স্ট্রিম ডেস্ক

দীর্ঘ এক দশকের বেশি সময় ধরে তিস্তা পানি বণ্টন চুক্তি আটকে ছিল পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কঠোর আপত্তিতে। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির আসন্ন জয় এই সমীকরণকে আমূল বদলে দেবে? এখন ভারতের কেন্দ্র ও রাজ্য—উভয় স্তরেই একই দলের শাসন হতে চলেছে। তাই চুক্তির পথে থাকা দীর্ঘদিনের ‘রাজনৈতিক বাধা’ দূর হয়েছে বলে মনে হতে পারে।
তবে এই জয় কি আসলেই বাংলাদেশের জন্য পানির নিশ্চয়তা আনবে, নাকি দিল্লির মহাপ্রকল্পের আড়ালে পরিস্থিতি আরও জটিল হবে, তা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পশ্চিমবঙ্গের একটি সূত্র মতে, তাদের বিজয়ে দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা তিস্তা চুক্তি আর আলোর মুখ দেখবে না। কেন্দ্রীয় সরকার ইতিমধ্যেই তাদের বহু আকাঙ্ক্ষিত ন্যাশনাল রিভার ইন্টারলিংকিং প্রজেক্টের (এনএলআরপি) আওতায় গঙ্গা-তিস্তা আন্তসংযোগ প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই শেষ করেছে, যদিও এখনও প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি।
এনএলআরপি ন্যাশনাল পার্সপেক্টিভ প্ল্যান নামেও পরিচিত। এটা ভারতের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত ৩৭টি নদীকে ৩০টি সংযোগের মাধ্যমে প্রায় ৩০০০ জলাধার নির্মাণ করার প্রকল্প। ১৮৫০ সালে ব্রিটিশ ইঞ্জিনিয়ার আর্থার কটন এই প্রকল্পের ভাবনা তুলে ধরলেও ১৯৭২ সালে ভারতের তৎকালীন মন্ত্রী কে এল রাও এই প্রকল্পের ভাবনাকে আবার পুনঃজীবিত করেন।
পরবর্তী সময়ে ১৯৮০ সালে জাতীয় পার্সপেকটিভ প্ল্যান (এনপিপি)-এর আওতায় উদ্যোগটি শুরু হয়। ১৯৮২ সালে নদী সংযোগের সম্ভাব্যতা যাচাই করার জন্য ন্যাশনাল ওয়াটার ডেভেলপমেন্ট এজেন্সি (এনডব্লিউডিএ) গঠন করা হয়। এরপর ২০২১ সালে কেন্দ্রীয় সরকার এনপিপি বাস্তবায়নের জন্য সর্বোচ্চ বাস্তবায়নকারী সংস্থা হিসেবে ন্যাশনাল ইন্টারলিঙ্কিং অব রিভার্স অথরিটি (এনআইআরএ) প্রস্তাব করে।
বাংলাদেশ সরকার শুরু থেকেই এই প্রকল্প নিয়ে আপত্তি জানিয়ে আসছিল। এবার এই প্রকল্প বাস্তবায়ন বাংলাদেশের মানুষের বহু আকাঙ্ক্ষিত তিস্তা চুক্তিকে আরও অনিশ্চিত করে তুলতে যাচ্ছে।
২০১১ সালে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের ঢাকা সফরের সময় তিস্তা চুক্তি সই হওয়ার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপত্তিতে তা ভেস্তে যায়। এরপর থেকে বারবারই ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার মমতার ওপর দায় চাপিয়ে তিস্তা চুক্তি থেকে বিরত থেকেছে। এখন পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির জয়ের ফলে সেই অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অজুহাতের আর কোনো জায়গা নেই।
নয়াদিল্লির মোদি সরকার এখন একক সিদ্ধান্তেই বাংলাদেশের সাথে পানি বণ্টন চুক্তিতে পৌঁছাতে পারে। বিজেপি উত্তরবঙ্গের কৃষকদের ভোট নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে। তাই তাদের জন্য স্থানীয় স্বার্থ রক্ষা করা জরুরি। বাংলাদেশের সাথে সম্পর্কের উন্নয়ন এবং চীনের প্রভাব কমানোও এখন বড় কৌশলগত অগ্রাধিকার।
তিস্তা নিয়ে দিল্লির আগ্রহ কেবল পানি বণ্টনেই সীমাবদ্ধ নেই। বাংলাদেশে তিস্তা নদীর নাব্যতা রক্ষা ও ভাঙন রোধে চীনের প্রস্তাবিত ১০০ কোটি ডলারের ‘মহাপরিকল্পনা’ ভারতকে চিন্তায় ফেলেছে। শিলিগুড়ি করিডোর বা ‘চিকেন’স নেক’-এর এত কাছে চীনের উপস্থিতি ভারতের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হিসেবে দেখছে নয়াদিল্লি।
পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর দিল্লি এখন অনেক বেশি আগ্রাসীভাবে বাংলাদেশে তিস্তা প্রকল্প ব্যবস্থাপনায় যুক্ত হতে চাইবে। তবে বাংলাদেশের জন্য চিন্তার বিষয় হলো, ভারত কি কেবল ‘নদী ব্যবস্থাপনা’ বা ড্রেজিংয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে? নাকি আন্তর্জাতিক আইন মেনে পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করবে। কারণ, পানি ছাড়া কেবল নদী ব্যবস্থাপনা বাংলাদেশের জন্য খুব একটা সুফল বয়ে আনবে না।
পশ্চিমবঙ্গের এই রাজনৈতিক পটপরিবর্তন বাংলাদেশের জন্য নতুন উদ্বেগেরও জন্ম দিয়েছে। ভারতের দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা হলো ‘জাতীয় নদী সংযোগ প্রকল্প’। এর অন্যতম অংশ হলো মানস-সংকোষ-তিস্তা-গঙ্গা (এমএসটিজি) সংযোগ। এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হলো ব্রহ্মপুত্র অববাহিকার পানি সরিয়ে ভারতের দক্ষিণ ও পশ্চিমাঞ্চলীয় খরাপ্রবণ রাজ্যগুলোতে নিয়ে যাওয়া। ফলে আশঙ্কা তৈরি হয়, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির এই একক নিয়ন্ত্রণ সেই নদী সংযোগ প্রকল্পকে আরও ত্বরান্বিত করতে পারে। যদি মানস ও সংকোষ নদী থেকে পানি সরিয়ে নেওয়া হয়, তবে তিস্তায় পানি বাড়লেও যমুনা ও পদ্মায় পানির প্রবাহ মারাত্মকভাবে কমে যাবে। অর্থাৎ, ভারত হয়তো তিস্তা চুক্তির কথা বলে বাংলাদেশকে শান্ত রাখতে চাইবে, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে নদী সংযোগের মাধ্যমে পুরো অঞ্চলের পানি প্রবাহকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেবে।
বিএনপি সরকার তিস্তা চুক্তিকে তাদের অন্যতম অগ্রাধিকার হিসেবে ঘোষণা করেছে। তবে ভারতের পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ঢাকার সামনে চ্যালেঞ্জটি দ্বিমুখী। একদিকে পশ্চিমবঙ্গের নতুন সরকারের কাছ থেকে পানির গ্যারান্টি আদায় করা, অন্যদিকে দিল্লির বিশাল নদী সংযোগ প্রকল্পের বিরূপ প্রভাব থেকে নিজেদের রক্ষা করা।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদি উজানে ব্রহ্মপুত্রের পানি সরিয়ে নেওয়া হয়, তাহলে কেবল তিস্তা চুক্তি দিয়ে বাংলাদেশের পানির সংকট মিটবে না। ভারত যদি অববাহিকাভিত্তিক ব্যবস্থাপনার কথা বলে প্রকৃত পানি প্রবাহ কমিয়ে দেয়, তাহলে কী হবে? তাহলে বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল থেকে শুরু করে উপকূলীয় অঞ্চলের বাস্তুসংস্থানের জন্য মরণফাঁদ হয়ে দাঁড়াতে পারে। শেষ পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের এই জয় বাংলাদেশের জন্য আশীর্বাদ হবে নাকি অভিশাপ? এর উত্তর নির্ভর করছে ভারত নদীগুলোকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করবে, নাকি অভিন্ন প্রাকৃতিক সম্পদ হিসেবে সম্মান করবে তার ওপর।

দীর্ঘ এক দশকের বেশি সময় ধরে তিস্তা পানি বণ্টন চুক্তি আটকে ছিল পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কঠোর আপত্তিতে। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির আসন্ন জয় এই সমীকরণকে আমূল বদলে দেবে? এখন ভারতের কেন্দ্র ও রাজ্য—উভয় স্তরেই একই দলের শাসন হতে চলেছে। তাই চুক্তির পথে থাকা দীর্ঘদিনের ‘রাজনৈতিক বাধা’ দূর হয়েছে বলে মনে হতে পারে।
তবে এই জয় কি আসলেই বাংলাদেশের জন্য পানির নিশ্চয়তা আনবে, নাকি দিল্লির মহাপ্রকল্পের আড়ালে পরিস্থিতি আরও জটিল হবে, তা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পশ্চিমবঙ্গের একটি সূত্র মতে, তাদের বিজয়ে দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা তিস্তা চুক্তি আর আলোর মুখ দেখবে না। কেন্দ্রীয় সরকার ইতিমধ্যেই তাদের বহু আকাঙ্ক্ষিত ন্যাশনাল রিভার ইন্টারলিংকিং প্রজেক্টের (এনএলআরপি) আওতায় গঙ্গা-তিস্তা আন্তসংযোগ প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই শেষ করেছে, যদিও এখনও প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি।
এনএলআরপি ন্যাশনাল পার্সপেক্টিভ প্ল্যান নামেও পরিচিত। এটা ভারতের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত ৩৭টি নদীকে ৩০টি সংযোগের মাধ্যমে প্রায় ৩০০০ জলাধার নির্মাণ করার প্রকল্প। ১৮৫০ সালে ব্রিটিশ ইঞ্জিনিয়ার আর্থার কটন এই প্রকল্পের ভাবনা তুলে ধরলেও ১৯৭২ সালে ভারতের তৎকালীন মন্ত্রী কে এল রাও এই প্রকল্পের ভাবনাকে আবার পুনঃজীবিত করেন।
পরবর্তী সময়ে ১৯৮০ সালে জাতীয় পার্সপেকটিভ প্ল্যান (এনপিপি)-এর আওতায় উদ্যোগটি শুরু হয়। ১৯৮২ সালে নদী সংযোগের সম্ভাব্যতা যাচাই করার জন্য ন্যাশনাল ওয়াটার ডেভেলপমেন্ট এজেন্সি (এনডব্লিউডিএ) গঠন করা হয়। এরপর ২০২১ সালে কেন্দ্রীয় সরকার এনপিপি বাস্তবায়নের জন্য সর্বোচ্চ বাস্তবায়নকারী সংস্থা হিসেবে ন্যাশনাল ইন্টারলিঙ্কিং অব রিভার্স অথরিটি (এনআইআরএ) প্রস্তাব করে।
বাংলাদেশ সরকার শুরু থেকেই এই প্রকল্প নিয়ে আপত্তি জানিয়ে আসছিল। এবার এই প্রকল্প বাস্তবায়ন বাংলাদেশের মানুষের বহু আকাঙ্ক্ষিত তিস্তা চুক্তিকে আরও অনিশ্চিত করে তুলতে যাচ্ছে।
২০১১ সালে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের ঢাকা সফরের সময় তিস্তা চুক্তি সই হওয়ার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপত্তিতে তা ভেস্তে যায়। এরপর থেকে বারবারই ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার মমতার ওপর দায় চাপিয়ে তিস্তা চুক্তি থেকে বিরত থেকেছে। এখন পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির জয়ের ফলে সেই অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অজুহাতের আর কোনো জায়গা নেই।
নয়াদিল্লির মোদি সরকার এখন একক সিদ্ধান্তেই বাংলাদেশের সাথে পানি বণ্টন চুক্তিতে পৌঁছাতে পারে। বিজেপি উত্তরবঙ্গের কৃষকদের ভোট নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে। তাই তাদের জন্য স্থানীয় স্বার্থ রক্ষা করা জরুরি। বাংলাদেশের সাথে সম্পর্কের উন্নয়ন এবং চীনের প্রভাব কমানোও এখন বড় কৌশলগত অগ্রাধিকার।
তিস্তা নিয়ে দিল্লির আগ্রহ কেবল পানি বণ্টনেই সীমাবদ্ধ নেই। বাংলাদেশে তিস্তা নদীর নাব্যতা রক্ষা ও ভাঙন রোধে চীনের প্রস্তাবিত ১০০ কোটি ডলারের ‘মহাপরিকল্পনা’ ভারতকে চিন্তায় ফেলেছে। শিলিগুড়ি করিডোর বা ‘চিকেন’স নেক’-এর এত কাছে চীনের উপস্থিতি ভারতের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হিসেবে দেখছে নয়াদিল্লি।
পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর দিল্লি এখন অনেক বেশি আগ্রাসীভাবে বাংলাদেশে তিস্তা প্রকল্প ব্যবস্থাপনায় যুক্ত হতে চাইবে। তবে বাংলাদেশের জন্য চিন্তার বিষয় হলো, ভারত কি কেবল ‘নদী ব্যবস্থাপনা’ বা ড্রেজিংয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে? নাকি আন্তর্জাতিক আইন মেনে পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করবে। কারণ, পানি ছাড়া কেবল নদী ব্যবস্থাপনা বাংলাদেশের জন্য খুব একটা সুফল বয়ে আনবে না।
পশ্চিমবঙ্গের এই রাজনৈতিক পটপরিবর্তন বাংলাদেশের জন্য নতুন উদ্বেগেরও জন্ম দিয়েছে। ভারতের দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা হলো ‘জাতীয় নদী সংযোগ প্রকল্প’। এর অন্যতম অংশ হলো মানস-সংকোষ-তিস্তা-গঙ্গা (এমএসটিজি) সংযোগ। এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হলো ব্রহ্মপুত্র অববাহিকার পানি সরিয়ে ভারতের দক্ষিণ ও পশ্চিমাঞ্চলীয় খরাপ্রবণ রাজ্যগুলোতে নিয়ে যাওয়া। ফলে আশঙ্কা তৈরি হয়, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির এই একক নিয়ন্ত্রণ সেই নদী সংযোগ প্রকল্পকে আরও ত্বরান্বিত করতে পারে। যদি মানস ও সংকোষ নদী থেকে পানি সরিয়ে নেওয়া হয়, তবে তিস্তায় পানি বাড়লেও যমুনা ও পদ্মায় পানির প্রবাহ মারাত্মকভাবে কমে যাবে। অর্থাৎ, ভারত হয়তো তিস্তা চুক্তির কথা বলে বাংলাদেশকে শান্ত রাখতে চাইবে, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে নদী সংযোগের মাধ্যমে পুরো অঞ্চলের পানি প্রবাহকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেবে।
বিএনপি সরকার তিস্তা চুক্তিকে তাদের অন্যতম অগ্রাধিকার হিসেবে ঘোষণা করেছে। তবে ভারতের পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ঢাকার সামনে চ্যালেঞ্জটি দ্বিমুখী। একদিকে পশ্চিমবঙ্গের নতুন সরকারের কাছ থেকে পানির গ্যারান্টি আদায় করা, অন্যদিকে দিল্লির বিশাল নদী সংযোগ প্রকল্পের বিরূপ প্রভাব থেকে নিজেদের রক্ষা করা।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদি উজানে ব্রহ্মপুত্রের পানি সরিয়ে নেওয়া হয়, তাহলে কেবল তিস্তা চুক্তি দিয়ে বাংলাদেশের পানির সংকট মিটবে না। ভারত যদি অববাহিকাভিত্তিক ব্যবস্থাপনার কথা বলে প্রকৃত পানি প্রবাহ কমিয়ে দেয়, তাহলে কী হবে? তাহলে বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল থেকে শুরু করে উপকূলীয় অঞ্চলের বাস্তুসংস্থানের জন্য মরণফাঁদ হয়ে দাঁড়াতে পারে। শেষ পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের এই জয় বাংলাদেশের জন্য আশীর্বাদ হবে নাকি অভিশাপ? এর উত্তর নির্ভর করছে ভারত নদীগুলোকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করবে, নাকি অভিন্ন প্রাকৃতিক সম্পদ হিসেবে সম্মান করবে তার ওপর।

মানবাধিকার কোনো বিশেষ দলের জন্য নয়, বরং এটি সবার জন্য সমান ও সর্বজনীন। যাঁরা ভিন্ন মতাদর্শ পোষণ করেন, তাঁদেরও মানবাধিকার পাওয়ার পূর্ণ অধিকার রয়েছে।
১ দিন আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের ৪৯ সদস্য শপথ নিয়েছেন। রোববার (৩ মে) রাত ৯টার দিকে সংসদ ভবনে তাদের শপথবাক্য পাঠ করান স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। এ সময় স্পিকারের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উপস্থিত ছিলেন।
১ দিন আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, বিগত ১৬ বছরের অভিজ্ঞতা আমাদের শিখিয়েছে যে গণমাধ্যমের ব্যর্থতা কীভাবে রাষ্ট্রে ফ্যাসিবাদের বিকাশের পথ প্রশস্ত করে। গুটিকয়েক সংবাদকর্মীর নির্লজ্জ তোষামোদি ও আপসের জন্য জাতিকে চরম মূল্য দিতে হয়েছে।
১ দিন আগে
সংরক্ষিত আসনে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১–দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের নুসরাত তাবাসসুমের গেজেট প্রকাশ না করার অনুরোধ করেছেন জোটের আরেক প্রার্থী মনিরা শারমিন। রোববার (৩ মে) রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত আবেদনে এই অনুরোধ জানান তিনি।
১ দিন আগে