প্রিয়াংকা সমদ্দার অর্পা

এই ব্যস্ত জীবনে আমরা সবাই যেন দৌড়াচ্ছি। নিজেকে ফিট রাখতে আমরা এখন খাবারের ক্যালোরি মেপে খাই। কোনটা স্বাস্থ্যকর আর কোনটা অস্বাস্থ্যকর—তা নিয়েও আমাদের চিন্তার শেষ নেই। কারণ দৌড়ে টিকে থাকতে হলে তো ফিট থাকা চাই! কিন্তু আমরা স্বাস্থ্যকর ভেবে যেসব খাবার নিশ্চিন্তে খাচ্ছি, সেগুলো আসলেই শরীরের জন্য ভালো কি না, তা কি ভেবে দেখেছি? চলুন জেনে নেই এমন পাঁচটি খাবারের কথা।
টক দই আমাদের শরীরের জন্য ভালো তা আমরা কমবেশি সবাই জানি। এতে থাকা প্রোবায়োটিক আমাদের হজমে সাহায্য করে। তাছাড়া দইতে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস থাকে, যা আমাদের শরীরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন।
কিন্তু সমস্যা হয় যখন আমরা বাজারে পাওয়া ‘ফ্লেভারড’ দই কিনি। এই দইয়ে স্বাদ বাড়াতে মেশানো হয় প্রচুর পরিমাণে চিনি বা হাই-ফ্রুক্টোজ কর্ন সিরাপ। ফলে স্বাস্থ্যকর মনে করে দই খেয়ে শরীরের কোনো লাভই হয় না, বরং চিনির কারণে ক্ষতিই বেশি হয়। তাই দই খেতে হলে সবসময় প্লেইন টক দই বেছে নিন। আর কিনলে প্যাকেটের গায়ে অবশ্যই দেখে নেবেন তাতে বাড়তি চিনি বা গুঁড়ো দুধ মেশানো আছে কি না।
ওজন কমাতে সালাদের বিকল্প নেই। কিন্তু সালাদ খেতে অনেকেরই ভালো লাগে না। তখন এর স্বাদ বাড়াতে ব্যবহার করা হয় রঙ-বেরঙের সালাদ ড্রেসিং। অনেকে মনে করেন ‘লো-ফ্যাট’ ড্রেসিং বুঝি খুব স্বাস্থ্যকর।
কিন্তু এই ড্রেসিংগুলোতে প্রচুর পরিমাণে লবণ, চিনি এবং হাইড্রোজেনেটেড অয়েল থাকে, যা সালাদের সব গুণাগুণ নষ্ট করে দেয়। তার চেয়ে বাড়িতে তৈরি অলিভ অয়েল আর সামান্য লেবুর রসের ড্রেসিং ব্যবহার করা শরীরের জন্য অনেক ভালো।
হোয়াইট ব্রেড রিফাইনড ময়দা দিয়ে বানানো, যা আমাদের শরীরের জন্য ক্ষতিকর। তাই অনেকেই বেছে নেয় ব্রাউন ব্রেড। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো, বাজারের অধিকাংশ ব্রাউন ব্রেড আসল ‘হোল-হুইট’ বা আস্ত গম থেকে তৈরি নয়। সাদা ময়দাকে বাদামী রঙ দেওয়ার জন্য এতে অনেক সময় কৃত্রিম ক্যারামেল রঙ বা গুড় মেশানো হয়। তাই ব্রাউন ব্রেড কেনার সময় লেবেলে ভালো করে চেক করে নেওয়া উচিত যে সেটি আসলেই হোল-হুইট কি না।
বিয়েবাড়ি বা রেস্তোরাঁয় ভরপেট খেলেন, এরপর সোডা না হলে অনেকেরই জমে না। সোডা বা কোমল পানীয়তে থাকা অতিরিক্ত চিনির কারণে অনেকেই এখন ডায়েট সোডার দিকে ঝুঁকছে।
ডায়েট সোডায় চিনির বদলে যে কৃত্রিম সুইটনার (যেমন অ্যাসপার্টেম, সুক্রালোজ) ব্যবহার করা হয়, তা আমাদের শরীরের বিপাক প্রক্রিয়াকে ধীর করে দেয়। উল্টো এগুলো ব্রেনকে বিভ্রান্ত করে মিষ্টি খাবারের প্রতি লোভ আরও বাড়িয়ে দেয়। নিয়মিত ডায়েট সোডা পানের সাথে হৃদরোগ এবং টাইপ-টু ডায়াবেটিসের গভীর সংযোগ খুঁজে পেয়েছেন গবেষকরা।
বাদাম, ওটস, ড্রাই ফ্রুটস দিয়ে তৈরি এই বারগুলো আমাদের শক্তি জোগায় এবং অনেকক্ষন পেট ভরা রাখে। কিন্তু আদতে এগুলোও চকলেট বারের আদলেই তৈরি। এতে প্রচুর পরিমাণে চিনি, স্যাচুরেটেড ফ্যাট এবং কৃত্রিম ফ্লেভার ব্যবহার করা হয়।
ফলে অল্প একটু বার থেকেই শরীরে অনেকটা ক্যালোরি ঢোকে, যা ওজন কমানোর বদলে উল্টো বাড়িয়ে দেয়। তাই এনার্জি বারের বদলে একমুঠো বাদাম খাওয়া স্বাস্থ্যকর হতে পারে।

এই ব্যস্ত জীবনে আমরা সবাই যেন দৌড়াচ্ছি। নিজেকে ফিট রাখতে আমরা এখন খাবারের ক্যালোরি মেপে খাই। কোনটা স্বাস্থ্যকর আর কোনটা অস্বাস্থ্যকর—তা নিয়েও আমাদের চিন্তার শেষ নেই। কারণ দৌড়ে টিকে থাকতে হলে তো ফিট থাকা চাই! কিন্তু আমরা স্বাস্থ্যকর ভেবে যেসব খাবার নিশ্চিন্তে খাচ্ছি, সেগুলো আসলেই শরীরের জন্য ভালো কি না, তা কি ভেবে দেখেছি? চলুন জেনে নেই এমন পাঁচটি খাবারের কথা।
টক দই আমাদের শরীরের জন্য ভালো তা আমরা কমবেশি সবাই জানি। এতে থাকা প্রোবায়োটিক আমাদের হজমে সাহায্য করে। তাছাড়া দইতে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস থাকে, যা আমাদের শরীরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন।
কিন্তু সমস্যা হয় যখন আমরা বাজারে পাওয়া ‘ফ্লেভারড’ দই কিনি। এই দইয়ে স্বাদ বাড়াতে মেশানো হয় প্রচুর পরিমাণে চিনি বা হাই-ফ্রুক্টোজ কর্ন সিরাপ। ফলে স্বাস্থ্যকর মনে করে দই খেয়ে শরীরের কোনো লাভই হয় না, বরং চিনির কারণে ক্ষতিই বেশি হয়। তাই দই খেতে হলে সবসময় প্লেইন টক দই বেছে নিন। আর কিনলে প্যাকেটের গায়ে অবশ্যই দেখে নেবেন তাতে বাড়তি চিনি বা গুঁড়ো দুধ মেশানো আছে কি না।
ওজন কমাতে সালাদের বিকল্প নেই। কিন্তু সালাদ খেতে অনেকেরই ভালো লাগে না। তখন এর স্বাদ বাড়াতে ব্যবহার করা হয় রঙ-বেরঙের সালাদ ড্রেসিং। অনেকে মনে করেন ‘লো-ফ্যাট’ ড্রেসিং বুঝি খুব স্বাস্থ্যকর।
কিন্তু এই ড্রেসিংগুলোতে প্রচুর পরিমাণে লবণ, চিনি এবং হাইড্রোজেনেটেড অয়েল থাকে, যা সালাদের সব গুণাগুণ নষ্ট করে দেয়। তার চেয়ে বাড়িতে তৈরি অলিভ অয়েল আর সামান্য লেবুর রসের ড্রেসিং ব্যবহার করা শরীরের জন্য অনেক ভালো।
হোয়াইট ব্রেড রিফাইনড ময়দা দিয়ে বানানো, যা আমাদের শরীরের জন্য ক্ষতিকর। তাই অনেকেই বেছে নেয় ব্রাউন ব্রেড। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো, বাজারের অধিকাংশ ব্রাউন ব্রেড আসল ‘হোল-হুইট’ বা আস্ত গম থেকে তৈরি নয়। সাদা ময়দাকে বাদামী রঙ দেওয়ার জন্য এতে অনেক সময় কৃত্রিম ক্যারামেল রঙ বা গুড় মেশানো হয়। তাই ব্রাউন ব্রেড কেনার সময় লেবেলে ভালো করে চেক করে নেওয়া উচিত যে সেটি আসলেই হোল-হুইট কি না।
বিয়েবাড়ি বা রেস্তোরাঁয় ভরপেট খেলেন, এরপর সোডা না হলে অনেকেরই জমে না। সোডা বা কোমল পানীয়তে থাকা অতিরিক্ত চিনির কারণে অনেকেই এখন ডায়েট সোডার দিকে ঝুঁকছে।
ডায়েট সোডায় চিনির বদলে যে কৃত্রিম সুইটনার (যেমন অ্যাসপার্টেম, সুক্রালোজ) ব্যবহার করা হয়, তা আমাদের শরীরের বিপাক প্রক্রিয়াকে ধীর করে দেয়। উল্টো এগুলো ব্রেনকে বিভ্রান্ত করে মিষ্টি খাবারের প্রতি লোভ আরও বাড়িয়ে দেয়। নিয়মিত ডায়েট সোডা পানের সাথে হৃদরোগ এবং টাইপ-টু ডায়াবেটিসের গভীর সংযোগ খুঁজে পেয়েছেন গবেষকরা।
বাদাম, ওটস, ড্রাই ফ্রুটস দিয়ে তৈরি এই বারগুলো আমাদের শক্তি জোগায় এবং অনেকক্ষন পেট ভরা রাখে। কিন্তু আদতে এগুলোও চকলেট বারের আদলেই তৈরি। এতে প্রচুর পরিমাণে চিনি, স্যাচুরেটেড ফ্যাট এবং কৃত্রিম ফ্লেভার ব্যবহার করা হয়।
ফলে অল্প একটু বার থেকেই শরীরে অনেকটা ক্যালোরি ঢোকে, যা ওজন কমানোর বদলে উল্টো বাড়িয়ে দেয়। তাই এনার্জি বারের বদলে একমুঠো বাদাম খাওয়া স্বাস্থ্যকর হতে পারে।
.png)

দীর্ঘায়ু ও সুস্থ থাকার জন্য প্রতিদিন ১০ হাজার পা হাঁটার কথা আমরা প্রায়ই শুনি। সংখ্যাটি এমনভাবে পরিচিত হয়েছে, যেন এটি চিকিৎসকদের দেওয়া কোনো দাওয়াই। কিন্তু এই ১০ হাজারের গল্পটা আসলে কী? এই সংখ্যার আসল উৎস কোথায়? উত্তর খুঁজতে আমাদের ফিরে যেতে হবে ১৯৬৪ সালের জাপানে। শুনলে হয়তো অবাক হবেন, প্রতিদিন ১০
১৯ আগস্ট ২০২৬
হাড় সুস্থ রাখতে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি ও প্রোটিন। এ ছাড়া ভিটামিন কে, ম্যাগনেশিয়াম, জিংক ও ফসফরাস হাড় ও পেশি ভালো রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ক্যালসিয়ামের কথা উঠলেই সবার আগে আসে দুধ ও দুগ্ধজাত খাবারের নাম। ২০০ মিলিলিটার এক গ্লাস দুধে প্রায় ২৬০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম থাকে।
০৬ আগস্ট ২০২৬
বাজার থেকে টাটকা ফল ও সবজি কিনে আনার পর অনেকেই সেগুলো ফ্রিজে বা রান্নাঘরের এক কোণে রেখে দেন। কিন্তু সঠিকভাবে সংরক্ষণ না করলে দেখতে ভালো থাকলেও এ খাবার স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। আবার ফ্রিজে ফেলে রাখা সবজি বা ফলে ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক ও অন্যান্য ক্ষতিকর জীবাণুও জন্মাতে পারে। সব খাবার যে একই সময়
০৩ আগস্ট ২০২৬
শুধু শরীর নয়, মনও সমান গুরুত্বপূর্ণ। অতিরিক্ত মানসিক চাপ, উদ্বেগ কিংবা হতাশা দীর্ঘমেয়াদে শারীরিক সমস্যা তৈরি করতে পারে।
২৯ জুলাই ২০২৬