স্ট্রিম প্রতিবেদক

সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে ৪০ জনের বেশি প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিলের প্রতিবাদ জানিয়েছেন ভুক্তভোগী আইনজীবীরা। বর্তমান কমিটিকে ‘অবৈধ’ আখ্যা দিয়ে তাঁরা বলেছেন, এই কমিটির মনোনয়ন বাতিলের কোনো এখতিয়ার নেই। একই সঙ্গে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার অভাব এবং বিচার বিভাগের ওপর অনাস্থার কথাও জানিয়েছেন কেউ কেউ।
আজ মঙ্গলবার (৫ মে) সুপ্রিম কোর্টের অ্যানেক্স ভবনের সামনে সাংবাদিকদের কাছে নিজেদের ক্ষোভ ও হতাশা তুলে ধরেন প্রার্থিতা হারানো আইনজীবীরা।
সুপ্রিম কোর্ট বারের বর্তমান কমিটিকে ‘অবৈধ’ আখ্যা দিয়ে আইনজীবী চৈতালি চক্রবর্তী চৈতী বলেন, ‘এই কমিটি কোনো অবস্থাতেই বৈধ নয়। প্রথমত, তাঁরা কোনো অবস্থাতেই আমাদের মনোনয়ন বাতিল করতে পারেন না। সুপ্রিম কোর্ট বারে কোনো দলমত থাকে না, এখানে ব্যক্তি হিসেবে প্রাধান্য পায়।’
গণহারে মনোনয়ন বাতিলের কৈফিয়ত চেয়ে তিনি বলেন, ‘কী কারণে, কোন প্রেক্ষাপটে তাঁরা বাতিল করলেন, এই কৈফিয়ত তাঁদের কাছে আমরা চাই। তাঁরা কোনোভাবেই আমাদের মনোনয়ন বাতিল করতে পারেন না, কারণ তাঁরা নিজেরাই তো অবৈধ। একজন অবৈধ কমিটি কীভাবে আমাদের বাতিল ঘোষণা করে?’
ক্ষোভ প্রকাশ করে এই আইনজীবী আরও বলেন, ‘সুপ্রিম কোর্ট একটি পরিবার এবং এই পরিবারে আমরা সবাই একত্রিত থাকি। আপনারা আজকে ক্ষমতার বলে আমাদের মনোনয়ন বাতিল করলেন। আর যদি বাতিলই করবেন, তবে আমাদের কাছ থেকে অর্থ নিলেন কেন? অর্থটা কি আপনাদের বাবার অর্থ?’
আসন্ন বার নির্বাচনে সদস্য পদপ্রার্থী আফরোজা মাহমুদও একই ধরনের ক্ষোভ ও অভিযোগের কথা জানান। তিনি বলেন, ‘আমি যথাযথ নিয়ম মেনে দুটি মনোনয়ন ফরম দাখিল করেছি। ফরমে কোথাও আমাদের দলীয় পরিচয়ের কথা লেখা নেই। আমরা বারের টাকা যথাসময়ে জমা দিয়েছি কি না, প্রস্তাবকারীরা ভোটার কি না—এসব নিয়ম ও ভোটার তালিকা দেখেই ফরম পূরণ করে দাখিল করেছি।’
কারণ দর্শানোর নোটিস ছাড়া মনোনয়ন বাতিলের অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘গত ২৮ তারিখ আমাদের মনোনয়ন ফরম কেন বাতিল হলো, এ ব্যাপারে কোনো সদুত্তর না দিয়ে সরাসরি আমাদের অবৈধ ঘোষণা করা হলো। কী কারণে আমরা অবৈধ? ফরমে তো দলীয় পরিচয়ের কথা কোথাও লেখা নেই।’
নারী প্রার্থীদের প্রার্থিতা বাতিলের সমালোচনা করে আফরোজা মাহমুদ বলেন, ‘সর্বোচ্চ আদালতে নারী আইনজীবী হিসেবে আমাদের একটি অংশগ্রহণ থাকে। সেখানে নারী আইনজীবীদেরও এভাবে বাতিল করা হয়েছে। সেটা কতটুকু বৈধ এবং যারা করেছে তাঁদের এই কার্যক্রম সঠিক হয়েছে কি না, আপনাদের (গণমাধ্যম) কাছে সেই প্রশ্ন রেখে গেলাম।’
সংবিধান ও গঠনতন্ত্র অনুযায়ী এই মনোনয়ন বাতিলের বিরুদ্ধে কোনো আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে আইনজীবী মোতাহার হোসেন স্ট্রিমকে বলেন, ‘আইনি পদক্ষেপ তো জজ কোর্ট, হাইকোর্ট—সব তো ওদের পকেটে। কিসের আইনি পদক্ষেপ?’
নির্বাচনের বাছাই প্রক্রিয়া নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘আমরা আক্ষেপ করলাম যে এই বাছাই প্রক্রিয়া আমাদের সামনে অনুষ্ঠিত হলো না। ওইদিন সম্পাদক বলে ফেললেন, এটা তাঁর একক ক্ষমতা।’
মনোনয়ন বাতিল ও বৈধ প্রার্থীর তালিকা প্রকাশের ক্ষেত্রে অসংগতির অভিযোগ তুলে মোতাহার হোসেন সাজু বলেন, ‘বাদ গেছে বা অবৈধ যাই হোক, তার তো একটা তালিকা টাঙাবে, সেটা টাঙায়নি। কিন্তু বৈধ প্রার্থীর তালিকার মধ্যে দেখলাম আবার নির্বাচন উপকমিটির আহ্বায়ক মেফতাহ উদ্দিনের স্বাক্ষর। তাহলে এটা কী হচ্ছে? সাপ-ব্যাঙের খেলা হচ্ছে না?’

সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে ৪০ জনের বেশি প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিলের প্রতিবাদ জানিয়েছেন ভুক্তভোগী আইনজীবীরা। বর্তমান কমিটিকে ‘অবৈধ’ আখ্যা দিয়ে তাঁরা বলেছেন, এই কমিটির মনোনয়ন বাতিলের কোনো এখতিয়ার নেই। একই সঙ্গে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার অভাব এবং বিচার বিভাগের ওপর অনাস্থার কথাও জানিয়েছেন কেউ কেউ।
আজ মঙ্গলবার (৫ মে) সুপ্রিম কোর্টের অ্যানেক্স ভবনের সামনে সাংবাদিকদের কাছে নিজেদের ক্ষোভ ও হতাশা তুলে ধরেন প্রার্থিতা হারানো আইনজীবীরা।
সুপ্রিম কোর্ট বারের বর্তমান কমিটিকে ‘অবৈধ’ আখ্যা দিয়ে আইনজীবী চৈতালি চক্রবর্তী চৈতী বলেন, ‘এই কমিটি কোনো অবস্থাতেই বৈধ নয়। প্রথমত, তাঁরা কোনো অবস্থাতেই আমাদের মনোনয়ন বাতিল করতে পারেন না। সুপ্রিম কোর্ট বারে কোনো দলমত থাকে না, এখানে ব্যক্তি হিসেবে প্রাধান্য পায়।’
গণহারে মনোনয়ন বাতিলের কৈফিয়ত চেয়ে তিনি বলেন, ‘কী কারণে, কোন প্রেক্ষাপটে তাঁরা বাতিল করলেন, এই কৈফিয়ত তাঁদের কাছে আমরা চাই। তাঁরা কোনোভাবেই আমাদের মনোনয়ন বাতিল করতে পারেন না, কারণ তাঁরা নিজেরাই তো অবৈধ। একজন অবৈধ কমিটি কীভাবে আমাদের বাতিল ঘোষণা করে?’
ক্ষোভ প্রকাশ করে এই আইনজীবী আরও বলেন, ‘সুপ্রিম কোর্ট একটি পরিবার এবং এই পরিবারে আমরা সবাই একত্রিত থাকি। আপনারা আজকে ক্ষমতার বলে আমাদের মনোনয়ন বাতিল করলেন। আর যদি বাতিলই করবেন, তবে আমাদের কাছ থেকে অর্থ নিলেন কেন? অর্থটা কি আপনাদের বাবার অর্থ?’
আসন্ন বার নির্বাচনে সদস্য পদপ্রার্থী আফরোজা মাহমুদও একই ধরনের ক্ষোভ ও অভিযোগের কথা জানান। তিনি বলেন, ‘আমি যথাযথ নিয়ম মেনে দুটি মনোনয়ন ফরম দাখিল করেছি। ফরমে কোথাও আমাদের দলীয় পরিচয়ের কথা লেখা নেই। আমরা বারের টাকা যথাসময়ে জমা দিয়েছি কি না, প্রস্তাবকারীরা ভোটার কি না—এসব নিয়ম ও ভোটার তালিকা দেখেই ফরম পূরণ করে দাখিল করেছি।’
কারণ দর্শানোর নোটিস ছাড়া মনোনয়ন বাতিলের অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘গত ২৮ তারিখ আমাদের মনোনয়ন ফরম কেন বাতিল হলো, এ ব্যাপারে কোনো সদুত্তর না দিয়ে সরাসরি আমাদের অবৈধ ঘোষণা করা হলো। কী কারণে আমরা অবৈধ? ফরমে তো দলীয় পরিচয়ের কথা কোথাও লেখা নেই।’
নারী প্রার্থীদের প্রার্থিতা বাতিলের সমালোচনা করে আফরোজা মাহমুদ বলেন, ‘সর্বোচ্চ আদালতে নারী আইনজীবী হিসেবে আমাদের একটি অংশগ্রহণ থাকে। সেখানে নারী আইনজীবীদেরও এভাবে বাতিল করা হয়েছে। সেটা কতটুকু বৈধ এবং যারা করেছে তাঁদের এই কার্যক্রম সঠিক হয়েছে কি না, আপনাদের (গণমাধ্যম) কাছে সেই প্রশ্ন রেখে গেলাম।’
সংবিধান ও গঠনতন্ত্র অনুযায়ী এই মনোনয়ন বাতিলের বিরুদ্ধে কোনো আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে আইনজীবী মোতাহার হোসেন স্ট্রিমকে বলেন, ‘আইনি পদক্ষেপ তো জজ কোর্ট, হাইকোর্ট—সব তো ওদের পকেটে। কিসের আইনি পদক্ষেপ?’
নির্বাচনের বাছাই প্রক্রিয়া নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘আমরা আক্ষেপ করলাম যে এই বাছাই প্রক্রিয়া আমাদের সামনে অনুষ্ঠিত হলো না। ওইদিন সম্পাদক বলে ফেললেন, এটা তাঁর একক ক্ষমতা।’
মনোনয়ন বাতিল ও বৈধ প্রার্থীর তালিকা প্রকাশের ক্ষেত্রে অসংগতির অভিযোগ তুলে মোতাহার হোসেন সাজু বলেন, ‘বাদ গেছে বা অবৈধ যাই হোক, তার তো একটা তালিকা টাঙাবে, সেটা টাঙায়নি। কিন্তু বৈধ প্রার্থীর তালিকার মধ্যে দেখলাম আবার নির্বাচন উপকমিটির আহ্বায়ক মেফতাহ উদ্দিনের স্বাক্ষর। তাহলে এটা কী হচ্ছে? সাপ-ব্যাঙের খেলা হচ্ছে না?’

বায়ুবিদ্যুৎ উৎপাদনে পাঁচ কেন্দ্রের তিনটিই অচল। ব্যবহারযোগ্য দুটির মধ্যে একটিতে মিলছে বিদ্যুৎ। এমন অবস্থায় বিএনপি সরকার নতুন প্রকল্পের উদ্যোগ নিয়েছে। সমুদ্র ও উপকূলীয় এলাকায় বায়ুবিদ্যুতের সম্ভাবনা যাচাই করতে পাঁচটি সমীক্ষার পরিকল্পনা করেছে সরকারের বিদ্যুৎ বিভাগ।
২ ঘণ্টা আগে
দোকান থেকে খাবার কেনার সময় অধিকাংশ মানুষই প্যাকেটের গায়ে লেখা তথ্য গুরুত্ব দিয়ে দেখেন না। ফলে খাবারে অতিরিক্ত চিনি, লবণ বা চর্বি আছে কি না, তা অনেকেরই অজানা থেকে যায়।
৩ ঘণ্টা আগে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) ‘পঞ্চম সুফিয়া কামাল স্মারক বিতর্কে’ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে জগন্নাথ হল। শনিবার (৯) মে বিশ্ববিদ্যালয়ের কবি সুফিয়া কামাল হল ডিবেটিং ক্লাবের উদ্যোগে এই প্রতিযোগিতায় জগন্নাথ হলের তার্কিক সংগঠন বিজয়ী হয়। এর মধ্য দিয়ে শেষ হয় দুদিনের বিতর্ক প্রতিযোগিতা।
৩ ঘণ্টা আগে
গাজীপুর মহানগরীর পূবাইলের মেঘডুবি এলাকায় পান দোকানি শেফালী বেগম কুলসুম (৪৬) হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) গাজীপুর জেলা।
৩ ঘণ্টা আগে