জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬

ও গণভোট

ক্লিক করুন

উপদেষ্টাদের সম্পদের হিসাব: কার কতটা বেড়েছে বা কমেছে

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

প্রকাশ : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০২: ৫৬
রাজধানীর তেজগাঁওয়ে সোমবার নিজের কার্যালয়ে উপদেষ্টা পরিষদের দশম বিশেষ বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস। ছবি: পিআইডি

অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের সম্পদের বিস্তারিত হিসাব প্রকাশ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এই হিসাব প্রকাশ করে।

এতে গত অর্থবছর, অর্থাৎ ২০২৫ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত উপদেষ্টাদের সম্পদের তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। এক বছর আগে, ২০২৪ সালের ৩০ জুনের তথ্যের সঙ্গে তুলনা করে কার সম্পদ কত বেড়েছে বা কমেছে, তাও এতে উল্লেখ রয়েছে।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র–জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ৮ আগস্ট অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। ওই বছরের ২৫ আগস্ট জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে বলেছিলেন, ‘সব উপদেষ্টা দ্রুততম সময়ের মধ্যে তাঁদের সম্পদের বিবরণ প্রকাশ করবেন।’

তবে এত দিন তা প্রকাশ না হওয়ায় সমালোচনা হচ্ছিল। এ বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) জানিয়েছিলেন, দু-এক দিনের মধ্যেই সম্পদের বিবরণী প্রকাশ করা হবে। এরপর মঙ্গলবারই তা প্রকাশ করা হলো।

বর্তমানে প্রধান উপদেষ্টাসহ উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যসংখ্যা ২১। এ ছাড়া উপদেষ্টা পদমর্যাদায় বিশেষ সহকারী, বিশেষ দূত ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মিলিয়ে রয়েছেন ৪ জন। প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায় প্রধান উপদেষ্টার আরও ৪ বিশেষ সহকারী দায়িত্ব পালন করছেন। আজ তাঁদের সবার সম্পদের হিসাব প্রকাশ করা হয়েছে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কর্মকর্তাদের মতে, ২০২৩ সালের আয়কর আইন অনুযায়ী আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসারে সম্পদের সংজ্ঞা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর্থিক সম্পদের মধ্যে নগদ টাকা, ব্যাংক আমানত, সঞ্চয়পত্র, শেয়ার, লভ্যাংশ ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত। আর নন-ফাইন্যান্সিয়াল বা অ-আর্থিক সম্পদের মধ্যে রয়েছে জমি, বাড়ি, ফ্ল্যাট, প্লটসহ স্থাবর সম্পদ।

প্রধান উপদেষ্টার সম্পদ

গত ৩০ জুন পর্যন্ত প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের মোট সম্পদ ছিল ১৫ কোটি ৬২ লাখ ৪৪ হাজার ৬৫ টাকা। এক বছর আগে তা ছিল ১৪ কোটি ১ লাখ ৩৯ হাজার ৬৭৩ টাকা। অর্থাৎ এক বছরে তাঁর সম্পদ বেড়েছে ১ কোটি ৬১ লাখ ৪ হাজার ৩৯২ টাকা।

বিবরণীতে উল্লেখ করা হয়েছে, সঞ্চয়পত্র নগদায়ন, সঞ্চয়ী ও মেয়াদি আমানতে বৃদ্ধি, উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া শেয়ার ইত্যাদি কারণে তাঁর মোট সম্পদ বেড়েছে।

প্রধান উপদেষ্টার আর্থিক সম্পদের পরিমাণ ১৪ কোটি ৭৬ লাখ ৬৪ হাজার ৪০১ টাকা, যা এক বছর আগে ছিল ১৩ কোটি ১৮ লাখ ৭১ হাজার ৪৩৩ টাকা। তাঁর নন-ফাইন্যান্সিয়াল সম্পদ রয়েছে ২১ লাখ ৬ হাজার ২৫০ টাকা, যা আগের বছর ছিল ২০ লাখ ৯২ হাজার ৫০০ টাকা। দেশের বাইরে তাঁর সম্পদ রয়েছে ৬৪ লাখ ৭৩ হাজার ৪১৪ টাকা, যা আগের বছর ছিল ৬১ লাখ ৭৫ হাজার ৭৪০ টাকা।

প্রধান উপদেষ্টার স্ত্রী আফরোজী ইউনূসের মোট সম্পদ ১ কোটি ২৭ লাখ ৬৩ হাজার ৩৬০ টাকা। আগের অর্থবছরে তা ছিল ২ কোটি ১১ লাখ ৭৭ হাজার ২৭৪ টাকা। সে হিসাবে এক বছরে তাঁর সম্পদ কমেছে ৮৪ লাখ ১৩ হাজার ৯১৪ টাকা।

তাঁর আর্থিক সম্পদ রয়েছে ৪ লাখ ৫১ হাজার ৮৬০ টাকা, যা আগের বছর ছিল ৯৫ লাখ ৪১ হাজার ৬৭৯ টাকা। আর নন-ফাইন্যান্সিয়াল সম্পদের পরিমাণ ১ কোটি ২৩ লাখ ১১ হাজার ৫০০ টাকা, যা আগের বছর ছিল ১ কোটি ১৬ লাখ ৩৫ হাজার ৫৯৫ টাকা। তাঁর বিদেশে কোনো সম্পদ নেই। অধ্যাপক ইউনূসের কোনো দায় না থাকলেও তাঁর স্ত্রীর ১৬ লাখ ৯৬ হাজার টাকার দায় রয়েছে।

অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ

গত ৩০ জুন পর্যন্ত তাঁর মোট সম্পদ ৭ কোটি ১৬ লাখ টাকার বেশি, যা আগের বছর ছিল ৭ কোটি ১০ লাখের বেশি। তাঁর কোনো দায়দেনা নেই। তাঁর স্ত্রী পারভীন আহমেদের মোট সম্পদ ৫ কোটি ৩৮ লাখের বেশি, যা আগের বছর ছিল ৪ কোটি ৬৪ লাখের বেশি। তাঁর ব্যবসায়িক দায় রয়েছে ৩ কোটি ১২ লাখের বেশি।

পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ

তাঁর মোট সম্পদ ১৬ কোটি ২২ লাখের বেশি। আগের বছর ছিল ১৫ কোটির বেশি। ব্যাংক আমানত থেকে পাওয়া মুনাফা ও ডেভেলপার কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি থেকে আয় বৃদ্ধির কারণে তাঁর সম্পদ বেড়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল

তাঁর মোট সম্পদ ১ কোটি ৬০ লাখ ৯৮ হাজার ২৩২ টাকা। আগের বছর ছিল ১ কোটি ৪৮ লাখ টাকার বেশি। তাঁর স্ত্রী শীলা আহমেদের মোট সম্পদ ২ কোটি ৪৪ লাখ ৯২ হাজার ৬১৩ টাকা। আগের বছর ছিল ২ কোটি ১ লাখ টাকার বেশি।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন

তাঁর মোট সম্পদ ২ কোটি ৯৩ লাখ টাকার বেশি। আগের বছর ছিল ২ কোটি ৮৬ লাখ টাকার বেশি। তাঁর স্ত্রী জাহান আরা সিদ্দিকীর মোট সম্পদ ৩ কোটি ৬৬ লাখের বেশি, যা আগের বছর ছিল ৩ কোটি ৬৭ লাখের বেশি।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম

তাঁর মোট সম্পদ ২ কোটি ৭৭ লাখ টাকার বেশি। আগের বছর ছিল ২ কোটি ৬১ লাখের বেশি। তাঁর স্ত্রী লায়লা আরজুর সম্পদ ১ কোটি ১৩ লাখ টাকার বেশি, যা আগের বছর ছিল ১ কোটি ১১ লাখের বেশি।

গৃহায়ণ ও গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান

তাঁর মোট সম্পদ ২ কোটি ৫২ লাখ ৯৯ হাজার ২৬৯ টাকা। আগের বছর ছিল ৯৮ লাখ ২২ হাজার ৭ টাকা। উত্তরাধিকারসূত্রে গৃহসম্পত্তি ও কৃষি সম্পত্তি পাওয়ায় তাঁর নন-ফাইন্যান্সিয়াল সম্পদ বেড়েছে। তাঁর দায় রয়েছে ১ লাখ ৫৫ হাজার টাকা। তাঁর স্ত্রী সায়রা রহমান খানের সম্পদ ৫ কোটি ৮৩ লাখ ৭৮ হাজার ২৮৫ টাকা, যা আগের বছর ছিল ৫ কোটি ১৯ লাখের বেশি। তাঁর দায় রয়েছে ৯ লাখ টাকা।

খাদ্য ও ভূমি উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার

তাঁর মোট সম্পদ ৩ কোটি ৮৮ লাখ ৯৭ হাজার ৯৯৪ টাকা। আগের বছর ছিল ৩ কোটি ৩৭ লাখ টাকার বেশি।

শিক্ষা উপদেষ্টা সি আর আবরার

তাঁর মোট সম্পদ ৭ কোটি ৫৭ লাখ টাকার বেশি। আগের বছর ছিল ৭ কোটি ২ লাখের বেশি। তাঁর দায় রয়েছে ২ লাখ ৭৩ হাজারের বেশি। তাঁর স্ত্রী অধ্যাপক তাসনিম আরেফা সিদ্দিকীর মোট সম্পদ ৮ কোটি ২৯ লাখের বেশি। আগের বছর ছিল ৭ কোটি ৮২ লাখের বেশি।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান

তাঁর মোট সম্পদ ৬ কোটি ৭২ লাখ টাকার বেশি। আগের বছর ছিল ৬ কোটি ৪৭ লাখের বেশি। তাঁর স্ত্রী দিলরুবা কবিরের মোট সম্পদ ৩ কোটি ১৭ লাখ ৯৯ হাজার ৪৯০ টাকা, যা আগের বছর ছিল ৩ কোটি ৭ লাখ টাকার বেশি।

পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান

তাঁর মোট সম্পদ ১ কোটি ১২ লাখ ৭২ হাজার ৯২৪ টাকা। আগের বছর ছিল ২ কোটি ২৫ লাখ টাকার বেশি। তাঁর স্বামী আবু বকর সিদ্দিকের মোট সম্পদ ১ কোটি ৯০ লাখের বেশি, যা আগের বছর ছিল ১ কোটি ৮৯ লাখের বেশি।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক উপদেষ্টা ফারুক-ই-আজম

তাঁর মোট সম্পদ ২ কোটি ২ লাখ টাকার বেশি। আগের বছর ছিল ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকার বেশি। তাঁর স্ত্রী শামীমা ফারুকের মোট সম্পদ ৩৯ লাখ টাকার বেশি, যা আগের বছর ছিল ৩৬ লাখ টাকার বেশি।

নৌপরিবহন উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন

তাঁর মোট সম্পদ ৩ কোটি ৫১ লাখের বেশি। আগের বছর ছিল ৩ কোটি ২৪ লাখের বেশি। তাঁর স্ত্রী রেহানা খানমের মোট সম্পদ ৩৩ লাখের বেশি, যা আগের বছর ছিল ৩৪ লাখের বেশি।

স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম

তাঁর মোট সম্পদ ৬ কোটি ২৪ লাখ টাকার বেশি। আগের বছর ছিল ৬ কোটি ২০ লাখের বেশি। তাঁর স্বামী কে এম আসাদুজ্জামানের মোট সম্পদ ১ কোটি ৩৭ লাখের বেশি। আগের বছর ছিল ২ কোটি ৮৮ লাখের বেশি।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার

তাঁর মোট সম্পদ ৫ কোটি ৮৩ লাখ টাকার বেশি। আগের বছর ছিল ৪ কোটি ৪৬ লাখের বেশি। তাঁর স্ত্রী রমা সাহার মোট সম্পদ ৩ কোটি ৪০ লাখের বেশি, যা আগের বছর ছিল ৩ কোটি ১৪ লাখের বেশি।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার

২০২৪ সালে তাঁর মোট সম্পদ ছিল ৮১ লাখ ২৮ হাজার ৯২৯ টাকা। ২০২৫ সালে তা বেড়ে হয়েছে ১ কোটি ২ লাখ ২৫ হাজার ৬০ টাকা। তাঁর কোনো দায় নেই। তাঁর স্বামী এ এফ এম মজহারুল হকের সম্পদ ১ কোটি ৬ লাখ ৫৩ হাজার ৯৮১ টাকা থেকে বেড়ে ১ কোটি ১০ লাখ ২৩ হাজার ৯৪৯ টাকা হয়েছে।

সমাজকল্যাণ উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ

২০২৪ সালে তাঁর মোট সম্পদ ছিল ১০ কোটি ৬৫ লাখ ৯ হাজার ২৭৬ টাকা। ২০২৫ সালে তা হয়েছে ১০ কোটি ৯৩ লাখ ৬৪ হাজার ৭১৯ টাকা। তাঁর ব্যক্তিগত দায় ২ কোটি ৮৬ লাখ ৪৯ হাজার ২০২ টাকা থেকে কমে ১ কোটি ৯১ লাখ ৩৭ হাজার ৯২৯ টাকায় নেমেছে। তাঁর স্বামী হুমায়ুন কাদের চৌধুরীর সম্পদ ৮ কোটি ৩৫ লাখ ১৯ হাজার ২৮৬ টাকা।

ধর্ম উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেন

২০২৪ সালে তাঁর মোট সম্পদ ছিল ৮৮ লাখ ১৫ হাজার ৭৭৪ টাকা। ২০২৫ সালে তা বেড়ে হয়েছে ১ কোটি ১৩ লাখ ৯২ হাজার ১০২ টাকা। তাঁর কোনো আর্থিক দায় নেই। তাঁর স্ত্রী কামরুন্নেসা হাসিনার সম্পদ ১০ লাখ ৬১ হাজার টাকা থেকে বেড়ে ১৪ লাখ ১১ হাজার ৬০০ টাকা হয়েছে।

পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা

২০২৪ সালে তাঁর মোট সম্পদ ছিল ১ কোটি ২৬ লাখ ৩৩ হাজার ১৪১ টাকা। ২০২৫ সালে তা কমে হয়েছে ১ কোটি ৯ লাখ ৯৮ হাজার ৭৯৬ টাকা। তাঁর স্ত্রী নন্দিতা চাকমার সম্পদ ৫৮ লাখ ৭৫ হাজার টাকা।

বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন

২০২৪ সালে তাঁর মোট সম্পদ ছিল ৯১ কোটি ১০ লাখ ৯৮ হাজার ৮৪২ টাকা। ২০২৫ সালে তা বেড়ে হয়েছে ৯১ কোটি ৬৫ লাখ ১০ হাজার ৮৯৫ টাকা। তাঁর স্ত্রী ইফসিয়া মাহিনের সম্পদ ২ কোটি ১০ লাখ টাকার বেশি।

সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী

আগের বছর তাঁর মোট সম্পদ ছিল ২ কোটি ২৬ লাখ ৯২ হাজার ২৬ টাকা। ২০২৫ সালে তা কমে হয়েছে ২ কোটি ১৫ লাখ ১৮ হাজার ২৬ টাকা। তাঁর স্ত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশার সম্পদ ১ কোটি ৪০ লাখ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ২ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। তাঁর ১ কোটি টাকার দায় রয়েছে।

পদত্যাগ করা উপদেষ্টারা

সাবেক স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়ার ২০২৫ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত মোট সম্পদ ১৫ লাখ ৩৪ হাজার ৭১৭ টাকা। তাঁর দায় ২৮ হাজার ৬৬৯ টাকা। ২০২৩–২৪ অর্থবছরে তাঁর টিআইএন ছিল না।

সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলমের মোট সম্পদ ১২ লাখ ৭৬ হাজার ৮৭৯ টাকা, যা ২০২৪ সালে ছিল ৪ লাখ ২০ হাজার টাকা।

বিশেষ সহকারী ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা

প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী জেনারেল (অব.) আবদুল হাফিজের ২০২৪ সালে মোট সম্পদ ছিল ১২ কোটি ৭২ লাখ ৮৭ হাজার ৭১১ টাকা, যা বেড়ে ২০২৫ সালে হয়েছে ১৩ কোটি ৫৭ লাখ ৪৯ হাজার ৫৩৯ টাকা। তাঁর স্ত্রী ইশিতা সারওয়াতের ২ কোটি ৬১ লাখ টাকার সম্পদ রয়েছে।

অধ্যাপক আলী রীয়াজ গত বছরের ১৩ নভেম্বর উপদেষ্টার পদমর্যাদায় যোগ দেওয়ায় তাঁর সম্পদের তথ্য উল্লেখ করা হয়নি। আরেক উপদেষ্টা লুৎফে সিদ্দিকী সরকারি সুবিধা গ্রহণ করেন না বলে তাঁর সম্পদের তথ্যও প্রকাশ করা হয়নি।

জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমানের রয়েছে ৪৬ লাখ ৩৫ হাজার ৮৫০ মার্কিন ডলার ও ২২ লাখ টাকা। তাঁর মোট সম্পদের মধ্যে দেশের বাইরে অবস্থিত ইমারত, ফ্ল্যাট ও অন্যান্য অস্থাবর সম্পদের উল্লেখ রয়েছে। তাঁর দায় রয়েছে ১২ লাখ মার্কিন ডলার।

Ad 300x250

সম্পর্কিত