দেওয়া যায়নি। এসব জমিতে প্রতি বছর অন্তত এক থেকে দেড় হাজার মণ বোরো ধান উৎপাদন হয়। এ বছর যার পুরোটাই নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে।

নিজাম মুন্সির স্ত্রী সোনিয়া আক্তার বলেন, ‘আমরা স্বামী-স্ত্রী পরের এক বিঘা জমি লিজ নিয়ে পরিশ্রম করে ধান চাষ করেছি। ধানের চারাগাছ ভালোই হয়েছিল। কিন্তু গত ১২-১৩ দিন ধরে খেতে পানি দিতে না পারায় প্রায় সব ধানই মরে যাচ্ছে। এভাবে আরও কয়েকদিন থাকলে ধানের আশা আর করা যাবে না। মামলা-হামলা হতে পারে। কিন্তু তাই বলে ধানের পানি দেওয়া কেন বন্ধ করল? আমাদের পেটে লাথি দেওয়া হয়েছে। এই ধানের ওপরে সারা বছর আমরা বেঁচে থাকি। প্রশাসনের কাছে এর বিচার চাই।’
একই গ্রামের কৃষক কামাল মুন্সি বলেন, ‘মামলার পরে সেচ দেওয়ার পাম্পটি ভেঙে ফেলা হয়েছে। মামলা দিয়ে চাষিদের গ্রামছাড়া করেছে, যে কারণে জমিতে আসতে পারি না। সেচপাম্পও মেরামত করতে দেয় না। এভাবে ফলন্ত ধানগুলোকে মেরে ফেলছে। পুলিশ প্রশাসনের কাছে দাবি, ধান খেতে পানি দেওয়ার ব্যবস্থা করা হোক। মামলা হলে আদালত বিচার করবে।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘মামলা হলে যে সেচপাম্প বন্ধ করে দেবে এটি তো ঠিক না। আমার কাছে সেচপাম্প বন্ধের ঘটনা জানা নেই। যে করেই হোক ধানের ক্ষতি যেন না হয়, সে বিষয়ে আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি। ফসল নষ্ট করার অধিকার কারও নেই। যে বা যারাই এটি করেছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
মামলার বাদী আলমগীর মুন্সি এ বিষয় গণমাধ্যমে কথা বলতে রাজি হননি। তিনি বিষয়টি পুলিশ ও আদালত বুঝবে বলে জানিয়েছেন।

ঝিনাইদহের মহেশপুরে বিএনপির একটি ওয়ার্ড কার্যালয়ে ককটেল বিস্ফোরণ ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল শুক্রবার রাত ১টার দিকে উপজেলার মান্দারবাড়িয়া ইউনিয়নের শ্রীরামপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আগুনে পুড়ে গেছে অফিসে থাকা চেয়ার, টেবিলসহ অন্যান্য আসবাব।
১ ঘণ্টা আগে
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ‘আশা করি আমাদের ভবিষ্যৎ সংসদ অধিবেশন দেখে জাতি অনেকটা আশ্বস্ত হবে—এমন একটি সংসদই তারা দেখতে চেয়েছিলেন।’
১ ঘণ্টা আগে
রাজশাহীতে জ্বালানি তেলের সরবরাহে ঘাটতির কারণে বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে এখনও বাইকারদের দীর্ঘ লাইন দেখা যাচ্ছে। কোথাও কোথাও তেল শেষ হয়ে যাওয়ায় সাময়িকভাবে পাম্প বন্ধ রাখা হচ্ছে, আবার কোথাও সীমিত পরিমাণে তেল বিক্রি করা হচ্ছে।
১ ঘণ্টা আগে
সাম্প্রতিক বৈশ্বিক অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় পাচারের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে জ্বালানি তেল পাচার রোধে জনবল বৃদ্ধি, টহল ও তল্লাশি কার্যক্রম জোরদার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
১ ঘণ্টা আগে