স্ট্রিম প্রতিবেদক

দায়িত্ব নেওয়ার ছয় মাস পূর্ণ করেছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার। এই সময়ে সরকার অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, কৃষির পুনরুজ্জীবন, সামাজিক সুরক্ষা সম্প্রসারণ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন এবং বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধিকে অগ্রাধিকার দিয়েছে বলে জানিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং।
সরকারের প্রথম ১৮০ দিনের উল্লেখযোগ্য কর্মসূচি ও অর্জন তুলে ধরে প্রেস উইংয়ের এক নথিতে বলা হয়েছে, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, কৃষি ও খাদ্যনিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা, সামাজিক সুরক্ষা ও পররাষ্ট্র নীতিতে বেশ কিছু উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে সরকারি ব্যয় কমানো, ব্যক্তিকেন্দ্রিক রাজনৈতিক সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসা, প্রশাসনে জবাবদিহি বাড়ানোর মতো সিদ্ধান্তও নিয়েছে।
অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতার চেষ্টা
ছয় মাসে সরকারের অন্যতম বড় ও চ্যালেঞ্জিং পদক্ষেপ ছিল ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট তৈরি। চলতি অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট দিয়েছে সরকার। এতে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ৫ শতাংশে উন্নীত করা এবং মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে ‘থ্রি আর’ অর্থাৎ রিকভারি অ্যান্ড স্ট্যাবিলাইজেশন, রেস্টোরেশন ও রিকনস্ট্রাকশন ফর অ্যাকসেলারেশন কৌশল গ্রহণ করা হয়েছে।
জীবনযাত্রার ব্যয় কমাতে নিত্যপ্রয়োজনীয় ৬১টি পণ্যের ওপর কর ও শুল্ক প্রত্যাহার করা হয়েছে। করমুক্ত আয়ের সীমা ধাপে ধাপে বাড়ানোর প্রস্তাবও রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে পাচারকৃত অর্থ উদ্ধারে ১৩টি দেশে ২৩টি মিউচুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স রিকোয়েস্ট পাঠানো এবং আন্তর্জাতিক সম্পদ পুনরুদ্ধারকারী সংস্থার সঙ্গে ৬০টির বেশি চুক্তি করা হয়েছে।
এ ছাড়া নতুন ব্যবসা শুরুর প্রক্রিয়াগত সময় কমিয়ে আনা উদ্যোগ, ব্যাংকগুলোর পুনঃমূলধনীকরণ এবং নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য বিশেষ তহবিল গঠনেও উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
তবে এসব উদ্যোগের বেশিরভাগই দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপ। ফলে মূল্যস্ফীতি, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানে এর পূর্ণ প্রভাব স্পষ্ট হতে আরও সময় লাগবে।
খাদ্য ও কৃষিতে বড় মজুত
সরকারি গুদামে ২৪ লাখ টনের বেশি খাদ্যশস্যের মজুত বর্তমান সরকারের অন্যতম অর্জন। কৃষকদের জন্য ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফ করার বিষয়টিও উল্লেখযোগ্য। এই কর্মসূচির আওতায় প্রায় ১৪ লাখ ৩৪ হাজার কৃষক ঋণমুক্ত হয়েছেন।
আগামী অর্থবছরে প্রায় ৪৩ লাখ কৃষকের জন্য ‘কৃষক কার্ড’ চালুর পরিকল্পনাও নিয়েছে সরকার। গত তিন মাসে প্রায় ৯০০ কিলোমিটার খাল খনন ও পুনঃখননের কাজ সম্পন্ন হয়েছে বলে সরকার জানিয়েছে। কৃষি ও খাদ্যনিরাপত্তার এসব উদ্যোগের পাশাপাশি কৃষিপণ্য সংরক্ষণে কোল্ড স্টোরেজ নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থান
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার কঠোর অবস্থান নিয়েছে। আলোচিত কয়েকটি নারী ও শিশু নির্যাতন মামলায় দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা হয়েছে। পাশাপাশি দীর্ঘদিন পলাতক কয়েকজন আসামিকে গ্রেপ্তার ও বিদেশ থেকে অভিযুক্তদের ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুরে যৌথ বাহিনীর অভিযান সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপগুলোর একটি। দীর্ঘদিন ধরে অপরাধী ও ভূমিদস্যুদের নিয়ন্ত্রণে থাকা এলাকাটিতে রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠায় উদ্যোগী ছিল সরকার। সীমান্তে ‘পুশইন’ ঠেকাতে বিজিবির টহল ও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। কারাগার ও আটককেন্দ্রে মানবাধিকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে ‘ন্যাশনাল প্রিভেন্টিভ মেকানিজম’ বিভাগ গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে।
পররাষ্ট্রনীতিতে ভারসাম্যের চেষ্টা
পররাষ্ট্রনীতিতে ‘কৌশলগত ভারসাম্য’ বজায় রাখার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে সরকার। চীন, মালয়েশিয়া, ভারত, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ক এগিয়ে নিতে চায় সরকার। এরই অংশ হিসেবে জুনে প্রধানমন্ত্রী চীন সফর করেন, যেখানে ২০টির বেশি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়। অবকাঠামো, ডিজিটাল অর্থনীতি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগে সহযোগিতা বাড়ানোর মতো বিষয় রয়েছে এসব চুক্তি ও এমওইউতে।
মালয়েশিয়ার সঙ্গে শ্রমবাজার পুনরায় খোলার বিষয়ে কূটনৈতিক অগ্রাধিকার দিয়েছে সরকার। আগস্টের শেষ সপ্তাহ থেকে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় চালুর সিদ্ধান্ত হয়েছে। নতুন ব্যবস্থায় নিয়োগে সিন্ডিকেট প্রথা বাদ দিয়ে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার কথা বলা হয়েছে।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে বাংলাদেশের প্রার্থী নির্বাচিত হওয়ার বিষয়টিকেও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একটি উল্লেখযোগ্য অর্জন হিসেবে দেখছে সরকার।
শিক্ষা খাতে বরাদ্দ ও প্রযুক্তি
বাজেটে শিক্ষাখাতে বরাদ্দ ৫৬ দশমিক ৬ শতাংশ বাড়িয়ে ১ লাখ ৩৬ হাজার ৬০৬ কোটি টাকা করার কথা বলা হয়েছে। শিক্ষাকে কর্মমুখী করতে শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ইন্টার্নশিপ, অ্যাপ্রেন্টিসশিপ সম্পর্ক স্থাপন এবং গবেষণা ও উদ্ভাবনের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
শিক্ষা খাতে প্রযুক্তির ব্যবহার সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’ কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। সরকারের তথ্য অনুযায়ী, প্রাথমিক শিক্ষায় এর ২০ শতাংশ বাস্তবায়ন হয়েছে। পুরাতন ৬৫ হাজার ল্যাপটপ ও ৬২ হাজার মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর সংস্কার করে ৮২ শতাংশ শ্রেণিকক্ষ সচল করার কথাও বলা হয়েছে নথিতে। সরকার শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি, বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস ও ব্যাগ দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। কারিগরি ও মাদ্রাসায় ইন্টারনেট সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগও নিয়েছে।
স্বাস্থ্যসেবায় জনবল বৃদ্ধি ও ডিজিটাল উদ্যোগ
স্বাস্থ্য খাতে প্রাথমিক ও প্রতিরোধমূলক চিকিৎসায় গুরুত্ব দিয়েছে সরকার। এর অংশ হিসেবে সারা দেশে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, যাদের ৮০ শতাংশ হবেন নারী। সরকার ক্যানসারসহ বিভিন্ন অসংক্রামক রোগ আগাম শনাক্তকরণ, মাতৃ ও শিশুসেবা এবং পুষ্টি ও টিকাদান কর্মসূচিতে গুরুত্ব দিয়েছে। চিকিৎসাসেবায় রোগীদের প্রতি মানবিক আচরণ এবং চিকিৎসকদের সময়নিষ্ঠতার ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্যসেবাকে ডিজিটাল করতে ই-হেলথ কার্ড চালুর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে এবং স্বাস্থ্যসংক্রান্ত তথ্য সংরক্ষণের জন্য ডিজিটাল অবকাঠামো তৈরির কাজ শুরু হয়েছে।

দায়িত্ব নেওয়ার ছয় মাস পূর্ণ করেছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার। এই সময়ে সরকার অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, কৃষির পুনরুজ্জীবন, সামাজিক সুরক্ষা সম্প্রসারণ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন এবং বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধিকে অগ্রাধিকার দিয়েছে বলে জানিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং।
সরকারের প্রথম ১৮০ দিনের উল্লেখযোগ্য কর্মসূচি ও অর্জন তুলে ধরে প্রেস উইংয়ের এক নথিতে বলা হয়েছে, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, কৃষি ও খাদ্যনিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা, সামাজিক সুরক্ষা ও পররাষ্ট্র নীতিতে বেশ কিছু উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে সরকারি ব্যয় কমানো, ব্যক্তিকেন্দ্রিক রাজনৈতিক সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসা, প্রশাসনে জবাবদিহি বাড়ানোর মতো সিদ্ধান্তও নিয়েছে।
অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতার চেষ্টা
ছয় মাসে সরকারের অন্যতম বড় ও চ্যালেঞ্জিং পদক্ষেপ ছিল ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট তৈরি। চলতি অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট দিয়েছে সরকার। এতে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ৫ শতাংশে উন্নীত করা এবং মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে ‘থ্রি আর’ অর্থাৎ রিকভারি অ্যান্ড স্ট্যাবিলাইজেশন, রেস্টোরেশন ও রিকনস্ট্রাকশন ফর অ্যাকসেলারেশন কৌশল গ্রহণ করা হয়েছে।
জীবনযাত্রার ব্যয় কমাতে নিত্যপ্রয়োজনীয় ৬১টি পণ্যের ওপর কর ও শুল্ক প্রত্যাহার করা হয়েছে। করমুক্ত আয়ের সীমা ধাপে ধাপে বাড়ানোর প্রস্তাবও রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে পাচারকৃত অর্থ উদ্ধারে ১৩টি দেশে ২৩টি মিউচুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স রিকোয়েস্ট পাঠানো এবং আন্তর্জাতিক সম্পদ পুনরুদ্ধারকারী সংস্থার সঙ্গে ৬০টির বেশি চুক্তি করা হয়েছে।
এ ছাড়া নতুন ব্যবসা শুরুর প্রক্রিয়াগত সময় কমিয়ে আনা উদ্যোগ, ব্যাংকগুলোর পুনঃমূলধনীকরণ এবং নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য বিশেষ তহবিল গঠনেও উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
তবে এসব উদ্যোগের বেশিরভাগই দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপ। ফলে মূল্যস্ফীতি, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানে এর পূর্ণ প্রভাব স্পষ্ট হতে আরও সময় লাগবে।
খাদ্য ও কৃষিতে বড় মজুত
সরকারি গুদামে ২৪ লাখ টনের বেশি খাদ্যশস্যের মজুত বর্তমান সরকারের অন্যতম অর্জন। কৃষকদের জন্য ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফ করার বিষয়টিও উল্লেখযোগ্য। এই কর্মসূচির আওতায় প্রায় ১৪ লাখ ৩৪ হাজার কৃষক ঋণমুক্ত হয়েছেন।
আগামী অর্থবছরে প্রায় ৪৩ লাখ কৃষকের জন্য ‘কৃষক কার্ড’ চালুর পরিকল্পনাও নিয়েছে সরকার। গত তিন মাসে প্রায় ৯০০ কিলোমিটার খাল খনন ও পুনঃখননের কাজ সম্পন্ন হয়েছে বলে সরকার জানিয়েছে। কৃষি ও খাদ্যনিরাপত্তার এসব উদ্যোগের পাশাপাশি কৃষিপণ্য সংরক্ষণে কোল্ড স্টোরেজ নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থান
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার কঠোর অবস্থান নিয়েছে। আলোচিত কয়েকটি নারী ও শিশু নির্যাতন মামলায় দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা হয়েছে। পাশাপাশি দীর্ঘদিন পলাতক কয়েকজন আসামিকে গ্রেপ্তার ও বিদেশ থেকে অভিযুক্তদের ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুরে যৌথ বাহিনীর অভিযান সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপগুলোর একটি। দীর্ঘদিন ধরে অপরাধী ও ভূমিদস্যুদের নিয়ন্ত্রণে থাকা এলাকাটিতে রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠায় উদ্যোগী ছিল সরকার। সীমান্তে ‘পুশইন’ ঠেকাতে বিজিবির টহল ও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। কারাগার ও আটককেন্দ্রে মানবাধিকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে ‘ন্যাশনাল প্রিভেন্টিভ মেকানিজম’ বিভাগ গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে।
পররাষ্ট্রনীতিতে ভারসাম্যের চেষ্টা
পররাষ্ট্রনীতিতে ‘কৌশলগত ভারসাম্য’ বজায় রাখার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে সরকার। চীন, মালয়েশিয়া, ভারত, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ক এগিয়ে নিতে চায় সরকার। এরই অংশ হিসেবে জুনে প্রধানমন্ত্রী চীন সফর করেন, যেখানে ২০টির বেশি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়। অবকাঠামো, ডিজিটাল অর্থনীতি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগে সহযোগিতা বাড়ানোর মতো বিষয় রয়েছে এসব চুক্তি ও এমওইউতে।
মালয়েশিয়ার সঙ্গে শ্রমবাজার পুনরায় খোলার বিষয়ে কূটনৈতিক অগ্রাধিকার দিয়েছে সরকার। আগস্টের শেষ সপ্তাহ থেকে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় চালুর সিদ্ধান্ত হয়েছে। নতুন ব্যবস্থায় নিয়োগে সিন্ডিকেট প্রথা বাদ দিয়ে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার কথা বলা হয়েছে।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে বাংলাদেশের প্রার্থী নির্বাচিত হওয়ার বিষয়টিকেও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একটি উল্লেখযোগ্য অর্জন হিসেবে দেখছে সরকার।
শিক্ষা খাতে বরাদ্দ ও প্রযুক্তি
বাজেটে শিক্ষাখাতে বরাদ্দ ৫৬ দশমিক ৬ শতাংশ বাড়িয়ে ১ লাখ ৩৬ হাজার ৬০৬ কোটি টাকা করার কথা বলা হয়েছে। শিক্ষাকে কর্মমুখী করতে শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ইন্টার্নশিপ, অ্যাপ্রেন্টিসশিপ সম্পর্ক স্থাপন এবং গবেষণা ও উদ্ভাবনের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
শিক্ষা খাতে প্রযুক্তির ব্যবহার সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’ কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। সরকারের তথ্য অনুযায়ী, প্রাথমিক শিক্ষায় এর ২০ শতাংশ বাস্তবায়ন হয়েছে। পুরাতন ৬৫ হাজার ল্যাপটপ ও ৬২ হাজার মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর সংস্কার করে ৮২ শতাংশ শ্রেণিকক্ষ সচল করার কথাও বলা হয়েছে নথিতে। সরকার শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি, বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস ও ব্যাগ দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। কারিগরি ও মাদ্রাসায় ইন্টারনেট সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগও নিয়েছে।
স্বাস্থ্যসেবায় জনবল বৃদ্ধি ও ডিজিটাল উদ্যোগ
স্বাস্থ্য খাতে প্রাথমিক ও প্রতিরোধমূলক চিকিৎসায় গুরুত্ব দিয়েছে সরকার। এর অংশ হিসেবে সারা দেশে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, যাদের ৮০ শতাংশ হবেন নারী। সরকার ক্যানসারসহ বিভিন্ন অসংক্রামক রোগ আগাম শনাক্তকরণ, মাতৃ ও শিশুসেবা এবং পুষ্টি ও টিকাদান কর্মসূচিতে গুরুত্ব দিয়েছে। চিকিৎসাসেবায় রোগীদের প্রতি মানবিক আচরণ এবং চিকিৎসকদের সময়নিষ্ঠতার ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্যসেবাকে ডিজিটাল করতে ই-হেলথ কার্ড চালুর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে এবং স্বাস্থ্যসংক্রান্ত তথ্য সংরক্ষণের জন্য ডিজিটাল অবকাঠামো তৈরির কাজ শুরু হয়েছে।
.png)

গত বৃহস্পতিবার রাত থেকে শনিবার দুপুর। গ্যাসের আশায় জামালপুর শহরের জাবেদ ফিলিং স্টেশনের সামনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করছেন অ্যাম্বুলেন্স ও সিএনজি অটোরিকশার চালকরা। কেউ স্টিয়ারিংয়ে মাথা রেখে, কেউ পাম্পের প্রাঙ্গণে শুয়ে সময় কাটাচ্ছেন। ময়মনসিংহ থেকে রোগী নিয়ে জামালপুরে আসা অ্যাম্বুলেন্স চালক আফজাল মি
১ ঘণ্টা আগে
বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে অভিনেত্রী রিধিকা রিধির (২৬) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার সকাল ছয়টার দিকে সিলিং ফ্যানে ঝুলন্ত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করা হয়। এরপর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। ভাটারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিক
১ ঘণ্টা আগে
চাঁদপুরে শোকাবহ আগস্ট উপলক্ষে আয়োজিত কাঙালি ভোজ চলাকালে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীসহ ৯ জনকে আটক করে সদর মডেল থানা পুলিশ।
২ ঘণ্টা আগে
সিরাজগঞ্জ-৩ (রায়গঞ্জ-তাড়াশ) আসনের সংসদ সদস্য আইনুল হকের গাড়িবহরে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (১৫ আগস্ট) বিকেলে রায়গঞ্জ উপজেলার ধানগড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। সংসদ সদস্যর ওপর হামলার ঘটনার প্রতিবাদে রায়গঞ্জের বিভিন্ন স্থানে প্রতিবাদ মিছিল করেছে বিএনপির নেতাকর্মীরা। ঘটনার পর এমপির সঙ্গে থাকা ফয়স
২ ঘণ্টা আগে