স্ট্রিম প্রতিবেদক

ঈদের তৃতীয় দিনে ঢাকার সিঙ্গেল স্ক্রিন সিনেমা হলগুলোতে দর্শক খরা দেখা গেছে। পর্যাপ্ত দর্শক না থাকায় হলের কর্মচারী অলস দিন কাটাচ্ছেন। অন্যদিকে সিনেপ্লেক্সগুলোতে প্রায় সব শো-ই ছিল হাউফুল।
সোমবার ঢাকার কয়েকটি হল ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।
এবার ঈদে ৫টি সিনেমা মুক্তি পেয়েছ। সবচেয়ে বেশি হলে চলছে সাকিব খানের ‘প্রিন্স’। এ ছাড়া রয়েছে আরফান নিশো অভিনিত ‘দম’, চঞ্চল চৌধুরী ও মোশাররফ করিম অভিনীত ‘বনলতা এক্সপ্রেস’, সিয়াম আহমেদের ‘রাক্ষস’এবং রায়হান রাফি পরিচালিত ‘প্রেসার কুকার’।
সরেজমিনে দেখা যায়, রাজধানীর ধোলাইপাড়ে অবস্থিত গীত সিনেমা হলে চলছে সাকিব খান অভিনীত ‘প্রিন্স’। দ্বিতীয় শো শুরু আগে মাত্র একজন দর্শক টিকেট কিনতে এসেছেন। হলের কর্মচারীরা বাইরে বসে আড্ডা দিয়ে সময় পার করছেন।
গীত সিনেমা হলের বুকিং মাস্টার মোহাম্মদ কাজল স্ট্রিমকে বলেন, ‘অবস্থা একেবারে খারাপ। দর্শক নেই। আমাদের সিনেমা হল আট মাস বন্ধ ছিলো। এমন চললে টাকা উঠবে না।’
গীত সিনেমা হলে দ্বিতীয় শো শুরুর আগে একমাত্র টিকেট সংগ্রহ করা দর্শক ফার্নিচার ব্যবসায়ী আব্দুল বারেক স্ট্রিমকে বলেন, ‘আগে সিনেমা দেখতাম, এখন তেমন একটা দেখা হয় না ব্যস্ততার কারণে। আজকে কাজ নেই। তাই সময় কাটাতে আসছি কিন্তু এসে দেখি আর কোনো দর্শক নেই।’
দুপুরে রাজধানীর ফার্মগেটের আনন্দ সিনেমা হলে গিয়ে দেখা যায় একই চিত্র। হলের কর্মচারীরা এই ব্যাপারে কেউ কথা বলতে চাইছেন না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আনন্দ হলের একজন কর্মচারী বলেন, ‘আমাদের হলে এসি নেই, তাই দর্শক আসে না।’
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সিঙ্গেল স্ক্রিনে দর্শক না থাকার বড় কারণ হলো হলের মান ভালো না হওয়া। শুধু গ্রামগঞ্জের নয়, ঢাকার অধিকাংশ সিনেমা হল সারা বছর বন্ধ থাকে। দুই ঈদে তারা সিনেমা চালায়। শুধু ঈদেই কিছু দর্শক পাওয়া যায়।
অধিকাংশ হলে এসি ঠিক নেই। বসার ব্যবস্থাও ভালো না। নানা কারণে দর্শকরা পরিবার-পরিজন নিয়ে এইসব সিনেমা হলে যেতে নিরাপদ স্বাছন্দ্য বোধ করেন না।
ভিন্ন চিত্র মাল্টিপ্লেক্সে
তবে ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে ঢাকার মাল্টিপ্লেক্স সিনেমা হলগুলোতে। পান্থপথের বসুন্ধরা সিটির স্টার সিনেপ্লেক্সে গিয়ে দেখা যায়, টিকেটের জন্য লম্বা লাইন। শো শেষে হল বের হওয়ার পথে দর্শকদের জটলা। অধিকাংশ শো হাউসফুল।

ধানমন্ডির আজমাইন অর্ণব স্ত্রীকে নিয়ে এসেছেন রায়হান রাফির ‘প্রেসার কুকার’ দেখতে। তিনি বলেন, ‘ঈদের দিন দুজন মিলে নিশোর ‘দম’ দেখেছি। আজ ‘প্রেসার কুকার’ দেখতে এলাম।’ সিনেমা হল হিসাবে কেনো মাল্টিপ্লেক্সকে বেছে নিয়েছেন জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, ‘আগে সিঙ্গেল স্ক্রিনে সিনেমা দেখেছি। এখন সেখানের পরিবেশ ভালো না। এখানে খরচ বেশি হলেও পরিবার নিয়ে নিরাপদ।’
স্টার সিনেপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, ‘দম’, ‘রাক্ষস’ এবং ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ সিনেমার সব শো-ই হাউসফুল। প্রেসার কুকারের প্রতি শোতে ৪০ শতাংশর মতো দর্শক থাকছে।
মিরপুরের স্টার সিনেপ্লেক্সেও এমনই ভিড় দেখা গেছে।

ঈদের তৃতীয় দিনে ঢাকার সিঙ্গেল স্ক্রিন সিনেমা হলগুলোতে দর্শক খরা দেখা গেছে। পর্যাপ্ত দর্শক না থাকায় হলের কর্মচারী অলস দিন কাটাচ্ছেন। অন্যদিকে সিনেপ্লেক্সগুলোতে প্রায় সব শো-ই ছিল হাউফুল।
সোমবার ঢাকার কয়েকটি হল ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।
এবার ঈদে ৫টি সিনেমা মুক্তি পেয়েছ। সবচেয়ে বেশি হলে চলছে সাকিব খানের ‘প্রিন্স’। এ ছাড়া রয়েছে আরফান নিশো অভিনিত ‘দম’, চঞ্চল চৌধুরী ও মোশাররফ করিম অভিনীত ‘বনলতা এক্সপ্রেস’, সিয়াম আহমেদের ‘রাক্ষস’এবং রায়হান রাফি পরিচালিত ‘প্রেসার কুকার’।
সরেজমিনে দেখা যায়, রাজধানীর ধোলাইপাড়ে অবস্থিত গীত সিনেমা হলে চলছে সাকিব খান অভিনীত ‘প্রিন্স’। দ্বিতীয় শো শুরু আগে মাত্র একজন দর্শক টিকেট কিনতে এসেছেন। হলের কর্মচারীরা বাইরে বসে আড্ডা দিয়ে সময় পার করছেন।
গীত সিনেমা হলের বুকিং মাস্টার মোহাম্মদ কাজল স্ট্রিমকে বলেন, ‘অবস্থা একেবারে খারাপ। দর্শক নেই। আমাদের সিনেমা হল আট মাস বন্ধ ছিলো। এমন চললে টাকা উঠবে না।’
গীত সিনেমা হলে দ্বিতীয় শো শুরুর আগে একমাত্র টিকেট সংগ্রহ করা দর্শক ফার্নিচার ব্যবসায়ী আব্দুল বারেক স্ট্রিমকে বলেন, ‘আগে সিনেমা দেখতাম, এখন তেমন একটা দেখা হয় না ব্যস্ততার কারণে। আজকে কাজ নেই। তাই সময় কাটাতে আসছি কিন্তু এসে দেখি আর কোনো দর্শক নেই।’
দুপুরে রাজধানীর ফার্মগেটের আনন্দ সিনেমা হলে গিয়ে দেখা যায় একই চিত্র। হলের কর্মচারীরা এই ব্যাপারে কেউ কথা বলতে চাইছেন না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আনন্দ হলের একজন কর্মচারী বলেন, ‘আমাদের হলে এসি নেই, তাই দর্শক আসে না।’
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সিঙ্গেল স্ক্রিনে দর্শক না থাকার বড় কারণ হলো হলের মান ভালো না হওয়া। শুধু গ্রামগঞ্জের নয়, ঢাকার অধিকাংশ সিনেমা হল সারা বছর বন্ধ থাকে। দুই ঈদে তারা সিনেমা চালায়। শুধু ঈদেই কিছু দর্শক পাওয়া যায়।
অধিকাংশ হলে এসি ঠিক নেই। বসার ব্যবস্থাও ভালো না। নানা কারণে দর্শকরা পরিবার-পরিজন নিয়ে এইসব সিনেমা হলে যেতে নিরাপদ স্বাছন্দ্য বোধ করেন না।
ভিন্ন চিত্র মাল্টিপ্লেক্সে
তবে ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে ঢাকার মাল্টিপ্লেক্স সিনেমা হলগুলোতে। পান্থপথের বসুন্ধরা সিটির স্টার সিনেপ্লেক্সে গিয়ে দেখা যায়, টিকেটের জন্য লম্বা লাইন। শো শেষে হল বের হওয়ার পথে দর্শকদের জটলা। অধিকাংশ শো হাউসফুল।

ধানমন্ডির আজমাইন অর্ণব স্ত্রীকে নিয়ে এসেছেন রায়হান রাফির ‘প্রেসার কুকার’ দেখতে। তিনি বলেন, ‘ঈদের দিন দুজন মিলে নিশোর ‘দম’ দেখেছি। আজ ‘প্রেসার কুকার’ দেখতে এলাম।’ সিনেমা হল হিসাবে কেনো মাল্টিপ্লেক্সকে বেছে নিয়েছেন জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, ‘আগে সিঙ্গেল স্ক্রিনে সিনেমা দেখেছি। এখন সেখানের পরিবেশ ভালো না। এখানে খরচ বেশি হলেও পরিবার নিয়ে নিরাপদ।’
স্টার সিনেপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, ‘দম’, ‘রাক্ষস’ এবং ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ সিনেমার সব শো-ই হাউসফুল। প্রেসার কুকারের প্রতি শোতে ৪০ শতাংশর মতো দর্শক থাকছে।
মিরপুরের স্টার সিনেপ্লেক্সেও এমনই ভিড় দেখা গেছে।
.png)

তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বগুড়া-৭ আসনের সংসদ সদস্য মোরশেদ মিল্টন পেয়েছেন মাত্র ৪৩ ভোট।
১৩ মিনিট আগে
চট্টগ্রামে বৃষ্টির তীব্রতা কমলেও বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। এক সপ্তাহ ধরে জেলার ১১ উপজেলার বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত রয়েছে। এরই মধ্যে সীমান্তের ওপারে উজান থেকে আসা ঢলে পানি বাড়ছে এ সব এলাকায়। এতে শুকনো খাবার, সুপেয় পানির অভাবে আছে পানিবন্দি মানুষ। এখনো ঠিক হয়নি কেরানীহাট-বান্দরবান মহাসড়ক।
২১ মিনিট আগে
রাঙামাটির বিলাইছড়ি উপজেলার দুর্গম ফারুয়া ও বাঘাইছড়ির বন্যা পরিস্থিতি উন্নতি হচ্ছে। পানি কমার সঙ্গে দৃশ্যমান হতে শুরু করেছে ক্ষয়ক্ষতির চিত্র। রোববার সকালে থেকে মানুষ আশ্রয়কেন্দ্র ছেড়ে নিজ ঘরে ফিরতে শুরু করেছে। তবে পাহাড়ধসে সড়ক খারাপ হওয়ায় দেখা দিয়েছে খাদ্য ও রান্নার এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার সংকট।
১ ঘণ্টা আগে
বান্দরবানে বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। রোববার (১২ জুলাই) সকাল থেকে বৃষ্টি কমে আসায় জেলা শহরের নিম্নাঞ্চল থেকে পানি নামতে শুরু করেছে। তবে পাহাড়ধস এবং পানি জমে থাকায় সারা দেশের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ এখনও বন্ধ রয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে