স্ট্রিম সংবাদদাতা

চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ ইমিগ্রেশন দিয়ে ট্রাভেল পাসের মাধ্যমে নিজ দেশে ফিরেছেন ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) পুশইন করা চার ভারতীয় নাগরিক। বুধবার (৮ জুলাই) বিকেলে প্রয়োজনীয় ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া শেষে তারা ভারতে ফিরে যান।
চার নাগরিক হলেন পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার মুরারাই থানার ধৃতরা গ্রামের দানিস শেখ, সুইটি বিবি, কুরবান শেখ ও ইমাম দেওয়ান। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সোনামসজিদ ইমিগ্রেশন পুলিশের ইনচার্জ জামিরুল ইসলাম।
পুশইনের শিকার ভারতীয় নাগরিকদের অভিযোগ, ২০২৫ সালের জুন মাসে কুড়িগ্রাম সীমান্ত দিয়ে দুই শিশুসহ ছয় ভারতীয় নাগরিককে জোর করে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠায় বিএসএফ।
পরে বিভিন্ন এলাকা ঘুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জের আলীনগরে আশ্রয় নিলে পুলিশ তাদের আটক করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়। প্রায় তিন মাস কারাভোগের পর জামিনে মুক্তি পান।
এর আগে, গত ডিসেম্বরে একই পরিবারের অন্তঃসত্ত্বা সোনালী বিবি ও তার শিশুপুত্রকে ভারত বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) কাছ থেকে ফেরত নেয়। তবে বাকি চারজনকে ফেরত নিতে অস্বীকৃতি জানায়। এরপর থেকে চারজন চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের নিকটআত্বীয় ফারুক হোসেনের বাড়িতে আশ্রয় নেন।
ভারতীয় নাগরিক হওয়ার যাবতীয় প্রমাণ সাপেক্ষে প্রথমে কলকাতা হাইকোর্ট ও পরে সুপ্রিম কোর্ট তাদের ফেরত আনার নির্দেশ দেন। তা সত্ত্বেও ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার উদ্যোগ নিচ্ছিল না। এই পরিস্থিতিতে দেশটির প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী মানবিক কারণে তাদেরকে দ্রুত ফেরত আনার নির্দেশ দেন।
এরপর ভারত বিভিন্ন মাধ্যমে যোগাযোগ করে ট্রাভেলস পাস ইস্যু করে। সে পাস নিয়েই তারা বুধবার দুপুরে সোনামসজিদ ইমিগ্রেশন দিয়ে ভারতে ফিরে গেলেন। ফিরে যাবার সময় বিএসএফের অমানবিক আচরণের কথা উল্লেখ করে বাংলাদেশের জনগণ ও প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
সোনামসজিদ ইমিগ্রেশন ইনচার্জ জামিরুল ইসলাম বলেন, ট্রাভেল পাসের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে চার ভারতীয় নাগরিককে ভারতে পাঠানোর অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
এর আগে, গত বছরের ২০ আগস্ট ওই ছয় ভারতীয়কে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার একটি বাড়ি থেকে সদর মডেল থানা পুলিশ আটক করে। আটকের পর দুই শিশু ছাড়া বাকি চারজনের বিরুদ্ধে অনুপ্রবেশের অভিযোগে পুলিশ মামলা করে। গত ১ ডিসেম্বর আদালত ওই চারজনকে জামিন দেন।
দাপ্তরিক প্রক্রিয়া শেষে ৫ ডিসেম্বর চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কারাগার থেকে মুক্তি পান তাঁরা। চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার নয়াগোলা এলাকার বাসিন্দা সোনালী বিবির আত্মীয় ফারুক হোসেনের জিম্মায় তাঁদের জামিন দেওয়া হয়। এর পর থেকে তারা জামিনদার ফারুক হোসেনের বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ ইমিগ্রেশন দিয়ে ট্রাভেল পাসের মাধ্যমে নিজ দেশে ফিরেছেন ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) পুশইন করা চার ভারতীয় নাগরিক। বুধবার (৮ জুলাই) বিকেলে প্রয়োজনীয় ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া শেষে তারা ভারতে ফিরে যান।
চার নাগরিক হলেন পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার মুরারাই থানার ধৃতরা গ্রামের দানিস শেখ, সুইটি বিবি, কুরবান শেখ ও ইমাম দেওয়ান। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সোনামসজিদ ইমিগ্রেশন পুলিশের ইনচার্জ জামিরুল ইসলাম।
পুশইনের শিকার ভারতীয় নাগরিকদের অভিযোগ, ২০২৫ সালের জুন মাসে কুড়িগ্রাম সীমান্ত দিয়ে দুই শিশুসহ ছয় ভারতীয় নাগরিককে জোর করে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠায় বিএসএফ।
পরে বিভিন্ন এলাকা ঘুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জের আলীনগরে আশ্রয় নিলে পুলিশ তাদের আটক করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়। প্রায় তিন মাস কারাভোগের পর জামিনে মুক্তি পান।
এর আগে, গত ডিসেম্বরে একই পরিবারের অন্তঃসত্ত্বা সোনালী বিবি ও তার শিশুপুত্রকে ভারত বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) কাছ থেকে ফেরত নেয়। তবে বাকি চারজনকে ফেরত নিতে অস্বীকৃতি জানায়। এরপর থেকে চারজন চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের নিকটআত্বীয় ফারুক হোসেনের বাড়িতে আশ্রয় নেন।
ভারতীয় নাগরিক হওয়ার যাবতীয় প্রমাণ সাপেক্ষে প্রথমে কলকাতা হাইকোর্ট ও পরে সুপ্রিম কোর্ট তাদের ফেরত আনার নির্দেশ দেন। তা সত্ত্বেও ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার উদ্যোগ নিচ্ছিল না। এই পরিস্থিতিতে দেশটির প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী মানবিক কারণে তাদেরকে দ্রুত ফেরত আনার নির্দেশ দেন।
এরপর ভারত বিভিন্ন মাধ্যমে যোগাযোগ করে ট্রাভেলস পাস ইস্যু করে। সে পাস নিয়েই তারা বুধবার দুপুরে সোনামসজিদ ইমিগ্রেশন দিয়ে ভারতে ফিরে গেলেন। ফিরে যাবার সময় বিএসএফের অমানবিক আচরণের কথা উল্লেখ করে বাংলাদেশের জনগণ ও প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
সোনামসজিদ ইমিগ্রেশন ইনচার্জ জামিরুল ইসলাম বলেন, ট্রাভেল পাসের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে চার ভারতীয় নাগরিককে ভারতে পাঠানোর অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
এর আগে, গত বছরের ২০ আগস্ট ওই ছয় ভারতীয়কে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার একটি বাড়ি থেকে সদর মডেল থানা পুলিশ আটক করে। আটকের পর দুই শিশু ছাড়া বাকি চারজনের বিরুদ্ধে অনুপ্রবেশের অভিযোগে পুলিশ মামলা করে। গত ১ ডিসেম্বর আদালত ওই চারজনকে জামিন দেন।
দাপ্তরিক প্রক্রিয়া শেষে ৫ ডিসেম্বর চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কারাগার থেকে মুক্তি পান তাঁরা। চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার নয়াগোলা এলাকার বাসিন্দা সোনালী বিবির আত্মীয় ফারুক হোসেনের জিম্মায় তাঁদের জামিন দেওয়া হয়। এর পর থেকে তারা জামিনদার ফারুক হোসেনের বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন।
.png)

খুলনা মহানগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে ৮২৩ কোটি টাকার মেগা প্রকল্প নেওয়া হলেও সামান্য বৃষ্টিতেই ডুবছে শহর। প্রায় ৭৫০ কোটি টাকা ব্যয়ের পরও এর সুফল না মেলায় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে নগরবাসীকে।
৪ মিনিট আগেবজ্রাঘাতে প্রাণহানি কমাতে সরকার দেশের বজ্রপাতপ্রবণ এলাকায় বজ্রনিরোধক ব্যবস্থাসম্বলিত মাল্টিপারপাস আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।
৭ মিনিট আগে
যুবদলের নাম ব্যবহার করে কেউ বেআইনি কর্মকাণ্ড চালানোর সুযোগ পাবে না বলে জানিয়েছেন জাতীয়তাবাদী যুবদলের সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না। তিনি বলেন, ভবিষ্যতে কেউ যেন সংগঠনের সুনাম ক্ষুণ্ন করতে না পারে, সে জন্য যুবদল কঠোর নীতি গ্রহণ করেছে।
১০ মিনিট আগে
আগামী ৫ বছরে শিক্ষা খাতের বাজেট জিডিপির ৫ শতাংশে নিয়ে যেতে চান বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ বুধবার জাতীয় সংসদে প্রশ্ন উত্তর পর্বে কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহর প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা জানান।
১৫ মিনিট আগে