স্ট্রিম প্রতিবেদক

প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগির জন্য ঢাকা ছাড়ছে মানুষ। আগেভাগে ছুটি শুরু হওয়ায় বাস টার্মিনালে এবার যাত্রী কম। তবে পরিবহন কর্মীদের বিরুদ্ধে গলা কাটা ভাড়া আদায়ের অভিযোগ করেছেন যাত্রীরা।
সোমবার (২৫ মে) সরেজমিন রাজধানীর সায়েদাবাদ ও যাত্রাবাড়ী বাস টার্মিনাল ঘুরে দেখা যায়, যাত্রীর তেমন চাপ নেই। যারা আসছেন, বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেই বাড়ির পানে ছুটছেন। সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালে অপেক্ষমাণ সিলেটগামী যাত্রী রফিকুল ইসলাম বলেন, বৃষ্টিতে নাজেহাল। ঢাকা–সিলেট রুটে কয়েকগুণ বেশি ভাড়া নিচ্ছে। প্রতিবাদ করলেই বাস ছাড়বে না হুমকি দিচ্ছে। জিম্মি করে তারা টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।
টার্মিনালে পর্যাপ্ত ছাউনি নেই। এজন্য বৃষ্টি ও ভিড়ে বেশি ভোগান্তি নারী-শিশু ও বয়স্কদের। সালমা বেগম বলেন, বাচ্চা নিয়ে বাসে উঠতে গেলে কন্ডাক্টর বলছেন– বাচ্চার জন্য সিট হবে না। বৃষ্টির মধ্যে বাচ্চা ভিজে একাকার, বাধ্য হয়ে দাঁড়িয়ে যাচ্ছি। এসব দেখার কেউ নেই।
বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী জানান, নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে অতিরিক্ত নেওয়ার অভিযোগ তারাও পাচ্ছেন। বাধ্য হয়ে অনেকে ফিটনেসবিহীন গাড়িতে ছুটছেন। ফলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে।
সায়েদাবাদ টার্মিনালে একটি বাস কাউন্টারের পরিচালক শফিকুল ইসলাম বলেন, গার্মেন্টসসহ অনেক বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ছুটি শুরু হয়নি। ফলে সোমবার যাত্রীর চাপ তেমন নেই। যাত্রী নিয়ে প্রায় আধা ঘণ্টা লাগে একটি বাস ছাড়তে। যাত্রীর চাপ না থাকায় ভাড়া বাড়ানোর সুযোগ নেই বলে জানান তিনি।

বাড়তি ভাড়ার বিষয়ে কাউন্টার কর্মকর্তা মুরশেদ আলম বলেন, রাস্তায় পানি জমেছে, তীব্র যানজট। স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে এখন একটু খরচ বেশি। তাই মালিকরা ভাড়া একটু বাড়িয়ে নিতে বলেছেন।
কুমিল্লা রুটের তিশা বাসের পরিচালক হাবিব মিয়া বলেন, ঢাকা-কুমিল্লা রুটে সাধারণত ভাড়া ২০০ টাকা। ঈদে নামিয়ে দিয়ে খালি আসতে হচ্ছে। সে জন্য ৫০ টাকার মতো বেশি নেওয়া হচ্ছে।
এদিকে, যাত্রীদের নিরাপত্তায় সায়েদাবাদে পুলিশের পাশাপাশি র্যাবসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কাজ করছে।
সায়েদাবাদের সার্বিক নিরাপত্তা নিয়ে পুলিশ কন্ট্রোল রুমের দায়িত্বরত কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান বলেন, এখন পর্যন্ত আমরা কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার মুখোমুখি হইনি। জনগণের ঈদ শান্তিপূর্ণ করতে আমরা ২৪ ঘণ্টা কাজ করছি। হয়রানির অভিযোগ পেলে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
যাত্রীদের হয়রানি রোধে বাস টার্মিনালগুলো কাজ করছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) ভিজিল্যান্স টিমও। বিআরটিএ- এর রোড অ্যান্ড সেফটি শাখার উপপরিচালক সুবীর কুমার সাহা স্ট্রিমকে জানান, যাত্রীরা যেন আনন্দ নিয়ে বাড়ি যেতে পারেন, তা নিশ্চিতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, অতিরিক্ত অর্থ আদায় ঠেকাতে গাড়িতে ভাড়ার তালিকা লাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে। ভিজিল্যান্স টিম সার্বক্ষণিক তদারকি করছে। বৃষ্টি ও সবাই ছুটি না পাওয়ায় এখন যাত্রী কিছুটা কম। মঙ্গলবার সকাল থেকে চাপ বাড়বে আশা করছি।

প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগির জন্য ঢাকা ছাড়ছে মানুষ। আগেভাগে ছুটি শুরু হওয়ায় বাস টার্মিনালে এবার যাত্রী কম। তবে পরিবহন কর্মীদের বিরুদ্ধে গলা কাটা ভাড়া আদায়ের অভিযোগ করেছেন যাত্রীরা।
সোমবার (২৫ মে) সরেজমিন রাজধানীর সায়েদাবাদ ও যাত্রাবাড়ী বাস টার্মিনাল ঘুরে দেখা যায়, যাত্রীর তেমন চাপ নেই। যারা আসছেন, বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেই বাড়ির পানে ছুটছেন। সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালে অপেক্ষমাণ সিলেটগামী যাত্রী রফিকুল ইসলাম বলেন, বৃষ্টিতে নাজেহাল। ঢাকা–সিলেট রুটে কয়েকগুণ বেশি ভাড়া নিচ্ছে। প্রতিবাদ করলেই বাস ছাড়বে না হুমকি দিচ্ছে। জিম্মি করে তারা টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।
টার্মিনালে পর্যাপ্ত ছাউনি নেই। এজন্য বৃষ্টি ও ভিড়ে বেশি ভোগান্তি নারী-শিশু ও বয়স্কদের। সালমা বেগম বলেন, বাচ্চা নিয়ে বাসে উঠতে গেলে কন্ডাক্টর বলছেন– বাচ্চার জন্য সিট হবে না। বৃষ্টির মধ্যে বাচ্চা ভিজে একাকার, বাধ্য হয়ে দাঁড়িয়ে যাচ্ছি। এসব দেখার কেউ নেই।
বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী জানান, নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে অতিরিক্ত নেওয়ার অভিযোগ তারাও পাচ্ছেন। বাধ্য হয়ে অনেকে ফিটনেসবিহীন গাড়িতে ছুটছেন। ফলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে।
সায়েদাবাদ টার্মিনালে একটি বাস কাউন্টারের পরিচালক শফিকুল ইসলাম বলেন, গার্মেন্টসসহ অনেক বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ছুটি শুরু হয়নি। ফলে সোমবার যাত্রীর চাপ তেমন নেই। যাত্রী নিয়ে প্রায় আধা ঘণ্টা লাগে একটি বাস ছাড়তে। যাত্রীর চাপ না থাকায় ভাড়া বাড়ানোর সুযোগ নেই বলে জানান তিনি।

বাড়তি ভাড়ার বিষয়ে কাউন্টার কর্মকর্তা মুরশেদ আলম বলেন, রাস্তায় পানি জমেছে, তীব্র যানজট। স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে এখন একটু খরচ বেশি। তাই মালিকরা ভাড়া একটু বাড়িয়ে নিতে বলেছেন।
কুমিল্লা রুটের তিশা বাসের পরিচালক হাবিব মিয়া বলেন, ঢাকা-কুমিল্লা রুটে সাধারণত ভাড়া ২০০ টাকা। ঈদে নামিয়ে দিয়ে খালি আসতে হচ্ছে। সে জন্য ৫০ টাকার মতো বেশি নেওয়া হচ্ছে।
এদিকে, যাত্রীদের নিরাপত্তায় সায়েদাবাদে পুলিশের পাশাপাশি র্যাবসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কাজ করছে।
সায়েদাবাদের সার্বিক নিরাপত্তা নিয়ে পুলিশ কন্ট্রোল রুমের দায়িত্বরত কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান বলেন, এখন পর্যন্ত আমরা কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার মুখোমুখি হইনি। জনগণের ঈদ শান্তিপূর্ণ করতে আমরা ২৪ ঘণ্টা কাজ করছি। হয়রানির অভিযোগ পেলে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
যাত্রীদের হয়রানি রোধে বাস টার্মিনালগুলো কাজ করছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) ভিজিল্যান্স টিমও। বিআরটিএ- এর রোড অ্যান্ড সেফটি শাখার উপপরিচালক সুবীর কুমার সাহা স্ট্রিমকে জানান, যাত্রীরা যেন আনন্দ নিয়ে বাড়ি যেতে পারেন, তা নিশ্চিতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, অতিরিক্ত অর্থ আদায় ঠেকাতে গাড়িতে ভাড়ার তালিকা লাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে। ভিজিল্যান্স টিম সার্বক্ষণিক তদারকি করছে। বৃষ্টি ও সবাই ছুটি না পাওয়ায় এখন যাত্রী কিছুটা কম। মঙ্গলবার সকাল থেকে চাপ বাড়বে আশা করছি।

ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজধানীর মিরপুর-১০ নম্বরের ফুটপাতে বেচাবিক্রি আশঙ্কাজনক হারে কমেছে। ক্রেতা সংকট ও বৃষ্টির কারণে চরম হতাশায় দিন কাটাচ্ছেন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। দীর্ঘ সময়ের মধ্যে এবারই সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতির মুখে পড়েছেন তাঁরা।
১ ঘণ্টা আগে
অস্থায়ী ১০ ও একটি স্থায়ী হাটের আটটিই পেয়েছেন দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা। বাকি তিনটির ইজারা ব্যবসায়ীদের নামে থাকলেও, নেপথ্যে থেকে নিয়ন্ত্রণ করছেন স্থানীয় বিএনপি নেতারাই।
২ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশনে ঘরমুখো মানুষের ঢল নেমেছে। তবে অনলাইনে টিকিট সংগ্রহে ভোগান্তি, আসন সংকট এবং কালোবাজারির অভিযোগ তুলেছেন অনেক যাত্রী। যদিও কেউ কেউ নির্বিঘ্ন যাত্রার কথাও জানিয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর মিরপুরের কালশি বস্তিতে লাগা ভয়াবহ আগুন ফায়ার সার্ভিসের ১৫টি ইউনিটের সোয়া দুই ঘণ্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে এসেছে। সোমবার (২৫ মে) রাত ৯টা ৩৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে পানির তীব্র সংকটে কাজ করতে কর্মীদের বেগ পেতে হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে