স্ট্রিম প্রতিবেদক

ফেসবুকের একটি পোস্টকে ঘিরে চট্টগ্রামের হাটহাজারী মাদ্রাসায় থমথমে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। ইতিমধ্যে পোস্টদাতা যুবককে গ্রেপ্তারের কথা জানিয়েছে পুলিশ। পরিস্থিতি সামাল দিতে ১৪৪ জারি করেছে প্রশাসন।
আজ শনিবার রাতে হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মুমিন স্বাক্ষরিত এক আদেশে ১৪৪ জারি করা হয়।
জানা গেছে, আজ শনিবার ১২ রবিউল আউয়াল উপলক্ষে আয়োজিত জশনে জুলুছে অংশ নিতে যাওয়ার পথে দুপুরে ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন আরিয়ান ইব্রাহিম নামের এক যুবক। হাটহাজারী মাদ্রাসার সামনে মধ্যমা আঙুল দেখিয়ে ছবি তুলে তা ওই পোস্টে যুক্ত করে দেন তিনি। তাতে লিখেন, ‘কিয়ামতের আগ পযন্ত জশনে জুলুছ ঈদে মিলাদুন্নবী চলমান থাকবে ইনশাআল্লাহ।’
দেশের বৃহৎ ও প্রাচীন কওমি মাদ্রাসা আল-জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলূম মুঈনুল ইসলাম-হাটহাজারীর শিক্ষার্থীদের নজরে আসে ওই পোস্ট। সঙ্গে সঙ্গে পোস্টটি ভাইরাল হয়ে যায়। পোস্টটিকে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা অবমাননাকর মনে করেন।
এই ঘটনার পর সন্ধ্যায় আবারও মাদ্রাসার সামনে দিয়ে বাদ্য বাজিয়ে জশনে জুলুসের গাড়ি ফিরতে থাকলে নতুন করে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। এসময় মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ও জশনে জুলুসে যোগ দেওয়া লোকজনের সঙ্গে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হাটহাজারি মাদ্রাসার একজন শিক্ষক স্ট্রিমকে জানিয়েছেন, 'সন্ধ্যায় ইচ্ছে করে মাদ্রাসা ও মসজিদের সামনে বাজনা বাজিয়ে শিক্ষার্থীদের উসকানি দেওয়া হয়েছে। তবে ফেসবুকে পোস্টদাতা ওই যুবককে আটক করার খবর পাওয়ার পর পরিস্থিতি শান্ত হয়ে এসেছে বলে জানিয়েছেন ওই শিক্ষক।
পুলিশ জানিয়েছে, আটক হওয়া ২০ বছর বয়সী ওই যুবকের নাম আরিয়ান ইব্রাহীম। আজ (৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাতটার দিকে ফটিকছড়ি পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের শফিকিয়া দরবার শরীফ এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। আরিয়ান ওই এলাকার মৃত মো. মুছার ছেলে।
আটক হওয়া যুবকের ফেসবুক ঘেঁটে দেখা গেছে, পোস্টটি তিনি ইতিমধ্যে সরিয়ে ফেলেছেন। সন্ধ্যায় একটি ভিডিও পোস্ট করে তিনি আগের পোস্টের জন্য ভুল স্বীকার করে ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন। ভিডিওতে তাঁকে কাঁদতে দেখা গেছে।
পুলিশ জানিয়েছে, দুপুরে ফেসবুকে 'আপত্তিকর' পোস্টটি করার সঙ্গে সঙ্গেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে আরিয়ানের ওই ছবিটি। এতে ফটিকছড়ি ও হাটহাজারীর কওমি ঘরানার জনতার ভেতর ক্ষোভ দেখা দেয়।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, আরিয়ানের ফেসবুক আইডিতে নিজেকে ফটিকছড়ি পৌরসভা ছাত্রদলের সভাপতি হিসেবে পরিচয় দেন। তবে সংগঠনটির ওই শাখার সভাপতি একরাম উল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘আরিয়ান ছাত্রদলের কেউ নন। বিভ্রান্তি ছড়ানোর জন্য সংগঠন থেকে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হাটহাজারী সার্কেল) কাজী তারেক আজিজ বলেন, ‘আরিয়ানকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।’
এদিকে ঘটনাটি কেন্দ্র করে মাদ্রাসা এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ মাইকে ঘোষণা দিয়ে ছাত্রদের শান্ত থাকার আহ্বান জানান।
এ দিকে হাটহাজারী বাসস্টেশন এলাকায় অভিযুক্ত ব্যক্তির ফেসবুক পোস্টের জেরে কিছু লোক সড়ক অবরোধ করে কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করেন।

ফেসবুকের একটি পোস্টকে ঘিরে চট্টগ্রামের হাটহাজারী মাদ্রাসায় থমথমে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। ইতিমধ্যে পোস্টদাতা যুবককে গ্রেপ্তারের কথা জানিয়েছে পুলিশ। পরিস্থিতি সামাল দিতে ১৪৪ জারি করেছে প্রশাসন।
আজ শনিবার রাতে হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মুমিন স্বাক্ষরিত এক আদেশে ১৪৪ জারি করা হয়।
জানা গেছে, আজ শনিবার ১২ রবিউল আউয়াল উপলক্ষে আয়োজিত জশনে জুলুছে অংশ নিতে যাওয়ার পথে দুপুরে ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন আরিয়ান ইব্রাহিম নামের এক যুবক। হাটহাজারী মাদ্রাসার সামনে মধ্যমা আঙুল দেখিয়ে ছবি তুলে তা ওই পোস্টে যুক্ত করে দেন তিনি। তাতে লিখেন, ‘কিয়ামতের আগ পযন্ত জশনে জুলুছ ঈদে মিলাদুন্নবী চলমান থাকবে ইনশাআল্লাহ।’
দেশের বৃহৎ ও প্রাচীন কওমি মাদ্রাসা আল-জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলূম মুঈনুল ইসলাম-হাটহাজারীর শিক্ষার্থীদের নজরে আসে ওই পোস্ট। সঙ্গে সঙ্গে পোস্টটি ভাইরাল হয়ে যায়। পোস্টটিকে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা অবমাননাকর মনে করেন।
এই ঘটনার পর সন্ধ্যায় আবারও মাদ্রাসার সামনে দিয়ে বাদ্য বাজিয়ে জশনে জুলুসের গাড়ি ফিরতে থাকলে নতুন করে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। এসময় মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ও জশনে জুলুসে যোগ দেওয়া লোকজনের সঙ্গে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হাটহাজারি মাদ্রাসার একজন শিক্ষক স্ট্রিমকে জানিয়েছেন, 'সন্ধ্যায় ইচ্ছে করে মাদ্রাসা ও মসজিদের সামনে বাজনা বাজিয়ে শিক্ষার্থীদের উসকানি দেওয়া হয়েছে। তবে ফেসবুকে পোস্টদাতা ওই যুবককে আটক করার খবর পাওয়ার পর পরিস্থিতি শান্ত হয়ে এসেছে বলে জানিয়েছেন ওই শিক্ষক।
পুলিশ জানিয়েছে, আটক হওয়া ২০ বছর বয়সী ওই যুবকের নাম আরিয়ান ইব্রাহীম। আজ (৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাতটার দিকে ফটিকছড়ি পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের শফিকিয়া দরবার শরীফ এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। আরিয়ান ওই এলাকার মৃত মো. মুছার ছেলে।
আটক হওয়া যুবকের ফেসবুক ঘেঁটে দেখা গেছে, পোস্টটি তিনি ইতিমধ্যে সরিয়ে ফেলেছেন। সন্ধ্যায় একটি ভিডিও পোস্ট করে তিনি আগের পোস্টের জন্য ভুল স্বীকার করে ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন। ভিডিওতে তাঁকে কাঁদতে দেখা গেছে।
পুলিশ জানিয়েছে, দুপুরে ফেসবুকে 'আপত্তিকর' পোস্টটি করার সঙ্গে সঙ্গেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে আরিয়ানের ওই ছবিটি। এতে ফটিকছড়ি ও হাটহাজারীর কওমি ঘরানার জনতার ভেতর ক্ষোভ দেখা দেয়।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, আরিয়ানের ফেসবুক আইডিতে নিজেকে ফটিকছড়ি পৌরসভা ছাত্রদলের সভাপতি হিসেবে পরিচয় দেন। তবে সংগঠনটির ওই শাখার সভাপতি একরাম উল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘আরিয়ান ছাত্রদলের কেউ নন। বিভ্রান্তি ছড়ানোর জন্য সংগঠন থেকে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হাটহাজারী সার্কেল) কাজী তারেক আজিজ বলেন, ‘আরিয়ানকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।’
এদিকে ঘটনাটি কেন্দ্র করে মাদ্রাসা এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ মাইকে ঘোষণা দিয়ে ছাত্রদের শান্ত থাকার আহ্বান জানান।
এ দিকে হাটহাজারী বাসস্টেশন এলাকায় অভিযুক্ত ব্যক্তির ফেসবুক পোস্টের জেরে কিছু লোক সড়ক অবরোধ করে কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করেন।
.png)

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তের শূন্যরেখা এলাকায় স্থলমাইন বিস্ফোরণ বাংলাদেশি এক যুবক আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরে উপজেলার সদর ইউনিয়নের জারুলিয়াছড়ি সীমান্তের আগা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বিজিবির নাইক্ষ্যংছড়ি ১১ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. ফয়জুল কবির এ সব তথ্য জানান ।
৩৫ মিনিট আগে
হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘জুলাই পদযাত্রা’ কর্মসূচিতে স্থানীয় বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা হামলা ও ভাঙচুর চালিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে দলের মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলমসহ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় হবিগঞ্জ জেলা সার্কিট হাউস প্রাঙ্গণে এ ঘটনা ঘটে।
১ ঘণ্টা আগে
পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, ১৭ বছর আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ভিত্তি তৈরি করেছে বিএনপি।
১ ঘণ্টা আগে
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর এসকে সুর চৌধুরীকে তিন বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-২-এর বিচারক আয়েশা নাসরিন এই রায় ঘোষণা করেন। দুদকের আইনজীবী এস এম আবুল কালাম আজাদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
১ ঘণ্টা আগে