স্ট্রিম সংবাদদাতা

চট্টগ্রামের পাহাড়তলীতে এক শিশুকে (১০) ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে একমাত্র আসামি মো. রুবেলকে (৩৭) মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে বিভিন্ন ধারায় তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া তাকে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন বিচারক।
সোমবার (২০ জুলাই) চট্টগ্রামের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক সাইফুর রহমান এই রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডিত আসামি মো. রুবেল রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাঁকে আদালতের নির্দেশে কারাগারে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। তিনি চট্টগ্রাম নগরের পাহাড়তলী এলাকার বাসিন্দা।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মাহমুদুল আলম চৌধুরী মারুফ জানান, অভিযোগপত্রে উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণ ও অন্যান্য আলামত পর্যালোচনা করে আদালত এ রায় দিয়েছেন।
মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ২১ মার্চ বিকেলে পাহাড়তলী থানার কাজীর দিঘি এলাকায় মক্তবে পড়তে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হওয়ার নিখোঁজ হয় শিশুটি। এর কয়েকদিন পর তার মা আদালতে একটি মামলা করেন। আদালতের নির্দেশে মামলাটি এজাহার হিসেবে গ্রহণ করে তদন্ত শুরু করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
তদন্ত চলাকালে মো. রুবেলকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁর দেওয়া তথ্যে ২৯ মার্চ পুকুরপাড় মুরগি ফার্ম এলাকার একটি জলাশয় থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বিড়ালছানা দেখানোর কথা বলে শিশুটিকে একটি পরিত্যক্ত ভবনে নিয়ে ধর্ষণের পর হত্যা করে মরদেহ গুম করেন তিনি। পরে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দেন আসামি।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, তদন্ত শেষে ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই পিবিআই আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়ার পর একই বছরের ১৯ নভেম্বর বিচার শুরু হয়। ২০২৫ সালের ১০ জানুয়ারি সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। মামলায় ২৪ জনের সাক্ষ্য করেছেন আদালত। এসব সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করে সোমবার রায় ঘোষণা করেন।

চট্টগ্রামের পাহাড়তলীতে এক শিশুকে (১০) ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে একমাত্র আসামি মো. রুবেলকে (৩৭) মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে বিভিন্ন ধারায় তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া তাকে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন বিচারক।
সোমবার (২০ জুলাই) চট্টগ্রামের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক সাইফুর রহমান এই রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডিত আসামি মো. রুবেল রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাঁকে আদালতের নির্দেশে কারাগারে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। তিনি চট্টগ্রাম নগরের পাহাড়তলী এলাকার বাসিন্দা।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মাহমুদুল আলম চৌধুরী মারুফ জানান, অভিযোগপত্রে উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণ ও অন্যান্য আলামত পর্যালোচনা করে আদালত এ রায় দিয়েছেন।
মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ২১ মার্চ বিকেলে পাহাড়তলী থানার কাজীর দিঘি এলাকায় মক্তবে পড়তে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হওয়ার নিখোঁজ হয় শিশুটি। এর কয়েকদিন পর তার মা আদালতে একটি মামলা করেন। আদালতের নির্দেশে মামলাটি এজাহার হিসেবে গ্রহণ করে তদন্ত শুরু করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
তদন্ত চলাকালে মো. রুবেলকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁর দেওয়া তথ্যে ২৯ মার্চ পুকুরপাড় মুরগি ফার্ম এলাকার একটি জলাশয় থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বিড়ালছানা দেখানোর কথা বলে শিশুটিকে একটি পরিত্যক্ত ভবনে নিয়ে ধর্ষণের পর হত্যা করে মরদেহ গুম করেন তিনি। পরে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দেন আসামি।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, তদন্ত শেষে ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই পিবিআই আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়ার পর একই বছরের ১৯ নভেম্বর বিচার শুরু হয়। ২০২৫ সালের ১০ জানুয়ারি সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। মামলায় ২৪ জনের সাক্ষ্য করেছেন আদালত। এসব সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করে সোমবার রায় ঘোষণা করেন।
.png)

গত বছরের ২১ জুলাই রাজধানীর উত্তরায় অবস্থিত মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি যুদ্ধবিমান আছড়ে পড়ার ঘটনার কারণ হিসেবে পাইলটের উড্ডয়ন প্রশিক্ষণের ঘাটতিকে দায়ী করেছে তদন্ত কমিশন। একইসঙ্গে, ওই পাইলটের গ্রাউন্ড সুপারভাইজার বা অফিসার কমান্ডিংয়ের নজরদারিতেও পর্যাপ্ততার অভাব ছিল বলে ত
১ ঘণ্টা আগে
বগুড়ার শাজাহানপুরে তুচ্ছ ঘটনায় ছুরিকাঘাতে রঞ্জু মিয়া (৫০) নামে একজনকে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষ। এ ঘটনায় তাঁর ছেলে মো. জুবায়ের (২৫) ও শ্যালক খোরশেদ আলম (৪০) আহত হয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে
এক বছর আগে রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর (বিএএফ) একটি যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়। পুরো জাতিকে নাড়িয়ে দেওয়া সেই ট্র্যাজেডিতে ২৬ জন শিক্ষার্থীসহ ৩২ জনের প্রাণহানি ঘটে এবং আরও ১৫০ জনের বেশি মানুষ আহত হন।
২ ঘণ্টা আগে
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় বোমা বিস্ফোরণসহ একাধিক বাসায় ভাঙচুর চালানো হয়। সোমবার (২০ জুলাই) রাত ১০টার দিকে ফতুল্লার হাজীগঞ্জ ঈদগাহ সড়কে এ ঘটনায় নারী-পুরুষসহ আহত হয়েছেন অন্তত ৮ জন।
২ ঘণ্টা আগে