স্ট্রিম ডেস্ক

বাংলাদেশের স্বাধীন চলচ্চিত্র ‘দেলুপি’ এবার জায়গা করে নিয়েছে ইতালির কারাওয়ান ফেস্ট ২০২৬-এর মূল প্রতিযোগিতা বিভাগে। উৎসবের ১৪তম আসরে উদ্বোধনী চলচ্চিত্র হিসেবেও নির্বাচিত হয়েছে ছবিটি। একই সঙ্গে আনুষ্ঠানিক পোস্টারে স্থান পেয়েছে সিনেমার একটি দৃশ্য।
আগামী ১০ থেকে ১৬ জুলাই ইতালির রোমে অনুষ্ঠাতব্য এই আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ছবিটির ইতালিয়ান প্রিমিয়ার হবে। প্রদর্শনী শেষে দর্শকদের সঙ্গে প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নেবেন পরিচালক মোহাম্মদ তাওকীর ইসলাম।
কারাওয়ান ফেস্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ‘দেলুপি’ উৎসবের পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের মূল প্রতিযোগিতা বিভাগে প্রদর্শিত হবে। অভিবাসন, বিভিন্ন সংস্কৃতির সহাবস্থান ও সাংস্কৃতিক বিনিময়কে গুরুত্ব দেওয়া এই উৎসবে সিনেমাটি বাংলা ভাষায় প্রদর্শনের পাশাপাশি এতে ইতালীয় ও ইংরেজি সাবটাইটেল রাখা হয়েছে।
এই উৎসবে অংশগ্রহণকে বাংলাদেশের সিনেমার আন্তর্জাতিক যাত্রার ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে দেখছেন তাওকীর ইসলাম। তিনি স্ট্রিমকে বলেন, ‘একটা দেশের ছবি যখন ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে যায়, তখন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সেই দেশের সিনেমার একটা উপস্থিতি তৈরি হয়। এখন কয়েকটি বাংলাদেশি ছবি ফেস্টিভ্যাল সার্কিটে ঘুরছে। ফলে আন্তর্জাতিক মার্কেটে বাংলাদেশের সিনেমার একটা প্রেজেন্স তৈরি হচ্ছে। শুধু ফেস্টিভাল সার্কিটেই নয়, ব্যবসায়িক ক্ষেত্রেও এর প্রভাব পড়ে।’

তাওকীর ইসলামের ভাষায়, আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব নতুন সম্পর্ক ও ভবিষ্যৎ সহযোগিতারও ক্ষেত্র। তিনি বলেন, ‘ফেস্টিভ্যালগুলোতে নতুন অনেক মানুষের সঙ্গে পরিচয় হয়, যোগাযোগ তৈরি হয় এবং ভবিষ্যতে একসঙ্গে কাজ করার সুযোগ তৈরি হয়।’
কারাওয়ান ফেস্টে প্রদর্শনীর পর অনুষ্ঠাতব্য প্রশ্নোত্তর পর্বকেও গুরুত্বপূর্ণ মনে করছেন এই নির্মাতা। স্ট্রিমকে তিনি বলেন, ‘কিউঅ্যান্ডএ সেশনে সাংবাদিক, সমালোচক ও সাধারণ দর্শকদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার সুযোগ হয়। অনেক নতুন পর্যবেক্ষণ পাওয়া যায়, এমন অনেক দিক সামনে আসে যেগুলো সিনেমা বানানোর সময় আমরা ভাবিনি। এই অভিজ্ঞতা পরবর্তী কাজের জন্য খুব সাহায্য করে।’
মোহাম্মদ তাওকীর ইসলামের প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘দেলুপি’ ২০২৫ সালের ৭ নভেম্বর দেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায়। এর আগে তিনি ওটিটি প্ল্যাটফর্মের জন্য ‘শাটিকাপ’ ও ‘সিনপাট’ নির্মাণ করে আলোচনায় আসেন।
খুলনা অঞ্চলের প্রেক্ষাপটে নির্মিত ‘দেলুপি’তে দক্ষিণাঞ্চলের নদীভাঙন, জলবায়ু পরিবর্তন, মানুষের জীবনসংগ্রাম এবং স্থানীয় রাজনীতির বাস্তবতা উঠে এসেছে। ছবিতে অভিনয় করেছেন চিরঞ্জিৎ বিশ্বাস, অদিতি রায়, রুদ্র রায়, জাকির হোসেনসহ আরও অনেকে। অধিকাংশ শিল্পীই খুলনা অঞ্চলের স্থানীয় হওয়ায় সংলাপ, ভাষা, উচ্চারণ ও জীবনযাপনের বাস্তবতা স্বাভাবিকভাবেই পর্দায় ফুটে উঠেছে।
মুক্তির পর দর্শক ও সমালোচকদের প্রশংসা কুড়ানোর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও আলোচনায় আসে ‘দেলুপি’। এর আগে ছবিটি বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ রটারডাম আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব-এর ‘ব্রাইট ফিউচার’ বিভাগে প্রদর্শিত হয়েছে। পরে এটি রেড লোটাস এশিয়ান ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল ভিয়েনা ২০২৬-এও নির্বাচিত হয়।
সম্প্রতি চলচ্চিত্রটির আন্তর্জাতিক পরিবেশনার সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন ভারতীয় নির্মাতা অনুরাগ কাশ্যপ। তাঁর সম্পৃক্ততার ফলে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের চলচ্চিত্র উৎসব ও দর্শকের কাছে ‘দেলুপি’কে আরও বিস্তৃত পরিসরে পৌঁছে দেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

বাংলাদেশের স্বাধীন চলচ্চিত্র ‘দেলুপি’ এবার জায়গা করে নিয়েছে ইতালির কারাওয়ান ফেস্ট ২০২৬-এর মূল প্রতিযোগিতা বিভাগে। উৎসবের ১৪তম আসরে উদ্বোধনী চলচ্চিত্র হিসেবেও নির্বাচিত হয়েছে ছবিটি। একই সঙ্গে আনুষ্ঠানিক পোস্টারে স্থান পেয়েছে সিনেমার একটি দৃশ্য।
আগামী ১০ থেকে ১৬ জুলাই ইতালির রোমে অনুষ্ঠাতব্য এই আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ছবিটির ইতালিয়ান প্রিমিয়ার হবে। প্রদর্শনী শেষে দর্শকদের সঙ্গে প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নেবেন পরিচালক মোহাম্মদ তাওকীর ইসলাম।
কারাওয়ান ফেস্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ‘দেলুপি’ উৎসবের পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের মূল প্রতিযোগিতা বিভাগে প্রদর্শিত হবে। অভিবাসন, বিভিন্ন সংস্কৃতির সহাবস্থান ও সাংস্কৃতিক বিনিময়কে গুরুত্ব দেওয়া এই উৎসবে সিনেমাটি বাংলা ভাষায় প্রদর্শনের পাশাপাশি এতে ইতালীয় ও ইংরেজি সাবটাইটেল রাখা হয়েছে।
এই উৎসবে অংশগ্রহণকে বাংলাদেশের সিনেমার আন্তর্জাতিক যাত্রার ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে দেখছেন তাওকীর ইসলাম। তিনি স্ট্রিমকে বলেন, ‘একটা দেশের ছবি যখন ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে যায়, তখন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সেই দেশের সিনেমার একটা উপস্থিতি তৈরি হয়। এখন কয়েকটি বাংলাদেশি ছবি ফেস্টিভ্যাল সার্কিটে ঘুরছে। ফলে আন্তর্জাতিক মার্কেটে বাংলাদেশের সিনেমার একটা প্রেজেন্স তৈরি হচ্ছে। শুধু ফেস্টিভাল সার্কিটেই নয়, ব্যবসায়িক ক্ষেত্রেও এর প্রভাব পড়ে।’

তাওকীর ইসলামের ভাষায়, আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব নতুন সম্পর্ক ও ভবিষ্যৎ সহযোগিতারও ক্ষেত্র। তিনি বলেন, ‘ফেস্টিভ্যালগুলোতে নতুন অনেক মানুষের সঙ্গে পরিচয় হয়, যোগাযোগ তৈরি হয় এবং ভবিষ্যতে একসঙ্গে কাজ করার সুযোগ তৈরি হয়।’
কারাওয়ান ফেস্টে প্রদর্শনীর পর অনুষ্ঠাতব্য প্রশ্নোত্তর পর্বকেও গুরুত্বপূর্ণ মনে করছেন এই নির্মাতা। স্ট্রিমকে তিনি বলেন, ‘কিউঅ্যান্ডএ সেশনে সাংবাদিক, সমালোচক ও সাধারণ দর্শকদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার সুযোগ হয়। অনেক নতুন পর্যবেক্ষণ পাওয়া যায়, এমন অনেক দিক সামনে আসে যেগুলো সিনেমা বানানোর সময় আমরা ভাবিনি। এই অভিজ্ঞতা পরবর্তী কাজের জন্য খুব সাহায্য করে।’
মোহাম্মদ তাওকীর ইসলামের প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘দেলুপি’ ২০২৫ সালের ৭ নভেম্বর দেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায়। এর আগে তিনি ওটিটি প্ল্যাটফর্মের জন্য ‘শাটিকাপ’ ও ‘সিনপাট’ নির্মাণ করে আলোচনায় আসেন।
খুলনা অঞ্চলের প্রেক্ষাপটে নির্মিত ‘দেলুপি’তে দক্ষিণাঞ্চলের নদীভাঙন, জলবায়ু পরিবর্তন, মানুষের জীবনসংগ্রাম এবং স্থানীয় রাজনীতির বাস্তবতা উঠে এসেছে। ছবিতে অভিনয় করেছেন চিরঞ্জিৎ বিশ্বাস, অদিতি রায়, রুদ্র রায়, জাকির হোসেনসহ আরও অনেকে। অধিকাংশ শিল্পীই খুলনা অঞ্চলের স্থানীয় হওয়ায় সংলাপ, ভাষা, উচ্চারণ ও জীবনযাপনের বাস্তবতা স্বাভাবিকভাবেই পর্দায় ফুটে উঠেছে।
মুক্তির পর দর্শক ও সমালোচকদের প্রশংসা কুড়ানোর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও আলোচনায় আসে ‘দেলুপি’। এর আগে ছবিটি বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ রটারডাম আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব-এর ‘ব্রাইট ফিউচার’ বিভাগে প্রদর্শিত হয়েছে। পরে এটি রেড লোটাস এশিয়ান ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল ভিয়েনা ২০২৬-এও নির্বাচিত হয়।
সম্প্রতি চলচ্চিত্রটির আন্তর্জাতিক পরিবেশনার সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন ভারতীয় নির্মাতা অনুরাগ কাশ্যপ। তাঁর সম্পৃক্ততার ফলে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের চলচ্চিত্র উৎসব ও দর্শকের কাছে ‘দেলুপি’কে আরও বিস্তৃত পরিসরে পৌঁছে দেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
.png)

আজ ‘শার্ক অ্যাওয়ারনেস ডে’ বা আন্তর্জাতিক হাঙর সচেতনতা দিবস। হাঙর সম্পর্কে ভুল ধারণা দূর করা, সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্রে তাদের অপরিহার্য ভূমিকা তুলে ধরা এবং বিলুপ্তপ্রায় এই প্রাণীটিকে রক্ষা করাই এই দিবসের প্রধান লক্ষ্য। ভূ-পর্যটক তারেক অণু ২০১০ সালের জুনের শেষ দিকে গিয়েছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার ডারবানে। মহ
১৯ ঘণ্টা আগে
লোকালয়ে কোনো বিপন্ন বন্যপ্রাণী আটকা পড়েছে কিংবা আহত হয়েছে, এমন খবর পেলেই এলাকার মানুষ যার ওপর সবচেয়ে বেশি ভরসা করতেন, তিনি সীতেশ রঞ্জন দেব। দেশের মানুষের কাছে যিনি ‘সীতেশ বাবু’ নামেই বেশি পরিচিত। আহত পশুপাখি ও বন্যপ্রাণীদের পরম মমতায় সুস্থ করে তোলার এই অকৃত্রিম কারিগর আর নেই।
১৪ জুলাই ২০২৬
এমন অসংখ্য মেটাফোরে ছেয়ে থাকে আরবি ফুটবলের ধারাভাষ্য। বিভিন্ন তারকা প্লেয়াররাও ভূষিত হয় নানান খেতাবে। রোনালদো হয়ে যায় ‘কিংবদন্তি’ বা ‘দুর্ধর্ষ’, মেসি হয়ে যায় ‘পৃথিবীর অষ্টম আশ্চর্য’ বা ‘প্রলয়ংকরী’, এরিক হাল্যান্ড হয় ‘ট্যাংক মানব’, রিয়াদ মাহরেজ হয়ে যায় ‘মরুর দুলাল’।
১৪ জুলাই ২০২৬
‘কৌতুক অভিনেতা’ বললেই সবার আগে দিলদারের নাম মাথায় আসে। তাঁকে সবাই ভালোবেসে ‘হাসির রাজা’ বলতেন। পর্দায় তাঁর উপস্থিতি মানেই দর্শকদের মনে আনন্দের ঢেউ। একের পর এক হাততালিতে মুখর হয়ে উঠত সিনেমা হল। তবে সেই সোনালি দিনগুলো আজ শুধুই স্মৃতি। ২০০৩ সালের ১৩ জুলাই তিনি আমাদের ছেড়ে চলে যান।
১৩ জুলাই ২০২৬