খাগড়াছড়িতে ইউপিডিএফের দুই সদস্য নিহত, নিখোঁজ ১

স্ট্রিম সংবাদদাতা
স্ট্রিম সংবাদদাতা
খাগড়াছড়ি

পার্বত্য চট্টগ্রামের আঞ্চলিক সংগঠন ইউপিডিএফ। স্ট্রিম গ্রাফিকস

খাগড়াছড়ির রামগড় ও দীঘিনালা উপজেলায় পৃথক ঘটনায় আঞ্চলিক সংগঠন ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ-প্রসিত) দুই সদস্য নিহত হয়েছেন। এছাড়া আহত অবস্থায় এখন নিখোঁজ আছেন বলে জানা গেছে। বুধবার (২৪ জুন) এসব ঘটনা ঘটে।

পুলিশ, স্থানীয় ও দলীয় সূত্র জানা গেছে, বুধবার সকাল ১০টার দিকে রামগড় উপজেলার প্রেমতলা এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে ইউপিডিএফ সদস্যদের গুলি বিনিময় হয়। এতে উপজেলার মাজারা টিলা গ্রামের বাসিন্দা ববিন ত্রিপুরা (৩২) নিহত হন। এ ঘটনায় মংসানু মারমা ওরফে জীবন (২৯) নামে একজন আহত অবস্থায় তিনি নিখোঁজ রয়েছেন বলে দাবি করেছে ইউপিডিএফ। তাঁর বাড়ি রামগড় উপজেলার দাতারাম পাড়ায়।

বিকেল ৫টার দিকে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ইউপিডিএফ মুখপাত্র অংগ্য মারমা বলেন, প্রেমতলা এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা তাদের কর্মীদের ওপর গুলি চালায়। এতে ববিন ত্রিপুরা নিহত ও মংসানু মারমা নিখোঁজ হন।

রামগড় থানার ওসি মো. নাজির আলম জানান, দুর্গম এলাকায় ঘটনাটি ঘটায় মরদেহ বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের এখনো পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়নি। এ জন্য প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া চলছে।

এদিকে দুপুরে জেলার দীঘিনালা উপজেলার বাবুছড়া ইউনিয়নের মুড়োপাড়া এলাকায় গুলিতে সুজন চাকমা (৪৮) নামে একজন নিহত হন। তিনি ইউপিডিএফের সদস্য বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ইউপিডিএফ দাবি করেছে, ওই ঘটনায় পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (জেএসএস) সশস্ত্র সদস্যরা জড়িত। তবে এ বিষয়ে জেএসএসের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

দীঘিনালা থানার ওসি ইকবাল বাহার জানান, সুজন চাকমা একটি দোকানে বসে ছিলেন। এ সময় মোটরসাইকেলে আসা মুখোশধারী কয়েকজন তাকে গুলি করে পালিয়ে যায়। মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নেওয়া হয়েছে। তার শরীরে তিনটি গুলির চিহ্ন পাওয়া গেছে।

Ad 300x250

সম্পর্কিত