মমতার ১৫ বছর: একটু একটু করে ভেঙেছে বালির বাঁধ

প্রকাশ : ০৫ মে ২০২৬, ১৯: ৩৩
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সংগৃহীত ছবি

“বুদ্ধ আসছে জমি কাড়তে”

এই স্লোগানে, সিঙ্গুর-নন্দীগ্রামের জমি আন্দোলনের তীব্রতা সঙ্গে নিয়ে ২০১১ সালে বাংলায় ক্ষমতায় এসেছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ৩৪ বছরের বাম শাসনের বিরুদ্ধে তখন রাজ্যে জমে থাকা ক্ষোভ ছিল প্রবল। সিঙ্গুর ও নন্দীগ্রামের জমি আন্দোলনই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক উত্থানের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। ২০০৬ সালে সিঙ্গুরে টাটা মোটোর্সের কারখানার জন্য উর্বর কৃষিজমি অধিগ্রহণের বিরুদ্ধে তিনি অনশনে বসেন।

তারপর ২০০৭ সালে নন্দীগ্রামে কেমিক্যাল হাবের জমি অধিগ্রহণ ঠেকাতে গ্রামবাসীদের আন্দোলনে পাশে দাঁড়ান। ১৪ মার্চ পুলিশের গুলিতে ১৪ জনের মৃত্যু রাজ্যজুড়ে ক্ষোভ ছড়ায়। কৃষকের জমি, গরিবের অধিকার, রাষ্ট্রীয় দমন—এই তিন ইস্যুকে হাতিয়ার করেই মমতা নিজেকে লড়াকু, আপসহীন, সাধারণ মানুষের নেত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেন। ২০১১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে সেই বিশ্বাসই ভোটে বিস্ফোরিত হয়েছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোথায় হারালেন বাংলার সেই আস্থা?

২০১১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস একাই প্রায় ৩৯ শতাংশ ভোট পায়, কংগ্রেস জোট মিলিয়ে সেই ভোট ৪৮ শতাংশেরও বেশি। তৃণমূল এককভাবে ১৮৪টি আসন জিতে নেয়, আর শেষ হয়ে যায় ৩৪ বছরের বামফ্রন্ট শাসন। বাম আমলের ক্লান্তি, শিল্প না থাকা, কৃষিজমি নিয়ে ক্ষোভ—সব কিছুর বিরুদ্ধে মানুষ মমতার কাছে এক সম্ভাবনা আশা দেখেছিল।

ক্ষমতায় এসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় খুব দ্রুত বুঝেছিলেন, শুধু আন্দোলনের রাজনীতি দিয়ে সরকার চালানো যায় না; মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছাতে হলে দরকার সরাসরি সামাজিক সুরক্ষা। সেই জায়গা থেকেই একে একে আসে কন্যাশ্রী, রূপশ্রী, স্বাস্থ্যসাথী, দুয়ারে সরকার, আর পরে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের মতো প্রকল্প।

মমতার রাজনৈতিক যাত্রা শুরু হয়েছিল মানুষের আস্থা দিয়ে। কিন্তু ১৫ বছরের শেষে এসে সেই আস্থার জায়গায় অনেকের মনে জমেছে প্রশ্ন, সরকার কি মানুষের, না কি দলের? প্রকল্প আছে, কিন্তু স্বচ্ছতা কোথায়? ভাতা আছে, কিন্তু কাজ কোথায়? এই প্রশ্নগুলির উত্তর দিতে না পারার ফলেই তৃণমূলের ভিত ভেঙেছে।

মমতার নিন্দুকেরাও তাঁর জনমোহিনী প্রকল্প নিয়ে সুনাম করে থাকেন। কন্যাশ্রী মেয়েদের পড়াশোনা চালিয়ে যেতে উৎসাহ দেয়, রূপশ্রী গরিব পরিবারের বিয়ের খরচে সাহায্য করে, স্বাস্থ্যসাথী চিকিৎসা বিমার ভরসা দেয়, আর লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়মিত নগদ সহায়তার মাধ্যমে গ্রামীণ নারীদের হাতে সরাসরি টাকা পৌঁছে দেয়। এই প্রকল্পগুলি বাংলার নিম্নবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারে প্রভাব ফেলেছিল। বিশেষ করে নারীদের মধ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গ্রহণযোগ্যতা বিপুলভাবে বেড়ে যায়।

কিন্তু রাজনৈতিক সাফল্যের এই ছবির আড়ালেই ধীরে ধীরে জমতে শুরু করে আর এক বাস্তবতা—দুর্নীতির অভিযোগ, প্রশাসনিক ক্লান্তি, স্থানীয় স্তরে দাদাগিরি এবং ক্ষমতার কেন্দ্রীভবন। ২০১৩ সালে সারদা চিটফান্ড কেলেঙ্কারি প্রথম বড় ধাক্কা দেয়। লক্ষ লক্ষ ছোট আমানতকারীর সঞ্চয় ডুবে যায়। শুধু আর্থিক প্রতারণা নয়, এই কেলেঙ্কারির সঙ্গে শাসকদলের কয়েকজন নেতার নাম ঘুরতে থাকায় মানুষের মনে সন্দেহ তৈরি হয়। প্রশ্ন ওঠে, রাজনৈতিক ছত্রছায়া ছাড়া এত বড় প্রতারণা সম্ভব?

সারদার ধাক্কা কাটতে না কাটতেই সামনে আসে রোজভ্যালি। আবারও দেখা গেল একই ছবি—সাধারণ মানুষ তাঁদের বহু দিনের কষ্টের সঞ্চয় হারালেন, আর সেই আর্থিক সংস্থাকে ঘিরে উঠল শাসকদলের সঙ্গে যোগাযোগের অভিযোগ। মানুষের ক্ষোভ শুধু প্রতারণার বিরুদ্ধে ছিল না, প্রশ্ন উঠেছে রাজনৈতিক আশ্রয়-প্রশ্রয় নিয়েও। বহু মানুষ বলছেন, টাকা ফেরতের আশায় তাঁরা ভরসা করেছিলেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত সবই উধাও। আর প্রতিবারের মতো এবারও বিতর্কের কেন্দ্রে চলে এসেছে ক্ষমতাসীন দলের সঙ্গে ওই সংস্থার সম্পর্কের বিষয়টি।

২০১৬ সালে নারদা স্টিং সেই সন্দেহকে আরও স্পষ্ট করে দেয়। গোপন ক্যামেরায় তৃণমূলের একাধিক শীর্ষ নেতা, সাংসদ, মন্ত্রীকে নগদ টাকা নিতে দেখা যায়। এই ছবি জনমানসে ভয়ংকর প্রভাব ফেলে। প্রকাশ্যে আসা ভিডিও এবং পরে সিবিআইয়ের এফআইআরে যাঁদের নাম বিশেষভাবে উঠে আসে, তাঁদের মধ্যে ছিলেন: মুকুল রায়, মদন মিত্র, সৌগত রায়, ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, শোভন চট্টোপাধ্যায়, শুভেন্দু অধিকারী, কাকলি ঘোষ দস্তিদার, অপরূপা পোদ্দার, সুলতান আহমেদ, প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়, ইকবাল আহমেদ।

বিরোধীরা তখন থেকেই তৃণমূলকে 'দুর্নীতির প্রাতিষ্ঠানিক মুখ' বলে আক্রমণ করতে শুরু করে। এরপর ২০২০ সালে কয়লা পাচার কাণ্ড, ২০২২ সালে গরু পাচার কাণ্ড দু'ক্ষেত্রেই ইডি ও সিবিআই তদন্তে রাজনৈতিক যোগের অভিযোগ সামনে আসে। কয়লা পাচার মামলায় এখনও সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত, নতুন চার্জশিট, জেরা চলছে। গরু পাচার মামলায় অনুব্রত মণ্ডলের গ্রেফতার, পরে জামিনের মতো একের পর এক ঘটনা তৃণমূলের জেলা স্তরের সংগঠন যে কত গভীর আর্থিক অভিযোগে জড়িয়েছে, তা স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

সবচেয়ে বড় বিস্ফোরণ ঘটে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে। ২০১৬ সালের এসএসসি নিয়োগপ্রক্রিয়া থেকেই অনিয়মের অভিযোগ উঠছিল। অভিযোগ, যাঁরা সত্যিই যোগ্য, তাঁদের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে; আর যাঁদের প্রাপ্য ছিল না, তাঁদের চাকরি পাইয়ে দেওয়া হয়েছে। ওএমআর শিটে কারচুপি, নম্বর বদল, ইন্টারভিউয়ের মার্কস পাল্টে দেওয়ার মতো ঘটনা গোটা নিয়োগ প্রক্রিয়াকে নিয়েই প্রশ্ন তুলে দিয়েছিল। মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়েই এই চাকরি বিক্রি হয়েছে, এমন অভিযোগও সামনে আসে।

বিরোধীরা তখন থেকেই তৃণমূলকে 'দুর্নীতির প্রাতিষ্ঠানিক মুখ' বলে আক্রমণ করতে শুরু করে। এরপর ২০২০ সালে কয়লা পাচার কাণ্ড, ২০২২ সালে গরু পাচার কাণ্ড দু'ক্ষেত্রেই ইডি ও সিবিআই তদন্তে রাজনৈতিক যোগের অভিযোগ সামনে আসে।

২০২২ সালে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের গ্রেফতারের পর তাঁর ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের দুটি ফ্ল্যাটে ইডি তল্লাশি চালিয়ে প্রথমে প্রায় ২০ কোটি টাকা, পরে আরও প্রায় ২৯ কোটি টাকা নগদ উদ্ধার করে। সব মিলিয়ে শুধু নগদ টাকাই প্রায় ৫০ কোটি টাকার কাছাকাছি ছিল। এর সঙ্গে মিলেছিল সোনার গয়না, বিদেশি মুদ্রা এবং একাধিক সম্পত্তির নথিও। পরে তদন্তকারী সংস্থার হিসেব অনুযায়ী নগদ, গয়না ও অন্যান্য সম্পদ মিলিয়ে উদ্ধার হওয়া সম্পদের অঙ্ক আরও বেড়ে যায়।

এই ঘটনায় শিক্ষিত বেকার যুবকদের মধ্যে ক্ষোভ আরও বাড়ে। ২০২৫ সালে সুপ্রিম কোর্ট ২৫ হাজারের বেশি শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মীর চাকরি বাতিল করে জানায়, পুরো নিয়োগপ্রক্রিয়াই বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়েছে।

এর সঙ্গে যুক্ত হয় রেশন দুর্নীতি। ২০২৩ সালে প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক গ্রেফতার হন। অভিযোগ ওঠে, গরিবের চাল-গমের বণ্টন নিয়েও বড় চক্র কাজ করেছে। রেশন দোকান, গুদাম, মিলমালিক, রাজনৈতিক ঘনিষ্ঠ—এক বিস্তৃত নেটওয়ার্কের তদন্ত শুরু হয়। অর্থাৎ সাধারণ মানুষের মুখের অন্ন নিয়েও দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসে।

এর পাশাপাশি কাটমানি আর সিন্ডিকেট রাজের অভিযোগও ধীরে ধীরে বাংলার গ্রাম-শহরে ছড়িয়ে পড়ে। ২০১১-র পর থেকেই পঞ্চায়েত স্তরে বহু মানুষের অভিযোগ ছিল, সরকারি সুবিধা পেতে গেলেই টাকা দিতে হচ্ছে। আবাস যোজনায় নাম তুলতে টাকা, ১০০ দিনের কাজের মজুরি পেতে কমিশন, এমনকি ছোটখাটো সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পেতেও স্থানীয় নেতার অনুমতি বা সুপারিশ দরকার, এমন অভিযোগ বারবার সামনে আসে।

একই সঙ্গে বালি, ইট, সিমেন্ট, নির্মাণসামগ্রী, ঠিকাদারি—সব ক্ষেত্রেই দলঘনিষ্ঠ সিন্ডিকেটের দাপট বাড়ে। সাধারণ মানুষের মধ্যে একটা ধারণা তৈরি হয়, দল ছাড়া কাজ হয় না। ২০১৯ সালে ক্ষোভ এতটাই বেড়ে যায় যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই কাটমানি ফেরত দেওয়ার কথা বলেন। যদিও সেই টাকা মেলেনি।

এই দুর্নীতির আবহের মধ্যে আরও বড় হয়ে ওঠে কর্মসংস্থানের সংকট। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বিরোধীদের অন্যতম অভিযোগ ছিল, ১৫ বছরেও বড় শিল্প বিনিয়োগ আসেনি। সিঙ্গুর-নন্দীগ্রামের আন্দোলনের রাজনৈতিক লাভ হয়েছিল ঠিকই, কিন্তু শিল্প নিয়ে সেই অনীহা বা অনিশ্চয়তার দীর্ঘ প্রভাব বাংলার অর্থনীতিতে পড়ে। নতুন বড় কারখানা হয়নি, উৎপাদনমুখী শিল্পাঞ্চল তৈরি হয়নি, তথ্যপ্রযুক্তির বিস্তার সীমিত থেকেছে। ফলে উচ্চশিক্ষিত তরুণ-তরুণীদের বড় অংশকে কাজের খোঁজে বেঙ্গালুরু, পুনে, হায়দরাবাদ, দিল্লি, বিদেশে যেতে হয়েছে। বাংলায় পড়াশোনা করেও বাংলায় কাজ নেই—এই হতাশা যুবসমাজে তৃণমূলবিরোধী ক্ষোভ বাড়িয়েছে। তার উপর যখন শোনা গেল চাকরিও টাকায় বিক্রি হয়েছে, তখন ক্ষোভ আরও তীব্র হয়।

নারী ভোট ছিল মমতার সবচেয়ে শক্তিশালী ভিত্তি। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, কন্যাশ্রী, রূপশ্রী—এসব প্রকল্পে নারীরা সরাসরি উপকৃত হয়েছেন। কিন্তু শেষ কয়েক বছরে নারী নিরাপত্তা বড় প্রশ্ন হয়ে ওঠে। একের পর এক নারী হেনস্থা, ধর্ষণ, যৌন নির্যাতন, ব্ল্যাকমেলের ঘটনা সামনে আসে। আরজি কর কাণ্ড রাজ্যজুড়ে ক্ষোভ তৈরি করে। নারী ভোটারদের মধ্যে প্রশ্ন ওঠে, শুধু মাসে টাকা পেলেই কি হবে, যদি নিরাপত্তা না থাকে? যদি প্রশাসনের উপর ভরসা না থাকে? এই পরিবর্তন তৃণমূলের জন্য বিপজ্জনক ছিল।

অন্যদিকে, দীর্ঘদিন তৃণমূলের আরও এক শক্ত ঘাঁটি ছিল মুসলিম ভোট। কিন্তু শেষ কয়েক বছরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনীতিতে নরম হিন্দুত্বের ছাপ স্পষ্ট হতে থাকে। ২০২৫ সালে দীঘায় জগন্নাথ ধামের উদ্বোধন, নিউ টাউনে দুর্গা অঙ্গন প্রকল্প, ২০২৬-এর শুরুতে শিলিগুড়িতে মহাকাল মন্দির কমপ্লেক্স—এই পরপর মন্দিরমুখী উদ্যোগ রাজনৈতিক বার্তা দেয়। প্রশ্ন ওঠে, বিজেপির হিন্দুত্বের মোকাবিলায় তৃণমূলও কি ধর্মীয় প্রতীকের আশ্রয় নিচ্ছে? এই প্রশ্ন সংখ্যালঘু ভোটারদের একাংশের মধ্যে অস্বস্তি তৈরি করে। আগের মতো এককাট্টা সমর্থন আর দেখা যায় না।

এই ক্ষয়ের সবচেয়ে বড় প্রমাণ মিলেছে জঙ্গলমহলে। একসময় জঙ্গলমহল ছিল তৃণমূল কংগ্রেসের সবচেয়ে শক্ত ঘাঁটিগুলির একটি। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ঝাড়গ্রামের চারটি আসনের চারটিতেই জিতেছিল তৃণমূল। পশ্চিম মেদিনীপুরে ১৫টির মধ্যে ১৩টি, পুরুলিয়ায় ৯টির মধ্যে ৩টি এবং বাঁকুড়ায় ১২টির মধ্যে ৪টি আসন দখলে ছিল শাসকদলের। কিন্তু ২০২৬-এর নির্বাচনি ফল একেবারে উল্টো ছবি সামনে আনল। ঝাড়গ্রামে চারটির একটিও রাখতে পারল না তৃণমূল। পশ্চিম মেদিনীপুরে ১৫টির মধ্যে নেমে এল মাত্র ২-এ। পুরুলিয়ায় পুরোপুরি শূন্য, ৯টির একটিও নেই। বাঁকুড়ায় ১২টির মধ্যে মাত্র ১টি আসনে জিতেছে দল।

মমতার রাজনৈতিক যাত্রা শুরু হয়েছিল মানুষের আস্থা দিয়ে। কিন্তু ১৫ বছরের শেষে এসে সেই আস্থার জায়গায় অনেকের মনে জমেছে প্রশ্ন, সরকার কি মানুষের, না কি দলের? প্রকল্প আছে, কিন্তু স্বচ্ছতা কোথায়? ভাতা আছে, কিন্তু কাজ কোথায়? এই প্রশ্নগুলির উত্তর দিতে না পারার ফলেই তৃণমূলের ভিত ভেঙেছে।

সম্পর্কিত