স্ট্রিম প্রতিবেদক

সরকারি ও বেসরকারি ভবনে শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের প্রবেশের সুযোগ নিশ্চিত করার আইনি বিধান মানা হচ্ছে কি না, সে বিষয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একই সাথে ভবনগুলোতে কেন র্যাম্প নির্মাণ করা হবে না, রুলে তা-ও জানতে চাওয়া হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (৫ মে) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ফাহমিদা আক্তার জনস্বার্থে এই রিট আবেদনটি করেন। তিনি নিজেই আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন।
শুনানি শেষে ফাহমিদা আক্তার সাংবাদিকদের বলেন, আমাদের দেশে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার রক্ষায় আইন আছে। এমনকি আমাদের সংবিধানেও নিশ্চয়তা দেওয়া আছে যে প্রতিবন্ধকতা কোনো বৈষম্যের কারণ হতে পারে না। কিন্তু এরপরও আইনের যথাযথ প্রয়োগ নেই। ফলে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা অবহেলিত ও বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন এবং তাঁদের গৃহবন্দী থাকতে বাধ্য করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, একজন মানুষ শারীরিক প্রতিবন্ধকতার শিকার হবেন কি না, সেটি তাঁর হাতে নেই। কিন্তু প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও তিনি কীভাবে বাঁচবেন, সেই পছন্দ করার সুযোগ একজন নাগরিকের থাকা উচিত। অথচ আমাদের দেশের পরিকাঠামো কোনোভাবেই তাঁদের বিশেষ চাহিদাকে পূরণ করতে পারছে না।
রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট এই রুল জারি করেন। ইমারত নির্মাণ বিধিমালা, ২০০৮-এর ৬৪ বিধি কেন মেনে চলা হচ্ছে না এবং এই ব্যর্থতাকে কেন বেআইনি ও অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, রুলে তা জানতে চাওয়া হয়েছে। একই সাথে সরকারি-বেসরকারি ভবন নির্মাণের নকশা অনুমোদনের আগে রাজউক এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কেন প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের প্রবেশের জন্য সুযোগ-সুবিধা ও অধিকারের বিষয়টি নিশ্চিত করবে না, রুলে তা-ও জানতে চেয়েছে আদালত।
এ ছাড়া সর্বসাধারণের ব্যবহারযোগ্য বিদ্যমান সরকারি ও বেসরকারি ভবনগুলোতে শারীরিক প্রতিবন্ধীদের জন্য কেন ‘র্যাম্প’ স্থাপন করা হবে না, সে বিষয়ে সরকারের কাছে জবাব চাওয়া হয়েছে। আইনজীবী ফাহমিদা আক্তার বলেন, শারীরিক সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও পরিকাঠামোগত সুযোগের অভাবে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা অর্থনীতিতে অংশ নিতে পারছেন না। এর ফলে সমাজের একটি বড় অংশ পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে, যা আমাদের সংবিধান কোনোভাবেই সমর্থন করে না। তাই জনস্বার্থে এই রিটটি করা হয়েছে।

সরকারি ও বেসরকারি ভবনে শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের প্রবেশের সুযোগ নিশ্চিত করার আইনি বিধান মানা হচ্ছে কি না, সে বিষয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একই সাথে ভবনগুলোতে কেন র্যাম্প নির্মাণ করা হবে না, রুলে তা-ও জানতে চাওয়া হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (৫ মে) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ফাহমিদা আক্তার জনস্বার্থে এই রিট আবেদনটি করেন। তিনি নিজেই আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন।
শুনানি শেষে ফাহমিদা আক্তার সাংবাদিকদের বলেন, আমাদের দেশে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার রক্ষায় আইন আছে। এমনকি আমাদের সংবিধানেও নিশ্চয়তা দেওয়া আছে যে প্রতিবন্ধকতা কোনো বৈষম্যের কারণ হতে পারে না। কিন্তু এরপরও আইনের যথাযথ প্রয়োগ নেই। ফলে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা অবহেলিত ও বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন এবং তাঁদের গৃহবন্দী থাকতে বাধ্য করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, একজন মানুষ শারীরিক প্রতিবন্ধকতার শিকার হবেন কি না, সেটি তাঁর হাতে নেই। কিন্তু প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও তিনি কীভাবে বাঁচবেন, সেই পছন্দ করার সুযোগ একজন নাগরিকের থাকা উচিত। অথচ আমাদের দেশের পরিকাঠামো কোনোভাবেই তাঁদের বিশেষ চাহিদাকে পূরণ করতে পারছে না।
রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট এই রুল জারি করেন। ইমারত নির্মাণ বিধিমালা, ২০০৮-এর ৬৪ বিধি কেন মেনে চলা হচ্ছে না এবং এই ব্যর্থতাকে কেন বেআইনি ও অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, রুলে তা জানতে চাওয়া হয়েছে। একই সাথে সরকারি-বেসরকারি ভবন নির্মাণের নকশা অনুমোদনের আগে রাজউক এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কেন প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের প্রবেশের জন্য সুযোগ-সুবিধা ও অধিকারের বিষয়টি নিশ্চিত করবে না, রুলে তা-ও জানতে চেয়েছে আদালত।
এ ছাড়া সর্বসাধারণের ব্যবহারযোগ্য বিদ্যমান সরকারি ও বেসরকারি ভবনগুলোতে শারীরিক প্রতিবন্ধীদের জন্য কেন ‘র্যাম্প’ স্থাপন করা হবে না, সে বিষয়ে সরকারের কাছে জবাব চাওয়া হয়েছে। আইনজীবী ফাহমিদা আক্তার বলেন, শারীরিক সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও পরিকাঠামোগত সুযোগের অভাবে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা অর্থনীতিতে অংশ নিতে পারছেন না। এর ফলে সমাজের একটি বড় অংশ পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে, যা আমাদের সংবিধান কোনোভাবেই সমর্থন করে না। তাই জনস্বার্থে এই রিটটি করা হয়েছে।

বায়ুবিদ্যুৎ উৎপাদনে পাঁচ কেন্দ্রের তিনটিই অচল। ব্যবহারযোগ্য দুটির মধ্যে একটিতে মিলছে বিদ্যুৎ। এমন অবস্থায় বিএনপি সরকার নতুন প্রকল্পের উদ্যোগ নিয়েছে। সমুদ্র ও উপকূলীয় এলাকায় বায়ুবিদ্যুতের সম্ভাবনা যাচাই করতে পাঁচটি সমীক্ষার পরিকল্পনা করেছে সরকারের বিদ্যুৎ বিভাগ।
২১ মিনিট আগে
দোকান থেকে খাবার কেনার সময় অধিকাংশ মানুষই প্যাকেটের গায়ে লেখা তথ্য গুরুত্ব দিয়ে দেখেন না। ফলে খাবারে অতিরিক্ত চিনি, লবণ বা চর্বি আছে কি না, তা অনেকেরই অজানা থেকে যায়।
৪০ মিনিট আগে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) ‘পঞ্চম সুফিয়া কামাল স্মারক বিতর্কে’ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে জগন্নাথ হল। শনিবার (৯) মে বিশ্ববিদ্যালয়ের কবি সুফিয়া কামাল হল ডিবেটিং ক্লাবের উদ্যোগে এই প্রতিযোগিতায় জগন্নাথ হলের তার্কিক সংগঠন বিজয়ী হয়। এর মধ্য দিয়ে শেষ হয় দুদিনের বিতর্ক প্রতিযোগিতা।
১ ঘণ্টা আগে
গাজীপুর মহানগরীর পূবাইলের মেঘডুবি এলাকায় পান দোকানি শেফালী বেগম কুলসুম (৪৬) হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) গাজীপুর জেলা।
১ ঘণ্টা আগে