স্ট্রিম সংবাদদাতা

মাগুরা শহরে একই রাতে জেলা সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয় ও সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ে অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। এতে কার্যালয় দুটোতে থাকা জমিজমার দলিল, গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র পুড়ে গেছে। গতকাল শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) রাত ৩টা থেকে ৪টার মধ্যে দুইটি সরকারি কার্যালয়ে এই অগ্নিকাণ্ড ঘটে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, শুক্রবার রাত ৪টার দিকে শহরের কেশব মোড়ে অবস্থিত সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ের নিচতলার পূর্ব পাশের একটি কক্ষ থেকে হঠাৎ ধোঁয়া ও আগুন দেখেন তাঁরা। তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয়রা ও খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। আগুনে কার্যালয়ে থাকা জমিজমার গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র, কম্পিউটার, প্রিন্টার, টেবিল–চেয়ারসহ আসবাব পুড়ে যায়।
এদিকে প্রায় একই সময় শহরের ইসলামপুরপাড়ার রেজিস্ট্রার অফিস মোড়ে অবস্থিত জেলা রেজিস্ট্রার কার্যালয় ভবনের পাশের দলিল লেখকদের তিনটি কক্ষে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। এতে কক্ষগুলোতে থাকা দলিল ও গুরুত্বপূর্ণ নথি পুড়ে যায়। পাশাপাশি সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের জানালা ভেঙে এজলাসে আগুন দেওয়ার চেষ্টা চালানো হলেও বড় ধরনের ক্ষতি হয়নি।
সদর সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোছা. আসমা আক্তার বলেন, রাত তিনটার দিকে দুর্বৃত্তরা ভবনের পেছন দিক দিয়ে জানালা না ভেঙেই পেট্রোলবোমা নিক্ষেপ করে। এতে নিচতলার একটি কক্ষে আগুন ধরে যায়। ঘরে থাকা প্রয়োজনীয় নথিপত্র, কম্পিউটার ও আসবাব সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে।
মাগুরা ফায়ার স্টেশনের লিডার আলেপ মোল্লা বলেন, ‘রাত চারটার দিকে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ট্রিপল নাইন থেকে খবর পেয়ে সদর ভূমি কার্যালয়ে পৌঁছে দেখি একটি রুমে দাউদাউ করে জ্বলছে। আমাদের দুইটি ইউনিট ২০ মিনিটের প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। আগুনে মূল্যবান নথি, কম্পিউটার ও আসবাব সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে।’ পরে তারা জেলা রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে সেখানে গিয়ে আগুন নেভান। সেখানে তিনটি টিনের ঘরসহ দলিলপত্র পুড়ে যায় বলে জানান তিনি।
ঘটনাস্থল দুটি পরিদর্শন শেষে মাগুরা জেলা পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান বলেন, ‘ভূমি রেজিস্টার কার্যালয় দুটিতে কারা আগুন দিয়েছে, আমরা তদন্ত কমিটি করব। এটাকে খতিয়ে দেখে আইনের আওতায় আনব।’
জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ জানান, ‘গতকাল রাতে মাগুরা সদর সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয় দুর্বৃত্তরা আগুন দেয়। বিষয়টি জানতে পেরে জেলা ফায়ার সার্ভিস অফিসকে জানাই। তারা তাৎক্ষণিক এসে আগুন নিয়ন্ত্রণ করেন।’ এর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

মাগুরা শহরে একই রাতে জেলা সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয় ও সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ে অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। এতে কার্যালয় দুটোতে থাকা জমিজমার দলিল, গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র পুড়ে গেছে। গতকাল শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) রাত ৩টা থেকে ৪টার মধ্যে দুইটি সরকারি কার্যালয়ে এই অগ্নিকাণ্ড ঘটে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, শুক্রবার রাত ৪টার দিকে শহরের কেশব মোড়ে অবস্থিত সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ের নিচতলার পূর্ব পাশের একটি কক্ষ থেকে হঠাৎ ধোঁয়া ও আগুন দেখেন তাঁরা। তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয়রা ও খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। আগুনে কার্যালয়ে থাকা জমিজমার গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র, কম্পিউটার, প্রিন্টার, টেবিল–চেয়ারসহ আসবাব পুড়ে যায়।
এদিকে প্রায় একই সময় শহরের ইসলামপুরপাড়ার রেজিস্ট্রার অফিস মোড়ে অবস্থিত জেলা রেজিস্ট্রার কার্যালয় ভবনের পাশের দলিল লেখকদের তিনটি কক্ষে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। এতে কক্ষগুলোতে থাকা দলিল ও গুরুত্বপূর্ণ নথি পুড়ে যায়। পাশাপাশি সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের জানালা ভেঙে এজলাসে আগুন দেওয়ার চেষ্টা চালানো হলেও বড় ধরনের ক্ষতি হয়নি।
সদর সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোছা. আসমা আক্তার বলেন, রাত তিনটার দিকে দুর্বৃত্তরা ভবনের পেছন দিক দিয়ে জানালা না ভেঙেই পেট্রোলবোমা নিক্ষেপ করে। এতে নিচতলার একটি কক্ষে আগুন ধরে যায়। ঘরে থাকা প্রয়োজনীয় নথিপত্র, কম্পিউটার ও আসবাব সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে।
মাগুরা ফায়ার স্টেশনের লিডার আলেপ মোল্লা বলেন, ‘রাত চারটার দিকে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ট্রিপল নাইন থেকে খবর পেয়ে সদর ভূমি কার্যালয়ে পৌঁছে দেখি একটি রুমে দাউদাউ করে জ্বলছে। আমাদের দুইটি ইউনিট ২০ মিনিটের প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। আগুনে মূল্যবান নথি, কম্পিউটার ও আসবাব সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে।’ পরে তারা জেলা রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে সেখানে গিয়ে আগুন নেভান। সেখানে তিনটি টিনের ঘরসহ দলিলপত্র পুড়ে যায় বলে জানান তিনি।
ঘটনাস্থল দুটি পরিদর্শন শেষে মাগুরা জেলা পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান বলেন, ‘ভূমি রেজিস্টার কার্যালয় দুটিতে কারা আগুন দিয়েছে, আমরা তদন্ত কমিটি করব। এটাকে খতিয়ে দেখে আইনের আওতায় আনব।’
জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ জানান, ‘গতকাল রাতে মাগুরা সদর সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয় দুর্বৃত্তরা আগুন দেয়। বিষয়টি জানতে পেরে জেলা ফায়ার সার্ভিস অফিসকে জানাই। তারা তাৎক্ষণিক এসে আগুন নিয়ন্ত্রণ করেন।’ এর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ‘পুলিশ হত্যা’র অভিযোগে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক ও এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়াসহ ৪২ জনকে আসামি করে মামলার আবেদন করা হয়।
২৩ মিনিট আগে
আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর নিরাপদ ও নির্বিঘ্নে উদযাপনের জন্য একগুচ্ছ নিরাপত্তা পরামর্শ দিয়েছে পুলিশ। সড়ক, রেল ও নৌপথের যাত্রী এবং চালকদের প্রতি নিরাপত্তা দির্দেশনা দিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।
৪৪ মিনিট আগে
জুলাই গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের সকাল ছিল ঐকতানের। সরকারি-বিরোধী উভয় দলের মুখে হাসি, উষ্ণ শুভেচ্ছা, সব মিলিয়ে নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতির এক আশাব্যঞ্জক সূচনা। কিন্তু দিন গড়াতেই বদলে যায় দৃশ্যপট। রাষ্ট্রপতির ভাষণকে কেন্দ্র করে ফিরে আসে চেনা উত্তাপ, স্লোগান আর ওয়াকআউট।
১ ঘণ্টা আগে
গুম, খুন এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেপ্তার সেনাবাহিনীর ১৫ কর্মকর্তার বিচার প্রচলিত ‘সেনা আইনে’ করার দাবি জানিয়েছে আসামিপক্ষ। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) আইন সংশোধন করে তাদের বিচার শুরু করাকে ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ এবং ‘সেনা আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক’ বলেও আখ্যা দিয়েছে
৩ ঘণ্টা আগে